28/11/2022
🍲 স্পেশাল ইন্সট্যান্ট রাজমা খিচুরি মিক্স 🍲
🥣স্টেজ ( 1বছর থেকে প্রাপ্তবয়স্ক )🥣
♦যে সকল আপুদের বাচ্চা খাওয়া নিয়ে খুব জ্বালায়, ঠিকমত বাচ্চা কে খাওয়ানোর সময় পান না অফিস +সংসার দুটোই সামলাতে হচ্ছে বলে বাচ্চাদের কি খাওয়ালে ভালো হবে এবং বাচ্চারটাও খাওয়া নিয়ে ঝামেলা করবে না ভাবছেন, সে সকল আপুদের বলছি আপ্নারা একবার হলেও ট্রাই করে দেখবেন। দামে কম মানে 100 এ 100%.
অনেকেই হয়তো বলবেন খিচুরি আবার কিনে খাওয়ানোর কি আছে! তাদের বলব আমার খিচুরি আপ্নার বাসায় বানানো খিচুরির চেয়ে আলাদা হবে। কেন বলছি? কারণ আমি এতে ইউজ করেছি বিভিন্ন রকম চাল,বিভিন্ন রকম ডাল, রাজমা আরও অনেক কিছু। তাই এটি যেমন পুষ্টিগুনে অন্যান্য তেমনি খেতেও অনেক সুস্বাদু। তাই বাচ্চা টাও কোনো বাহানা না করে মজা করে খাবে ইনশাআল্লাহ।
👉খিচুড়ির পুষ্টি গুন :
খিচুড়িতে থাকে ভাতের শর্করা, ডালের প্রোটিন আর সবজির ভিটামিন। তাই সুষম পুষ্টিতে অনন্য এ খাবার।
* খিচুড়িতে ব্যবহৃত ডাল, যেমন মুগ বা মসুর বা ছোলা ফাইবারের ভালো উৎস। এতে ফলিক অ্যাসিড, ম্যাগনেশিয়াম, তামা, পটাশিয়ামসহ উপকারী অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট রয়েছে। ডাল প্রোটিনের চাহিদা মেটানোসহ হজমে সহায়তা করে।
* খিচুড়িতে একই সঙ্গে শর্করা, ক্যালসিয়াম, আমিষ, ভিটামিনসহ অন্য বেশ কয়েকটি অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট বিদ্যমান থাকায় একে শক্তিবর্ধক ও স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
* খিচুড়ি প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেটের সমতা রক্ষা করে। এ জন্যই পরিপূর্ণ আহার বলা হয়। খিচুড়িতে যেহেতু ডাল থাকে, তাই এ ডালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য–আঁশ, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও অত্যাবশ্যকীয় অ্যামিনো অ্যাসিড। কম খরচে সব বয়সের, সব মানুষের ভালো মানের খাবার বলতে এককথায় খিচুড়ি।
* খিচুড়ি বেশ সহজপাচ্য। তাই অল্প সময়েই শরীরের দুর্বলতা কাটিয়ে শক্তি জোগায়। ছয় মাসের শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ—সবাই খেতে পারে খিচুড়ি।
* প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট থাকায় খিচুড়ি বদহজম, ডায়রিয়া, অ্যাসিডিটিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য আদর্শ খাবার। এ ছাড়া সার্জারি, সংক্রমণ বা জ্বর থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য খিচুড়ি খুব ভালো। অসুস্থ রোগীদের জন্য এটি সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাবার।
✅উপকরণ :
রাজমা, লাল বিন্নি চাল, পোলাওর চাল, আতপ চাল, নাজিরশাইল চাল, মুগ ডাল, মসুর ডাল, মাষকলাইয়ের ডাল,ছোলার ডাল, জিরা,এলাচ,হলুদ
⛔রাজমা:
রাজমা উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের একটি প্রধান উৎস এবং এর উপকারিতা অনে
ইউএসডিএ অনুযায়ী, ১০০ গ্রাম কাঁচা কিডনি বিনে প্রায় ২৪ গ্রাম প্রোটিন রয়েছে। পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন, রাজমা প্রচুর প্রোটিন এবং উচ্চ মানের ফাইবারসমৃদ্ধ। যদি একটি খাবারেই বিভিন্ন অ্যামাইনো অ্যাসিড চান তবে শস্য ও বাদামের মিশ্রণ খাদ্য হিসেবে উপকারী।
রাজমা দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় ফাইবার সমৃদ্ধ। আমাদের পাচনতন্ত্র সুস্থ রাখতে সাহায্য করে ফাইবার, পাশাপাশি অন্ত্রের সমস্যা কমায়।
রাজমা কার্বোহাইড্রেটে ভরপুর। তবে এই কার্বোহাইড্রেট মোটেই ক্ষতিকারক নয়। এই কার্বোহাইড্রেট হজমে বিলম্ব ঘটায়, যার ফলে রক্তপ্রবাহে শর্করাও নির্গত হয় অল্প। কিডনি বিন কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স সম্পন্ন হওয়ায় এটি ডায়াবেটিসের রোগীর জন্য আদর্শ খাদ্য।রাজমায় রয়েছে রক্ত তৈরি করে এমন আয়রন ও ফসফরাস। যা হাড় ও দাঁত মজবুত রাখতে সাহায্য করে, এর মধ্যে থাকা ভিটামিন কে স্নায়ুতন্ত্রের রক্ষাকারী হিসেবে কাজ করে।
এটি উচ্চমানের প্রোটিন এবং ফাইবারে ভরা। অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে বলে এটি বারে বারে খাওয়ার প্রবণতা কমায়, ফলে ওজনও থাকে নিয়ন্ত্রণে। এছাড়াও এর মধ্যে রয়েছে প্রতিরোধী স্টার্চ। যা ওজন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
