Shotorupa-শতরূপা

Shotorupa-শতরূপা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Shotorupa-শতরূপা, Dhaka.

আপনি যতটা ছাড়বেন, মানুষ ততটাই আপনারটা কেড়ে নেবে।
25/08/2025

আপনি যতটা ছাড়বেন, মানুষ ততটাই আপনারটা কেড়ে নেবে।

কাপ টা ভেঙে গেল,,তবুও বাসায় কোন চিৎকার চেঁচামেচি নাই😒বলেন তো কাপটা কে ভেঙেছে?🤔😬
12/07/2025

কাপ টা ভেঙে গেল,,
তবুও বাসায় কোন চিৎকার চেঁচামেচি নাই😒
বলেন তো কাপটা কে ভেঙেছে?🤔😬

"দুপুর মানেই শুধু পেট ভরানো নয়—এটা এক প্লেট স্মৃতি, স্বাদ আর শান্তির গল্প।গরম ভাত, ঘরোয়া পদ আর ভালোবাসায় ভরা রান্না…আ...
12/07/2025

"দুপুর মানেই শুধু পেট ভরানো নয়—
এটা এক প্লেট স্মৃতি, স্বাদ আর শান্তির গল্প।
গরম ভাত, ঘরোয়া পদ আর ভালোবাসায় ভরা রান্না…
আজকের দুপুরটা ঠিক যেন মনের মতো। 🍚❤️🍛
#দুপুরেরসুখ #বাঙালিরপ্লেট #হোমকুকডলাভ #শতরুপা

18/05/2025

আল্লাহ তায়ালা বলেছেন 'আমি বান্দার সাথে তার ধারণা অনুযায়ী আচরণ করি'

উপরিউক্ত কথাটি আমরা কমবেশি সবাই শুনেছি। এটি হাদিসে কুদসির অংশ বিশেষ। ইমাম কুরতুবি রাহিমাহুল্লাহ এর চমৎকার ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এর চারটি অর্থ হতে পারে :

১. দুআ কবুল হওয়ার ব্যাপারে আমি বান্দার সাথে তার বিশ্বাস অনুপাতে আচরণ করি। যদি সে বিশ্বাস করে যে আমি তাকে ফিরিয়ে দেবো না, তবে সত্যিই তাকে ফিরিয়ে দেবো না।

২. তাওবা কবুল হওয়ার ক্ষেত্রে আমি তার বিশ্বাস অনুযায়ী আচরণ করি। যদি সে পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী হয়, তাহলে তাকে ফিরিয়ে দিই না।

৩. ইস্তিগ*ফারের ক্ষেত্রে আমি বান্দার সাথে তার ধারণা অনুযায়ী আচরণ করি। যদি সে ক্ষ*মা পাবে বলে বি*শ্বাস করে তাহলে তাকে ক্ষমা করে দিই।

৪. ইবাদাত কবুল হওয়ার ব্যাপারেও আমি তার সাথে একই রকম আচরণ করি।

[সহিহ বুখারি : ৭৪০৫; ফাতহুল বারি : ১৫/২৭০]

ইমাম কুরতুবি রাহিমাহুল্লাহ এর এই " হতে পারে" ৪টির সব কয়টিই আমি বিশ্বাস করি! আমি বিশ্বাস করি সবগুলাই আমার সাথে হবে!
©
fans

একজন নারী কতটা আবেগে থাকলে কতটা ডেস্পারেট থাকলে তার ২৫ ভরি স্বর্ন কোনো ভাবনা চিন্তা ছাড়াই দিয়ে দিতে পারে? একজন নিঃসন্তান...
18/05/2025

