গল্পের প্রহর

গল্পের প্রহর sad story,love story,etc...

 #গল্প_তুই_আমার_নিঃস্বাশে_বাধা #লেখনীতে_রিয়া_আফরোজ ্ব_২"-খান বাড়িতে আজ লেগেছে উৎসবের ছোঁয়া, চারদিকে কেবল আনন্দ আর হৈচৈ।এ...
28/06/2025

#গল্প_তুই_আমার_নিঃস্বাশে_বাধা
#লেখনীতে_রিয়া_আফরোজ
্ব_২

"-খান বাড়িতে আজ লেগেছে উৎসবের ছোঁয়া, চারদিকে কেবল আনন্দ আর হৈচৈ।এরই মধ্যে তিহানের মা তার বাবার বাড়িরতেও এই খবর পাঠিয়ে দিয়েছে। তিহানের মামা মামি কত খুশি, আজ এতো বছর পর তিহান কে দেখবে।তারা আজই চলে যাবে খান বাড়িতে।তিহানের মামাতো ভাই বোন, আইমান রিতি আর নিশা কত খুশি হয়েছে ফুফাতো ভাই এসেছে, ফুফাতো ভাই কে দেখতে যাবে। আইমান ভাইবোনদের মাঝে সবার বড় অনার্স চতুর্থ বর্ষে পড়ে। রিতি ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে আর নিশা ছোট নাইনে পড়ে।

"-তিহান নিজের রুমে ঢুকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। সেই ছোটবেলা এই রুমে তার কত আনাগোনা, কত রাত কাঠিয়েছে।১০ বছর সে এই রুমটায় থাকেনি তাও সেই আগের মতোই আছে।তিহান ছোট থেকেই রাগী ছিল।তার মা ব্যতিত তার রুমে কেউ ঢুকার শাহস পেতো না।

"- তিহান রুমটার দিকে তাকিয়ে ভাবছে কত রাত জেগে সে এই রুমে এই টেবিলে পড়াশোনা করেছে। এসএসসি তে গোল্ডেন এ+ অর্জন করেছে।তিহান ছোট থেকেই মেধাবী ছাত্র ছিল ১৫ বছর বয়সেই এসএসসি পাশ করে। বর্তমানে তিহানের বয়স ২৬ বছর।নামি-দামি ২ কোম্পানি আছে তার নামে।

"-তবুও তিহানের দাদু আর বাবা চাচারা চায় তিহান খান বাড়ির কম্পানির দেখাশোনা করুক কারণ খান বাড়িতে কোনো ছেলে নেই। তিহান'ই খান বাড়ির একমাত্র ছেলে আর বড় সন্তান।তাদের পর কে এইসব দেখাশোনা করবে?মেয়েদের তো বিয়ে হয়ে যাবে এক সময়।

"- বড় নাতি এতো বছর পর বাড়ি ফিরেছে এই খুশিতে তিহানের দাদু মোতালেব খান তার এতিমখানাতেও বাচ্চাদের জন্য খাবারের আয়োজন করেছেন।তিহানের বাবা প্রতিবেশীদের দাওয়াত করেন খান বাড়িতে, তাদেরও আজ দাওয়াত।প্রতিবেশীরাও খুশিতে ছুটে আসে খান বাড়ির তিহান কে এতো বছর পর দেখবে বলে।

"-তারই মাঝে বাজার থেকে ফিরেন তিহানের ছোট চাচা আজিজুল খান। কত রকমের বাজার সাজার করেছে আজ। এই নাও কেয়ার মা বাজার থেকে আজ বড় বড় চিংড়ি এনেছি। তিহান চিংড়ি মাছ খেতে খুব ভালোবাসতো।আজ সবরকমের ভালো ভলো খাবার রান্না হবে দুপুরের জন্য বোঝেছ। আমি আসছি বলে আজিজুল খান চলে যায় তিহানের রুমের উদ্দেশ্য। তিহান এতো বছর পর চাচা কে দেখে জড়িয়ে ধরে কেমন আছেন ছোট আব্বু? আলহামদুলিল্লাহ বাবা ভালো আছি।তুমি কেমন আছো? জ্বী, ছোট আব্বু ভালো আছি।
তিহানের সাথে কিছুক্ষণ কথা বলে, আচ্ছা তিহান বাবা তুমি ফ্রেশ হয়ে নাও আজ দুপুরে সবাই এক সাথে খাবো বলেই আজিজুল খান বেড়িয়ে যায়।

