BabyBliss

BabyBliss Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from BabyBliss, Baby Goods/Kids Goods, 903 CDA Avenue (beside sundarban courier, 2 no gate), Chittagong.

𝐁𝐚𝐛𝐲𝐁𝐥𝐢𝐬𝐬: বাচ্চার যত্নে মায়েদের বিশ্বস্ত সঙ্গী —
মায়েদের নিরাপদ পণ্য বাছাইয়ে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।

সকাল ১০টা–বিকেল ৫টা (শুক্রবার বন্ধ)
WhatsApp: wa.me/8801811204539
Messenger:
https://m.me/babyblissbangladesh
Website: http://babyblissbd.com

প্রিয় মা ❤️  আপনার বাবুর বয়স এখন ৮ মাস পূর্ণ হয়েছে—এটি খেলাধুলা ও শেখার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই বয়সে খেলনা শুধু আ...
30/04/2026

প্রিয় মা ❤️

আপনার বাবুর বয়স এখন ৮ মাস পূর্ণ হয়েছে—এটি খেলাধুলা ও শেখার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ সময়।
এই বয়সে খেলনা শুধু আনন্দই দেয় না, বরং তার মোটর স্কিল, চিন্তাশক্তি ও সামাজিক বিকাশে সাহায্য করে।

🌱 কোন ধরনের খেলনা দিতে পারেন

- নরম ও নিরাপদ খেলনা → কাপড়ের বা প্লাশ টয়, যাতে কোনো ছোট অংশ না থাকে।

- টিথার বা র‍্যাটল → দাঁত ওঠার সময় কামড়ানোর জন্য সিলিকন টিথার বা শব্দ করা র‍্যাটল ভালো।

- কালারফুল ব্লকস → বড় আকারের রঙিন ব্লকস বা কাপ স্ট্যাকিং খেলনা দিন। এতে হাতের সমন্বয় ও চিন্তাশক্তি বাড়ে।

- মিউজিকাল খেলনা → ছোট ড্রাম, বেবি পিয়ানো বা শব্দ করা খেলনা তার শ্রবণশক্তি ও আনন্দ বাড়াবে।

- পুশ-অ্যান্ড-পুল খেলনা → হামাগুড়ি দেওয়ার সময় টেনে বা ঠেলে নেওয়া যায় এমন খেলনা দিন।

- বই → কাপড় বা মোটা কার্ডবোর্ডের ছবি বই দিন। এতে রঙ ও ছবি চিনতে শিখবে।

⚠️ সতর্কতা
- খেলনা যেন ছোট ছোট অংশযুক্ত না হয় → গিলে ফেলার ঝুঁকি থাকে।
- ধারালো বা শক্ত প্লাস্টিক এড়িয়ে চলুন।
- সবসময় খেলাধুলার সময় পাশে থাকুন।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, ৮ মাস বয়সে খেলনা বেছে নেওয়ার সময় নিরাপত্তা ও শেখার সুযোগ দুটোই মাথায় রাখুন। রঙিন, শব্দ করা ও নড়াচড়া করানো খেলনা তার বিকাশে সবচেয়ে বেশি সহায়ক হবে। 🌸

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

প্রিয় মা ❤️  আপনার ছেলের জন্য আগাম শুভকামনা। 💝৮–৯ মাস বয়সে খাবারের তালিকায় বৈচিত্র্য আনা এবং দানাযুক্ত খাবারের অভ্যাস ক...
29/04/2026

প্রিয় মা ❤️

আপনার ছেলের জন্য আগাম শুভকামনা। 💝
৮–৯ মাস বয়সে খাবারের তালিকায় বৈচিত্র্য আনা এবং দানাযুক্ত খাবারের অভ্যাস করানো খুবই জরুরি। তবে মনে রাখবেন, এই বয়সেও বুকের দুধ বা ফর্মুলা প্রধান পুষ্টির উৎস। শক্ত খাবার শুধু সম্পূরক হিসেবে দেওয়া হবে।

🌱
দৈনিক সময়ের নমুনা সূচি

- ভোর/সকাল (৭:০০–৮:০০): বুকের দুধ বা ফর্মুলা

- সকালের নাস্তা (৯:৩০–১০:৩০): সুজি, ওটস বা ফলের পিউরি

- দুপুরের খাবার (১:০০–২:০০): খিচুড়ি (চাল, ডাল, সবজি + মাছ/মাংস/ডিম)

- বিকেলের নাস্তা (৪:৩০–৫:৩০): দই, চিঁড়া বা হালকা ফল

- রাতের খাবার (৭:৩০–৮:৩০): সুজি বা হালকা খিচুড়ি

- ঘুমানোর আগে ও রাতে: বুকের দুধ বা ফর্মুলা

🌱
এক সপ্তাহের খাবারের তালিকা (নমুনা)