একজন নারী কতটা আবেগে থাকলে কতটা ডেস্পারেট থাকলে তার ২৫ ভরি স্বর্ন কোনো ভাবনা চিন্তা ছাড়াই দিয়ে দিতে পারে?
একজন নিঃসন্তান মা পারেন। একটা সন্তান পাওয়ার জন্য একজন নারী কতটা ব্যাকুল থাকে কতটা কষ্টে থাকে তা শুধু সেই নারীরাই জানে যাদের সন্তান হয়না। যাদের সন্তান আছে তারা সন্তান দের প্রতি বিরক্ত না হয়ে আল্লাহর কাছে সারাদিন শুকরিয়া আদায় করুন।
"দোয়া কবুলের অলৌকিক গল্প" নামের গ্রুপের ফ্রড রা এভাবেই একজন নারীকে বাচ্চা হওয়ার লোভ দেখিয়ে ২৫ ভরি স্বর্ন হাতিয়ে নেয়।

◾মূল ঘটনা :

নিঃসন্তান নারীকে গর্ভবর্তী হতে তদবির করার নামে ২৫ ভরি স্বর্ণ ও অর্থ প্রতারণা!

উদ্ধার ৮৬ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ ও মোবাইল ফোনসহ সংঘবদ্ধ অনলাইন প্র'তা'র'ক চক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার করেছে নিউমার্কেট থানা পুলিশ

গ্রেফতারকৃতরা হলো- ১। মো. আসিফুর রহমান (২০) ২। মো. আল আমিন (২৫) ও ৩। অনামিকা (২৪) ।

সাভার ও মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

নিউমার্কেট থানা সূত্রে জানা যায়, নিউমার্কেট থানা এলাকার বাসিন্দা জনৈক আফরোজা হোসেন গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৪ সন্ধ্যায় তার ফেসবুক আইডি ব্যবহার করার সময় “দোয়া কবুলের অলৌকিক গল্প” নামক একটি ফেসবুক গ্রুপ দেখতে পান। উক্ত গ্রুপে একটি পোস্টে “তদবীর রুকাইয়া” লেখা দেখতে পেয়ে তিনি পোস্টদাতার মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করেন। উক্ত আইডি ব্যবহারকারী অজ্ঞাতনামা মহিলা তাকে জানায়, সে তাকিয়ার মাধ্যমে অনেক কাজ হাসিল করেছে। পরবর্তীতে উক্ত মহিলা তাকে Tahqiya নামক ফেসবুক আইডির লিংক দিয়ে উক্ত আইডির সাথে যোগাযোগ করতে বলে। আফরোজা হোসেন তার কথামতো উক্ত ফেসবুক আইডির মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করলে উক্ত আইডি ব্যবহারকারী তাকে জানায় তিনি সব সমস্যার সমাধান করতে পারেন। এক পর্যায়ে আফরোজা হোসেন তার বাচ্চা না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তার কথামতো কাজ করতে বলেন। অতঃপর ১৮ জানুয়ারি ২০২৪ খ্রি. সন্ধায় সেই অজ্ঞাতনামা মহিলা মেসেঞ্জারে একটি নাম্বার দিয়ে সে নাম্বারে ছয় হাজার একশত টাকা বিকাশ করতে বলে। তিনি তার কথামত সরল বিশ্বাসে উক্ত নাম্বারে টাকা প্রেরণ করেন। অতঃপর ১৯ জানুয়ারি ২০২৪ খ্রি. উক্ত মহিলা আফরোজা বেগমের ব্যবহৃত জামা কাপড়, শ্যাম্পু, সাবান, তেল ও স্বর্ণের গহনা কুরিয়ার করে তার কাছে পাঠিয়ে দিতে বলে এবং জানায় সব কিছু ঝাড়ফুঁক দিয়ে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ফেরত দেওয়া হবে এবং সেগুলো ব্যবহার করলে তার বাচ্চা হবে ও সব সমস্যা কেটে যাবে। আফরোজা হোসেন তার কথামতো তার ব্যবহৃত ২৫ ভরি স্বর্ণ ও ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী এস এ পরিবহনের মাধ্যমে প্রেরণ করেন। অতঃপর সে উক্ত স্বর্ণ ও মালামাল নিয়ে তাকে ম্যাসেঞ্জার হতে ব্লক করে দেয়। পরে তিনি বুঝতে পারেন যে তিনি প্র'তা'র'ণা'র শিকার হয়েছেন। এরই প্রেক্ষিতে আফরোজা হোসেন বাদী হয়ে ডিএমপির নিউমার্কেট থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।