⛔চালের পুষ্টিগুণ
১০০ গ্রাম সিদ্ধ চালের ভাত থেকে আপনি পাবেন
১২৩ গ্রাম ক্যালরি,
২৬ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট,
১ গ্রাম ফ্যাট, এবং
প্রোটিন ৩ গ্রাম।
অন্যদিকে আতপ চালের ১০০ গ্রাম থেকে পাচ্ছেন
১৪০ গ্রাম ক্যালরি,
৩১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট,
২ গ্রাম ফ্যাট এবং
প্রোটিন ৫ গ্রাম।
⛔মুগ ডালের পুষ্টি গুণ:
এই ডাল প্রোটিন, প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড, ফাইবার ও ভিটামিন বি১ -এ ভরপুর।
মুগ ডালের উপকারিতা:
- ওজন কমাতে সাহায্য করে।
- গর্ভবতী মহিলাদের জন্য মুগডাল খুবই উপকারী।
- শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত কোলেস্টেরল কম করতে সাহায্য করে মুগ ডাল।
⛔মুসুরি ডাল:
লাল রঙের মুসুরি ডালের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও প্রোটিন থাকে। মাত্র এক কাপ মুসুর ডালে ২৩০ ক্যালোরি, প্রায় ১৫ গ্রাম ফাইবার এবং ১৭ গ্রাম প্রোটিন থাকে।
✏মুসুরি ডালের উপকারিতা:
- মুসুরি ডাল পেটের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে, সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
- শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি থাকলে অবশ্যই মুসুরি ডাল খান, কারণ এই ডাল পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে।
- শরীরে জমে থেকে কোলেস্টেরল দূর করে, শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
⛔ছোলার ডাল:
ছোলার ডালে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং প্রোটিন পাওয়া যায়। ছোলার ডাল আপনার শরীরকে সুস্থ রাখার সঙ্গে সঙ্গে পর্যাপ্ত শক্তি সরবরাহে সহায়ক।
✏ছোলার ডালের উপকারিতা:
- ছোলার ডাল ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী হিসাবে বিবেচিত হয়।
- এতে কোলেস্টেরলের পরিমাণ খুব কম।
- ছোলার ডাল খাওয়া রক্তাল্পতা, জন্ডিস, কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য খুব উপকারী বলে বিবেচিত হয়।
⛔মাষকলাইয়ের ডাল:
পেশি গঠনেঃ পেশির কোষের বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে মাষকলাই ডাল। শরীরের বৃদ্ধিতে ডালে থাকা প্রোটিন খুবই দরকারি। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেঃ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখতে পারে মাষকলাই ডাল। স্নায়বিক রোগ সারাতেঃ স্নায়বিক দুর্বলতা, স্মৃতি দুর্বলতা, সিজোফ্রেনিয়ার, হিস্টিরিয়ার মতো সমস্যা দূর করতে পারে মাষকলাই।
⛔জিরা:
জিরায় পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রন বিদ্যমান, যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং রোগপ্রতিরোধে বিশেষ কার্যকর। জিরায় আয়রনের পাশাপাশি ভিটামিন-এ ও সি আছে। জিরায় আয়রন বিদ্যমান থাকায় হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধিতে রক্তশূন্যতা দূর করে।
⛔হলুদ:
মূলত পরিপাক তন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর মধ্য দিয়ে হজম ক্রিয়া সচল রাখতে সহায়তা করে।
⛔এলাচ:
অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর করা থেকে শুরু করে পরিপাকতন্ত্র সক্রিয় রাখতে ও হজম বাড়াতে এলাচ অনেক উপকারী। এ ছাড়াও বুক জ্বালা, বমি বমি ভাব থেকে মুক্তি পেতে কার্যকর >> শরীরের ক্ষতিকর টক্সিনও দূর করতে পারে এলাচ।
no artificial flavour & colour
preservative
chemical ingredient
# Only Home made
💵 মূল্য :: ৫০০ গ্রাম 250টাকা,
১ কেজি 500 টাকা।
ঢাকার মধ্যে ক্যাশ অন ডেলিভারি (৮০ টাকা চার্জ), ঢাকার বাইরে সুন্দরবন কুরিয়ারে পাঠানো হবে ডেলিভারি চার্জ বিকাশে দিয়ে অর্ডার কনফার্ম করতে হবে। বাকি টাকা প্রডাক্ট হাতে পাওয়ার পর, কুরিয়ার অফিস এ দিয়ে প্রডাক্ট নিয়ে যাবেন। অর্ডার করতে পণ্যটি কি পরিমাণে নিতে চান, আপনার ডিটেল এড্রেস আর মোবাইল নাম্বারসহ কমেন্ট/ পেইজে ইনবক্স করুন!
🚩সতর্কতা : অনেকের বাদামে এলার্জি/Intolerance থাকে, তাই বাদামের তৈরি খাবার খাওয়ানোর পূর্বে বাদামে এলার্জি বা ইনটলারেন্স আছে কিনা নিশ্চিত হয়ে নিবেন।