SaMi.shop

SaMi.shop As-salamu alaykum. We are provid all kinds of high quality hijabs, borkha, khimar and hijab accessories to the castomers at a low cost.

ঘটনা ১: আমার ফ্রেন্ডলিস্টে একজন মহিলা ছিলেন যিনি প্রায়ই আমাকে মেসেজ করতেন। তাকে অবশ্য আমি চিনি না। কোন এক চিকিৎসা সংক্র...
25/04/2026

ঘটনা ১: আমার ফ্রেন্ডলিস্টে একজন মহিলা ছিলেন যিনি প্রায়ই আমাকে মেসেজ করতেন। তাকে অবশ্য আমি চিনি না। কোন এক চিকিৎসা সংক্রান্ত ব্যাপার নিয়ে অন্য কোন পেইজে প্রথমে কথা হয়েছিল তারপর উনি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছিলেন। আমি একসেপ্ট করে নিয়েছিলাম। এরপর থেকে উনি বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ আমার কাছ থেকে নেন। সেটা কোন সমস্যা না। সমস্যা হলো, উনি একদিন আমাকে পরপর দুটি টেক্সট করলেন। টেক্সট এসেছে আমি দেখেছি কিন্তু আমি ব্যস্ত থাকায় রিপ্লাই করিনি যদিও মেসেঞ্জারে একবার ঢুকে আমার হাজবেন্ডের টেক্সটের রিপ্লাই করেছিলাম। এবং আমি মনে করি এটা আমার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। আমার প্রায়োরিটি লিস্টে কে থাকবে সেটা আমিই নির্ধারণ করবো। আমি অনলাইন হয়েছি অথচ ওনার প্রশ্নের উত্তর দেইনি কিংবা মেসেজটা দেখিনি এটা উনার বিরাট গায়ে লেগেছে। উনি মেসেজ গুলো ডিলিট করে দিয়েছেন।

একটু পর দেখলাম উনি আমাকে টেক্সট করেছেন,
-প্রয়োজনের সময় যদি পরামর্শ না পাওয়া যায় তাহলে এমন বন্ধুর দরকার নেই।

আমি কথাটা গায়ে মাখলাম না শুধু ওনাকে আনফ্রেন্ড করে দিলাম। কোন উত্তর দিলাম না কারণ উনি আমার বন্ধু নন।

ওমা ভদ্রমহিলা(!!!) ইনবক্সে আমাকে যা তা বলা শুরু করলো! আমি কেন তাকে আনফ্রেন্ড করেছি? আমার সাহস হলো কি করে! মানুষকে কসাই ডাক্তাররা এভাবেই অবমূল্যায়ন করে?

আমি শুধু একটা রিপ্লাই দিলাম।
-ডাক্তারি আমার প্রফেশন। আমি দাতব্য চিকিৎসালয় খুলে বসিনি। বসলেও সেটা আপনার জন্য প্রযোজ্য না কারণ আপনি সেই কাতারে পড়েন না। এতদিন আপনাকে যে সমস্ত পরামর্শ দিয়েছি সেই জন্য আমার যেই ফি টা আসে সেটা দয়া করে আমাকে পাঠিয়ে দেবেন। চাইলে আপনাকে আমার বিকাশ নম্বর দিতে পারি।

একটু পর উনি আমাকে ব্লক করে দিলেন।

তাই বলছি প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্মান এবং প্রায়োরিটি অন্য কাউকে দেবেন না।

ঘটনা ২: বিয়ের পরপর এক বন্ধুর মা এলেন আমার বাসায়। সপ্তাহের দুই দিন আমরা হাজব্যান্ড ওয়াইফ দুজনেই আমার বাড়ি অর্থাৎ আমার বাবার বাড়িতে থাকি। আন্টির সাথে আমার সুসম্পর্ক বরাবরই ছিল স্কুল ফ্রেন্ডের মা বলে কথা। যাইহোক আমার হাজবেন্ডের সাথে তার পরিচয় করিয়ে দিলাম। আমার হাজব্যান্ড কিছুক্ষণ কথা বলে বাইরে গেল।

অমনি আন্টি বলে উঠলেন,
-আমি ভেবেছিলাম তুমি আর রাজিব সম্পর্কে আছো। উল্লেখ্য আমার বন্ধুটির নাম রাজিব।

হেসে মাথা নাড়ালাম।
- আপনি ভুল জানেন আন্টি আমরা শুধুই বন্ধু।

-কিন্তু আমার ছেলে তো অন্যভাবে দেখেছে সব সময়।

আমি এসব জানতাম না একটু বিরক্ত হলাম। তবু হাসি মুখে বললাম,
-এখন আর কি করার আছে? যার ভাগ্য যেখানে।

-এই ছেলের মধ্যে এমন কি দেখলে যে কয়েক দিনের পরিচয় বিয়ে করে ফেলতে হলো?