থানা সূত্রে জানা যায়, উক্ত মামলাটি তদন্তকালে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৬ মে ২০২৫ খ্রি. রাত ৩:২০ ঘটিকায় সাভার থানাধীন নিজ বাসা থেকে আসামি আসিফুরকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতারকৃত আসিফুরের দেওয়া তথ্য মতে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে একই তারিখ সকাল ১০:০০ ঘটিকায় মোহাম্মদপুর থানার ৪০ ফিট বছিলা ফিউচার হাউজিংয়ের একটি বাসা থেকে আল আমিন ও অনামিকাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকালে ধৃত আসামি আসিফুরের হেফাজত হতে প্র'তা'র'ণার কাজে ব্যবহৃত সীমসহ একটি মোবাইলফোন এবং গ্রেফতারকৃত অপর আসামি আল-আমিন ও অনামিকার হেফাজত হতে ৮৫ ভরি স্বর্ণালংকার, কপারযুক্ত ২৬ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ তিন লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও প্র'তা'র'ণার কাজে ব্যবহৃত একটি Iphone 15 Pro Max এবং একটি Samsung S24 Ultra মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

তথ্যসূত্র: যমুনা টিভি

24/12/2024

মানুষের ভাগ্য কিসের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়? অনেক ভালো মানুষের ভাগ্য খুবই মন্দ হতে দেখা যায়। আবার অনেক খারাপ মানুষের ভাগ্য ভালো হতে দেখা যায়। যাদের মন্দভাগ্য তার আল্লাহর অপ্রিয় বেপারটা কি এমন?

ব্যাখ্যা

১. ভাগ্যের উৎস
মানুষের ভাগ্য আল্লাহ তাআলার নির্ধারিত। তিনি সর্বজ্ঞানী এবং তাঁর জ্ঞানের বাইরে কিছুই ঘটে না। কুরআনে বলা হয়েছে:
> "নিশ্চয়ই আমি সবকিছু একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে সৃষ্টি করেছি।" (সূরা আল-কামার: ৪৯)

তবে, ভাগ্যের দুটি অংশ রয়েছে:
তাকদির: যা আল্লাহ তাআলা পূর্ব থেকেই নির্ধারণ করেছেন।

মানুষের ইচ্ছা ও চেষ্টা: মানুষ তার ইচ্ছা ও কর্মের মাধ্যমে তার জীবনের গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে।

২. ভালো-মন্দ ভাগ্যের পেছনের কারণ
(ক) ভালো মানুষের কষ্ট
ভালো মানুষের জীবনে কষ্ট বা পরীক্ষার পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে:

1. পরীক্ষা:
আল্লাহ তাআলা ভালো মানুষকে পরীক্ষা করেন, যাতে তার ঈমান আরও মজবুত হয়। কুরআনে বলা হয়েছে:
> "আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং সম্পদ, জীবন ও ফল-ফসলের ক্ষতি দিয়ে। আর ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও।" (সূরা আল-বাকারা: ১৫৫)

2. গুনাহ মাফের উপায়:
কষ্টের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা মানুষের গুনাহ মাফ করেন এবং তাকে পরিশুদ্ধ করেন।

3. উচ্চ মর্যাদা দান:
পরীক্ষার মাধ্যমে আল্লাহ ভালো মানুষকে আখিরাতে উচ্চ মর্যাদা দান করেন।

