নারী কুটির

নারী কুটির Classic,Modern and traditional & exclusive outfits. " নারী কুটি " is mainly a retailer of Ladies & Kid's outfits

🇧🇩 **১৬ ডিসেম্বর – মহান বিজয় দিবস** 🇧🇩শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।বিজয়ের চেতনায় জাগ্রত হোক নারীসমাজ।✨ শুভ বিজয় দিবস ✨— **...
16/12/2025

🇧🇩 **১৬ ডিসেম্বর – মহান বিজয় দিবস** 🇧🇩
শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।
বিজয়ের চেতনায় জাগ্রত হোক নারীসমাজ।

✨ শুভ বিজয় দিবস ✨
— **Nari Kutir**

#বিজয়দিবস #১৬ডিসেম্বর

06/09/2025
অল্প খরচে সংসার চালানোর স্মার্ট কৌশল!বর্তমানের মুদ্রাস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্যের চাপে অনেকেই সংসার পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছেন।...
21/05/2025

অল্প খরচে সংসার চালানোর স্মার্ট কৌশল!
বর্তমানের মুদ্রাস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্যের চাপে অনেকেই সংসার পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছেন। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা, বাজেটিং এবং সচেতন অভ্যাস গড়ে তুললে অল্প ব্যয়েও সুশৃঙ্খলভাবে সংসার চালানো সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক কিছু কার্যকরী টিপস:
১. সচেতন মানসিকতা গড়ে তুলুন
খরচ নিয়ন্ত্রণের প্রথম শর্ত হলো ইচ্ছাশক্তিকে শাণিত করা। বাজারে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে কেনাকাটা না করে শুধু প্রয়োজনীয় জিনিসই ক্রয় করুন। লোভ আর লাভের ফাঁদ এড়িয়ে চলুন।
২. পেট ভরে বাজারে যান:
খালি পেটে শপিং করলে অপ্রয়োজনীয় স্ন্যাক্স ও জাঙ্ক ফুড কেনার প্রবণতা বাড়ে। বাজারে যাওয়ার আগে হালকা খাবার খেয়ে নিন – এতে বাজেট ডিসিপ্লিন বজায় রাখা সহজ হবে।
৩. সাপ্তাহিক শপিংয়ের রুটিন:
প্রতিদিন বাজারে গেলে ছোটখাটো খরচ বেড়ে যায়। সপ্তাহে একদিন গোছানো তালিকা নিয়ে বাজার সেরে ফেলুন। লিস্ট থেকে বিচ্যুত না হওয়াই সাফল্যের চাবিকাঠি!
৪. মিলমিশে রান্নার প্ল্যানিং:
সপ্তাহের মেনু আগে থেকে ঠিক করুন। শাকসবজি, ডাল, মাংস ইত্যাদি পরিমাণমতো ভাগ করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন। এতে অপচয় রোধ হবে এবং প্রতিদিনের রান্না হয়ে উঠবে স্ট্রেস-ফ্রি!
৫. ইউটিলিটি বিল কমানোর ফর্মুলা:
- রান্নার আগে সব উপকরণ কেটে-মেপে রাখুন, গ্যাসের ব্যবহার কমবে
- unused রুমের লাইট-ফ্যান বন্ধ রাখুন
- ফ্রিজের দরজা কম খুলুন, বিদ্যুৎ বিলে সাশ্রয় হবে
৬. হাঁটা-সাইকেল চালানোকে প্রাধান্য দিন:
নিয়মিত হাঁটাহাঁটি বা সাইকেল চালানোর অভ্যাস জ্বালানি ব্যয় কমানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যও ভালো রাখবে। ছোট দূরত্বে গাড়ি ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
৭. বিলাসিতা নয়, প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিন:
ব্র্যান্ডেড প্রোডাক্টের চেয়ে স্থানীয় পণ্য কিনুন। মেকআপ বা ডেকোরেশনের ক্ষেত্রে মিনিমালিস্ট অ্যাপ্রোচ গ্রহণ করুন। Quality over quantity নীতিতে বিশ্বাসী হোন।
৮. ডিসকাউন্টের ছলনা চিনুন:
'বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি' বা সীমিত সময়ের অফারের প্রলোভনে অপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনে বাজেট নষ্ট করবেন না। শপিংয়ের আগে নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন – "আমার কি সত্যিই এটি দরকার?"
💡 একটু সৃজনশীলতা আর নিয়মানুবর্তিতা আপনাকে ব্যয়বৃদ্ধির এই যুগেও সফলভাবে সংসার চালাতে সাহায্য করবে। মনে রাখবেন, সাশ্রয়ের অর্থ কৃপণতা নয় – বরং সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা!"
#সংসার #পরিবার