মেজাজ খারাপ হলো, উনাকে কি আমার কৈফিয়ত দিতে হবে!
-ভালো লেগেছে, বাবা-মা পছন্দ করেছে, আমার আপত্তি করার কিছু ছিল না। তাই পারিবারিকভাবে ছোট্ট পরিসরে বিয়ে করে ফেলেছি। কোন সমস্যা আন্টি?

-অবশ্যই সমস্যা, তুমি ডাক্তার তোমার হাজব্যান্ড তো ডাক্তার না। এই ছেলের সাথে তোমার যায়?

-আপনার ছেলের সাথে যায়?

মহিলা নিশ্চুপ চোখে তাকিয়ে আছেন আমার দিকে। দৃষ্টি বলে দিচ্ছে হ্যাঁ ওটাই সঠিক।

-না আন্টি যায় না কারণ আপনার ভাষ্যমতে আমার হাজব্যান্ড যেহেতু ডাক্তার নয় তাই তাকে বিয়ে করা আমার উচিত হয়নি, আপনার ছেলেটিও ডাক্তার না। আপনার ছেলে আমার সমবয়সী। তার চেয়ে আমার ইনকাম অনেক বেশি। কিছুদিন পরেই সে ইনফিরিওরিটি কমপ্লেক্সে ভোগা শুরু করবে। অন্তত বাংলাদেশের ছেলেরা এই ব্যাপারে এখনো অতটা উদার হতে পারেনি। আমার হাজব্যান্ড এখনই যথেষ্ট এস্টাবলিস্ট এবং ম্যাচিউরড, তার এসব ভাবার সময় নেই।

মহিলা চায়ের কাপ আছড়ে রেখে উঠে চলে গেলেন। এরপর আর কোনদিন আমার সাথে তার দেখা হয়নি।

তাই বলছি প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্মান এবং প্রায়োরিটি কাউকেই দেবেন না। ভদ্র মহিলাকে আমি ছোটবেলা থেকে চিনি বিধায় নির্দ্বির্ধায় ওনাকে অনেক সম্মান করতাম এবং পছন্দ করতাম কিন্তু উনার মনে এটা ছিল তা জানতাম না। আর মনে মনে থাকলেও আমার বিয়ের পরে সেটা প্রকাশ করা ওনার কি উচিত হয়েছে?

ঘটনা ৩: কো*ভিডের সময় আমার খালুর চাকরি চলে গেল। খালা যদিও একটা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে তবুও দুটি সন্তান নিয়ে সে যথেষ্টই সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। আমি প্রায় প্রতিমাসেই আমার সাধ্যমত সে যেন না বুঝে এমন ভাবে খালাতো দুই বোনের বাহানা দিয়ে কিছু টাকা দিতাম না। এমন কোন বড় এমাউন্ট না তবে আমার মত ক্ষুদ্র মানুষের জন্য সেই টাকাটা নেহায়েত কম না। এভাবে প্রায় ৭/৮ মাস চলল।

এক মাসে আমি ব্যস্ত থাকায় টাকা দিতে দেরি হল কিন্তু ভুলে যাইনি। সে আমাকে ফোন করে হাই হ্যালো কেমন আছিস ভালো আছিস নাকি? কোন কিছুর ধার‌ না ধেরে বলল,
-কিরে এই মাসের টাকা কোথায়! বাসা ভাড়া দিতে হবে না? আমার বাড়িওয়ালা তাগাদা দিয়ে গেছে।

আমি আকাশ থেকে পড়লাম। বললাম,
- তুমি কি আমার কাছে কোন টাকা পাও?

