08/05/2025
এই সুই*সাইড নোট এতোক্ষণে সবার হোমপেইজে চলে এসেছে... ফোকাস করেছি স্বর্ণের উপরে... মৃ*ত্যুর জন্য দায়ী সে কাউকেই করেনি, নিজেকেই করেছে.....শুনলাম কাঠগোলাপ কুড়িয়ে নিতো ছেলেটা... কাঠগোলাপের মতো সাদা সাধারণ জীবন যাদের পছন্দ তাদের জন্য বস্তুগত সুখ জিনিসটা ভীষণ দুর্বোধ্য হয়... এই দুর্বোধ্যতা নিয়ে খুব আত্মতৃপ্তিতে জীবনটা কাটিয়ে দেওয়া যায়... তবে বিপত্তি ঘটে তখন যখন জীবনসাথী,গর্ভধারিণী এর মতো অতি প্রয়োজনীয় সম্পর্কের মানুষগুলো অতিরিক্ত বস্তুগত সুখে বিশ্বাসী পড়ে যায়... বেচারা সেই গ্যাঁড়াকলে পড়ে জীবন থেকে পালানোকে সহজ বোধ করেছে..... একজন মেধাবী সন্তানকে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষরা টাকার মেশিন ভাবে... সরকারী কর্মজীবীর কাছে মেয়ের বাবারা বিয়েই দেয় তাকে মোটামুটি ধনকুবের ভেবে... এই সুইসাইড নোট চিৎকার করে সেই বাস্তবতা জানান দিচ্ছে...
ভালোবাসা বস্তুগত হয় না, হতেই পারে না... স্বর্ণলোভী নারী তোমরা কাঠগোলাপ প্রেমিক পলাশদের জীবনে কোনদিন এসো না... স্বর্ণ নিয়ে ভালো থাকো পিশাচিনী....
ছেলেটা মেধাবী বলে, নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে বলে তার কাছে অবান্তর,অসামঞ্জস্যপূর্ণ বস্তুগত চাহিদা রাখা মাকে বলছি -আপনি তো জানতেন ছেলেটা সাধারণ কাঠগোলাপে তুষ্টি খোঁজে... কেন এতো বস্তুগত চাপ দিলেন???মায়েরা তো সব ছেড়ে দেয় সন্তানের সুখের জন্য... কিভাবে এমন নির্দয় হলেন???
©ডা. মাহমুদা লিনা