18/05/2026
বর্তমানে সরকারি হাসপাতালের কিছু নমুনা::::
#৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি রোগী থাকে ১০০ এর বেশী টোটাল নার্স ৩০ জন যাদেরকে ৩ শিফটে ভাগ করে দেয়া হয়,তাদেরকে আবার আউটডোরে বিভিন্ন সেকশনে বসতে হয়, তাহলে রোগীরা যদি আন্তজার্তিক মান অনুসারে সেবা চায় তবে আমরা যারা নার্স আছি আমাদের পক্ষে কি সেই সেবা টা দেওয়া সম্ভব????
#হাসপাতালে প্রতিদিন ৫০ জন রোগীর ঔষধ দিয়ে কি ৮০-১০০ জন রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব???
#উপজেলা পর্যায়ে হাসপাতালে ১জন ওয়ার্ডবয় দিয়ে কি সঠিক সেবা দেওয়া সম্ভব???
#আমরা যারা নার্স আছি আমাদের বাসায় কি বাবা মা স্বামী সন্তান আত্নীয় নাই???
#আমরা যারা নার্স আছি সারা দেশে শুধু মাএ ১ ঘন্টা যদি সবাই একযোগে কর্মবিরতি দেই ভাবতে পারছেন কত হাজার হাজার লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষ মারা যাবে, কত মানুষ তার আপন জনকে হারাবে??????
# আমরা নার্স,আমরাও মানুষ, আমরা কারো মা, কারো মেয়ে এবং কারো বউ। প্রতিদিন যখন ঘর থেকে বের হই হাসপাতালের উদ্দেশ্যে তখন এটাই ভাবি আমার কারনে যেন কোনো রোগীর কোনো ক্ষতি না হয়🥲
প্রতিদিন অনেক কিছু সহ্য করে একজন নার্সকে তার দায়িত্ব পালন করতে হয়।অনেক দায়িত্ববোধ এবং জবাবদিহিতা করতে হয় একজন নার্সকে। #তারপরও সমাজের কিছু মানুষ হাসপাতালে যায় শুধু নার্স এর ভুল ধরার জন্য।।কিছু মানুষ বলে-
সরকারি হাসপাতাল এ আসছি ঔষুধ বাইরে থেকে কিনে আনব কেন, সব ঔষধ তরা পকেটে কইরা লইয়া যাস।সরকারি হাসপাতালে আসছি তরা আমগর চাকর। শুধু বলেই শেষ না ঔষধ লিখে দিলে নার্সদের মারতে পর্যন্ত চলে আসে।
# একদল সাংবাদিক এবং রাজনীতিবীদ আছে যারা হাসপাতালে এসে তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে, হাসপাতালে আয়া ওয়ার্ডবয় নাই, রোগীর তুলনায় নার্স কম, নার্স রা রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে কিভাবে হিমশিম খায় সেগুলা না দেখে, তারা এসে প্রেসক্রিপশন না থাকা সত্ত্বেও ওষুধ নিতে চায়, না দিলেই নার্স ভালো না, নার্সদের নামে নিউজ হয়ে যায়।
আচ্ছা হাসপাতালে কি আযরাইল আসা নিষেধ? হ্যা কারন হাসপাতালে নার্স থাকে কোনো রোগী মারা যাওয়া যাবে না নার্সদের দায়িত্ব আযরাইল এর পথ আটকানো, আটকাতে না পারলেই নার্সকে সহ নিয়ে যাবে আযরাইল।
আমি একজন নার্স একটা রোগীকে বাচানোর জন্য আমার যতটুকু করনীয় যতটুকু প্রয়োজন তা আমি প্রাণপন চেষ্টা করি করার, তারপরও যদি রোগীটাকে বাচাতে না পারি আপনাদের কি মনে হয় আমাদের আনন্দ লাগে?? আপনাদের মনুষ্যত্ববোধ কোথায়????
(Copy post)