"-এরই মাঝে তিহানের মা রুমে প্রবেশ করে।কি'রে তিহান রেডি হোসনি? দুপুরের খাওয়া দাওয়া শেষ করে আবার তোর বাবার সাথে এতিম খানাতে যেতে হবে। তোর দাদু বলেছে নিজের হাতে বাচ্চাদের কিছু দান করবি তুই। ঠিক আছে আম্মু। হ্যাঁ বাবা,এখন ফ্রেস হয়ে একটু রেস্ট করে নে এই ফাকে,কতটা রাস্তা এসেছিস। আচ্ছা আমি আসছি নিচে কত কাজ পরে আছে তোর মামা বাড়ির লোকজন আসছে আজ বলে ফারজানা বেগমও রুম থেকে বেড়িয়ে যায়।তারই মাঝে জিসান প্রবেশ করে তিহানের রুমে।

"-দোস্ত আমি আসছি, বাড়িতে যেতে হবে। আরে দুপুরে খাওয়া দাওয়া করে যাবি না? না দোস্ত আজ না আরেকদিন আসবো। তারপর তিহান লাগেজটা খুলে কয়েক রকমের ৩০ টা শার্ট বের করে। এর মাধ্যে ১৫ টা সাদা শার্ট বাকিগুলো অন্যান্য রকমের। দোস্ত দেখ তো কোন গুলো তোর পছন্দ হয়?কেন? যতটা পছন্দ হবে ততোটা নিয়ে যাবি। যদি ভালো লাগে সবগুলোই নিয়ে যাবি, তোর জন্য এনেছি। আরে আমার এতো গুলো শার্ট লাগবে না। তা বললে হবে না, একটা আগে পড়ে দেখ কেমন লাগে বাকিগুলা আমি প্যাকেট করে দিচ্ছি। তিহানের জোড়াজুড়িতে জিসান একটা শার্ট নিয়ে আয়নার সামনে যায়। দেখ দোস্ত এইটা আমাকে কেমন লাগছে? মানাইছে না?। হ্যাঁ, তবে বাকি গুলি নিয়ে যাস তোর জন্য এনেছি, নে ধর। না, এতোগুলো লাগবে না কয়েকটা দে শুধু। তারপর তিহান ১২ টা শার্ট প্যাকেট করে দেয়।নে ধর এইগুলা, বলে জিসানের হাতে দেয়।

"-লাগেজের দিকে তাকাতেই জিসানের চোখ যায়, একটা লাল রঙের বক্সের দিকে। যেনো চকচক করছে বক্সটা।নিশ্চয়ই মূল্যবান কিছু হবে? কি'রে দোস্ত ওইটা কি? কিছু না,ওইটা আমার পার্সোনাল।ওইটা কার জন্য? কারো জন্য নয়।তোরে ওইটার দিকে তাকাতে বলিনাই। তোরে যেটা বলছি সেটা কর সালা।

"বিয়ে করবি নাকি আমার বোন রে?

"কেন?

"সালা বললি যে?

"-আস্তাগফিরুল্লাহ আমার এতো সুন্দর একটা "মায়াপরী " থাকতে তোর বোন রে বিয়ে করবো কেন? তোর বোন মানে আমারো বোন বুঝলি।জিসান জিজ্ঞেস করে, তো তোর ওই "মায়াপরী"টা কে জানতে পারি? না! জিসান আবার বলে কে তোর "মায়াপরী"? তুই কারো প্রেমে পরেছিস নাকি তিহান? সিক্রেট বলা যাবে না! এখন আমি ফ্রেস হবো তুই নিচে গিয়ে আড্ডা দে, আমি আসছি। জিসান আবারো জিজ্ঞেস করে,বলনা দোস্ত, বলনা, আমিও জানতে চাই কে তোর ওই "মায়াপরী "?