১. জীবনে সফল হতে চাইলে দুটি জিনিস প্রয়োজন: জেদ আর আত্মবিশ্বাস।২. সাফল্য মাপার মানদন্ড আপনি কি অর্জন করেছেন সেটা নয়, বরং...
20/05/2025

১. জীবনে সফল হতে চাইলে দুটি জিনিস প্রয়োজন: জেদ আর আত্মবিশ্বাস।

২. সাফল্য মাপার মানদন্ড আপনি কি অর্জন করেছেন সেটা নয়, বরং আপনি পড়ে যাবার পর কতবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন সেটা।

৩. পরাজয়ের ভয়, পরাজয়ের চেয়েও মারাত্মক।

৪. সাফল্য হলো ৯৫% কঠোর পরিশ্রম, ৪% অনুপ্রেরণা আর ১% ভাগ্যের যোগফল।

৫. পরাজিতরা যা যা পারে তার উপর গুরুত্ব দেয়। অন্যদিকে, বিজয়ীরা জয়ী হতে গেলে কি কি করতে হবে সেটার উপর গুরুত্ব দেয়।

৬. "End" মানে সবকিছু শেষ নয়, "End" শব্দের অর্থ হচ্ছে "Efforts never die" অর্থাৎ প্রচেষ্টার মৃত্যু নেই।

৭. একটা পরাজয় আরো পরাজয়ের জন্ম দেয়। প্রত্যেকটি পরাজয়ের পর মানুষ তার আত্মমূল্য হারিয়ে ফেলে যেটা তার পরবর্তী হারের কারণ।

৮. পরাজিতরা কোনো কিছু ঘটার অপেক্ষায় থাকে, তারা কখনই কোনো কিছু ঘটাতে পারে না।

৯. যে সবকিছু তৈরি অবস্থায় পেতে চায়, সে জীবনে কিছু করতে পারে না।

১০. "NO" শব্দের অর্থ "না" নয়। "NO" মানে হলো "Next Opportunity" বা পরবর্তী সুযোগ।

১১. আজ থেকে ৫ বছর পর আপনি কোথায় যাবেন তা নির্ভর করবে এখন আপনি কতটুকু পরিশ্রম করছেন এবং কোন ধরনের মানুষের সাথে মিশছেন তার উপর।

১২. ফার্স্ট ইমপ্রেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একজনের সাথে সাক্ষাৎ হওয়ার ৩ থেকে ৫ সেকেন্ডের মধ্যেই তার সম্পর্কে একটা ধারণা তৈরি হয়ে যায়।

১৩. সম্পর্ক তৈরি করা একটি প্রক্রিয়া বা প্রচেষ্টার ফলাফল, কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়।

১৪. আপনার ঘৃণাকারীরা আপনার সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনদাতা, তাদেরকে সেই অনুযায়ী ব্যবহার করুন।

১৫. মানুষের ইচ্ছাশক্তি তার ভাগ্যকে নিয়ন্ত্রণ করে।

১৬. ধারাবাহিক প্রচেষ্টা এবং অনুশীলন ছাড়া আপনার প্রতিভা মূল্যহীন।

১৭. গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবার সময় যে আবেগকে কম মস্তিষ্ককে বেশি প্রাধান্য দেয় সে জীবনে সফল হয়।