- ১ম দিন → সুজি (দুধ দিয়ে রান্না),
দুপুরে চাল-ডাল-পেঁপে-মিষ্টি কুমড়ার খিচুড়ি,
বিকেলে কলা চটকানো

- ২য় দিন → ওটস + আপেলের পিউরি,
দুপুরে খিচুড়ি + মুরগির কিমা,
বিকেলে সেদ্ধ নাশপাতি

- ৩য় দিন → চিঁড়া ভেজানো + মিষ্টি দই,
দুপুরে খিচুড়ি + মাছের নরম অংশ (কাঁটা ছাড়া),
বিকেলে সুজি বা সাবুদানা

- ৪র্থ দিন → কলা + ওটস,
দুপুরে খিচুড়ি + ডিমের কুসুম,
বিকেলে মিষ্টি আলুর পিউরি

- ৫ম দিন → আপেল + সুজি,
দুপুরে খিচুড়ি + লাউ ও গাজর,
বিকেলে ডাবের পানি বা অল্প ফলের রস

- ৬ষ্ঠ দিন → চিঁড়া + কলা,
দুপুরে সবজি খিচুড়ি + অল্প পনির/মাখন,
বিকেলে ডিমের কুসুম (যদি দুপুরে না খায়)

- ৭ম দিন → ওটস + পেঁপে,
দুপুরে ডাল-ভাত + মাছ/মুরগি,
বিকেলে সুজি + খেজুরের পেস্ট

⚠️
জরুরি টিপস

- লবণ ও চিনি দেবেন না → ১ বছর বয়সের আগে খাবারে লবণ বা চিনি যোগ করবেন না।

- নতুন খাবার → নতুন খাবার শুরু করলে টানা ৩ দিন পর্যবেক্ষণ করুন কোনো অ্যালার্জি হচ্ছে কি না।

- পানি → শক্ত খাবার শুরু করার পর দিনে কয়েকবার অল্প অল্প করে পানি দিন।

- খাবারের ধরন → খাবার ব্লেন্ড না করে হাতে চটকে দিন, এতে চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস হবে।

- ডিমের সাদা অংশ → সাধারণত ১০ মাস বা ১ বছর পর থেকে নিরাপদ, এখন শুধু কুসুম দিন।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, ৮–৯ মাস বয়সে খাবারের বৈচিত্র্য আনা শিশুর বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে বুকের দুধই প্রধান খাবার থাকবে। শিশুর পছন্দ অনুযায়ী তালিকা পরিবর্তন করতে পারেন, আর কোনোদিন কম খেলে জোর করবেন না। 🌸

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

প্রিয় মা ❤️  আমরা আপনাদের প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করছি। এজন্য টিমে নতুন সদস্য যোগ করতে হচ্...
28/04/2026

প্রিয় মা ❤️

আমরা আপনাদের প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করছি। এজন্য টিমে নতুন সদস্য যোগ করতে হচ্ছে এবং আরও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার (Pediatrician, Gynecologist, Nutritionist) যুক্ত করা হচ্ছে।

👉 বাস্তবতা হলো—ডাক্তাররা তাদের মূল্যবান সময় দেন। সেই সময়ের জন্য যথাযথ সম্মানী না দিলে তারা নিয়মিতভাবে সময় দিতে পারবেন না। আমরা অনেক ডাক্তারদের সাথে কথা বলেছি, প্রায় সবাই একই প্রশ্ন করেছেন:

“তাতে আমার কী লাভ?”

এটি তাদের পেশাগত বাস্তবতা। তাই আমরা যদি তাদের সম্মানী না দিই, তবে তারা দীর্ঘমেয়াদে আমাদের কমিউনিটিকে সময় দিতে পারবেন না।

আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত, যদি আপনারা আমাদের উদ্দেশ্য ভুলভাবে বুঝে থাকেন।

আমাদের লক্ষ্য সবসময়ই আপনাদের পাশে থাকা এবং সঠিক তথ্য দিয়ে সাহায্য করা।

এজন্যই আমরা টিমকে বড় করছি এবং ডাক্তারদের যুক্ত করছি, যাতে আপনারা আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সেবা পান। 🌸

🧡 আপনার মতামত আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ
প্রিয় মা, আপনারা আমাদেরকে একটি মতামত দিন—কি করলে আপনার মতো সকল মায়েদের পাশে আরও ভালোভাবে থাকতে পারি। আপনার মতামত অবশ্যই আমাদের টিম মিটিং-এ আলোচনা করা হবে।