কিছুক্ষণ নীরবতার পর সে বললো,
- যেটা কন্টিনিউ করতে পারবি না সেটা শুরু করার দরকার কি? টাকাটা পাঠিয়ে দে, বাড়িওয়ালা বিকেলের মধ্যে দিতে বলেছে ।

আমি টাকা দেইনি, এরপর আর এক টাকাও দেইনি। চোখের সামনে কষ্ট করতে দেখেছি, নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা দেখেছি কিন্তু এক পয়সাও দেইনি। যে উপহার কে অধিকার ভেবে নেয় এবং সেটা না পেলে খারাপ ব্যবহার করে তাকে সম্মান দেয়ার কোন প্রয়োজন আমি অন্তত বোধ করি না। হ্যাঁ ঈদে আমার বোনদেরকে গিফট দিয়েছি কিন্তু এরপর থেকে আর একটি পয়সাও দেইনি।

তাই বলছি প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্মান এবং প্রায়োরিটি কাউকেই দেবেন না।

ঘটনা ৪: আমার স্কুল ফ্রেন্ড আসিফ নতুন বিয়ে করেছে। ডাক্তারি পাস করার পর পরই যেহেতু আমাদের বাড়ির কাছাকাছি তাই প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে আন্টি আঙ্কেল আমাকে ডাকত। এই প্রেসার মেপে দেওয়া, সুগার দেখে দেওয়া, এছাড়াও বিভিন্ন ইমারজেন্সিতে। আমি সব সময়ই তাদের খোঁজখবর রেখেছি এবং কখনোই না করিনি। তো বন্ধুর বিয়ের পর দায়িত্ব আরো বাড়লো। এক সময় বন্ধুর বউ প্রেগন্যান্ট হলো। প্রথম চেকআপটা আমি হাসিমুখে বাড়িতেই করে এলাম। এখানে বলাই বাহুল্য আমি কিন্তু তাদের কাছ থেকে একটা পয়সাও নেই না আর আমার দিক থেকে এটাই স্বাভাবিক। যাই হোক, কিছুদিন আগে যখন আমার ছোট ফুপু মা*রা গেল, এত রাতে গাড়ি পাওয়া ছিল মুশকিল। আমার বন্ধুটির রেন্ট এ কারের বিজন্যাস। অতি দ্রুত তাকে ফোন করে একটা গাড়ির ব্যবস্থা করতে রিকোয়েস্ট করলাম। সে হাই তুলে বলল,
-এগুলোর বুকিং আগেই দিতে হয় রে।
-আশ্চর্য মৃ*ত্যু কি বুকিং দিয়ে আসে, আমি অবাক!
-না তা না, আচ্ছা ঠিক আছে আমি ব্যবস্থা করছি।

আমি হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম কিন্তু পরবর্তীতেই আমি একটু ধাক্কা খেলাম।
-শোন, নরমালি তো আমরা ৫০০০ টাকা নেই যেহেতু এত রাতে এত ইমার্জেন্সিভাবে বলছিস তাই তুই আট হাজার টাকা দিস আমি ম্যানেজ করে দিচ্ছি। বলে ও ফোনটা রেখে দিল।

আমি টাকা দিয়েছিলাম এবং ওই গাড়ি দিয়েই গিয়েছিলাম।

পরের চেকআপে আমি যখন ওর বাড়ি গেলাম না এবং ওর ফোন ধরলাম না তখন ভাবিকে নিয়ে ও সরাসরি আমার চেম্বারে চলে এল। আমি চেকআপ করলাম এবং ওষুধ দিলাম। ওরা যখন উঠে যাচ্ছিল ঠিক তখন বললাম,
-আমার ভিজিট ১০০০ টাকা, তুই বন্ধু মানুষ তাই ২০০ টাকা কম দে, সমস্যা নেই। তবে এরকম হুটহাট চলে আসলে কিন্তু হবে না। আমার চেম্বার ব্যস্ত থাকে, অবশ্যই এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে এর পরের বার থেকে আসবি।

সে হতভম্ব হয়ে টাকা বের করে দিয়েছিল।

সব মানুষ আপনার সদিচ্ছা বহন করতে পারে না। কেউ কেউ ভালোবাসাকে দুর্বলতা ভাবে, সাহায্যকে অধিকার মনে করে, আর নীরবতাকে অপরাধ ধরে নেয়, সম্মানকে বিনয়কে প্রাপ্য মনে করে। তাই জীবনে সবচেয়ে জরুরি যেটা শিখতে হয়, তা হলো কোথায় থামতে হবে। সম্মান দিন, সাহায্য করুন, পাশে দাঁড়ান কিন্তু নিজের আত্মসম্মানের দামে নয়। কারণ যে মানুষ উদার মনে পরামর্শ দেয়াকে অধিকার মনে করে, যে মানুষ সম্মানকে প্রাপ্য মনে করে, যে মানুষ উপহারকে দাবি বানায়, তারা কখনোই কৃতজ্ঞ হতে শেখে না। আর নিজের সীমা রক্ষা করা কখনো স্বার্থপরতা নয়। এটা আত্মরক্ষার সবচেয়ে পরিণত ভাষা।

#সীমারেখা

17/04/2026

ভিডিওটা দেখে শরীরের পশম দাঁড়িয়ে গেছে,
আমরা কি জাহেলি যুগে চলে আসলাম?

