Mr. Khan

Mr. Khan Holy Quran is the most powerful in the full world. We love . Thanks for watching this page.

30/05/2026
28/05/2026

দম ফুল মুভি #দম

20/05/2026

অশরীরী স্পর্শ
​শহরের কোলাহল থেকে একটু দূরে, পুরনো ধাঁচের অ্যাপার্টমেন্টের চারতলায় একা থাকত অয়ন। বয়স পঁচিশের কোঠায়, পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। রাত জেগে কোডিং করা আর কফি খাওয়া—এটাই ছিল তার চেনা রুটিন। কিন্তু জীবনটা এভাবে ওলটপালট হয়ে যাবে, তা সে স্বপ্নেও ভাবেনি।

​ঘটনাটার শুরু হয়েছিল মে মাসের এক গুমোট গরমে।

​সেদিন অফিস শেষে একটা ক্যাফেতে বসে ল্যাপটপে কাজ করছিল অয়ন। হঠাৎ তার মনে হলো, কাঁচের জানালার ওপাশ থেকে কেউ একজন একদৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে আছে। অয়ন চোখ তুলে তাকাল। একটি মেয়ে। পরনে সাদাটে পোশাক, উসকোখুসকো চুল, আর চোখের দৃষ্টিতে এক অদ্ভুত শূন্যতা। অয়ন চোখের পলক ফেলতেই মেয়েটি ভিড়ের মধ্যে মিলিয়ে গেল।

​প্রথমে বিষয়টাকে কাকতালীয় ভেবে উড়িয়ে দিয়েছিল সে। কিন্তু ভুল ভাঙল দুদিন পর। গভীর রাতে নিজের পড়ার টেবিলে কাজ করার সময় অয়নের হঠাৎ মনে হলো, ঘরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক রকম কমে গেছে। এসি বন্ধ, তাও হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসছে। ঠিক তখনই জানালার কাঁচের প্রতিফলনে সে দেখতে পেল—তার ঠিক পেছনে, ঘরের এক কোণে আবছা অন্ধকারে দাঁড়িয়ে আছে সেই একই মেয়ে! চমকে উঠে পেছনে তাকাতেই সেখানে কেউ নেই। শুধু বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে এক তীব্র, অপরিচিত সুগন্ধ।

​এরপর থেকে অয়ন যেখানেই যেত—ক্যাফেতে, রাস্তায় কিংবা অফিসের করিডোরে—দূর থেকে সেই মেয়েটিকে হেঁটে চলে বেড়াতে দেখত। যেন সে অয়নের ছায়া হয়ে গেছে।

​কিন্তু আসল আতঙ্ক শুরু হলো ঘরের ভেতর।

​একদিন মাঝরাতে হুট করে অয়নের ঘুম ভেঙে গেল। সে চিত হয়ে শুয়ে ছিল। হঠাৎ অনুভব করল, তার বুকের ওপর এক প্রচণ্ড ভারী চাপ। কেউ একজন তার ওপর বসে আছে! সে চিৎকার করতে চাইল, কিন্তু গলা দিয়ে কোনো আওয়াজ বেরোল না। হাত-পা নাড়ানোর ক্ষমতাও যেন হারিয়ে গেছে। আধো-অন্ধকারে সে স্পষ্ট দেখল, সেই মেয়েটি তার ওপর ঝুঁকে বসে আছে, তার ঠান্ডা নিশ্বাস আছড়ে পড়ছে অয়নের মুখে। মেয়েটির ঠোঁটে এক পিশাচী তৃপ্তির হাসি। প্রায় মিনিট পাঁচেক এই অবর্ণনীয় যন্ত্রণার পর হঠাৎ করেই চাপটা চলে গেল। অয়ন ধড়ফড় করে উঠে বসল, সারা শরীর ঘামে ভেজা।

​এর পরদিন রাতে পরিস্থিতি আরও ভয়ানক রূপ নিল।

​অয়ন তখন বাথরুমে শাওয়ার নিচ্ছিল। গরম জলের ভাপ জমে বাথরুমের আয়নাট
#রামিসা

রাহাত আর সুমন—দুইজনের বন্ধুত্বটা খুব সাধারণ ছিল।একসাথে স্কুলে যেতো,টিফিন ভাগাভাগি করতো,কোনো বড় বড় কথা না… শুধু একসাথে থা...
11/04/2026

রাহাত আর সুমন—দুইজনের বন্ধুত্বটা খুব সাধারণ ছিল।
একসাথে স্কুলে যেতো,
টিফিন ভাগাভাগি করতো,
কোনো বড় বড় কথা না… শুধু একসাথে থাকাটাই ছিলো অভ্যাস।
SSC শেষ হওয়ার পর
দুজন দুই দিকে চলে গেলো।
রাহাত ঢাকায় পড়তে গেলো,
আর সুমন গ্রামেই থেকে গেলো বাবার দোকান সামলাতে।
শুরুর দিকে কথা হতো—
“কিরে কেমন আছিস?”
“ভালো… তুই?”
তারপর ধীরে ধীরে কথা কমতে লাগলো।
কেউ ঝগড়া করেনি…
কেউ কাউকে ছেড়ে যায়নি…
তবুও দূরত্বটা হয়ে গেলো।
একদিন অনেক বছর পর
রাহাত গ্রামে ফিরলো।
বাজারের পাশ দিয়ে যেতে যেতে
হঠাৎ একটা পরিচিত কণ্ঠ—
“এই রাহাত না?”
ঘুরে দেখে—সুমন।
চেহারাটা বদলে গেছে,
কিন্তু হাসিটা একই আছে।
দুজন কিছুক্ষণ চুপ…
তারপর ছোট করে—
“কেমন আছিস?”
“ভালো…”
কথা শেষ।
কেউ বলেনি—
“তোকে মিস করতাম…”
কেউ বলেনি—
“আবার আগের মতো হই…”
দুজনই বুঝছিলো—
সময়টা আগের জায়গায় আর নেই।
বিদায় নেয়ার সময় সুমন শুধু বললো—
“সময় পেলে মাঝে মাঝে আয়…”
রাহাত মাথা নাড়লো…
কিন্তু দুজনেই জানতো—
এই ‘মাঝে মাঝে’ আর আসবে না।