আল্লাহর রহমতে অনেক মা ইতিমধ্যেই তাদের মতামত দিচ্ছেন। আমরা সবার মতামত নিয়ে এই বৃহস্পতিবার ইনশা’আল্লাহ মিটিং-এ বসছি।

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

প্রিয় মা ❤️  অনেক মায়ের মনে এই প্রশ্ন আসে যে মা ঠান্ডা কিছু খেলে বুকের দুধের মাধ্যমে বাচ্চার ঠান্ডা লাগে কি না। আসলে এট...
27/04/2026

প্রিয় মা ❤️

অনেক মায়ের মনে এই প্রশ্ন আসে যে মা ঠান্ডা কিছু খেলে বুকের দুধের মাধ্যমে বাচ্চার ঠান্ডা লাগে কি না। আসলে এটি একটি প্রচলিত ভুল ধারণা। বিষয়টি সহজভাবে ব্যাখ্যা করছি—

🌱 বুকের দুধ এবং তাপমাত্রা
- প্রাকৃতিক ফিল্টার → আপনি ঠান্ডা কিছু খেলেও তা পাকস্থলীতে গিয়ে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় পৌঁছে যায়।
- দুধের তাপমাত্রা → বুকের দুধ তৈরি হয় রক্ত থেকে, পাকস্থলীর খাবার থেকে সরাসরি নয়। তাই দুধ সবসময় শরীরের উষ্ণ তাপমাত্রাতেই থাকে।
- সর্দি-কাশির কারণ → ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া, ঠান্ডা খাবার নয়।

🍼 কখন সতর্ক থাকবেন
- যদি মা ঠান্ডা খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন (গলা ব্যথা, ভাইরাল ফিভার), তখন হাঁচি-কাশির মাধ্যমে জীবাণু ছড়াতে পারে।
- এ সময় শিশুকে দুধ খাওয়ানোর সময় মাস্ক ব্যবহার করুন এবং হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিন।
- কিছু শিশুর ক্ষেত্রে মায়ের অতিরিক্ত ঠান্ডা খাবার খাওয়ার পর গ্যাস বা অস্বস্তি হতে পারে, তবে এটি সবার ক্ষেত্রে হয় না।

💡 আপনার জন্য পরামর্শ
- আপনি সুস্থ থাকলে অল্প পরিমাণে ঠান্ডা খাবার বা পানি খেলে শিশুর কোনো সমস্যা হবে না।
- শিশুকে সরাসরি ঠান্ডা বাতাসে (এসি বা ফ্যানের নিচে) রাখবেন না।
- নিজের পুষ্টির দিকে নজর দিন, এতে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও ভালো থাকবে।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, মা ঠান্ডা কিছু খেলেই শিশুর সর্দি হয়—এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তাই অযথা দুশ্চিন্তা না করে নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নিন এবং শিশুকে স্বাভাবিকভাবে বুকের দুধ দিন। 🌸

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

প্রিয় মা ❤️  ১০ মাস বয়সী শিশুকে ফ্রিজে রাখা খাবার গরম করে খাওয়ানো যায়, তবে কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি। এই বয়সে বাচ্চা সলি...
25/04/2026

প্রিয় মা ❤️

১০ মাস বয়সী শিশুকে ফ্রিজে রাখা খাবার গরম করে খাওয়ানো যায়, তবে কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি। এই বয়সে বাচ্চা সলিড খাবার খেতে শুরু করেছে, তাই খাবারের নিরাপত্তা ও পুষ্টি বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

🌱 ফ্রিজে রাখা খাবার খাওয়ানোর নিয়ম

- সংরক্ষণ: রান্না করা খাবার ফ্রিজে রাখলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবহার করুন।

- গরম করা: খাওয়ানোর আগে খাবার ভালোভাবে গরম করুন যাতে ভেতর পর্যন্ত গরম হয়।

- ঠাণ্ডা করা: গরম করার পর খাবার হালকা গরম (lukewarm) হলে শিশুকে দিন।

- বারবার গরম নয়: একই খাবার একাধিকবার গরম করবেন না। এতে জীবাণু বাড়তে পারে।

🍼 কোন খাবার ফ্রিজে রাখা যায়
- ভাতের মাড় বা পাতলা খিচুড়ি।
- সবজি পিউরি (কুমড়া, গাজর, লাউ)।
- ফলের পিউরি (আপেল, পেঁপে) → তবে এগুলো তাজা বানানোই ভালো।
- ডাল সেদ্ধ।

👉 দুধ (বুকের দুধ বা ফর্মুলা) কখনোই ফ্রিজে রাখা খাবারের সাথে মিশিয়ে গরম করবেন না। আলাদা করে দিন।