17/04/2026

ভিডিওটা দেখে শরীরের পশম দাঁড়িয়ে গেছে,
আমরা কি জাহেলি যুগে চলে আসলাম?

ইরানি বিজ্ঞানীরা বানায় শত শত কেজি ওয়ারহেড বহনকারী ব্যালাস্টিক মিসাইল !! আর বাঙ্গু সুশীল বিজ্ঞানীরা বানায় চেতনাধারী বৈ...
15/04/2026

ইরানি বিজ্ঞানীরা বানায় শত শত কেজি ওয়ারহেড বহনকারী ব্যালাস্টিক মিসাইল !! আর বাঙ্গু সুশীল বিজ্ঞানীরা বানায় চেতনাধারী বৈশাখী মিসাইল !!

আমেরিকার আরেকটা প/রা/জয়।দুনিয়াতে একমাত্র চীনই হল এমন রাষ্ট্র যে আমেরিকা কে কোন ধরণের গো*নায় ধরে না।যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধে...
14/04/2026

আমেরিকার আরেকটা প/রা/জয়।
দুনিয়াতে একমাত্র চীনই হল এমন রাষ্ট্র যে আমেরিকা কে কোন ধরণের গো*নায় ধরে না।
যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের তোয়াক্কা না করে হরমুজ প্রণালি পার হলো চীনের জাহাজ। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় থাকা একটি চীনের ট্যাংকার হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে। মার্কিন নৌবাহিনীর দেওয়া অবরোধ উপেক্ষা করেই জাহাজটি এ সমুদ্রপথ অতিক্রম করেছে।
জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত তথ্য প্রদানকারী সংস্থা ‘মেরিন ট্রাফিক’ ও ‘কেপলার’-এর তথ্যে বিষয়টি উঠে এসেছে।
হরমুজ প্রণালির অবরোধ শুরু হওয়ার পর এ প্রথম উপসাগরীয় এলাকা থেকে কোনো ট্যাংকার বের হওয়ার খবর পাওয়া গেল। জাহাজটির নাম ‘রিচ স্টারি’।
এদিকে ইরানের ৮০/৯০% তেল সেল হয় চীনে , চীনের জাহাজ আটকানোর হেডম নাই অর্থাৎ আমেরিকার নৌ ব্লকে ইরানের তেমন ক্ষতি হবে না। ক্ষতি হবে অন্যসব দেশের।
আরেকটা ব্যাপার চীনের নৌবাহিনী হল দুনিয়ার সবচেয়ে বড় নৌবাহিনী।
এর আগে ট্রাম্প ইরানের সব বন্দর কে নৌ অবরোধ দিছিল

২১ ঘণ্টার মারাথন আলোচনা ব্যর্থ — ইসলামাবাদ থেকে খালি হাতে ফিরছেন ভ্যান্সএকুশ ঘণ্টা। একটানা একুশ ঘণ্টা ধরে চলল আলোচনা। বি...
14/04/2026

২১ ঘণ্টার মারাথন আলোচনা ব্যর্থ — ইসলামাবাদ থেকে খালি হাতে ফিরছেন ভ্যান্স

একুশ ঘণ্টা। একটানা একুশ ঘণ্টা ধরে চলল আলোচনা। বিশ্ব অপেক্ষায় ছিল, তেলের বাজার অপেক্ষায় ছিল, লেবাননের মানুষ অপেক্ষায় ছিল, ইরানের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে বেঁচে থাকা মানুষগুলো অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু ১১ এপ্রিল শনিবার রাতে ইসলামাবাদ থেকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স যখন সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়ালেন, তখন তার মুখে ছিল না কোনো চুক্তির ঘোষণা। ছিল শুধু একটি বাক্য — "আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি।"