১৮. আপনি কখনোই জানেন না যে আপনি স্বপ্নপূরণের কতটা কাছাকাছি আছেন। তাই, কখনোই লক্ষ্যের পিছু ধাওয়া করা বন্ধ করবেন না।

১৯. রাগ আপনার এক নম্বর শত্রু, এটাকে আসতে দিন, যেতে দিন, কিন্তু আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে দিবেন না।

২০. প্রতিদিন কিছুটা সময় গুরুজনদের সাথে কাটান, গুগলে জীবনের সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাবেন না।

২১. আপনি সফল না হলে কেউই আপনার ব্যর্থতার গল্প শুনবে না।

২২. আপনার জীবন কতটা কঠিন তা কেউ ভাবে না।

২৩. আপনি সবাইকে খুশি করতে পারবেন না, এবং যদি আপনি সেই চেষ্টা করেন তবে আপনি আপনার নিজস্বতাকে হারাবেন।

২৪. আপনার উপকারের কথা মানুষ বেশিদিন মনে রাখবে না। কার কাছে আপনি কতটুকু প্রায়োরিটি পাবেন, সেটা নির্ভর করবে কার জন্য কতদিন কিছু একটা করার সামর্থ্য আপনার আছে তার উপর।

২৫. যে আপনার কথা শোনার জন্য প্রস্তুত নয় তাকে কিছু শেখাতে যাবেন না। সে ঠকবে, ভুল করবে, ধাক্কা খাবে, তারপর ঠিকই আপনার মূল্য বুঝতে পারবে।

একটু চোখ বন্ধ করে ভাবুন—আপনার শৈশবের সবচেয়ে আনন্দঘন মুহূর্তগুলো কী ছিল? হয়তো মনে পড়ছে ছুটির বিকেলে মাঠজুড়ে দৌড়াদৌড়ি, কিং...
05/05/2025

একটু চোখ বন্ধ করে ভাবুন—আপনার শৈশবের সবচেয়ে আনন্দঘন মুহূর্তগুলো কী ছিল? হয়তো মনে পড়ছে ছুটির বিকেলে মাঠজুড়ে দৌড়াদৌড়ি, কিংবা ভোরবেলার শিশিরভেজা ঘাসে শিউলি কুড়ানোর ছবি। এই সব স্মৃতি আজকের শহুরে শিশুদের জীবনে দুর্লভ। কারণ, এখনকার শিশুদের অনেকটা সময়ই কাটে মোবাইল, ট্যাব কিংবা টিভির পর্দায়।
তবে বকাঝকা করে মোবাইলের আসক্তি কমানো যায় না। বরং দরকার বিকল্প আনন্দের ব্যবস্থা—যে আনন্দে সে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিতে চাইবে। আপনার শিশুর আগ্রহ বুঝে এমন কিছু কাজের সুযোগ করে দিন, যাতে সে আনন্দ পায়। মনে রাখবেন, কখনো কখনো কিছু এলোমেলো হয়ে যেতেই পারে, কিন্তু সেটাই তো সন্তান লালনের প্রকৃত সৌন্দর্য। আর হ্যাঁ, আপনি নিজেও শিশুদের সামনে অপ্রয়োজনে মোবাইল ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন—কারণ তারা দেখেই শেখে।

রং দিয়ে খেলার মজা:
রঙের দুনিয়ায় শিশুকে নিমন্ত্রণ জানান। জলরং, তেলরং বা আঙুলের রং—যেটাই হোক, শিশুকে মুক্তভাবে আঁকতে দিন। ইজেলে ছবি আঁকা, দেওয়ালে ক্রিয়েটিভ আঁকিবুঁকি বা মেঝেতে আলপনা আঁকা—সবকিছুই হতে পারে তার সৃজনশীলতার খেলা। রং মিশিয়ে নতুন রঙ তৈরি করাও মজার অভিজ্ঞতা হতে পারে।