⚠️ সতর্কতা
- খাবার ফ্রিজে রাখার আগে সম্পূর্ণ ঠাণ্ডা করুন।
- ফ্রিজে রাখার সময় এয়ার-টাইট কন্টেইনার ব্যবহার করুন।
- শিশুকে কখনো ঠাণ্ডা খাবার দেবেন না।
- খাবার গরম করার পর স্বাদ ও গন্ধ অস্বাভাবিক লাগলে ফেলে দিন।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, ১০ মাস বয়সী শিশুকে ফ্রিজে রাখা খাবার গরম করে খাওয়ানো যায়, তবে সবসময় তাজা খাবারই সবচেয়ে নিরাপদ। ফ্রিজে রাখা খাবার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবহার করুন এবং খাওয়ানোর আগে ভালোভাবে গরম করে নিন। 🌸

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

প্রিয় মা ❤️ মাতৃত্বের এই অসাধারণ যাত্রায় আপনার এবং আপনার সোনামণির পাশে থাকতে পারা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। দীর্ঘ এই...
25/04/2026

প্রিয় মা ❤️

মাতৃত্বের এই অসাধারণ যাত্রায় আপনার এবং আপনার সোনামণির পাশে থাকতে পারা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। দীর্ঘ এই পথচলায় আপনারা যেভাবে BabyBliss-এর ওপর আস্থা রেখেছেন, তার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

আলহামদুলিল্লাহ 💝,
২০২৫ সালের ১৬ এপ্রিল থেকে যাত্রা শুরু করে এ পর্যন্ত আমরা ১৭,০০০+ মায়ের প্রায় ১,০০,০০০+ (এক লাখেরও বেশি) দ্বিধা ও কনফিউশন দূর করতে সফল হয়েছি। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো সঠিক তথ্যের মাধ্যমে আপনাকে একজন আত্মবিশ্বাসী মা হিসেবে গড়ে তোলা এবং আপনার পাশে থাকা।

📢 আমাদের সেবা ও নতুন কিছু পরিবর্তন:

১. রিপ্লাই দেওয়ার সময় :
→ প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আমাদের টিম আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দেবে। শুক্রবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে। অফিস সময়ের বাইরে করা প্রশ্নগুলো সংরক্ষিত থাকবে এবং পরবর্তী কার্যদিবসে সিরিয়াল অনুযায়ী উত্তর দেওয়া হবে।

নোট: শুক্রবার আমাদের সাপ্তাহিক ছুটি থাকলেও, আপনাদের জরুরি প্রয়োজনে আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে (সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে) উত্তর দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।

২. পরামর্শের ধরন :
→ আমরা শিশুর সঠিক যত্ন ও মায়েদের দুশ্চিন্তা দূর করতে কাজ করি।
তবে সরাসরি কোনো ঔষধ সাজেস্ট করি না, কারণ শিশুকে সরাসরি পর্যবেক্ষণ ছাড়া ঔষধ দেওয়া নিরাপদ নয়। এটি শুধুমাত্র একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারই করতে পারেন।

৩. মান্থলি মেম্বারশিপ : #প্রতিমাসে_মাত্র াকা
→ সেবার মান আরও উন্নত করতে এবং টিম বড় করার লক্ষ্যে আগামী মে ২০২৬ থেকে একটি নির্দিষ্ট মেম্বারশিপ ফি (প্রতি মাসে ৮০০ টাকা) নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রায় ১০০০+ মায়ের মতামত ও সম্মতির ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

🚀 কেন এই পরিবর্তন

- একটি বড় বিশেষজ্ঞ ( , , ) টিম নিয়ে সিস্টেম সাজানো হচ্ছে।

- প্রতিদিন ৫০০+ প্রশ্ন আসে, তাই প্রতিটি মা যেন সঠিক সময়ে বিস্তারিত সমাধান পান।

- কাজের মান বজায় রেখে আরও উন্নত এবং দ্রুত সেবা দেওয়াই মূল উদ্দেশ্য।

📞 আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
যেকোনো প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন:

- WhatsApp: wa.me/8801811204539

- Messenger: m.me/babyblissbangladesh

🧡 শেষ কথা
আপনার বিশ্বাস ও ভালোবাসাই আমাদের শক্তি। BabyBliss সবসময় আপনার পাশে আছে
— একটি নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য বন্ধু হয়ে। 🌸

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

প্রিয় মা ❤️শিশুর খাবার মাইক্রোওভেনে গরম করার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ হলো কাচ, স্টেইনলেস স্টিল (মাইক্রোওভেন-সেফ হলে), এবং ফুড...
24/04/2026

