BabyBliss

Website

BabyBliss Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from BabyBliss, 903 CDA Avenue (beside sundarban courier, 2 no gate), Chittagong.

𝐁𝐚𝐛𝐲𝐁𝐥𝐢𝐬𝐬: প্রিয় মা ❤️, আপনার সোনামণির নিরাপদ বেড়ে ওঠার বিশ্বস্ত সঙ্গী।

🩺 বিশেষজ্ঞ গাইডলাইন ও সেরা যত্ন।
🕒 সকাল ১০টা – বিকেল ৫টা (শুক্রবার বন্ধ)
🔗 babyblissbd.com
📲 WhatsApp: wa.me/8801811204539

26/09/2026

প্রিয় মা ❤️

আপনার প্রেগন্যান্সির ৩ মাস চলছে—মাশাআল্লাহ। এ সময়ে ডিম খাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আপনার চিন্তা একেবারেই স্বাভাবিক।

🌱 সিদ্ধ ডিম না খেলে কী করবেন
- আপনি যদি সিদ্ধ ডিম খেতে না পারেন, তবে তেলে ভেজে বা অমলেট করে খেতে পারেন।
- ডিমের ভেতরের প্রোটিন, আয়রন ও ভিটামিন সিদ্ধ বা ভাজা—দুইভাবেই থাকে।
- তবে খেয়াল রাখবেন, ডিমটি যেন ভালোভাবে সেদ্ধ বা ভাজা হয়, যাতে কাঁচা অংশ না থাকে। কাঁচা বা আধা সেদ্ধ ডিমে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।

🌱 করণীয়
- সপ্তাহে ৩–৪ দিন ডিম খেতে পারেন।
- ভাজা ডিম খেলে তেল কম ব্যবহার করুন।
- চাইলে সবজি দিয়ে অমলেট বানিয়ে খেতে পারেন, এতে পুষ্টি আরও বাড়বে।

🚨 সতর্কতা
- কাঁচা বা আধা সেদ্ধ ডিম খাবেন না।
- অতিরিক্ত তেল বা মশলা ব্যবহার করবেন না।
- যদি ডিম খেলে অস্বস্তি বা অ্যালার্জি হয়, তবে ডাক্তারকে জানান।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, আপনি সিদ্ধ ডিম না খেয়ে ভাজা বা অমলেট করে খেতে পারেন। এতে কোনো সমস্যা নেই, বরং সঠিকভাবে রান্না করলে একই পুষ্টি পাবেন। 🌸

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

25/09/2026

প্রিয় মা ❤️

আপনার উদ্বেগ একেবারেই স্বাভাবিক। আপনি সময়মতো ডাক্তারের কাছে গিয়েছেন—এটি সবচেয়ে ভালো পদক্ষেপ। এখন আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর ও করণীয়গুলো বিস্তারিতভাবে দিলাম—

🌱 বাবুর ওজন
- ১ বছর বয়সে গড় ওজন সাধারণত ৮.৫–১০.৫ কেজি হয়।
- জন্ম ওজন (৩.১ কেজি) অনুযায়ী ১ বছরে প্রায় ৯.৩ কেজি হওয়া উচিত ছিল।
- বাবুর বর্তমান ওজন ৬.৩ কেজি, যা কিছুটা কম। নিউমোনিয়া বা রক্তস্বল্পতার কারণে সাময়িকভাবে ওজন কমে যেতে পারে। সঠিক খাবার ও চিকিৎসা পেলে ইনশাআল্লাহ ওজন বাড়বে।

🌱 ডাক্তার দেওয়া ঔষধ
- Hemobin ও Folic 5 সিরাপ টানা ৩ মাস খাওয়াতে হবে।

- কারণ: রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরি হতে এবং শরীরে আয়রন জমা পূর্ণ হতে অন্তত ২–৩ মাস সময় লাগে। মাঝপথে বন্ধ করলে রক্তস্বল্পতা আবার ফিরে আসতে পারে।

- সতর্কতা: আইরন সিরাপ খাওয়ানোর পর পায়খানার রং কালো হতে পারে—এটি স্বাভাবিক।

🌱 কাশি ও ঠান্ডার ঘরোয়া যত্ন
- গরম পানির ভাপ: দিনে ২–৩ বার ভাপ দিলে বুকের কফ হালকা হবে।