"-তিহান তেড়ে আসে, তুই যাবি আমার রুম থেকে তোকে আমি দাড়া সালা। যাচ্ছি যাচ্ছি বলে জিসান এক দৌড় লাগায়। সামনে তিহানের মা ফারজানা বেগম পরে। এইভাবে কই ছোটছো জিসান? খেয়ে যাবে না আজ দুপুরে? না আন্টি আরেক দিন খাবো আজ যাই। ফারজানা বেগম একটা মুচকি হাসি দিয়ে বলে, পাগল ছেলে একটা ঠিক আমার তিহানের মতো।

,,,,,,,,,,
"-তিহান ওয়াশরুম থেকে বেড়িয়ে তাকাতেই দেখে কেয়া দাঁড়িয়ে আছে। তিহান তো অবাক,সত্যি কি এটা ওই ছোট্ট "মায়াপরী"টা যার সাথে বিয়ে ঠিক করায় তিহান রাগ করে দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিল?তার "মায়াপরী " কি আজো তার উপর রেগে আছে। বিভিন্ন ধরনের চিন্তা আসছে মাথায় তাও তিহান বলে,,,,,,

"-কি 'রে " ওখানে দাঁড়িয়ে আছিস কেন?ভিতরে আয়।আসলে আম্মু আপনার জন্য শরবত পাঠিয়েছে। হ্যাঁ রাখ এটা টেবিলে।

"আমি আসি।

"চলে যাবি যখন এসেছিস কেন?কেয়া মাথা নিচু করে নিচের দিকে তাকিয়ে আছে। তিহান কেয়ার কাছে একটু এগিয়ে গিয়ে থুঁতনিতে ধরে মাথা উঁচু করে। কি'রে তাকা আমার দিকে। আ,,আ,,আসলে তিহান ভাই।

"হুম!কি আসলে?

"আসলে,কেয়া ভয়ে কাঁপছে।

" হুম বল, কি আসলে?

"আসলে!

"আরে এই আসলেই টা কি বল না?

"আসলে তিহান ভাই আম্মু বলেছিল!

"হুম কি বলে ছিল?

চলবে.....

"গল্প টা আমি আরো পরে দিতে চাইছিলাম তবে পাঠকদের অনুরোধে আমি না লিখে থাকতে পারিনি।তবে আমি বেশ কিছু জায়গায় দেখলাম গল্প টা অনেকেই নিজের নামে চালিয়ে দিচ্ছে, নকল হইতে সাবধান! এই গল্পের আসল লেখিকার #রিয়া_আফরোজ।

গল্প_তুই_আমার_নিঃস্বাশে_বাঁধা🍁লেখনীতে_রিয়া_আফরোজ🌻সূচনা_পর্ব।-আজ ১০ বছর পর দেশে ফিরে এসেছে আজাদুল খান তিহান। ১০ বছর আগে ন...
28/06/2025

গল্প_তুই_আমার_নিঃস্বাশে_বাঁধা🍁
লেখনীতে_রিয়া_আফরোজ🌻
সূচনা_পর্ব।

-আজ ১০ বছর পর দেশে ফিরে এসেছে আজাদুল খান তিহান। ১০ বছর আগে নিজের চাচাতো বোনের সাথে বিয়ে ঠিক করায় তিহান রাগ করে সেইদিন রাতেই দেশ ছাড়ে।সবে মাত্র এসএসসি দিয়েছিল।আজ সে অনেক বড় বিজনেসম্যান।নিজস্ব ২ টা কম্পানির মালিক। এতো বছর বাড়ির কারো সাথে কোনো রকম যোগাযোগ রাখেনি তিহান। দেশে ফেরার একদিন আগে তিহান তার বন্ধ জিসান কে জানায়।জিসান সেই খুশির খবর খান বাড়িতেও ছড়িয়ে দেয়।এয়ারপোর্টে পা রাখতেই তিহানের ছোটবেলার বন্ধু জিসান আর তার বাবা রিসিভ করে। এক সাথে গাড়ি করে বাড়ি ফিরে।

