Airin's LifeStyle - আইরিন লাইফস্টাইল

Airin's LifeStyle - আইরিন লাইফস্টাইল আইরিন লাইফস্টাইল অফিসিয়াল পেজ

09/09/2025

কালো কালো জতন।❤️❤️
😍😍

Send a message to learn more

20/06/2025

পৃথিবীতে চেষ্টা করলে কোন কিছুই অসাধ্য না, মানুষ চাইলে পৃথিবীর সব কিছুর সাথে মানিয়ে বাঁচতে পারে, তবে একটা সত্যি কথা মানসিক শান্তি টাই মানুষের অনেক বড় শান্তি দিনশেষে

আমার কলিজার বাপজান❤️
20/06/2025

আমার কলিজার বাপজান❤️

24/02/2025

আমার জীবনে দেখা একটা মেয়ের গল্প , মেয়েটির খুব অল্প বয়সে বিয়ে হয় স্কুল জীবনে বাবা-মা তাকে বিয়ে দিয়েছে গ্রামের একটি ছেলের কাছে ছেলে ছেলে টি অনেক আগ্রহ করে মেয়েটিকে বিয়ে করে নিয়েছে,, কিন্তু ছেলেটি দেখেছে মেয়ের বাবা সরকারি কর্মকর্তা বিয়ে করলে ঘর ভর্তি ফার্নিচার পাবে চেন পাবে আন্টি ভাবি ঘরে পাবে শত শত মানুষ বিয়ে বাড়িতে এসে খাবে কিন্তু বিয়ের তিন মাসের মাথায় মেয়েটির একটা সন্তান গর্বে আসে তখন তাকে আনুষ্ঠানিক করে নেওয়া হয়নি শশুর বাড়ি, মেয়েটি অনেক ছোট তার আবার একটু বাচ্চা হবে, সেই ছোট্ট মেয়েটি তার স্বামীকে অনেক ভালোবাসতে শুরু করে কিন্তু আমি ভালোবাসা বুঝি না সে শুধু বুঝে টাকা পয়সা শ্বশুরবাড়ি থেকে যৌতুক,এভাবে এক মাস দু মাস করে ৯ মাস হয়ে গেল মেয়েটিকে আর শ্বশুর বাড়ি নেয় না মেয়ের বাবাকে শর্ত দেয় মেয়েটির স্বামী ঘর ভর্তি ফার্নিচার দিতে হবে ঘড়ি আন্টি চেঞ্জ দিতে হবে, মেয়েকে ছয় ভরি স্বর্ণ দিতে হবে এবং ১০০ লোক খাওয়াতে হবে তাহলে মেয়েটি স্বামীর বাড়ি যেতে পারবে, তারপরে অনেক ঝামেলার পরে মেয়ের বাবা মেয়েটিকে কিছু গহনা দিয়ে শ্বশুরবাড়িতে পাঠায় কিন্তু মেয়েটির কপালে তো সুখ ছিল না মেয়েটিকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি স্বামী শাশুড়ি ননদ নয় মাসের আত্মসত্ত্বা মেয়েটিকে নিয়ে পান্ত ভাত দিয়ে খেতে দেয়, আর বিছানা দেয় একটি চৌকিতে হোগলার উপরে একটি খাতা বিছিয়ে বালিশ ছাড়া, সকালে ঘুম থেকে উঠার পরে এতো এতো হাড়ি পাতিল দেয় মাজার জন্য কল চেপে,তখন মেয়েটি নবম শ্রেণীতে পড়ে মাত্র, কতটুকুই বা বুদ্ধি আছে, দুদিন পরে যখন মেয়েটির বাবা ভাই মেয়েটিকে নিতে আসে তাদেরকে চরম অপমান করে, তারপরে বাবা মার কাছে মেয়েটি চলে আসে, আসার ১৫ দিনের পর মেয়েটির একটা কন্যা সন্তান জন্ম নেয় চাঁদের মতো দেখতে দেখলি চোখ জুড়ে যায়, মেয়েটি স্বামী মেয়েটির সনতান জন্ম দেয়ার জন্য যত টাকা খরচ হয়েছে কোন খরচ দেয়নি, এভাবে দিন যায় বছর যায়, সেই বিয়ের পর থেকে নয় বছর মেয়েটি বাবা মায়ের কাছে থাকে এই কন্যা সন্তান সহকারে সাথে সাথে মেয়েটি লেখাপড়াও করে কিন্তু তার স্বামী তার কোন খরচ সন্তানের খরচ কিছুই বহন মন চাইলে একটা চিপস নিয়ে আসতো দেখার জন্য, সন্তানের জন্য কি মানুষের মায়া থাকে না পৃথিবীতে, এমন করে অনেকগুলো বছর কেটে গেল তার মধ্যে, মেয়েটি এসএসসি, এইচএসসি পাস করে, তার মধ্যে মেয়েটির একটা ছেলে সন্তানের জন্ম নেয়, মেয়েটির বাবার বাড়ি থাকা অবস্থায় মাঝেমধ্যে তার স্বামী আসতো, ছেলেটির বয়স যখন ৯ মাস তখন তার মেয়ের জ্বর হয় ডাক্তার দেখানোর পরে ধরা পড়ে ছোট্ট মেয়েটির দুটো কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে, তখন মেয়েটি পাগলের মত করে কন্যা সন্তানের জন্য, ছোট ছেলে আর অসুস্থ মেয়ে নিয়ে, মেয়েটির বাবার ছায়া তার কন্যার চিকিৎসা শুরু করে ঢাকা পিসি হসপিটাল দিনের পর দিন মাসের পর পাশ হসপিটালে পড়ে থাকি মেয়েটাকে নিয়ে মেয়েটির নাম হল নওশীন মিম, আর ছেলেটির নাম হলো সিয়াম, এভাবে হাজারো কষ্ট অপেক্ষা করে মেয়ের চিকিৎসা চালায় সেই মেয়েটি মানুষের দোষে দোষে হাত পাতে, পিজি হাসপাতালের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে সন্তানের চিকিৎসার জন্য হাত পেতে টাকা চেয়েছে মানুষের কাছে, কত হাজার রাত ঘুমায় নাই, কত দিন গেছে সারাদিন এক বেলা ভাতও জোটে নেই, অথচ মেয়েটির স্বামী একটি সরকারি চাকরি করে, এভাবে চিকিৎসা করতে করতে চার বছর কেটে যায়, হঠাৎ একদিন ছোট্ট মিম অসুস্থ হয়ে পড়ে, সেই অবস্থায় মিমকে নিয়ে দ্রুত ঢাকা চলে যাই পিসি হসপিটাল সেখানে তাকে পিসি হসপিটালের ডি ব্লকের তিনতলায় শিশু কিডনি ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হয় ডাক্তার হাবিব স্যারের আন্ডারে, মেয়েটির বাবা এসে কিছু টাকা দিয়ে যায় তা দিয়ে মিমের চিকিৎসা শুরু হয় ৪-৫ দিন চিকিৎসার পরে মেয়েটিকে ডায়ালিসিস শুরু করে এভাবে ডায়ালিসিস করতে থাকে দীর্ঘদিন ভর্তি অবস্থায়, একসময় মিম বলে মা আমার ডায়ালিসিস করতে ভালো লাগেনা অনেক কষ্ট যন্ত্রণা তার চেয়েও ভালো আমি আর ডায়ালিসিস করতে চায়না, আম্মু তুমি তোমার একটা কিডনি দিয়ে আমাকে বাঁচাও আমি আর চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না, কারণ আমার তো কিডনি আছে কিন্তু টাকা তো নাই কিডনি দিতে তো অনেক টাকা লাগে কোথায় পাবে এত টাকা কিভাবে বাচাবো আমার কলিজার টুকরা কে,একদিন আমার স্বামীর অফিসের একজন অফিস সহকারি ভাইয়ের নাম্বার সংগ্রহ করি, তার সাথে কথা বলে, তার বড় অফিসার মহোদয়ের স্যারের নাম্বারটা সংগ্রহ করি তারপরে তার সাথে কথা বলি অনেক মানবতা দেখিয়েছে আমাকে, আমি ওনার প্রতি অনেক কৃতজ্ঞ সে আমাকে আমার সন্তানকে নিয়ে অফিসে যাওয়ার কথা বলছে ভর্তির কাগজপত্র নিয়ে, এখন ভর্তি রুবি তো হসপিটাল থেকে বের হতে পারবে না কি করে নিয়ে যাব তখন আমার