- কুসুম গরম পানি ও মধু: ১ বছরের বেশি বয়সে আধা চামচ মধু দেওয়া যায়।

- নরমাল স্যালাইন নোজ ড্রপ: নাক বন্ধ থাকলে ১–২ ফোঁটা দিন।

- তরল খাবার: বুকের দুধ, স্যুপ বা পানি বেশি দিন।

- বুকে-পিঠে মালিশ: কুসুম গরম সর্ষের তেল দিয়ে হালকা মালিশ করুন।

⚠️ জরুরি সতর্কতা: শ্বাস দ্রুত চলা, বুক ভেতরে দেবে যাওয়া, খাওয়া একেবারে বন্ধ করা বা নীল হয়ে যাওয়া—এসব হলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।

🌱 ৭ দিনের খাবারের তালিকা (সাশ্রয়ী ও পুষ্টিকর)
- সকাল: ডিমের কুসুম + সুজি/দালিয়া অথবা দুধ-কলা দিয়ে নরম ভাত।

- মধ্য সকাল: মৌসুমী ফল (পেঁপে, কলা, পেয়ারা)।

- দুপুর: ঘন খিচুড়ি (চাল + ডাল + শাক + সবজি + মাছ/কলিজা + তেল)।

- বিকেল: সিদ্ধ মিষ্টি আলু / সিদ্ধ ডিম / চালের গুঁড়োর পায়েস।

- রাত: দুপুরের মতো খিচুড়ি বা নরম ভাত, ডাল, সবজি ও মাছ/ডিম।

বিশেষ টিপস:
- সপ্তাহে ২–৩ দিন মুরগির কলিজা দিন।
- লাল শাক ও পালং শাক নিয়মিত দিন।
- কলা ও মিষ্টি আলু ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।
- খিচুড়ি বা সুজিতে ১ চা চামচ তেল/ঘি দিন।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, ডাক্তার দেওয়া ঔষধ নিয়মিত চালিয়ে যান এবং খাবারে বৈচিত্র্য আনুন। ১ মাস পর আবার ওজন মেপে ডাক্তারের কাছে দেখান। ধৈর্য ধরে এগোলে বাবুর ওজন ও রক্তস্বল্পতা দুটোই ভালো হবে। 🌸

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

24/09/2026

প্রিয় মা ❤️

আপনার ছোট বোনদের নিরাপত্তা নিয়ে সচেতনতা সত্যিই প্রশংসনীয়। শিল্পাঞ্চল বা ব্যস্ত এলাকায় শিশুদের নিরাপদে চলাফেরা শেখানো ভয় দেখিয়ে নয়, বরং আত্মবিশ্বাস ও অনুশীলনের মাধ্যমে সবচেয়ে কার্যকর হয়।

🌱 পথের নিরাপত্তা
- একা হাঁটবে না, পরিচিত সহপাঠী বা অভিভাবকের সাথে হাঁটতে বলুন।
- অপরিচিত বা থামানো গাড়ি থেকে অন্তত ৫–৬ ফুট দূরে থাকবে।
- পথে কোনো দোকান, ফার্মেসি বা চেনা বাসা থাকলে বিপদে সেখানে ঢুকে সাহায্য চাইতে বলুন।

🌱 অপরিচিতদের মোকাবিলা
- স্পষ্টভাবে "না" বলতে শেখান।
- উপহার, খাবার বা গাড়িতে ওঠার প্রলোভন গ্রহণ করবে না।
- বুঝিয়ে দিন—প্রাপ্তবয়স্করা সাধারণত ছোটদের কাছে সাহায্য চান না।

🌱 বিপদে আত্মরক্ষার ৩ নিয়ম
- চিৎকার করা (Yell): "আমি আপনাকে চিনি না!" বা "আগুন!" বলে জোরে চিৎকার করবে।
- দৌড়ে পালানো (Run): বিপরীত দিকে মানুষের ভিড় বা দোকানে দৌড়াবে।
- সবকিছু জানানো (Tell): শিক্ষক বা অভিভাবককে সাথে সাথে জানাবে।

🌱 শারীরিক আক্রমণ হলে
- কামড়, আঁচড়, লাথি দিয়ে দ্রুত পালাতে শেখান।
- বড় বোনকে সন্দেহভাজন লোক বা বাইকের নম্বর মনে রাখতে বলুন।

🌱 অনুশীলন (Role-Play)
- আপনি অপরিচিত লোক সেজে বলবেন: "তোমার আম্মু অসুস্থ, আমাকে পাঠিয়েছে নিতে।"
- তাকে প্র্যাকটিস করাবেন কিভাবে "না!" বলে দৌড় দিতে হয়।
- হাত ছাড়াতে ঝাঁকুনি দিয়ে চিৎকার করতে শেখান।