কাগজ আর কার্টন দিয়ে সৃষ্টিশীল কাজ:
পুরোনো কাগজ বা কার্টন দিয়ে খেলাধুলাও হতে পারে অসাধারণ। শিশুকে কেটে কিংবা ভাঁজ করে ফুল, গাছ, পাখি, চাঁদ-তারা বানাতে দিন। রঙিন কাগজ এনে দিন, সে যেন নিজের মতো করে সৃজন করতে পারে। তার বানানো শিল্পকর্ম ঘরের সাজে ব্যবহার করলেও সে গর্ব অনুভব করবে।

মাটির সঙ্গে মিশে যাওয়া:
নার্সারি থেকে আনা মাটি কিংবা প্লে-ডো দিয়ে বিভিন্ন জিনিস তৈরি করতে দিন তাকে। চাইলে বানানো জিনিসে রঙ করতে পারেন একসাথে। এই কাজগুলো শুধু আনন্দই নয়, হাতের নিপুণতাও বাড়াবে।

গল্প আর অভিনয়ের খেলাঘর:
শিশুকে গল্প বানাতে উৎসাহ দিন। সে গল্প বলতে পারে, অভিনয় করতে পারে, কিংবা প্রিয় বইয়ের চরিত্রগুলো জীবন্ত করে তুলতে পারে অভিনয়ের মাধ্যমে। চাইলে বিজ্ঞানের ছোট ছোট পরীক্ষা-নিরীক্ষাও চালাতে পারেন একসঙ্গে, যেন শেখার মধ্যে থাকে চমক আর কৌতূহল।

প্রকৃতির সঙ্গে বন্ধুত্ব:
শিশুকে নিয়মিত নিয়ে যান পার্ক বা খোলা জায়গায়। পাতা, ফুল কুড়িয়ে তার নিজস্ব কালেকশন তৈরি করতে দিন। পাতার ছাপ নিয়ে মজার আর্টও করতে পারে। জায়গা থাকলে তাকে সঙ্গে নিয়ে কিছু গাছ লাগান। কোনো পোষা প্রাণীর সঙ্গে বন্ধুত্ব করিয়ে দিন—এতে তার যত্নশীলতা ও সহানুভূতির গুণ বিকশিত হবে।

সবশেষে মনে রাখুন, শিশুর চোখের সামনে যা ঘটে, সেটাই তার শেখার সবচেয়ে বড় উৎস। তাই আনন্দময় ও অর্থবহ বিকল্প বিনোদনের ব্যবস্থা করে মোবাইলের জায়গা সহজেই দখল করে নেওয়া যায়—শুধু দরকার ধৈর্য, ভালোবাসা আর কিছু সময়।
____________________
সূত্র: আরটিভি অনলাইন

 #একটি_শিক্ষামূলক_পোস্ট ✅ সময়ের মূল্য বোঝা ও সময় ব্যবস্থাপনা✅সফল ব্যক্তিরা সময়কে টাকা থেকেও বেশি মূল্যবান মনে করেন। তারা...
05/05/2025