বাবাকে বললাম আপনি ওর বেডে বসে থাকে আমি আশা রাখ পর্যন্ত আমি সিস্টার কে মিথ্যা কথা বলে, বোরকা পরে তার ভিতরে ভর্তির কাগজ নিয়ে আর মিমকে কোলে নিয়ে বলি ওকে একটু নিচে ঘুরে আসি, এই বলে হসপিটাল থেকে বের হয়ে তার অফিসে যাই সেখানে গিয়ে গেটে স্যারের কথা বলি তারপর আমাদেরকে ঢুকতে দেয়, কিন্তু সরাসরি স্যারের সাথে দেখা করতে পারিনি ধাপে ধাপে৬,৭ জন স্যারের সাথে দেখা করতে হয় আমার, সারাদিন সেখানে চলে যায় মা মেয়ে দুজনেই না খেয়ে, পরে বড় স্যার আমাকে ৫০০০০ টাকা হাতে দিয়ে বলে আপনার মেয়ের চিকিৎসার দায়িত্ব আমরা নিলাম আপনি মা হয়ে কিডনি দিবেন এত অল্প বয়সে আমরা আছি আপনার পাশে, তারপরে আমাকে সেখান থেকে বিদায় করে আমি হসপিটাল চলে আসি, এভাবেই মেয়ের চিকিৎসা করতে থাকি, এরমধ্যে আমার স্বামী আমাদের কোন খোঁজ নেয়নি, হঠাৎ যখন শুনতে পেল ৫০০০০ টাকা দিচ্ছে অফিস থেকে, সে স্যারদের সাথে কান্না করে ঢাকাতে আসে হসপিটালে ছুটি নিয়ে, কিন্তু এই শুরু হয় আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করা অফিস থেকে টাকা দিয়ে যায় আর সে নিয়ে, তার হাতে খরচ করে সব টাকা, আমার স্বামী মানুষটা জানালার রুপি পশু, এভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলতে থাকে দীর্ঘ ১১ মাস পরে পিজি হসপিটালে ভর্তি অবস্থায় ২০১৫ সালে আমার মেয়ের চিকিৎসা চলতে থাকে ২০১৬ সালে জানুয়ার ২৪ তারিখে আমার মেয়েকে মীমকে আমার একটা কিডনি দান করি, ওটিতে যাওয়ার আগে আমার বাবা মায়ের কাছে আমার ছেলেটিকে রেখে যাই বলেছি মা আমি যদি মারা যাই তাহলে তুমি আমার ছেলে মেয়েকে দেখে রেখো তোমাদের সন্তানের মত করে, যাইহোক অনেক ত্যাগ কষ্ট সবকিছুর বিনিময়ে আমার মেয়েটি মায়ের নতুন কিডনি পেয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ হতে লাগল এবং আস্তে আস্তে চিকিৎসার মাধ্যমে আরেকটা সুস্থ হয়ে গেছে, ডাক্তার বলেছে ঢাকাতেই থাকার জন্য কিন্তু আমার স্বামী আমাকে ঢাকাতে রাখে নি,গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দিছে, গ্রাম থেকে ঢাকা হসপিটালে কিছুদিন পরে পরে ফলোআপ দিতে যাই, এরকম করতে করতে তিন বছর হল মেয়েটা অনেক সুস্থ হল, কিন্তু স্বামীর অত্যাচার কমলো না সন্তানদের সাথেও খারাপ ব্যবহার করে, এতোটা খারাপ করে, খারাপ ব্যবহার নিয়ে বেঁচে থাকা যায় না, ২০১৯ সালে মার্চ মাসে আমার স্বামী রেপ 6 এ জয়েন করে আর মে তিন মাসের ওষুধ কিনে দিয়ে যায়, ডাক্তার বলছে তিন মাস পরে আবার, ফলোআপে যাওয়ার জন্য, কিন্তু সাত-আট মাস হয়ে গেছে ঢাকা যেতে দেয় না টাকা দেয় না যাওয়া হয় না, হঠাৎ একদিন আমার মেয়েটা অসুস্থ হয়ে পড়ে, সাথে সাথে ঢাকা নিয়ে যাই,,পিসি হসপিটালে, ডাক্তার