(খ) খারাপ মানুষের সুখ
খারাপ মানুষের সুখ বা আরাম কখনো আল্লাহর পক্ষ থেকে "ইস্তিদরাজ" হতে পারে। ইস্তিদরাজ মানে হলো, আল্লাহ তাদের সময় দেন, কিন্তু তারা সেই সুযোগ ব্যবহার না করে আরও গুনাহ করে। কুরআনে বলা হয়েছে:

> "আর আমি তাদের জন্য কৌশলে ধ্বংসের পথ সহজ করি, যখন তারা আমার নিদর্শনগুলোকে অগ্রাহ্য করে।" (সূরা আল-আ'রাফ: ১৮২)

তাদের এই সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য সাময়িক এবং আখিরাতে তাদের জন্য কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে।
৩. মন্দভাগ্য কি আল্লাহর অপ্রিয়তার লক্ষণ?

না, মন্দভাগ্য মানেই আল্লাহর অপ্রিয়তা নয়। বরং এটি হতে পারে:
পরীক্ষা: ঈমান এবং ধৈর্যের পরীক্ষা।
শিক্ষা: আল্লাহ তাআলা মানুষকে তার ভুল বুঝতে এবং সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে কষ্ট দেন।
আখিরাতের প্রস্তুতি: দুনিয়ার কষ্টের মাধ্যমে আখিরাতে শান্তি পাওয়ার ব্যবস্থা।

আমরা অনেক সময় দুনিয়ার সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য দেখে বিচার করি, কিন্তু ইসলামে আসল সাফল্য হলো আখিরাতের সফলতা। কুরআনে বলা হয়েছে:

> "তোমরা কি মনে করো, আমি তোমাদের এমনিই ছেড়ে দেব, এবং আমি পরীক্ষা করব না?" (সূরা আনকাবুত: ২)

৫. করণীয়

ধৈর্য ধরুন: জীবনের কষ্টকে আল্লাহর পরীক্ষা মনে করে ধৈর্য ধরুন।

দোয়া করুন: আল্লাহর কাছে সাহায্য এবং কল্যাণের জন্য দোয়া করুন।

আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রাখুন: আল্লাহ যা করেন, তা আমাদের কল্যাণের জন্য, যদিও আমরা তা সবসময় বুঝতে পারি না।

সৎকর্মে লেগে থাকুন: দুনিয়ার সুখ-দুঃখের বাইরে আখিরাতের সফলতার জন্য কাজ করুন।
Collected

19/12/2024

আজকাল সময়ের লাগাম ধরতে পারি না। সময়ের কাজ সময়ে শেষ হয় না। অথচ সারাদিন ধরেই কাজ করছি। অফুরন্ত কাজ শেষে হিসেবে লাগে গোলমাল! কাজের লিস্টে মাত্র গোটাকতক কাজ বাদে সবগুলোই না শেষ হবার তালিকায় জমে কেবল!

আমি বুঝতেই পারি না কেন এমন হচ্ছে!
আগেও তো ২৪ ঘন্টায় দিন শেষ হতো, এখনো তাই...
তবে গোলমালটা কোথায়?

একদিন ছোট্ট এক আলোচনা থেকে বুঝতে পারি, সমস্যাটা কোথায়...
আগে আমাদের বাসার প্রতিটি দেয়ালে ঘড়ি ঝুলতো, পড়ার টেবিলে থাকতো টেবিল ক্লক, হাতে থাকতো হাতঘড়ি...

কালের আর্বতে ঘড়ির জায়গা জুড়ে নিয়েছে মোবাইল। ঘরের দেয়ালে পেরেক না ঠুকার বাহানায় বাতিল করেছি দেয়াল ঘড়ি, এলার্মের কাজও সারি মোবাইল ফোন নামক শয়তানের বাক্সে...
তাই এখন আর সময়ের কাজ সময়ে ফুরোয় না। কাজের কাজ কিচ্ছু হয় না।
বরং প্রতিনিয়ত সামনে এগিয়ে যাবার বদলে, যাচ্ছি পিছিয়ে...