ছয় সপ্তাহের যুদ্ধ। তিন হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু। বিশ্বের জ্বালানি বাজারে ভূমিকম্প। এবং শেষে — একটি ব্যর্থ আলোচনা।
ইসলামাবাদের সেরেনা হোটেলে পুরো শুক্রবার ও শনিবার জুড়ে চলল আলোচনা। দুটি দল আলাদা কক্ষে, মাঝখানে পাকিস্তানি কূটনীতিকরা প্রস্তাব বহন করছেন। বাইরের পৃথিবীকে একটি তথ্যও দেওয়া হয়নি। একুশ ঘণ্টা পৃথিবী অন্ধকারে।
তারপর ভ্যান্স সামনে এলেন। বললেন, "এটা ভালো খবর যে আমরা একুশ ঘণ্টা ধরে আলোচনা করেছি এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা হয়েছে।" কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে যোগ করলেন, "খারাপ খবর হলো আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি। এবং আমার মনে হয় এই ব্যর্থতা আমেরিকার চেয়ে ইরানের জন্য অনেক বেশি খারাপ।"

সেই শেষ কথাটুকুতেই লুকিয়ে আছে সব — একটি হুমকি, একটি সতর্কবার্তা, এবং একটি প্রশ্ন। ভ্যান্স স্পষ্ট করলেন, আলোচনা ভাঙার মূল কারণ পারমাণবিক প্রশ্ন। আমেরিকা চায় ইরান সুস্পষ্ট ও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিশ্রুতি দিক যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, এবং যেসব সরঞ্জাম বা প্রযুক্তি দিয়ে দ্রুত পারমাণবিক বোমা বানানো সম্ভব সেগুলোও সংগ্রহ করবে না। ভ্যান্সের কথায়, "এটাই প্রেসিডেন্টের মূল লক্ষ্য। এটাই আমরা এই আলোচনায় অর্জন করতে চেয়েছিলাম।" ইরান সেই প্রতিশ্রুতি দিতে রাজি হয়নি।

ইরানের দাবির তালিকাও সুদীর্ঘ। হরমুজ প্রণালিতে সম্পূর্ণ সার্বভৌমত্ব। ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে কোনো সীমাবদ্ধতা নয়। এবং যুদ্ধে যে ক্ষতি হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ। আমেরিকার দাবি ঠিক বিপরীত দিকে — হরমুজ অবাধ খুলে দাও, পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করো, তেলের পথ মুক্ত রাখো।

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হবে ২২ এপ্রিল। আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। ভ্যান্স বলেছেন, আমেরিকা "খালি হাতে" ফিরছে। ট্রাম্প আগেই বলে রেখেছিলেন — চুক্তি না হলে "শেষ করে দেব।" এখন প্রশ্ন হলো, ২২ এপ্রিলের পরে কী হবে?

পারমাণবিক প্রশ্নে ইরান অনড়। হরমুজ প্রশ্নে ইরান নমনীয় হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখাচ্ছে না। লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত। ইরান বারবার বলছে, লেবানন সংকটের সমাধান না হলে কোনো চুক্তিই গ্রহণযোগ্য নয়।

ভ্যান্সের শেষ কথাটা মনে রাখা দরকার — "এটা ইরানের জন্য আমেরিকার চেয়ে বেশি খারাপ।" এই বাক্যে যে হুমকি আছে, তা পরিষ্কার। ২২ এপ্রিলের পরে সেই হুমকি কতটা বাস্তবে রূপ নেবে, সেটাই এখন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

ইসলামাবাদ চেষ্টা করেছিল। একুশ ঘণ্টা দুটি পক্ষ একই ছাদের নিচে বসেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শব্দগুলো মিলল না, সংখ্যাগুলো মিলল না, আর বিশ্বাসটা তো আগে থেকেই নেই। পৃথিবী আবার অপেক্ষায়। এবারে অপেক্ষার রং একটু বেশি গাঢ়।




নিয়মিত আপডেট নিউজ পাওয়ার জন্য লাইক, শেয়ার এবং ফলো দিয়ে রাখুন।

আজ সত্যিই ল*জ্জায় মাথা নত হয়ে যায়। যে দেশে একজন “মানবিক ডাক্তার” বছরের পর বছর বিনা পারিশ্রমিকে মানুষের জীবন বাঁচান, সেই ...
12/04/2026