🌱 অতিরিক্ত টিপস
- বড় বোনকে একটি ছোট বাঁশি দিন। বিপদ মনে হলে বাজালে আশপাশের মানুষ সচেতন হবে।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, ছোট বোনদের নিরাপত্তা শেখাতে ধৈর্য ও অনুশীলনই মূল চাবিকাঠি। ভয় না দেখিয়ে আত্মবিশ্বাসী করে তুলুন। আল্লাহ তাদের সব অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন। 🌸

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

22/09/2026

প্রিয় মা ❤️

১৮ মাস বয়সী শিশুর সকালের নাস্তায় বৈচিত্র্য আনা খুবই জরুরি। এতে শিশুর খাওয়ার আগ্রহ বাড়ে এবং পুষ্টি নিশ্চিত হয়। ঝালের ব্যবহার নিয়েও আপনার ভাবনা স্বাভাবিক— এ বয়সে দাঁত ওঠার কারণে মাড়ি সংবেদনশীল থাকে।

🌱 সকালের নাস্তার নতুন আইডিয়া

- ডিম ও নরম রুটি/পরোটা: পাতলা আটার রুটি বা নরম পরোটার সাথে ডিম সেদ্ধ, পোচ বা সামান্য সবজি দিয়ে ডিম ঝুরি।

- ডাল-সবজির খিচুড়ি: চাল, মসুর ডাল, গাজর, পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া দিয়ে নরম খিচুড়ি, শেষে সামান্য ঘি।

- সুজি ও ডিমের হালুয়া: সুজি হালকা ভেজে দুধ/পানি, ডিম ও ঘি দিয়ে নরম করে রান্না।

- নরম প্যানকেক: কলা চটকে ডিম, আটা/ওটস গুঁড়ো ও দুধ মিশিয়ে ঘিয়ে ভেজে ছোট টুকরো করে দিন।

- ডিম-পাউরুটি ভাজা (ফ্রেঞ্চ টোস্ট): ডিমে দুধ মিশিয়ে পাউরুটি ডুবিয়ে ঘিয়ে ভেজে দিন।

- দই ও ফলের পিউরি: ঘরে তৈরি দইয়ের সাথে কলা, পেঁপে বা আপেল পিউরি।

🌱 খাবারে ঝালের ব্যবহার

- এখনই বেশি ঝাল নয়: দাঁত ওঠার সময় মাড়িতে ব্যথা থাকে, তাই ঝাল দিলে খাওয়ার আগ্রহ কমে যায়।

- অল্প করে শুরু করুন: রান্নায় সামান্য কাঁচামরিচের ফ্লেভার বা হালকা গোলমরিচের গুঁড়ো দিন।

- পর্যবেক্ষণ করুন: শিশুটি স্বাচ্ছন্দ্যে খাচ্ছে কিনা দেখুন। ধীরে ধীরে ঝালের পরিমাণ বাড়াতে পারেন।

🌱 খাওয়ার অভ্যাস

- শিশুকে জোর না করে ছোট ছোট টুকরো হাতে দিয়ে খাওয়ার সুযোগ দিন (ফিঙ্গার ফুড)।

- এতে তার স্বতঃস্ফূর্তভাবে খাওয়ার আগ্রহ বাড়বে।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, ১৮ মাস বয়সে সকালের নাস্তায় বৈচিত্র্য আনুন এবং ঝাল ধীরে ধীরে পরিচয় করান। শিশুকে নিজের হাতে খাওয়ার সুযোগ দিন, এতে খাওয়ার আগ্রহ ও আনন্দ দুটোই বাড়বে। 🌸

~ BabyBliss Parenting & BabyCare Community💞
Cherish Every Touch!

প্রিয় মা ❤️  ১৮ মাস বয়সী শিশুর সকালের নাস্তায় বৈচিত্র্য আনা খুবই জরুরি। এতে শিশুর খাওয়ার আগ্রহ বাড়ে এবং পুষ্টি নিশ্চিত ...
22/09/2026

প্রিয় মা ❤️

১৮ মাস বয়সী শিশুর সকালের নাস্তায় বৈচিত্র্য আনা খুবই জরুরি। এতে শিশুর খাওয়ার আগ্রহ বাড়ে এবং পুষ্টি নিশ্চিত হয়। ঝালের ব্যবহার নিয়েও আপনার ভাবনা স্বাভাবিক— এ বয়সে দাঁত ওঠার কারণে মাড়ি সংবেদনশীল থাকে।

🌱 সকালের নাস্তার নতুন আইডিয়া

- ডিম ও নরম রুটি/পরোটা: পাতলা আটার রুটি বা নরম পরোটার সাথে ডিম সেদ্ধ, পোচ বা সামান্য সবজি দিয়ে ডিম ঝুরি।

- ডাল-সবজির খিচুড়ি: চাল, মসুর ডাল, গাজর, পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া দিয়ে নরম খিচুড়ি, শেষে সামান্য ঘি।

- সুজি ও ডিমের হালুয়া: সুজি হালকা ভেজে দুধ/পানি, ডিম ও ঘি দিয়ে নরম করে রান্না।

- নরম প্যানকেক: কলা চটকে ডিম, আটা/ওটস গুঁড়ো ও দুধ মিশিয়ে ঘিয়ে ভেজে ছোট টুকরো করে দিন।

- ডিম-পাউরুটি ভাজা (ফ্রেঞ্চ টোস্ট): ডিমে দুধ মিশিয়ে পাউরুটি ডুবিয়ে ঘিয়ে ভেজে দিন।

- দই ও ফলের পিউরি: ঘরে তৈরি দইয়ের সাথে কলা, পেঁপে বা আপেল পিউরি।

🌱 খাবারে ঝালের ব্যবহার

- এখনই বেশি ঝাল নয়: দাঁত ওঠার সময় মাড়িতে ব্যথা থাকে, তাই ঝাল দিলে খাওয়ার আগ্রহ কমে যায়।

- অল্প করে শুরু করুন: রান্নায় সামান্য কাঁচামরিচের ফ্লেভার বা হালকা গোলমরিচের গুঁড়ো দিন।

- পর্যবেক্ষণ করুন: শিশুটি স্বাচ্ছন্দ্যে খাচ্ছে কিনা দেখুন। ধীরে ধীরে ঝালের পরিমাণ বাড়াতে পারেন।

🌱 খাওয়ার অভ্যাস

- শিশুকে জোর না করে ছোট ছোট টুকরো হাতে দিয়ে খাওয়ার সুযোগ দিন (ফিঙ্গার ফুড)।

- এতে তার স্বতঃস্ফূর্তভাবে খাওয়ার আগ্রহ বাড়বে।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, ১৮ মাস বয়সে সকালের নাস্তায় বৈচিত্র্য আনুন এবং ঝাল ধীরে ধীরে পরিচয় করান। শিশুকে নিজের হাতে খাওয়ার সুযোগ দিন, এতে খাওয়ার আগ্রহ ও আনন্দ দুটোই বাড়বে। 🌸

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

22/09/2026

প্রিয় মা ❤️

১ বছরের শিশুর জন্য ১০ কেজি ওজন একদম স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর। এ বয়সে ঘরের তৈরি শক্ত খাবারের ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে এবং দুধের পরিমাণ ধীরে ধীরে কমাতে হবে।

🌱 ১ বছরের শিশুর খাবারের রুটিন

- সকাল (৮টা): নরম খিচুড়ি (ডাল, চাল, সবজি ও সামান্য ঘি) অথবা ডিমের কুসুমসহ সিদ্ধ ডিম ও সুজি/ওটস।
- সকাল (১১টা): মিষ্টি ফল (কলা, পাকা পেঁপে, আপেল সিদ্ধ করে চটকানো) অথবা ঘরে তৈরি দই।
- দুপুর (২টা): নরম ভাত, পাতলা ডাল, মাছ বা মুরগির কিমা ও সেদ্ধ সবজি।
- বিকেল (৫টা): সেদ্ধ আলু চটকানো, সুজি বা ঘরে তৈরি সেমাই।
- রাত (৮:৩০): খিচুড়ি বা দুধ-রুটি চটকানো।
- দুধ: দিনে ২–৩ বার (মোট ৪০০–৫০০ মি.লি.) যথেষ্ট। অতিরিক্ত দুধ খেলে শক্ত খাবারের প্রতি অরুচি হয়।

