20/11/2023
১। মন খারাপ?
আকাশের দিকে তাকিয়ে রবকে বলুন,
'আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল'
মহান রবের নিয়ামত নিয়ে চিন্তা করুন, দেখবেন তখন অপ্রাপ্তির চেয়ে প্রাপ্তিই বেশি মনে হবে।
সব চেয়ে ভালো সিজদাহ করে রবকে সব কথা জানালেন।
২। কেউ কষ্ট দিয়েছে?
ক্ষমা করে দিন। মহান রব নিজেও ক্ষমাশীল।
বুখারিতে এসেছে, রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ
'আল্লাহ তা'আলা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকে দুঃখ-কষ্টে রাখেন।
__কেননা এতে আপনারই কল্যাণ নিহিত রয়েছে।
৩। অসুস্থ খুব?
"আলহামদুলিল্লাহ্"
বলে রবের নিকট শুকরিয়া আদায় করুন।
__ কারণ, প্রিয় নবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ "রোগ হলে গুনাহসমূহ এমনভাবে ঝরে পড়ে, যেভাবে গাছের পাতাসমূহ প্রচন্ড বাতাসে ঝরে পড়ে।"
৪। খুব বিপদ?
"ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন"
এই দু'আ পড়ুন। সূরা বাকারায় আছে, বিপদের সময় এই দু'আটি পড়লে তার উপর বিশেষ রহমত নাজিল হয়।
দু'আ ইউনুস পড়ুন,
"লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনায যোয়ালিমিন"!
এই দু'আটিও বিপদের সময় পড়তে পারেনঃ
"হাসবুনাল্লাহ ওয়া নিয়ামাল ওয়াকিল"-
৫। আপনি সুস্থ?
শুকরিয়া আদায় করুন, বলুন "আলহামদুলিল্লাহ্"।
এই শ্রেষ্ঠ নেয়ামতের শুকরিয়া স্বরূপ রবের সিজদা করো, যিকির করুন।
৬। খুব কাঁন্না পাচ্ছে?
আপনি কি জানেন, আখিরাতের জন্য এক ফোটা চোখের জল ঝড়ে পড়লে জাহান্নামের আগুন তার জন্য নিষিদ্ধ হয়ে যায়।
আপনার চোখের পানি কি এতই সস্তা? আপনি পার্থিব জগতের জন্য কেন কাঁদবেন?
_"কাঁদতে হয় তো পরকালের জন্য কাঁদো"।
৭। মনের নেক আশা গুলো পূরণ হচ্ছে না?
দুই রাকাত হাজতের নামাজ পড়ুন, দু'আ করুন, কাঁদুন।
যদি সেটা আপনার জন্য কল্যাণকর হয়, তাহলে আল্লাহ তা'আলা সেটা পূর্ণ করবেন'। ইনশা আল্লাহ্।
৮। পাপি হয়ে গেছেন?
রবের দিকে ফিরে আসুন, তাওবা করুন। আপনার রবের তাওবার দরজা এখনো আপনার জন্য খোলা আছে। আগামীকাল পর্যন্ত আপনি সময় নাও পেতে পারেন। ধৈর্য ধারণ করে সর্বাবস্থায় আল্লাহ তা'আলার উপর ভরসা করুন।
_ যার আল্লাহ আছে, তার সব আছে! "আলহামদুলিল্লাহ"।