প্রিয় মা ❤️

শিশুর খাবার মাইক্রোওভেনে গরম করার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ হলো কাচ, স্টেইনলেস স্টিল (মাইক্রোওভেন-সেফ হলে), এবং ফুড-গ্রেড সিলিকন বাটি। প্লাস্টিকের সাধারণ বাটি ব্যবহার করবেন না, কারণ এতে BPA বা ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকতে পারে।

🌱 কোন ধরনের বাটি ব্যবহার করবেন
- কাচের বাটি (Glass bowls):
- মাইক্রোওভেন-সেফ কাচের বাটি সবচেয়ে নিরাপদ।
- খাবারের স্বাদ ও গন্ধ ধরে রাখে, রাসায়নিক মিশে যায় না।
- ছোট বেবি ফুড স্টোরেজ জারও পাওয়া যায় যা ফ্রিজ ও মাইক্রোওভেন উভয়েই ব্যবহার করা যায়।

- ফুড-গ্রেড সিলিকন বাটি (Silicone bowls):
- BPA-free, নরম এবং শিশুর জন্য নিরাপদ।
- মাইক্রোওভেন ও ডিশওয়াশার-সেফ।
- অনেক সময় সাকশন বেস থাকে, যা হাইচেয়ারে বাটি ফেলে দেওয়ার ঝুঁকি কমায়।

- স্টেইনলেস স্টিল বাটি (Microwave-safe marked):
- সাধারণ স্টিল মাইক্রোওভেনে দেওয়া যায় না, তবে কিছু বিশেষভাবে তৈরি মাইক্রোওভেন-সেফ স্টেইনলেস স্টিল বাটি পাওয়া যায়।
- এগুলোতে খাবার দ্রুত গরম হয় এবং টেকসই।

⚠️ এড়িয়ে চলবেন
- প্লাস্টিকের সাধারণ বাটি: BPA বা অন্যান্য ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকতে পারে।
- মেলামাইন বা রঙিন প্লাস্টিক: মাইক্রোওভেনে দিলে রাসায়নিক বের হতে পারে।
- অ্যালুমিনিয়াম বা ধাতব বাটি: মাইক্রোওভেনে ব্যবহার করা যাবে না।

🍼 করণীয়
- খাবার সবসময় কাচ বা সিলিকন বাটিতে গরম করুন।
- গরম করার পর শিশুকে দেওয়ার আগে তাপমাত্রা পরীক্ষা করুন।
- একবার গরম করা খাবার আবার ফ্রিজে রেখে পুনরায় গরম করবেন না।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, শিশুর খাবার মাইক্রোওভেনে গরম করার জন্য কাচের বাটি বা ফুড-গ্রেড সিলিকন বাটি সবচেয়ে নিরাপদ। প্লাস্টিক বা অ্যালুমিনিয়াম এড়িয়ে চলুন। 🌸

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

প্রিয় মা ❤️  আপনার বাচ্চা হঠাৎ কান্না শুরু করলো—জ্বর নেই, পেট ব্যথা নেই, কিন্তু কান্না থামছেই না! 😫 তখন আপনি কী করবেন? ...
23/04/2026

প্রিয় মা ❤️

আপনার বাচ্চা হঠাৎ কান্না শুরু করলো—জ্বর নেই, পেট ব্যথা নেই, কিন্তু কান্না থামছেই না! 😫 তখন আপনি কী করবেন?

- Google করে সমাধান খুঁজবেন? 🔍

- Facebook Group-এ পোস্ট করে উত্তরের আশায় বসে থাকবেন? 📱

- নাকি স্রেফ ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিয়ে অপেক্ষা করবেন? ⏳

বাংলাদেশে প্রায় ৯০% নতুন মা-বাবা এমন অবস্থায় বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। আসল সমস্যাটা বাচ্চার কান্না নয়, বরং ঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারা।

🤱 BabyBliss: এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আপনার পাশে

আমরা জানি, শিশুর প্রতিটি মুহূর্ত কতটা মূল্যবান। তাই BabyBliss আপনাদের দিচ্ছে:

✅ দ্রুত গাইডলাইন—প্যানিক না করে শান্ত থাকার উপায়।
✅ সহজ সমাধান—বাচ্চার সমস্যা বুঝে তাৎক্ষণিক করণীয়।
✅ স্টেপ-বাই-স্টেপ প্রসেস—শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত করণীয়।

💡
কল্পনা করুন এমন একটি সিস্টেম
যেখানে বাচ্চার যেকোনো সমস্যায় আপনি যত দ্রুত সম্ভব পরিষ্কার গাইডলাইন পাবেন। আপনার মানসিক প্রশান্তি আর শিশুর নিরাপত্তার জন্য এই সাপোর্ট কতটা মূল্যবান হতে পারে ভাবুন।