🌱 ঘন ঘন ঠান্ডা-জ্বর হওয়ার কারণ
- ভাইরাল ইনফেকশন: বছরে ৬–৮ বার সর্দি-জ্বর হওয়া স্বাভাবিক।
- আবহাওয়ার পরিবর্তন ও ধুলাবালি: হঠাৎ তাপমাত্রা পরিবর্তন বা ধুলাবালির কারণে সমস্যা হয়।
- পুষ্টির ঘাটতি: আয়রন, ভিটামিন সি ও জিংকের অভাব থাকলে সংক্রমণ বেশি হয়।
- অন্যদের থেকে সংক্রমণ: আশেপাশে কেউ ঠান্ডা-কাশি থাকলে সহজে ছড়ায়।

🌱 সরকারি টিকার পাশাপাশি বেসরকারি অতিরিক্ত টিকা
- চিকেনপক্স ভ্যাকসিন: ১ বছর পূর্ণ হওয়ার পর দেওয়া যায়।
- হেপাটাইটিস এ ভ্যাকসিন: ১২–১৫ মাসে প্রথম ডোজ।
- ইনফ্লুয়েঞ্জা/ফ্লু শট: প্রতি বছর ১টি করে ডোজ।
- টাইফয়েড ভ্যাকসিন: টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধে।
- মেনিনজাইটিস ও রোটাভাইরাস: চিকিৎসকের পরামর্শে ক্ষেত্রবিশেষে দেওয়া হয়।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, ১ বছরের শিশুর জন্য ঘরের তৈরি খাবারই প্রধান পুষ্টির উৎস হবে। দুধ সীমিত পরিমাণে দিন এবং খাবারে বৈচিত্র্য আনুন। ঠান্ডা-জ্বর হলে চিন্তার কিছু নেই, তবে বারবার হলে পুষ্টি ও টিকার বিষয়টি নিশ্চিত করুন। 🌸

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

22/09/2026

প্রিয় মা ❤️

১২ মাস বয়সী শিশুর পাতলা পায়খানা হলে সবচেয়ে জরুরি হলো শরীরে পানিশূন্যতা যেন না হয়। খাবার ও যত্নের নিয়ম নিচে দেওয়া হলো—

🌱 কী কী খাওয়াবেন
- খাবার স্যালাইন (ORS): প্রতিবার পাতলা পায়খানার পর দিন।
- বুকের দুধ: যদি খায়, চালিয়ে যান।
- রাইস স্যালাইন বা ডাবের পানি: শরীর হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।
- সহজপাচ্য খাবার (BRAT Diet):
- পাকা কলা
- নরম ভাত/জাও ভাত
- সেদ্ধ আপেলের পিউরি
- হালকা টোস্ট বা পাউরুটি
- অন্যান্য: নরম খিচুড়ি (তেল–ঝাল ছাড়া), সুজি, সেদ্ধ পেঁপে বা আলু।

🌱 কোন খাবার দেবেন না
- ঘি, মাখন, অতিরিক্ত তেল–ঝাল।
- গরুর দুধ বা ভারী দুগ্ধজাত খাবার।
- অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার, কোমল পানীয়।

🌱 সারাদিনের খাবার রুটিন
- সকাল: বুকের দুধ বা ORS।
- সকালের নাশতা: কলা + নরম ভাত/সুজি।
- সকাল ১১টা: চালের স্যালাইন/ডাবের পানি।
- দুপুর: নরম খিচুড়ি বা জাও ভাত (তেল–ঝাল ছাড়া)।
- বিকেল: আপেলের পিউরি বা পাতলা রাইস স্যুপ।
- রাত: নরম ভাত + পাতলা ডাল/সবজি।
- ঘুমানোর আগে: বুকের দুধ + প্রয়োজনে ORS।

🚨 কখন দ্রুত ডাক্তার দেখাবেন
- শিশু একদম কিছু খেতে না পারলে বা বারবার বমি করলে।
- অলস/নিস্তেজ হয়ে পড়লে বা প্রস্রাব কমে গেলে।
- পায়খানায় রক্ত বা অতিরিক্ত মিউকাস থাকলে।
- চোখ ভেতরে দেবে গেলে বা মুখ–জিহ্বা শুকিয়ে গেলে।
- টানা ২–৩ দিন ডায়রিয়া চললে বা জ্বর আসলে।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, পাতলা পায়খানার সময় শিশুকে অল্প অল্প করে বারবার তরল ও সহজপাচ্য খাবার দিন। জোর করে খাওয়াবেন না। তবে পানিশূন্যতা বা সতর্ক লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারকে দেখান। 🌸

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

Address

903 CDA Avenue (beside Sundarban Courier, 2 No Gate)
Chittagong
4000

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BabyBliss posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share