কেন আপনি ঘড়ি ব্যবহার করবেন, জানতে চাইলে পুরো আর্টিকেল পড়ুন, অন্যথায় এখানেই হোক সমাপ্তি...

"কেন ঘড়ি নিত্যদিন ব্যবহার করবেন?"
ঘড়ি আমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা শুধু সময় দেখায় না, বরং জীবনের গতি, শৃঙ্খলা, আর স্টাইলকেও নিয়ন্ত্রণ করে। দেয়াল ঘড়ি, টেবিল ক্লক, আর হাত ঘড়ি—তিনটিই আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অনন্য ভূমিকা রাখে। চলুন দেখি, কেন এগুলো নিত্যদিন ব্যবহার করবেন।

❤️ দেয়াল ঘড়ি: ঘরের সাইলেন্ট গার্ডিয়ান
দেয়াল ঘড়ি শুধু সময় জানানোর যন্ত্র নয়, এটি আপনার ঘরের ব্যক্তিত্ব।

✅ সময়কে নজরে রাখা সহজ: রান্না করছেন? বা কাজের মাঝে ব্যস্ত? এক ঝলকে দেয়ালের দিকে তাকালেই সময় জানতে পারবেন।

✅ অন্দরসজ্জা: ঘরের দেয়ালে স্টাইলিশ একটি ঘড়ি আপনার রুচি আর স্বাদকে প্রকাশ করে।

✅ পরিবারের সময় ব্যবস্থাপনা: সবাই যেন একসঙ্গে সময়মতো খাবার খায় বা কাজে বের হয়—দেয়াল ঘড়ি কিন্তু সেই লুকিয়ে থাকা সময় নিয়ন্ত্রক।

❤️ টেবিল ক্লক: কাজের সঙ্গী
আপনার ডেস্কে বা ঘরে টেবিল ক্লক থাকা মানে এটি শুধু ঘড়ি নয়, বরং আপনার প্রোডাক্টিভিটি বুস্টার।

✅ অ্যালার্মের মাধ্যমে সঠিক সময়ে ওঠা: সকালে দেরি করে ঘুমানোর প্রবণতা থাকলে টেবিল ক্লক আপনার সেরা বন্ধু।

✅ স্টাডি বা অফিসের কাজে ফোকাস: পড়াশোনা বা অফিসের কাজের সময় একটি সুন্দর টেবিল ক্লক আপনাকে সময়ের প্রতি সচেতন রাখে।

✅ সহজে বহনযোগ্য: এটি ছোট আর হালকা, তাই যেখানে প্রয়োজন, সেখানে সহজেই রেখে দিতে পারবেন।

❤️ হাত ঘড়ি: আপনার ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন
হাত ঘড়ি কেবল একটি সময় দেখার যন্ত্র নয়, এটি আপনার স্টাইল, আত্মবিশ্বাস, এবং ব্যক্তিত্বের আইকন।

✅ যে কোনো আউটফিটে স্টাইলিশ: ফরমাল মিটিং হোক বা ক্যাজুয়াল আউটিং, একটি সুন্দর ঘড়ি আপনার পোশাকের পরিপূর্ণতা আনে।

✅ সময় দেখুন, নো ডিস্ট্রাকশন: ফোন থেকে বারবার সময় দেখতে গিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢুকে পড়ার ঝুঁকি নেই।

✅ স্মার্ট এবং পেশাদার লুক: কর্মক্ষেত্রে আপনাকে আরও আত্মবিশ্বাসী এবং স্মার্ট হিসেবে তুলে ধরে।