আজ সত্যিই ল*জ্জায় মাথা নত হয়ে যায়। যে দেশে একজন “মানবিক ডাক্তার” বছরের পর বছর বিনা পারিশ্রমিকে মানুষের জীবন বাঁচান, সেই দেশেই তার হাসপাতাল চাঁ*দাবা*জদের টার্গেট হয়! ডা. কামরুল সাহেব ২ হাজারেরও বেশি মানুষের দেহে বিনামূল্যে কিডনি স্থাপন করে দিয়েছেন, তাকে ছাড় দিলো না চাঁ*দাবা*জরা....
আজকে যারা চাঁ*দাবা*জি নির্ভর দল করে তাদের রাজনীতির ভবিষ্যৎ কোথায় দাঁড়িয়ে আছে, তা আজ এমন ঘটনাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। যখন দলের নাম ব্যবহার করে কিছু নেতাকর্মী মানবতার সেবায় নিয়োজিত মানুষকেও ছাড় দেয় না, তখন বুঝতে বাকি থাকে না—এই রাজনীতি আদর্শ হারিয়েছে, মানবতা হারিয়েছে।
একটা দল তখনই ধ্বং*সের দিকে এগোয়, যখন তাদের ভেতরে নৈতিকতার মৃ*ত্যু ঘটে। চাঁ*দাবা*জি, দখলদারিত্ব আর অপকর্ম কখনোই জনগণের সমর্থন এনে দিতে পারে না—বরং ঘৃ*ণা আর প্রত্যাখ্যানই বাড়ায়।
মানুষ এখন সব বুঝে। মানবতার বিরুদ্ধে যারা দাঁড়ায়, তাদের জন্য জনগণের আদালতে কোনো ক্ষমা নেই।
👉 মানবিক মানুষদের পাশে দাঁড়ান, চাঁ*দাবা*জির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করুন। ✊

🔹 সংক্ষিপ্ত সারাংশ:তিনি বলছেন, ইসরাইল এখনো যুদ্ধ শেষ করেনি, তবে ইতিমধ্যে বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করেছে।তার মতে, Iran এবং ত...
12/04/2026

🔹 সংক্ষিপ্ত সারাংশ:
তিনি বলছেন, ইসরাইল এখনো যুদ্ধ শেষ করেনি, তবে ইতিমধ্যে বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করেছে।
তার মতে, Iran এবং তাদের মিত্ররা (হামাস, হিজবুল্লাহ ইত্যাদি) আগে ইসরাইলকে ঘিরে ফেলতে চেয়েছিল, কিন্তু এখন তারা নিজেরাই দুর্বল অবস্থায় আছে।
ইসরাইল সরাসরি ইরানের ভেতরে হামলা চালিয়েছে এবং তাদের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেছেন।
তিনি বলেছেন, এই অভিযান না হলে ইরান ইতিমধ্যেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করে ফেলত।
তিনি আরও দাবি করেন, ইসরাইল ইরানের অনেক শীর্ষ সামরিক ও বৈজ্ঞানিক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস করেছে।
🔹 আরও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট:
United States-এর সাথে একসাথে কাজ করার কথাও উল্লেখ করেছেন।
গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরাইল তাদের অবস্থান শক্তিশালী করেছে বলে দাবি।
Hezbollah এবং Hamas-এর বিরুদ্ধে বড় ধরনের সফলতার কথা বলেছেন।
তিনি বলেন, এখন অনেক দেশ ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক করতে আগ্রহী কারণ তারা ইসরাইলের শক্তি দেখেছে।

এইজন্যই অনলাইনে কখনোই কাউকে বাজে কথা বলতে হয় না....আপনি হয়তো তার কাছে মাফ চাওয়ার সময়ই পাবেন না। এই ছেলেটা আমার কাছে Grok...
11/04/2026

এইজন্যই অনলাইনে কখনোই কাউকে বাজে কথা বলতে হয় না....আপনি হয়তো তার কাছে মাফ চাওয়ার সময়ই পাবেন না।

এই ছেলেটা আমার কাছে Grok এর অল্টারনেটিভ জানতে চেয়েছিলো....জানিনা সে পরে পেয়েছিল কি না 🙃

ভারতের বেঙ্গালুরুতে ৪৫ বছর বয়সী এক মেকানিক কে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম রশিদ পাশা। তাকে সন্তানের সামনেই ...
10/04/2026

ভারতের বেঙ্গালুরুতে ৪৫ বছর বয়সী এক মেকানিক কে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম রশিদ পাশা। তাকে সন্তানের সামনেই পেটানো হয়।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SaMi.shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share