07/05/2026
যেসব অজুহাত মা র ধরকারিদের মুখে শোনা যায়--
১. আমি একা বাচ্চা পালি, কেউ সাহায্য করে না
২. আমার বাচ্চা খুব দুষ্ট, কারো কথা শুনে না, আপনি একদিন পেলে দেখেন তাহলে বুঝবেন
৩. আশেপাশের লোকজন খুব বিরক্ত করে, ওদের কথা আমার ভালো লাগে না, কী করবো বুঝতে পারি না, বাচ্চাও কথা বুঝতে চায় না
৪. আমি অসহায় এবং এক্সহস্টেড ফিল করি, বাচ্চাটা একদমই সাহায্য করে না
৫. একসাথে ২ বাচ্চা পেলে দেখেন, না মে রে থাকা যায় না
৬. পাশাপাশি ২ বাচ্চা পেলে দেখেন
৭. যমজ দুই বাচ্চা পেলে দেখেন
৮. যৌথ পরিবারে বাচ্চা পেলে দেখেন
উপরের কোনো ক্ষেত্রে কখনো শুনেছেন এই রাগান্বিত মা কখনো বাচ্চা ছাড়া আর কাউকে মেরেছে? কখনো অথর্ব দায়িত্বজ্ঞানহীন স্বামীকে মেরেছে, শুনেছেন?
কখনো শুনেছেন পরিবারের 'বিষে ভরা নাগিন' শাশুড়িকে কেউ মেরেছে?
কখনো শুনেছেন নাতির পাশে বসে সিগারেট টানা নানাকে কেউ মেরেছে?
কই না তো। কেউ তো মারে না।
(আমি মারতে বলছি না কিন্তু )
অন্যায় অপরাধ খারাপ আচরণ বাজে কাজ পরিবারের আর সবাই-ই তো করে।
মার খায় কেন বাচ্চাটা?
কারণ এদের মাথায় এটা ঠিকই থাকে যে উপরোক্ত কাউকে মারধর করা যায় না। শুধু বাচ্চাকেই মারধর করা যায়।
ঠিক এই জায়গায় আপনার চিন্তাটা পরিবর্তন করতে হবে।
শাশুড়িকে যেমন মারা যায় না, বাচ্চাকেও তেমন মারা যায় না। এটা আপনার অপশনই না।
সিগারেট খাওয়া বাবাকে যেমন বাউন্ডারি শেখাতে হয়, রেসপনসিবল বানাতে হয় আলোচনা করে, কথা বলে, ঘরে সীমারেখা টেনে--বাচ্চার দুষ্ট আচরণও সেভাবেই সামলাতে হয়, মেরে না।
যদি নিজের খারাপ থাকা, ডিপ্রেশন কিংবা ক্লান্তিই শিশুকে মা রা র কারণ হতো তাহলে শুধু শিশু আর কাজের লোক মার খেত না, মা র খেত আপনার অফিসের বস, আপনার ভাদাইম্যা স্বামী, আপনার কুটনি মা, আপনার কথা না শোনা বাবা এবং আপনার বেয়াদ্দপ ইন লজ।
কিন্তু আপনি শিখেছেন, জানেন যে 'এটা করা যায় না।'
এটা ভদ্রতা না। জাস্ট সেটাই আবার নতুন করে শিখুন।
কাউকে মা র ধ র করা যায় না। শিশুকেও না। কাজের লোককেও না।