#একটি_শিক্ষামূলক_পোস্ট
✅ সময়ের মূল্য বোঝা ও সময় ব্যবস্থাপনা✅
সফল ব্যক্তিরা সময়কে টাকা থেকেও বেশি মূল্যবান মনে করেন। তারা দিনটাকে পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যবহার করেন।
অভ্যাস করুন: প্রতিদিনের কাজের তালিকা তৈরি করুন – অপ্রয়োজনীয় সময় অপচয় বন্ধ করুন – ডেডলাইন ঠিক করে কাজ শেষ করুন।
✅আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ধৈর্য✅
জীবনের প্রতিটা বড় অর্জনের পেছনে থাকে ধৈর্য। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সামনে যতই সুযোগ থাকুক, তা কাজে লাগানো সম্ভব নয়।
অভ্যাস করুন: উত্তেজন|য় নয়, বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিন – ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করে ধাপে ধাপে এগোতে শিখুন।
✅প্রতিদিন শেখার অভ্যাস✅
সফল মানুষরা সবসময় শিখতে আগ্রহী থাকেন। তারা জানেন, শেখার কোনো বয়স নেই।
অভ্যাস করুন: প্রতিদিন ১৫–৩০ মিনিট বই পড়ুন – নতুন কিছু জানুন বা অনলাইন কোর্সে অংশ নিন।
✅ইতিবাচক মনোভাব রাখা✅
জীবনে সমস্যা আসবেই, কিন্তু সফল মানুষেরা প্রতিটা চ্যালেঞ্জকে নতুন সুযোগ হিসেবে নেন।
অভ্যাস করুন: নেগেটিভ চিন্তা এড়িয়ে ইতিবাচক ভাবুন – ব্যর্থতা থেকে শিখে এগিয়ে যান।
✅নির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকা ও ফোকাস ধরে রাখা✅
যে জানে সে কোথায় যাচ্ছে, সে-ই সেখানে পৌঁছায়। লক্ষ্যহীন জীবন বয়ে নিয়ে যায় শুধুই হতাশা।
অভ্যাস করুন: নিজের লক্ষ্য স্পষ্ট করে লিখে ফেলুন – অপ্রাসঙ্গিক কাজ বাদ দিয়ে শুধুমাত্র লক্ষ্যের দিকেই মনোযোগ দিন।
✅স্বাস্থ্য ও শারীরিক যত্ন✅
একজন অসুস্থ মানুষ যত প্রতিভাবানই হোক, সাফল্য ধরে রাখা কঠিন। সফলতা মানে শরীর ও মনের ভারসাম্য।
অভ্যাস করুন: প্রতিদিন কিছুটা সময় ব্যায়াম করুন – পর্যাপ্ত ঘুম এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে অভ্যস্ত হোন।
✅কৃতজ্ঞতা ও নম্রতা✅
সফল মানুষেরা কখনো অ'হংক|রী হন না। তারা কৃতজ্ঞ হন ছোট সাফল্য বা অন্যের সহায়তার জন্যও।
অভ্যাস করুন: প্রতিদিন অন্তত ৩টি জিনিসের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন – অন্যের মতামত শুনুন, শ্রদ্ধা করুন।
✅সঠিক সঙ্গ বেছে নেওয়া✅
আপনার চারপাশে কারা আছে, তা আপনার ভবিষ্যৎ গঠনে অনেক বড় ভূমিকা রাখে।
অভ্যাস করুন: ইতিবাচক ও অনুপ্রেরণাদায়ক মানুষদের সঙ্গে সময় কাটান – নেগেটিভ, হিং'সু'ক বা হতাশাবাদী মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।
✅ব্যর্থতাকে গ্রহণ করার ক্ষমতা✅
সফল ব্যক্তিরা জানেন—ব্যর্থতা মানেই শেষ নয়, বরং এটা শেখার সুযোগ।
অভ্যাস করুন: ব্যর্থতাকে বিশ্লেষণ করে ভুলগুলো চিহ্নিত করুন – পুনরায় চেষ্টা করতে ভয় পাবেন না।
✅ কাজের প্রতি আন্তরিকতা ও নিষ্ঠা✅
যে কাজই করেন না কেন, মন দিয়ে করুন। সফলতা আসে তখনই যখন আপনি নিজের কাজকে সম্মান করেন।
অভ্যাস করুন: কাজের প্রতি ভালোবাসা গড়ে তুলুন – ছোট কাজকেও গুরুত্ব দিন
💥💥শেষ কথা:
এই অভ্যাসগুলো আপনি এক দিনে রপ্ত করতে পারবেন না, কিন্তু প্রতিদিন চেষ্টা করলে ধীরে ধীরে এগুলো আপনার জীবনের অংশ হয়ে উঠবে। আর যখন এগুলো স্বভাবে পরিণত হবে, তখন সফলতা আর দূরে থাকবে না।

**ঈদ মোবারক "Nari Kutir " এর পক্ষ থেকে!** 🌙✨  ঈদ এসেছে আনন্দ ও শান্তির বার্তা নিয়ে। এই পবিত্র দিনে আমরা সবাই একসঙ্গে মি...
31/03/2025