"- বাড়ির সবাই কত খুশি, হৈচৈ পড়ে গেছে খান বাড়িতে। তিহানের আম্মু ফারজানা বেগম ছেলে বাড়ি ফেরার আনন্দে ছেলের পছন্দের সব রকমের রান্না আয়োজন করেছে আজ।

"-বাড়ির ভিতর ঢুকতেই তিহানের চোখ যায় এক কেশবতী,রূপসীর দিকে। সোফার কাছে এক কোনায় দাড়িঁয়ে আছে, সে আর কেউ নয় তার চাচাতো বোন "তানহা সাবরিন কেয়া " যার সাথে বিয়ে ঠিক করায় সেইদিন রাতেই তিহান রাগ করে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়। আজ তাকে এক অন্য রকম অপরুপ সুন্দরী লাগছে,যেমন কেশবতী,তেমন রুপবতী।তিহান এক দেখাতেই ক্রাশ খেয়ে যায়। চোখের পলক যেনো পরছেই না । তিহানের ছোট আম্মু সামিরা বেগম তিহান কে দেখে দৌড়ে আসে কেমন আছো বাবা? জ্বী ছোট আম্মু ভালো আছি।সামিরা বেগম তিহানের সাথে কথা শেষ করে বলে বসো বাবা আমি আসছি? আরে ছোট আম্মু এতো ব্যস্ত হবেন না। সামিরা বেগম রান্না ঘরে চলে যায় তিহানের জন্য নাস্তার ব্যবস্থা করতে। তিহানের চাচা বাজারে গেছেন আজ অনেক বছর পর ভাতিজা বাড়িতে ফিরে এসেছে।বড় বড় মাছ,মাংস বিভিন্ন ধরনের সবজিসহ অনেক কিছু কেনাকাটা করছে।

"-কেয়া তিহানের দিকে এক পলক তাকিয়ে আবার মাথা নিচু করে ফেলে। কালো কোট এর ভিতর সাদা সার্ট কালো প্যান্ট তিহানর দিক থেকেও যেনো চোখ ফেরানো দ্বায়। তাও কেয়া ভয়ে মাথা নিচু করে ফেলে।৫ ফুট ১১ ইঞ্চি, কুচকুচে কালো চাপ দাড়ি,দেখতে ফর্সা গড়ন ছেলেটা।তিহান তার দাদুকে সালাম করে। কেমন আছো দাদুভাই?আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি দাদু।

"-হঠাৎ রান্না ঘর থেকে ডাক আসে, কেয়া মা এইদিকে আয় তো একটু। আসছি আম্মু বলে কেয়া রান্না ঘরের দিকে চলে যায়। তিহান কেয়া যাওয়ার পানে তাকিয়ে আছে এখনো।

"-সেই মুহুর্তে তিহানের মা ফারজানা বেগম দৌড়ে এসে ছেলেকে জড়িয়ে ধরে। হঠাৎ করে ফারজানা বেগমের শরীর টা একটু খারাপ লাগছিলো বলে রুমে শুয়ে আছিলো কিন্তু ছেলে আসার খবর পেয়ে তিনি আর রুমে শুয়ে থাকতে পারেন নি।কেমন আছিস বাবা? এতোগুলো বছর আমাদের কারো সাথেই যোগাযোগ রাখিসনি কেন? এতোই অভিমান হয়েছে আমাদের উপর? তোর যদি কেয়া মামনি কে পছন্দ না হয় আমাদের বলতি, তাই বলে তুই আমাদের কাউকে কিছু না বলে দেশ ছেড়ে চলে যাবি?