📱
বর্তমানে BabyBliss প্রতিদিন গড়ে ৫০০+ মা-বাবার কনফিউশন দূর করছে WhatsApp এবং Messenger-এর মাধ্যমে। আলহামদুলিল্লাহ! 🤲

🚀
আমাদের এক্সপার্ট টিম বাড়ছে
আরও নিখুঁত সার্ভিস দিতে আমরা টিম মেম্বার বাড়াচ্ছি।

খুব শীঘ্রই একটি মেম্বারশিপ প্ল্যান চালু হবে।

সম্ভাব্য সাবস্ক্রিপশন ফি: #প্রতি_মাসে ৳ ৫০০ — ৳ ১০০০।

👉 আপনার কি মনে হয় এই সার্ভিসটি আপনার জন্য দরকারি?

- লিখুন "YES" (যদি প্রয়োজন হয়)
- লিখুন "NO" (যদি প্রয়োজন না থাকে)

🎁
বিশেষ অফার: প্রথম ১০টি মেসেজ একদম ফ্রি, যাতে আপনি সিস্টেমটি বুঝতে পারেন এবং আমাদের সেবার মান যাচাই করতে পারেন।

❤️ আপনার বাচ্চার সুস্থতা আর আপনার মানসিক প্রশান্তিই আমাদের মূল লক্ষ্য।

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

প্রিয় মা ❤️  ৭ মাস বয়সী শিশুর স্কিনকেয়ার গরমে খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যখন বাসায় এসি নেই। গরমে শিশুর ত্বকে ঘামাচি, ...
23/04/2026

প্রিয় মা ❤️

৭ মাস বয়সী শিশুর স্কিনকেয়ার গরমে খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যখন বাসায় এসি নেই। গরমে শিশুর ত্বকে ঘামাচি, র‍্যাশ বা শুষ্কতা দেখা দিতে পারে। কিছু সহজ নিয়ম মানলে শিশুর ত্বক আরামদায়ক থাকবে।

🌱 গরমে স্কিনকেয়ার
- গোসল: দিনে অন্তত একবার কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করান। এতে ঘামাচি কমবে।
- কাপড়: পাতলা, ঢিলেঢালা সুতি কাপড় পরান। সিনথেটিক কাপড় এড়িয়ে চলুন।
- ঘামাচি হলে: আক্রান্ত জায়গা পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন। প্রয়োজনে ডাক্তার পরামর্শে ক্যাল্যামাইন লোশন ব্যবহার করা যায়।
- পাউডার ব্যবহার করবেন না: এতে ঘামাচি আরও বেড়ে যেতে পারে।
- ঘর ঠাণ্ডা রাখুন: ফ্যান চালান, তবে সরাসরি শিশুর গায়ে না লাগিয়ে বাতাস চলাচল করান।

🍼 পানিশূন্যতা রোধে খাবার
- সবজি: লাউ, মিষ্টি কুমড়া, ঝিঙা → সেদ্ধ করে খিচুড়ি বা ভাতের সাথে দিন।
- ফল: কলা, পেঁপে, আপেল, ডাবের পানি → শরীর ঠাণ্ডা রাখে ও পানি যোগায়।
- তরল খাবার: ভাতের মাড়, পাতলা খিচুড়ি, সুজি → সহজপাচ্য ও হাইড্রেটিং।
- বুকের দুধ/ফর্মুলা: নিয়মিত দিন → সবচেয়ে নিরাপদ পানীয়।

🍂 প্রস্রাবের রঙ ও সংখ্যা
- মাঝে মাঝে প্রস্রাব হলুদ হলে চিন্তার কিছু নেই → সাধারণত পানি কম খাওয়ার কারণে হয়।
- দিনে অন্তত ৫–৬ বার প্রস্রাব হলে ডিহাইড্রেশন নেই।
- সবসময় গাঢ় হলুদ বা প্রস্রাব কমে গেলে → পানি/দুধের পরিমাণ বাড়াতে হবে।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, গরমে শিশুকে ঠাণ্ডা ও আরামদায়ক পরিবেশে রাখুন, পাতলা কাপড় পরান এবং বারবার বুকের দুধ/ফর্মুলা দিন। লাউ, মিষ্টি কুমড়া, কলা, পেঁপে ও ডাবের পানি শিশুকে শক্তি ও পানি যোগাবে। প্রস্রাব দিনে ৫–৬ বার হলে চিন্তার কিছু নেই। 🌸