**ঈদ মোবারক "Nari Kutir " এর পক্ষ থেকে!** 🌙✨
ঈদ এসেছে আনন্দ ও শান্তির বার্তা নিয়ে। এই পবিত্র দিনে আমরা সবাই একসঙ্গে মিলিত হয়ে ভালোবাসা, শান্তি ও সুখের অনুভূতি ভাগ করে নেবো। আপনার জীবনে আনন্দ এবং সমৃদ্ধি অটুট থাকুক, পরিবারে হোক মিষ্টি হাসির বন্যা। ঈদের এই বিশেষ মুহূর্তে আমরা সবাই একে অপরকে ভালোবাসা এবং শুভেচ্ছা জানাই।
ঈদ মোবারক!

#ঈদমোবারক #ঈদ২০২৫ #ঈদআলফিতর

#স্টাইলিশ #আরামদায়ক #প্যান্ট #ফ্যাশন

দশ বছর হওয়ার আগেই শিশুকে শেখান!•প্রযুক্তি আমাদের জীবনযাপন সহজ করে দিচ্ছে। শিশুরাও খুব ছোট বয়সে নানা ধরনের গ্যাজেট চালাতে...
25/03/2025

দশ বছর হওয়ার আগেই শিশুকে শেখান!

প্রযুক্তি আমাদের জীবনযাপন সহজ করে দিচ্ছে। শিশুরাও খুব ছোট বয়সে নানা ধরনের গ্যাজেট চালাতে শিখে যায়। কিন্তু এসবই শিশু করছে মা–বাবার ছায়াতলে থেকে। কোনো কারণে যদি সে বিপদে পড়ে বা তাকে হঠাৎ করেই একা পথ চলতে হয়; তখন সে কী করবে? তাই আপনার শিশুর বয়স ১০ বছর হওয়ার আগেই তাকে শিখিয়ে রাখুন কিছু জীবনদক্ষতা। জীবনচলার পথ তো শিশুর জন্য প্রস্তুত করে রাখা যায় না, তার চেয়ে বরং শিশুকেই প্রস্তুত করতে হবে।

এসব দক্ষতা তার জীবনকে যেমন সহজ করবে, তেমনি আপনাকেও করবে নিশ্চিন্ত। এসব শিক্ষা সাধারণত প্রথাগত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেওয়া হয় না। তাই এ ক্ষেত্রে শিশুর জীবনমুখী শিক্ষার শিক্ষক হয়ে উঠতে হবে মা-বাবাকেই।

আত্মরক্ষার প্রথম পাঠ:

আত্মরক্ষার কৌশল শেখানোর আগে শিশুকে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে হবে। শিশুকে জানাতে হবে, কোনো পরিস্থিতিতেই মনোবল হারানো চলবে না, নিজের প্রতি বিশ্বাস হারানো যাবে না। শারীরিকভাবেও সুস্থ থাকা এবং দৌড়ের অভ্যাস জরুরি। আত্মরক্ষার প্রাথমিক পাঠ হলো কোথায় আঘাত করতে হবে, সেটা জানা। শিশুর জন্য সহজ হলো আক্রমণকারীর হাঁটুতে আঘাত করে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়া। এ ছাড়া আক্রমণকারীর ঘাড়, চোখ, কান ও নাকও সহজ লক্ষ্যবস্তু হতে পারে; যেখানে আঘাত করলে সহজেই কিছু সময়ের জন্য হামলাকারীকে বিভ্রান্ত করা যায় ও ব্যস্ত রাখা যায়।

মানচিত্র শেখানো এবং দিক চেনানো:

এটা বেশ ছোট বয়স থেকেই শেখানো যায়। শিশুর হাতে একটি গ্লোব দিয়ে দিন কিংবা ঘরের দেয়ালে টানিয়ে দিন বড় একটি বিশ্বের মানচিত্র। শিশু নিজেই অনেক কিছু শিখে যাবে। ছুটির দিনে বা সময় পেলে তাকে নিয়ে বসে দিক চেনান, বাড়ির আশপাশের এলাকাগুলো চিনিয়ে রাখুন। এতে কোনো দিন পথ হারালে বা ভুল করেও যদি কখনো বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে সে নিজেই বাড়ি চিনে ফিরে আসতে পারবে।