ঘড়ি ছাড়া জীবন কেন অসম্পূর্ণ?
💙 টাইম ম্যানেজমেন্ট: দেয়াল ঘড়ি আপনাকে পুরো ঘরের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখে, টেবিল ক্লক ফোকাস ধরে রাখে, আর হাত ঘড়ি আপনাকে সারা দিন স্মার্ট থাকতে সাহায্য করে।
💙 আস্থাবান সঙ্গী: ফোনের চার্জ শেষ হলেও ঘড়ি আপনার পাশে থাকে।
💙 পরিপূর্ণ জীবনযাপন: ঘড়ি ব্যবহার আপনাকে আরও সুশৃঙ্খল, সময়নিষ্ঠ এবং সফল করে তোলে।

শেষ হোক কথা:
দেয়াল ঘড়ি, টেবিল ক্লক, আর হাত ঘড়ি—তিনটি ঘড়ি একসঙ্গে আপনার জীবনকে সাজিয়ে দেয়। এগুলো শুধু সময় দেখানোর যন্ত্র নয়, বরং এগুলো জীবনকে গুছিয়ে নেয়া এবং প্রতিদিনের সঙ্গী হয়ে ওঠার শক্তিশালী মাধ্যম। ঘড়ি পরুন, সময়কে আপনার হয়ে কাজ করতে দিন, আর জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে উপভোগ করুন!

© Mahmuda Akhter Rozy

মানুষের নজর যে সত্যি লাগে এইটার কিছু কাহিনী শুনাই চলেন -১. একসময় কোমড় সমান ঘন কোঁকড়া চুল ছিলো। দুইটা বেনী করলে মনে হইতো...
18/12/2024

মানুষের নজর যে সত্যি লাগে এইটার কিছু কাহিনী শুনাই চলেন -

১. একসময় কোমড় সমান ঘন কোঁকড়া চুল ছিলো। দুইটা বেনী করলে মনে হইতো মোটা মোটা সা/প। একবার এক খালাম্মা আমার চুল ধরে জোরে টেনে বলে," বাবাগো কি মোটা চুল!" ঐযে পড়া শুরু হইলো আর থামলো না। এখনো পড়তেই আছে। মাথায় যতটুকু চুল আছে সেইটা শুধু একটু যত্ন নেই বলে।

২. আম্মাকে নিয়ে পোস্ট করলেই কোনো না কোনো বিষয়ে আম্মার সাথে সম্পর্ক খারাপ হইতো। ২/৩ দিন কথা হইতো না। একবার আম্মার একটা স্ক্রিনশট দিয়ে কি জানি লিখসিলাম। এরপর টানা ৬দিন আমার সাথে আম্মার কিছু ঠিক ছিল না।

৩. আমার স্কিন আল্লাহর রহমতে স্পট নাই৷ একবার একজন এক্কেবারে স্কিনে হাত বুলায় বলে বাবাগো তোমার স্কিন কি সুন্দর। এখন পর্যন্ত স্কিনে কি পরিমান ইস্যু হচ্ছে বলতে পারবো না। বাম্পস, ব্রেকাউট কিচ্ছু বাকি নাই।

৪. পড়াশুনায় মনোযোগী হয়ে লাইব্রেরিতে থাকতাম। একজন বললো, ওয়াও, কিভাবে ম্যানেজ করো! এরপর থেকে এই অব্দি মনোযোগ আনতে পারতেসি না।

৫. শাড়ির অবসেশন নিয়ে মানুষ এত কথা শুনাইসে! এখন শাড়ি পরতে মন চায় না। তাও জোর করে পরি।

৬. অফিসে ২/৩ দিন ভালো গেলেই এক কলিগ এমনভাবে বলে যে, আপনাকে তো স্যার চোখে হারায়! এরপরই কিছু না কিছু শুনাবেই। কিছু না কিছু হবেই। কোনো না কোনো কাজের জন্য আমাকে স্যারের কাছে বকা খেতেই হবে।