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

প্রিয় মা ❤️  আপনার বাবুর বয়স এখন ১০ মাস ১৫ দিন। এই গরমে শিশুর যত্নে কিছু বাড়তি বিষয় খেয়াল রাখা দরকার—পানি, গোসল, খাবার ...
22/04/2026

প্রিয় মা ❤️

আপনার বাবুর বয়স এখন ১০ মাস ১৫ দিন। এই গরমে শিশুর যত্নে কিছু বাড়তি বিষয় খেয়াল রাখা দরকার—পানি, গোসল, খাবার এবং রুটিন।

🌱 পানি
- এই বয়সে বুকের দুধ প্রধান খাবার, তবে সলিড খাবারের পর ২–৩ চামচ ফুটানো ঠান্ডা পানি দিন।
- দিনে মোটামুটি ৫০–১০০ মি.লি. পানি যথেষ্ট।
- গরমে ঘাম বেশি হলে খাওয়ানোর পরপরই অল্প অল্প করে পানি দিন।

🛁 গোসল
- গরমে প্রতিদিন অন্তত একবার গোসল করান।
- কুসুম গরম বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করুন।
- গোসলের পর শিশুকে ভালোভাবে শুকিয়ে পাতলা সুতির কাপড় পরান।
- ঘামে ভিজে গেলে শুধু পানি দিয়ে হাত-পা-মুখ ধুয়ে দিন।

🍲 খাবার
- দিনে ৩–৪ বার সলিড খাবার দিন।
- সহজপাচ্য খাবার যেমন খিচুড়ি, ভাত-মাড়, সেদ্ধ সবজি, ডিমের কুসুম, পাকা কলা, পেঁপে, আপেল সেদ্ধ।
- খাবারের সাথে সামান্য ঘি মিশিয়ে দিলে শক্তি বাড়ে।
- লবণ, চিনি, মধু দেবেন না।

🍼 রুটিন (উদাহরণ)
- সকাল: কলা বা চিরা-দুধের পিউরি।
- দুপুর: খিচুড়ি (চাল, ডাল, সবজি, সামান্য ঘি)।
- বিকেল: পেঁপে বা আপেল সেদ্ধ।
- রাত: ভাত-মাড় বা পাতলা খিচুড়ি।
👉 প্রতিবার খাবারের পর কয়েক চুমুক পানি দিন এবং বুকের দুধ চালিয়ে যান।

⚠️ সতর্কতা
- গরমে শিশুকে ভারী কাপড় পরাবেন না।
- ঘামে ভিজে গেলে দ্রুত শুকনো কাপড় পরান।
- প্রস্রাব কমে গেলে বা শিশুর দুর্বলতা দেখা দিলে ডাক্তারকে দেখান।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, গরমে শিশুকে ঘন ঘন বুকের দুধ দিন, অল্প অল্প করে পানি দিন, প্রতিদিন গোসল করান এবং সহজপাচ্য খাবার দিন। এভাবে শিশুর আরাম ও স্বাস্থ্য দুটোই ভালো থাকবে। 🤲

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

প্রিয় মা ❤️  আপনার বাবুর বয়স এখন ৭ মাস ১৯ দিন। এই বয়সে বাদামগুঁড়ো দেওয়া নিরাপদ নয়। শিশুর পাকস্থলী এখনো বাদামের মতো ভার...
21/04/2026

প্রিয় মা ❤️

আপনার বাবুর বয়স এখন ৭ মাস ১৯ দিন। এই বয়সে বাদামগুঁড়ো দেওয়া নিরাপদ নয়। শিশুর পাকস্থলী এখনো বাদামের মতো ভারী খাবার হজম করার জন্য প্রস্তুত নয় এবং অ্যালার্জি ও শ্বাসরোধের ঝুঁকি থাকে।

🌱 কখন থেকে বাদাম দেওয়া যায়
- সাধারণত ১ বছর বয়সের পর ডাক্তার পরামর্শ অনুযায়ী বাদাম বা বাদামজাত খাবার দেওয়া শুরু করা যায়।
- প্রথমে খুব অল্প পরিমাণে, ভালোভাবে গুঁড়ো করে বা রান্নায় মিশিয়ে দিতে হয়।
- যদি পরিবারের কারও বাদামে অ্যালার্জি থাকে, তবে আরও দেরি করে শুরু করা উচিত।

🍼 কোন বাদাম দেওয়া যায়
- কাজু, কাঠবাদাম, আখরোট, চিনাবাদাম → এগুলো ১ বছর বয়সের পর অল্প করে দেওয়া যায়।
- সবসময় ভালোভাবে গুঁড়ো করে বা পেস্ট বানিয়ে খাবারের সাথে মিশিয়ে দিন।
- কখনোই পুরো বাদাম বা বড় টুকরো দেবেন না, এতে শ্বাসরোধের ঝুঁকি থাকে।

