19/05/2026
জুলুমের সবচেয়ে ভয়ংকর শেষ পরিনতি শুধু দুনিয়ার শাস্তি না।বরং সেই হৃদয়,যাকে আল্লাহর রহমত থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।
একটা জিনিস লক্ষ্য করেছেন...?
যখন কোনো মানুষ আমাদের ধোকা দেয়,আমাদের মন ভেঙে দেয় কিংবা আমাদের হক খেয়ে ফেলে।
আর আমরা এতটাই অসহায়,বেবাস হয়ে পড়ি যে প্রতিশোধ নিতে পারার শক্তিও পাই না।
তারপর রাতে আল্লাহর সামনে ভেঙে পড়ি,আল্লাহর সামনে কেঁদে ফেলি।আর শুধু একটা কথাই বলি "আল্লাহ,আমার ফয়সালা এবার তোমার উপর ছেড়ে দিলাম"
আর ঠিক সে সময়টাতে আমাদের মনে হয় যে জালিমরা খুব মজা করছে,ওদের জীবনে আরও বেশি আরাম চলে আসে,আরও বেশি সহজ হয়ে ওঠে,আরও বেশি খুশি চলে আসে।
কিন্তু বাস্তবতা আসলে কিছুটা অন্যরকম হয়।মাঝে মাঝে আল্লাহ এমন মানুষকে এক সাথে একই সময়ে পাকড়াও করেনা।
কেনো না আল্লাহ তায়ালা সেই জালিমদের দুনিয়ার চমৎকারে এতটাই ডুবিয়ে রাখে যে তাদের দিল শক্ত হয়ে তওবা থেকে দূরে সরে আসে।
এরপর তারা এমন এক হালে মরে যায় যেখানে তার রব তার উপর নারাজ থাকে।
কোরআনে আছে -
"জালিমরা যা কিছু করছে, আল্লাহ সে সম্পর্কে কখনোই গাফেল নন।" (সূরা ইব্রাহীম ১৪ঃ৪২)
আবার আমাদের মহানবী (সাঃ) নিজে বলেছেন যে-
“মজলুমের বদদোয়া থেকে বেঁচে থাকো,
কারণ তার ও আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা থাকে না।” (সহিহ আল বুখারি ২৪৪৮)
এখানে একটু ভেবে দেখলাম যে ওই চোখের পানি কতটা ভয়ংকর হতে পারে,যেটা কোনো মজলুমের চোখ বেয়ে পড়ে আর সরাসরি আরশে ইলাহী পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
দুনিয়াতে খুব ভয়ংকর মৃত্যু সেটা নয় যেটা কষ্টের সহিত আসে।
বরং তখন, যখন মানুষ আল্লাহর থেকে দূরে সরে আসে,মানুষের মন ভেঙ্গে দিয়ে,হক মেরে,অহংকারে ডুবে তারপর মরে যাওয়া হলো সবচেয়ে ভয়ংকর মৃত্যু।
এজন্য কারো মন ভাঙার আগে,অহংকার করার আগে,হক গিলে ফেলার আগে,ফাসাদ সৃষ্টি করার আগে একবার ভেবে দেখবেন....বিশেষ করে সে ব্যাক্তির যার কিনা আল্লাহর সাথে সম্পর্ক গভীর।
কেনোনা এমন ব্যাক্তির রূহের হায় লেগে গেলে সবদিক থেকে ধ্বংস নিশ্চিত।
আর কোথাও অন্যায় দেখলে,constantly কাউকে দিনের পর দিন ক্ষতি করে যেতে দেখলে চুপচাপ সেটাকে আল্লাহর উপর ছেড়ে দিন।
তারপর তারা সেখান থেকে শেষ হবে,যেখান থেকে তারা কখনো ধারণাও করতে পারেনি যে তাদের পতন শুরু হবে।🤎