বাড়ির ঠিকানা ও টেলিফোন নম্বর শেখানো:

যখনই শিশু কথা বলতে শিখবে, তাকে বাড়ির ঠিকানা ও মা–বাবার টেলিফোন নম্বর শিখিয়ে ফেলুন। যেন কখনো বিপদে পড়লে সে মা–বাবার নাম, ঠিকানা বা টেলিফোন নম্বর বলতে পারে।

বিপদের বন্ধু চেনান:

শিশুকে চেনান বিপদে কে বন্ধু হতে পারে। পুলিশের পোশাক, র‌্যাব বা সেনাবাহিনীর পোশাক চেনান। কখনো ভিড়ের মধ্যে আপনাকে খুঁজে না পেলে যেন সে পোশাক দেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কাছে যেতে পারে এবং তাকে বিপদের কথা বুঝিয়ে বলতে পারে।

‘না’ বলতে শেখান:

আপনার শিশুকে ‘না’ বলতে শেখান। যেন মনের বিরুদ্ধে গিয়ে কেবল সমাজের চাপে তাকে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে না হয়। ছোটবেলা থেকেই এই অভ্যাস গড়ে তুললে বড় হয়েও সে স্বাধীনভাবে নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

প্রাথমিক চিকিৎসা:

খেলতে গিয়ে কেটে-ছিঁড়ে গেলে কিংবা বন্ধুর হাত-পা কেটে গেলে শিশু যেন আতঙ্কিত না হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসাটুকু দিতে পারে, তাকে সে জ্ঞান দিন। স্যাভলন বা অ্যান্টিসেপটিক দিয়ে ক্ষতস্থান পরিষ্কার, ব্যান্ডেজ বাঁধার মতো সহজ কাজগুলো শিখিয়ে দিন। তাকে শেখান হাত কেটে গেলে তা ব্যান্ডেজ করে যেন ওপরের দিকে তুলে রাখে। আর ঠিক কতটুকু কেটে গেলে দ্রুত বড়দের সাহায্য নিতে হবে, তা–ও বুঝিয়ে বলুন।

অর্থ ব্যবস্থাপনা:

শিশুকে অর্থের মূল্য শেখান। তার হাতখরচ বা ঈদের সালামি যেন সে কোনো ভালো কাজে ব্যয় করতে পারে, সেটা শেখান। অযথা খেলনা বা খাবারে অর্থ খরচ না করে কীভাবে অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার করা যায়, টাকা জমিয়ে শখের জিনিস বা প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা যায়, সে শিক্ষা তাকে দিন।

রান্নাঘরের ছোটখাটো কাজ:

আজকাল বাজারে শিশুদের ব্যবহারের জন্য প্লাস্টিকের ছুরি পাওয়া যায়। সেসব ব্যবহার করে টুকটাক সবজি কাটা, স্যান্ডউইচ বানানো, সাত বছর বয়সের পর মাইক্রোওয়েভ ওভেন ব্যবহার শেখান। কোনো দিন মা–বাবা বাড়িতে না থাকলে সে যেন ফ্রিজ থেকে খাবার বের করে গরম করে খেতে পারে বা নিজেই বড় পাত্র থেকে ছোট পাত্রে খাবার নিয়ে খেতে পারে, সেটুকু তাকে শিখিয়ে দিন।

তা ছাড়া বাড়িতে যখন আপনারা রান্না করবেন, তাঁকে সহায়তা করতে উৎসাহ দিন। ছোটখাটো কাজ, যেমন পেঁয়াজ-রসুনের খোসা ছাড়ানো, ফ্রিজ থেকে সবজি বের করে আনা, সিংক থেকে প্লেট-চামচ নিয়ে যথাস্থানে রাখা, খাবার টেবিলে প্রত্যেকের গ্লাসে পানি ঢেলে দেওয়ার মতো কাজের দায়িত্ব শিশুকে দিন।

