28/05/2024
আমাদের দেশে কয়েক ধরনের রাধুনি আছে।
উদাহরণ দিই চলেন:
১) কিছু মানুষ তারা অন্যলোককে দিয়ে কাটাকাটি করিয়ে, ধুইয়ে নিয়ে, মসলা সবকিছু করিয়ে নিয়ে , খালি চুলায় বসে খুন্তি নাড়বে আর নিজেকে বিশাল রাধুনি মনে করবে, আর সারাদিন গান গাইবে আমি রেধেছি ওরে আমি রেধেছি।
২) কিছু আছে যারা চুলায় বসবে আর 14 জনকে ডাকবে,লবণ আনো,তেল আনো, লঙ্কা এনো, আরো কত কি,সবকিছু এনেদিলেও পরে দেখবেন তাও বলবে তরকারি দেবো, ভাত তুলবো এসবের থালাবাসন আনো,চামচ আনো। মানে আনোবিবি।
৩)কিছু লোক আবার কাটাকাটি, ধোয়া, মশলা করা, রান্না চুলায় বসা সবকিছু একাই করবে মুখ বন্ধকরে চুপচাপ,রান্না হবে নিয়ে যাবে। খাওয়ার সময় সবাইকে পরিবেশন ও আবার এরাই করবে।
৪) আরেক ধরনের রাধুনি আছে এরা খালি ধুয়েই যাবে, ধোয়া বাসন আবার ধবে, পরিষ্কার সবজি মাছ আবার ধোবে, 14 বার হাত ধবে তারপর রান্না করবে, আবার রান্না করতে করতেও 14 বার হাত পা ধোবে আরো কত কি।
৫)এবার বিশেষ আরেকধরনের রাধুনি আছে এরা খালি সেন্টু মারবে আর অর্ডার করবে বসে, এটা কর ওটা করো আর ভুল ধরবে রান্না যতই ভালো হোক। যতই ভালো করে রেধে দাও না কেনো, তাদের মন তুমি পাবা না। এতো ভালো রাঁধুনী তারা। তাদের যদি সেরা রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার এনে দেন তাও তারা ভুল ধরবেই। এদের পাতেই চুল পড়ে, কাঁকর পরে, এদের রান্নায় তেল মশলা ঝাল নুন মিষ্টি সব বেশি হয় আবার কম দিলেও জ্বালা। কারণ ভুল না ধরলে এদের পেটের ভাত হজম হয়না আরকি।
৬)আরেকধরনের আছে এরা রান্না চুপচাপ খাবে হ্যা না কিছুই বলবেনা।ভালোও না খারাপও না🤔। তুমি কনফিউজড হয়ে যাবে।
ছবি:- নিজস্ব