🍲 কীভাবে দেবেন
- পাতলা খিচুড়ি বা সুজির সাথে সামান্য বাদামগুঁড়ো মিশিয়ে দিন।
- ফলের পিউরির সাথে অল্প বাদামপেস্ট মিশিয়ে দিতে পারেন।
- প্রথমবার দেওয়ার সময় খুব অল্প দিন এবং শিশুর প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করুন।

⚠️ সতর্কতা
- যদি শিশুর ত্বকে র‍্যাশ, শ্বাসকষ্ট বা ডায়রিয়া হয় → বাদাম বন্ধ করুন এবং ডাক্তারকে দেখান।
- ১ বছরের আগে বাদাম না দেওয়াই নিরাপদ।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, আপনার বাবুকে এখন বাদামগুঁড়ো দেবেন না। ১ বছর বয়সের পর ডাক্তার পরামর্শে অল্প করে শুরু করুন এবং সবসময় ভালোভাবে গুঁড়ো বা পেস্ট করে দিন। 🤲

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

প্রিয় মা ❤️  আপনি নতুন মা, তাই রুটিন আকারে সাজানো থাকলে সহজে বুঝতে পারবেন কোন খাবার কখন দিতে হবে। আপনার বাবুর বয়স এখন ৬...
17/04/2026

প্রিয় মা ❤️

আপনি নতুন মা, তাই রুটিন আকারে সাজানো থাকলে সহজে বুঝতে পারবেন কোন খাবার কখন দিতে হবে। আপনার বাবুর বয়স এখন ৬ মাস পূর্ণ হয়েছে—এই সময় বুকের দুধই প্রধান খাবার থাকবে, আর সলিড খাবার হবে সম্পূরক। নিচে একটি ৩০ দিনের খাবারের রুটিন সময়সহ সাজিয়ে দিলাম।

🍼 সকাল (ঘুম থেকে ওঠার পর)
- বুকের দুধ বা ফর্মুলা

🍲 সকাল ১০টা–১১টা
- দিন ১–৩: ভাতের মাড়
- দিন ৪–৬: সুজি পাতলা করে রান্না
- দিন ৭–৯: মিষ্টি কুমড়া পিউরি
- দিন ১০–১২: গাজর পিউরি
- দিন ১৩–১৫: কলা চটকানো
- দিন ১৬–১৮: আপেল সেদ্ধ করে পিউরি
- দিন ১৯–২১: পাতলা খিচুড়ি (চাল + মুগ ডাল + সবজি)
- দিন ২২–২৪: পেঁপে চটকানো
- দিন ২৫–২৭: ডিমের কুসুম (ভালোভাবে সেদ্ধ, অল্প অল্প করে)
- দিন ২৮–৩০: লাউ বা ব্রকলি পিউরি

🍼 দুপুর
- বুকের দুধ বা ফর্মুলা

🍲 বিকাল ৩টা–৪টা
- ফলের পিউরি (যেটি আগে দেওয়া হয়েছে এবং মানিয়েছে)
- অথবা পাতলা সুজি

🍼 রাত
- বুকের দুধ বা ফর্মুলা

🌱 নিয়ম মানতে হবে
- ৩ দিনের নিয়ম: একবারে একটি খাবার দিন এবং ৩ দিন পর্যবেক্ষণ করুন।
- পাতলা ও মসৃণ: খাবার যেন পিউরি কনসিস্টেন্সি হয়।
- লবণ ও চিনি নয়: ১ বছর বয়সের আগে কোনোভাবেই দেবেন না।
- অল্প পরিমাণে শুরু করুন: প্রথমে ১–২ চামচ, পরে ধীরে ধীরে বাড়ান।
- জোর করবেন না: শিশুটি না চাইলে জোর করবেন না।

💧 পানি
- প্রতিবার খাবারের পর কয়েক চুমুক ফুটানো ঠান্ডা পানি দিন।
- দিনে মোটামুটি ৩০–৬০ মিলি (২–৪ টেবিল চামচ) যথেষ্ট।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, এই রুটিনে সকাল–বিকাল নির্দিষ্ট সময়ে অল্প অল্প করে নতুন খাবার দিন। বুকের দুধই প্রধান খাবার থাকবে, আর সলিড হবে অভ্যাস ও বৈচিত্র্য আনার জন্য। ধৈর্য ধরুন, শিশুর প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করুন এবং ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়ান। 🤲

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

Address

903 CDA Avenue (beside Sundarban Courier, 2 No Gate)
Chittagong
4000

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BabyBliss posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share