06/05/2026
রাসূল (ﷺ) জিবরাইল (আ.)-কে জিজ্ঞেস করলেন: তুমি কি হাসো? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
রাসূল (ﷺ) বললেন: কখন?
তিনি বললেন: যখন মানুষ সৃষ্টি হয়। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সে এমন কিছুর খোঁজ করে, যা দুনিয়ায় সৃষ্টি করা হয়নি!
রাসূল (ﷺ) অবাক হয়ে বললেন: সেটা কী?
জিবরাইল (আ.) বললেন: সেটা হলো—“স্বস্তি (পূর্ণ শান্তি)”。
আল্লাহ দুনিয়ায় পূর্ণ স্বস্তি সৃষ্টি করেননি, বরং তা আখিরাতের জন্য রেখেছেন। তাই মানুষ সব সময় স্বস্তির খোঁজ করে।
শিশু বলে: কবে বড় হবো।
যুবক বলে: ইশ! আবার যদি ছোট হতে পারতাম।
বৃদ্ধ বলে: যদি যৌবন ফিরে আসত!
বিবাহিত নারী বলে: ইশ! আবার অবিবাহিত হতাম।
অবিবাহিত নারী বলে: ইশ! যদি বিয়ে করতে পারতাম।
যার সন্তান নেই বলে: যদি একটা সন্তান থাকত।
যার সন্তান আছে, সে বিরক্ত হয়ে বলে: ইশ! সন্তান না থাকলে ভালো হতো!
যার এক স্ত্রী আছে, সে আরেকজনকে বিয়ে করতে চায়—স্বস্তির খোঁজে। সবাই স্বস্তির খোঁজে, কিন্তু দুনিয়ায় সেই পূর্ণ স্বস্তি নেই।
মারইয়াম (আ.) বলেছিলেন: “হায়! আমি যদি এর আগে মরে যেতাম!”—
তিনি জানতেন না, তাঁর গর্ভে একজন নবী আছেন।
তাই কষ্ট দীর্ঘ হলেও নিরাশ হয়ো না।।মূসা (আ.) যখন তাঁর ভাই হারুন (আ.)-কে দাফন করলেন, তখন তাঁর বিচ্ছেদ ও কবরের অন্ধকারের কথা মনে করে কেঁদে ফেললেন।
তখন আল্লাহ তাঁর কাছে ওহী পাঠালেন:
“হে মূসা! যদি আমি কবরবাসীদের অনুমতি দিতাম তোমাকে আমার দয়া সম্পর্কে জানাতে, তারা তোমাকে তা জানাতো।
আমি কি তাদের জীবিত অবস্থায় রিযিক দিয়ে ভুলে যাই, আর মৃত্যুর পর তাদের ভুলে যাবো?”
হে আল্লাহ! আপনি কতই না দয়ালু, কতই না কোমল।
(একটি সুন্দর শিক্ষা) জলপাইকে চাপ দিলে উৎকৃষ্ট তেল বের হয়। ফলকে চাপ দিলে মিষ্টি রস বের হয়। তেমনি, যদি দুনিয়ার কষ্ট তোমাকে চেপে ধরে, জেনে রাখো—আল্লাহ তোমার ভেতর থেকে সেরা জিনিস বের করতে চান।
হে আল্লাহ! আমাদের সুন্দর পরিণতি দান করুন, আমীন।
(বিশুদ্ধ কিতাবে এর উৎস খুঁজে পাওয়া না গেলেও কথাগুলো বিশুদ্ধ)
ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিবেন।