15/08/2026
TEXTILE NEWS UPDATE
গ্যাস সংকট আরও তীব্র: চাপে Textile, Dyeing ও Printing Industry
দেশের চলমান গ্যাস সংকট চতুর্থ সপ্তাহে আরও তীব্র হয়েছে। গ্যাসের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংকট যুক্ত হওয়ায় শিল্পকারখানাগুলোর উৎপাদনও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ প্রায় ২০৩ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছে, যেখানে দৈনিক চাহিদা প্রায় ৩৮৫ কোটি ঘনফুট।
এর প্রভাব পড়ছে Textile, Spinning, Dyeing, Printing, Finishing এবং Garments industry-তে। অনেক কারখানা স্বাভাবিক capacity-তে উৎপাদন করতে পারছে না; কোথাও উৎপাদন কমেছে, আবার কোথাও কারখানা বন্ধ রাখার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
বিশেষভাবে Narsingdi ও Madhabdi এলাকার Textile, Dyeing ও Printing factories-এর ওপরও সংকটের বড় প্রভাবের কথা শিল্পসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
Textile industry-এর জন্য গ্যাস শুধু একটি জ্বালানি নয়। Boiler, Dyeing, Finishing এবং বিভিন্ন production process-এর সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন gas supply সরাসরি যুক্ত। ফলে গ্যাসের চাপ কমে গেলে production efficiency, delivery schedule এবং production cost—সবকিছুর ওপর প্রভাব পড়তে পারে।
সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো export order সময়মতো shipment করা। উৎপাদন দীর্ঘ সময় ব্যাহত হলে আন্তর্জাতিক buyer-এর delivery commitment এবং বাংলাদেশের global competitiveness-এর ওপর চাপ তৈরি হতে পারে।
আপনার কারখানা বা এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি কী?
A) উৎপাদন স্বাভাবিক
B) Gas pressure কম, উৎপাদন কমেছে
C) উৎপাদন অনেক কমেছে
D) উৎপাদন/কারখানা বন্ধ
আপনার এলাকার বাস্তব পরিস্থিতি কমেন্টে জানাতে পারেন। এতে দেশের বিভিন্ন Textile ও RMG industrial area-এর বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে একটি বাস্তব চিত্র পাওয়া যাবে।
Source: Bangla Tribune, Dhaka Tribune, The Bangladesh Observer