02/06/2021
পাটি বাঙালির গৃহসজ্জা ও আসবাবপত্রের একটি ঐতিহ্যগত উপাদান। বেত, বাঁশ, খড় থেকে সাধারণত কালো রঙের মাদুর তৈরি করা হয়। বেত থেকে উন্নত মানের পাটি তৈরি করা যায়। আর খেজুর গাছের পাতা থেকেও এক ধরনের পাটি তৈরি করা হয়। মোটা এবং অনুন্নত পাটিকে বলা হয় মোটাপাটি এবং পাতলা আবরণযুক্ত পাটিকে বলা হয় শীতলপাটি। সিলেট, নোয়াখালী ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে ব্যাপক পরিমাণে শীতলপাটি তৈরি হয়।
পাটি বা মাদুর তৈরিতে ব্যবহূত গাছকে বলা হয় মারাথা। স্থানীয়ভাবে একে আবার মুর্তাবেত, মোড়াবেত, পাটিবেত প্রভৃতি নামে চিহ্নিত করা হয়। সিলেট, ময়মনসিংহ, পটুয়াখালী, নোয়াখালী এবং টাঙ্গাইলে এই গাছ প্রচুর উৎপাদিত হয়। এটি নিচু, স্যাঁতসেতে জমিতে ভাল জন্মায়। জুন-জুলাইয়ের দিকে গাছে ফুল আসে এবং সেপ্টেম্বরের দিকে যখন এর কান্ড পরিপক্ক হয় তখন সবুজ থাকা অবস্থায়ই তা কেটে ফেলা হয়। কাটার পর ডালপালাসহ ভেলার সঙ্গে ঝুলিয়ে বা পুরোপুরি নিমজ্জিত করে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পানিতে ভিজিয়ে রাখা হয়, পরে সাদামাটা মাদুর, জায়নামায, দেয়াল মাদুর প্রভৃতি তৈরির জন্য উপযোগী করে তোলা হয়।
পাটি যেহেতু আমাদের ঐতিহ্য তাই এটাকে আবার কাপড় হিসেবে কেন আমরা ব্যবহার করতে পারি না।🤔
কি চিন্তায় পড়ে গেলেন নাকি 😃 তাহলে একটু খুলে বলি নাকি বলেন সবাই!!
বলছি যদি আমরা পাটির ডিজাইনটাকে শাড়িতে করে পড়ি তাহলে কেমন হবে জানাবেন কিন্তু। হুম ঠিক ধরেছেন আমি পাটি শাড়ির কথা বলছি।
পাটি” শাড়ি । কটন-হাফসিল্ক মিক্সড।মিক্সড শাড়ি হলেও, শাড়িটা একটু অন্য ধাঁচের ।একদম ই ফুলে থাকবেনা!! খুব নরম আর হালকা শাড়িটা।বাংলার হস্তশিল্প ”পাটি” কে মাথায় রেখে বানানো হয়েছে শাড়িটা।
আজ আর নয় পোস্ট অনেক বড় হয়ে গেছে আরেক দিন আবার বিস্তারিত বলব।
নিতে চাইলে ইনবক্স করেন এখনি🙂🙂।
লাইট এর কারনে রঙের তারতম্য হতে পারে।