এভাবে ছোটখাটো কাজের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলে আপনার শিশু যেমন আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে, তেমনি ভবিষ্যৎ জীবনের জন্যও তৈরি হতে শুরু করবে। বাড়ি থেকে কখনো দূরে পড়তে গেলে বা নতুন পরিবেশে গেলে খুব সহজেই সে মানিয়ে নিতে পারবে, নিজের যত্ন নিতে পারবে।
_____________________
সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট

একদিন এক ইঁদুর খাবার খুঁজতে খুঁজতে রাজার ঘরে প্রবেশ করল। সেখানে কোনো খাওয়ার জিনিস না পেয়ে সে একটি হীরার টুকরো গিলে ফেলল...
17/03/2025

একদিন এক ইঁদুর খাবার খুঁজতে খুঁজতে রাজার ঘরে প্রবেশ করল। সেখানে কোনো খাওয়ার জিনিস না পেয়ে সে একটি হীরার টুকরো গিলে ফেলল। এদিকে হীরা চুরি হওয়ার কারণে রাজপ্রাসাদে হুলুস্থুল কাণ্ড বেধে গেল!

রাজামশাই জ্যোতিষীকে ডাকলেন। গণনা করে জ্যোতিষী বলল, হীরার টুকরোটি একটি ইঁদুর খেয়ে ফেলছে।

সেনাপতি হীরা উদ্ধারের জন্য ঢেঁড়া পিটিয়ে পুরস্কার ঘোষণা করল। এরপর এক শিকারী রাজসভায় এসে বলল, সে ইঁদুর মেরে হীরা উদ্ধার করবে।

শিকারী যখন ইঁদুরটির খোঁজে বের হলো তখন দেখতে পেল, হাজার হাজার ইঁদুর একে অন্যের সাথে দল বেঁধে রয়েছে। আর একটা মাত্র ইঁদুর সবার থেকে আলাদা এক জায়গায় একটি ইটের ওপর বসা যেন সে সিংহাসনে বসে আছে।

শিকারী তখন ওই ইঁদুরটিকে হত্যা করে তার পেট চিরে হীরার টুকরো বের করে রাজার হাতে তুলে দিল।

রাজামশাই অনেক খুশি হয়ে শিকারীকে তার প্রাপ্য পুরস্কার বুঝিয়ে দিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, হাজার হাজার ইঁদুরের মধ্যে তুমি কিভাবে বুঝলে যে ওই ইঁদুরটাই হীরা চুরি করেছে?

শিকারী মৃদু হেসে জবাব দিল, এটা খুবই সহজ মহারাজ! মূর্খ যখন হঠাৎ বিত্তবান হয়ে যায়, তখন নিজেকে অন্যের থেকে আলাদা মনে করে, নিজের জাতির সঙ্গে চলাফেরা এবং মেলামেশা বন্ধ করে দেয়। এই মূর্খ ইঁদুরটাও তাই করেছিল। হীরা চুরি করে নিজেকে সবচেয়ে ধনী এবং ইঁদুরদের রাজা ঘোষণা করে আলাদা ভাবে বসে ছিল।

নীতিকথা: হঠাৎ অর্থাগমে স্বজন বা বন্ধু-বান্ধব ভুলে গেলে ধ্বংস সন্নিকটে।
Chy ShumanAwsaf KhadizaMD Jafrul Islam JafrulAnik Mutsuddiনারী কুটিরEveryoneDaizy's CakeryWhite dotOur School LifeFerdous BegumTiham's Diary

19/01/2025

.

**Happy New Year 2025!**  Wishing you a year filled with new beginnings, endless opportunities, and unforgettable moment...
31/12/2024

**Happy New Year 2025!**
Wishing you a year filled with new beginnings, endless opportunities, and unforgettable moments. May 2025 bring you joy, success, and the courage to chase your dreams. Cheers to a fantastic year ahead! 🎉

Address

Moti Complex , Chawkbazar , Ctg
Chittagong
4000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নারী কুটির posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share