ওকে দেখে ভর্তি করলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করালো রিপোর্ট করল ডাক্তার দেখে আমি যে কিডনি টা দিয়েছি,সেই কিডনি ও ড্যামেজ হয়ে গেছে, ডাক্তার দাঁড়ানো থেকে বসে পড়ছে কি করলেন এটা আপনারা আমার তো কিছু করার নাই আমার স্বামীর টাকার অনেক দাম আজকে আমার স্বামীর জন্য আমার মেয়েটার এই অবস্থা, এক মাস দুই মাস হসপিটালে ভর্তি ছিলাম কিছুতেই মেয়েকে সুস্থ করতে পারিনা সে অসুস্থ অবস্থায় রিলিজ করে গ্রামে নিয়ে আসি, তার এক সপ্তাহ পরে আবার অসুস্থ হয়ে পড়ে আবার ঢাকাতে নিয়ে যাই, সে অসুস্থ অবস্থায় আমার মেয়েটা আর হাঁটতে পারে না নিঃশ্বাস নিতে পারে না, ডাক্তার দেখে ওর হার্ট ব্লক হয়ে গেছে ফুসফুসে পানি জমে সাদা হয়ে গেছে কিডনি ও শেষ হয়ে গেছে এখন আরো বাঁচবে না ওর এখন লাইভ সাপোর্ট লাগবে আমি পাগলের মত হয়ে গেলাম, তার বাবা থেকে ছুটিতে আসে না ঢাকাতে, অসহায়ের মত মেয়ে নিয়ে ডাক্তারের পিছনে ঘুরি আমার মেয়েকে সুস্থ করে দেন, ১২ দিন ভর্তি অবস্থায় আইসিওতে, সে বারো দিন আমি ডাক্তারের পায়ে ধরে বসে ছিলাম বলেছি স্যার আমার মে আই সি ওতে আমিও তো থাকবো ডাক্তার ঢুকতে দিবে না ডাক্তার বলছে ঢুকতে পারবে বেরোতে পারবেন না আমি ডাক্তারের কাছে মেনে নিলাম মেয়ের সাথে ঢুকলাম জীবিত আর বের হলাম মৃতো মিম কে নিয়ে , মা হয়ে কি কষ্ট সহ্য করা যায় সত্যানের মৃত্যু আমি কেমন মা বাঁচাতে পারলাম না মেয়েকে,এর মধ্যে হাজারো কাহিনী করছে আমার স্বামী,যাক সেগুলো আর নাই বললাম, অ্যাম্বুলেন্সে মেয়েকে নিয়ে চলে আসলাম বরিশালের বাড়িতে আমার কলিজার টুকরা আমাকে ছেড়ে চলে গেল, কোথায় খুজে পাব আর কলিজার টুকরা কে আল্লাহ তো ভালবেসে তার কাছে নিয়ে গেছে আমার কষ্ট তো আল্লাহ বুঝলো না আল্লাহ তো লোকে ভালবাসে ওকে দিয়ে গেছে জান্নাতে আমার পাখি জান্নাতে আছে,, তুমি মিম মারা যাওয়ার পরে থেকে সংসার একটু একটু করে ভাঙতে শুরু করল,, এই সবে অত্যাচার খারাপ আচরণ ছেলের সাথে খারাপ ব্যবহার সংসারের খরচ বহন না করা ছেলের লেখাপড়া খরচ বহন না করা আমার চিকিৎসা না করা এভাবে সংসারটা নষ্ট হতে শুরু করলো,,💙💚এরপরে আরো গল্প আছে নেক্সট টাইমে বলবো,,

গ্রামের দৃশ্য কলুই শাকের ক্ষেত ❤️
10/02/2025

গ্রামের দৃশ্য কলুই শাকের ক্ষেত ❤️

22/01/2025

আমার ছেলে বরিশাল জিলা স্কুলে পড়ে স্কুলের ভিতর ভিডিও বানালাম কেমন হয়েছে কমেন্টে জানাবেন

22/01/2025

বাপজানের জন্য খিচুড়ি রান্না করেছি, আমার বাপজান খিচুড়ি অনেক পছন্দ কর।

Address

Barishal
8200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Airin's LifeStyle - আইরিন লাইফস্টাইল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share