৭. আগে এই ২হাত দিয়েই সব ম্যানেজ করসি। এক্কেবারে সব। বাসা, অফিস, বিজনেস, পড়াশুনা, গান, শখ, প্রেম সব। প্রায় অনেকেই বলতো ভাই, তুমি কেমনে পারো! এখন? এখন একটা করলেই হয়রান লাগে।

৮. একবার এক বান্ধুবীর সামনে দাঁড়ায় প্যানকেক বানাচ্ছিলাম। ও এমনভাবে বলসে সুন্দর হইসে যে এরপর থেকে আর প্যানকেক হয় না আমার হাতে।

৯. মাঝে দিয়ে কয়েকদিন শাড়ি পরে ছবি দিসিলাম খুব। এরপর এমন বিছানায় পড়সি আর উঠতেই পারিনা। সারাদিন চেহারায় ক্লান্তি আর ক্লান্তি। অথচ বসেই থাকি বেশিরভাগ সময়।

অনেকে হয়তো ইচ্ছা করে দেয় না নজর। কিন্তু এইযে কথার আগে ওয়াও, আয়হায়, বাবাগো, মাগো বললে নজর লেগেই যায়। আরেকজনের কিছু ভালো লাগলে মাশাআল্লাহ বলবেন প্লিজ। আপনার জন্য সেই মানুষটার সুন্দর সময়, কাজ যাতে ভেস্তে না যায় এইটা মাথায় রাইখেন।
©

18/12/2024

😂😑

12/12/2024

আমার ১৯ বছর জাপান লাইফে কোথাও কোনোদিন দেখলাম না কোন জাপানিজ মা খাবার নিয়ে বাচ্চার পিছন পিছন ঘুরে ঘুরে বা কার্টুন দেখিয়ে ঠেসে ঠুসে বাচ্চাকে খাবার খাওয়ায়।

অথচ এ আমাদের প্রতিটি ঘরের কমন দৃশ্য ! ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যয় করতে হয় মায়েদের প্রতিদিন বাচ্চাকে খাবার খাওয়ানোর এই যুদ্ধে। কিন্তু কেন করি এই কাজ আমরা হয়তো ভেবেই দেখিনা।

আমি নিজেও প্রথম সন্তানের বেলায় এই অত্যাচার মাঝেমধ্যে করেছি বটে অনভিজ্ঞতার কারণে। ভুলিয়ে ভালিয়ে জোর করে খাওয়াতে খাওয়াতে শেষমেশ যখন বমি করে দিতো তখন আফসোস করতাম, ইশ এই শেষ লোকমাটা কেন খাওয়ালাম ! এতো সময় আর পরিশ্রম তো পন্ড হলো !

ছোট একটা মানুষ তার স্টমাক আর কত বড় হবে, অল্পতে তার চাহিদা পূরণ হয়ে যায় কিন্তু আমাদের মন ভরে না। পারলে আমরা নিজেদের মতো এক প্লেট খাবার খাওয়াতে পারলে খুশি হতাম।

এই কাজ যদি আমার উপর কেউ প্রয়োগ করতো, প্রতিদিন আমার পেট ভরে যাওয়ার পরেও কেউ জোর জবরদস্ত আমাকে খাওয়া তো যে পর্যন্ত না আমি বমি করি। আহা নিজের সন্তাদের প্রতি এই জুলুমের কারণে এখনো আমি কষ্ট পাই।

চাহিদার অতিরিক্ত খাওয়া কারোর জন্যই উপকারিতা বয়ে আনেনা, ক্ষতি ছাড়া। নাদুস নুদুস শরীর ওয়ালা বাচ্চা দেখলে আমার কষ্ট হয়, মনে হয় মা গুলোকে বকা দিই !


বহু সুন্নাহর অনুসরণ আমি করতে দেখি জাপানিজদের মধ্যে যা আমাদের মধ্যে নেই, কী লজ্জার বিষয়!

এর মধ্যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় দ্রুত ঘুমানো দ্রুত জেগে ওঠা। এটা যেমন জরুরি বড়দের জন্য তেমনি ছোটদের।

বাচ্চার শারীরিক মানসিক বৃদ্ধিতে এটা খুই জরুরি একটা বিষয়। রাতে দ্রুত ঘুমালে সকালটাও হয় দ্রুত, সারাদিনের রুটিনটাই বদলে যায়। আমার বড় মেয়েটা কিছুদিন ডে-কেয়ারে ছিল আমার জব করার কারণে, তখন যে চমৎকার রুটিনটা আমি দেখেছি তা নিজেও কিছুটা মানার চেষ্টা করেছি।

জাপানে একটা বাচ্চা বছর খানিক বয়স হলেই নিজে হাতে খাওয়া শিখানো হয়, চামচ অথবা চপস্টিক দিয়ে, পরিবার বর্গের সাথে একসাথে খাবার খায়, ছোটদেরও একটা আলাদা চেয়ার থাকে, যতক্ষণ স্বেচ্ছায় খাবে ততক্ষনই, কোন জোরাজুরি নেই।

এরপর বেলা ১০ টার দিকে স্নাক্স খেতে দেয় এরপর দুপুর ১২:৩০ এর দিকে তাদের লঞ্চ খাবার সময়। এরপর দুপুরের ঘুম দিয়ে ৩ টার দিকে একটু হালকা খাবার খেয়ে মাঠে খেলতে যায়।

খাওয়া যেমন জরুরি তেমনি জরুরি খেলাধুলা, শারীরিক ব্যায়াম আর মেইন খাবারের আগে আগে তারা কখনো স্নাক্স খেতে দেয়না। যাতে ক্ষুদা নষ্ট না হয়।

৫ টার দিকে ঘরে ফিরে গোসল সেরে ৬-৭ টার মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে ব্রাশ করে ৮ টায় বেডে যাওয়া,
৯ টার আগেই ঘুম !


যখন ঘরে খাবার থাকেনা তখন আমাদেরও ক্ষুদা বেড়ে যায়, মেন্টাল কিছু ব্যাপার এখানে আছে। বাচ্চা যখন দেখবে খাবার টাইম শেষ হলে সে আর খাবার পাবেনা সে তখন ঠিকই খেয়ে নিবে। মাকে একটু শক্ত হতে হবে, দরকার হলে এক বেলা না খাইয়ে রাখতে হবে, দু এক বেলা না খেলে কিছু হয়না।

কোনো কিছু নিয়ে অলওয়েজ চাপা চাপা করলে এক ধরণের অনীহা আসতে পারে, উল্টা ক্ষুধামন্দা হতে পারে।


আপুরা রুটিনটা যদি ফলো করতে পারো তাহলে গৃহকর্তা ঘরে ফিরলে তার সাথে কিছুটা নিরিবিলি সময় কাটাতে পারবে।

সে ঘরে ফেরার আগে নিজেকে একটু প্রস্তুত করতে পারবে এবং এটা খুব জরুরি একটা বিষয়। বাচ্চা হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবে স্বামীকে আগের মতো কোয়ালিটি টাইম দেয়া সম্ভব হয়না তবে খেয়াল রাখতে হবে কোনোভাবেই যেন দূরত্ব তৈরী হয়ে না যায়।

কখনো কখনো এই দূরত্ব বড় কোনো ফিতনার জন্ম দিতে পারে। বাচ্চার খাওয়া দাওয়ার পিছনে প্রয়োজনাতিরিক্ত সময় না দিয়ে কিছুটা সময় বাঁচিয়ে রাখবে স্বামীর জন্যে, ইবাদাত বন্দেগীর জন্যে, কুরআনের একটা ক্লাস করার জন্যে।
ওমা তাওফীকী ইল্লা বিল্লাহ।
________________
|| সুন্নাহর অনুসরণ ||
পপি ইব্রাহিম

#রৌদ্রময়ী

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shotorupa-শতরূপা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share