11/04/2026

👉 “মায়ের এই চিঠিটা পড়ার পর ছেলেটা আর নিজেকে সামলাতে পারেনি… 😭”
👉 “শেষবার ‘ব্যস্ত আছি’ বলাটাই হয়ে গেলো জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল!”

রাতে হঠাৎ একটা পুরোনো ডায়েরি খুলে গেলো রাফির হাতে…
ভিতরে একটা ভাঁজ করা কাগজ।
কাগজটা খুলতেই লেখা—
“বাবা, যখন তুই এই চিঠিটা পড়বি, তখন হয়তো আমি আর তোর পাশে থাকবো না…”
রাফির হাত কাঁপতে শুরু করলো।
সে মনে করার চেষ্টা করলো—শেষ কবে মায়ের সাথে ভালো করে কথা বলেছিল?
মা প্রতিদিন ফোন দিতো…
আর সে বলতো—“ব্যস্ত আছি, পরে কথা বলবো।”
কিন্তু সেই “পরে” আর কখনো আসেনি।
চিঠিতে লেখা ছিল—
“তুই যখন ছোট ছিলি, তোর জন্য না খেয়ে থেকেছি…
আজ তুই বড় হয়ে গেছিস, কিন্তু সময়টা আর আমার জন্য নেই…”
রাফির চোখ দিয়ে পানি পড়তে লাগলো… 😢
চিঠির শেষ লাইনে লেখা—
“বাবা, আমি তোকে কখনো দোষ দেইনি… শুধু একটু সময় চেয়েছিলাম।”
ঠিক তখনই ফোনে একটা কল আসে…
গ্রামের প্রতিবেশী—
“রাফি… তোর মা আর নেই।”
রাফি মাটিতে বসে পড়ে…
চিঠিটা বুকে চেপে শুধু একটা কথাই বলতে থাকে—
“মা… আর একবার ডাকো না আমাকে…” 💔




















গতকাল নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানী নিহত হয়েছে। যিনি তার আগের দিন রাস্তায় বেরিয়ে জনগণের সামনে হিরো সেজেছিলেন ও রাজপথে গর...
18/03/2026

গতকাল নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানী নিহত হয়েছে। যিনি তার আগের দিন রাস্তায় বেরিয়ে জনগণের সামনে হিরো সেজেছিলেন ও রাজপথে গর্বের সাথে হেঁটেছিলেন। গতকাল তিনি কালো মাটির নিচে চাপা পরেছেন।
আজকে গোয়েন্দা প্রধান পটল তুলেছে এবং তার বাসভবনে হিট করা হয়েছিল।
এরা কি ভুলে গেছে যুদ্ধ চলছে ? নাকি পরিবারের সাথে ইফতার পার্টি করার জন্য বাসায় এসেছিলের ?
নাকি আগামীকালের ঈদের শপিং এর জন্য কেনাকাটা করতে বাসায় ছিলেন ?
আমার ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে কিছু বুঝে আসছে না, এরা রাষ্ট্রের প্রতি দ্বায়িত্ববান নাকি পরিবারের প্রতি আবেগী?
রাষ্ট্রের প্রতি একনিষ্ঠ হলে তারা ব্যাটলগ্রাউন্ডে শহীদ হতেন,
কিন্তু তারা আবেগী ; রাষ্ট্রের চেয়ে পরিবারকে, স্রষ্টার প্রতি ভালোবাসার চেয়ে রক্তের সম্পর্ককে বেশি গুরুত্ব দেয় বিধায় রাজপথে বা ঘরের ভেতর পটল তোলে।
আমি বিরক্ত ও আমার হৃদয় ব্যথিত :-(

মাসুদ পেজেশকিয়ান ছাড়া ইরানের অধিকাংশ শীর্ষ নেতৃত্বের কেউ বেঁচে নেই! আহ খুবই খারাপ একটা দিন ইরানের জন্য, ইরানি জনগণের জন্...
18/03/2026

মাসুদ পেজেশকিয়ান ছাড়া ইরানের অধিকাংশ শীর্ষ নেতৃত্বের কেউ বেঁচে নেই! আহ খুবই খারাপ একটা দিন ইরানের জন্য, ইরানি জনগণের জন্য। কিভাবে এতো নিখুঁত টার্গেট হচ্ছে? বিশ্বাসঘাতকে ভরে গেছে দেশটা।

ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি লারিজানি সহ শীর্ষ কিছু সামরিক জেনারেল, কর্মকর্তাদের টার্গেট করা হয়েছে! এতোটা হুমকির পরেও এরা ইরানের রাস্তায়, তেহরানের অলিতে-গলিতে ভয়ডরহীন ঘুরে বেড়িয়েছেন।

Address

Dhaka
3831

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mr. Khan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share