"-পিছন থেকে তিহানের দাদু মুতালেব খান বলেন, আরে বউ মা আমার দাদুভাই এতো বছর পর এসেছে তোমরা একটু শরবত পানি দাও। তা না করে ওকে একের পর এক প্রশ্নই করে যাচ্ছো!

,,,,,,,,,
"তিহানের বাবারা ২ ভাই। তিহানের বাবা আমজাদ খান আর কেয়ার বাবা আজিজুল খান। তিহানের বাবা বড়,কেয়ার বাবা ছোট।তিহানেরা এক ভাই এক বোন। কেয়ারা ২ বোন। তিহানের ছোট বোন মিহি আর কেয়ার ছোট বোন আনাইয়া।তিহানের বোন মিহি ছোট, ক্লাস ৯ এ পড়ে। কেয়ার বোন একটু বড় সে ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে পড়ে। কেয়ার এইচএসসি পরিক্ষা শেষ এখন এডমিশন পরিক্ষার জন্য প্রি পারেশান নিচ্ছে।

"-এতো বছর পর ছোট ভাইবোনদের দেখে যেনো তিহানের মন একপ্রকার ঝুড়ে যায়।তার চেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, যে মেয়ের সাথে বিয়ে ঠিক করায় তিহান সেইদিন'ই দেশ ছাড়ে চলে গিয়েছিল আজ তার উপর'ই ক্রাশ খেয়ে গেলো।

"-মোতালেব খান বলে সবার হয়েছে? আমার দাদুভাই কে কেউ এইবার ডিস্টার্ব করবে না। এতোটা পথ এসেছে ওর একটু রেস্ট নেওয়ার দরকার।বাকি কথা পরে হবে। আরে দাদুভাই এতো প্যারা নিচ্ছো কেন? আমি ঠিক আছি। না দাদুভাই সব পরে হবে তুমি আগে ফ্রেশ হয়ে কিছু খেয়ে নাও।তার পর তিহান নিজের রুমে চলে যায়।

"-তিহান ভাবছে আজ কীভাবে সে কেয়ার মুখোমুখি হবে। যার সাথে বিয়ে ঠিক হওয়ায় রেগে দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিল।আজ এতো অপরুপ সুন্দর হয়েছে মেয়েটা। দেখতে ভারী মিষ্টি, মায়াবতী লাগছে। ১০ বছর আগে কেয়া ৯ বছরের বাচ্চা মেয়ে ছিল, ছোট বেলায় তাদের বিয়ে ঠিক করে ফেলে খান বাড়ির সবাই। তাই সে রাগ করে চলে যায়। তিহান ভাবছে কেয়া কি এখনো তার উপর রাগ করে আছে?

চলবে.....

Follow গল্পের প্রহর ✓

[রোমান্টিক থ্রিলার, ডার্ক রোমান্স, সাইকো টাইপের হবে।যারা এমন রিলেটেড পছন্দ করেন, এটা শুধু তাদের জন্য। বাকিরা পছন্দ করতে অক্ষম হলে এড়িয়ে যাবেন ধন্যবাদ]

এইটা গল্পের প্রথম পর্ব।
তাই যারা পড়ছেন, দয়া করে ছোট্ট করে একটা কমেন্ট করে যান।
আপনি যতটুকুই লেখেন না কেন, আমি সেই কমেন্টের রিপ্লাইতেই পরবর্তী পর্বের লিংক আপনাকে দিয়ে দেবো।

এভাবে করলে আপনি কোনো পর্ব মিস করবেন না, আর আমাদের পক্ষ থেকেও আপনাকে সহজে জানিয়ে দেওয়া যাবে।
ধন্যবাদ! 🌸
Golpo miss na Korte chaile please comment.
Happy riding....

Address

Dhaka
1219

Telephone

+8801405224057

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গল্পের প্রহর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to গল্পের প্রহর:

Shortcuts

Share