Yarn's Creation

Yarn's Creation Yarn's Creation is homemade and historical products base E-Commerce Services

Skirt samu silk Tops jorjet Body 34-46Tops long20-22Skirt long 38-40
26/04/2021

Skirt samu silk
Tops jorjet
Body 34-46
Tops long20-22
Skirt long 38-40

গয়নার গ্রামে একদিন...❤️রাজধানী শহর ঢাকার নিকটবর্তী বুড়িগঙ্গা তীরের গ্রামীণ এবং শিক্ষা দীক্ষায় পিছিয়ে থাকা এক জনপদ ভাকুর্...
15/10/2020

গয়নার গ্রামে একদিন...❤️

রাজধানী শহর ঢাকার নিকটবর্তী বুড়িগঙ্গা তীরের গ্রামীণ এবং শিক্ষা দীক্ষায় পিছিয়ে থাকা এক জনপদ ভাকুর্তা। সাভার উপজেলার ইউনিয়ন এটি। গয়না তৈরিই যাদের প্রধান পেশা। গয়না শিল্প এসে একদম আমূল পরিবর্তন ঘটিয়ে দিয়েছে এই জনপদের। ব্রিটিশ আমল থেকেই এই জনপদের মানুষেরা গয়না শিল্পের সাথে জড়িত হয়ে পড়ে।

এই ইউনিয়নের ৩৬টি গ্রামের মধ্যে ভাকুর্তা সহ চুনারচর, ডোমরাকান্দা, সোলারমার্কেট, খাগুড়িয়া, নলাগুড়িয়া, মোগরাকান্দা, চাপরা, কান্দিভাকুর্তা, হিন্দুভাকুর্তা, বাহেরচর, মুশরিখোলা, ঝাউচর, লুটেরচর, চরতুলাতলি, চাইরা গ্রামের প্রায় প্রত্যেকটি পরিবারের কেউ না কেউ এই গয়না শিল্পের সাথে যুক্ত। প্রায় দশ হাজার লোক এই গয়না শিল্পের সাথে জড়িত। বছরে প্রায় আড়াই কোটি টাকার গয়না তৈরি হয় এখানে।

পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও এখানে কাজ করে এবং ছেলে মেয়েরাও স্কুল থেকে ফিরে টুকটাক কাজ করে নিজেদের পড়ার খরচ নিজেরাই চালিয়ে নেয়। ভাকুর্তা’য় প্রত্যেকটি ঘরের সামনে বা ভেতরে গয়না তৈরির সরঞ্জাম রয়েছে। উজ্জ্বল আলোর ফুল্কি ছড়িয়ে কারিগররা সকাল সন্ধ্যা এখানে গলার হার, হাতের চুড়ি, কানের দুল, ঝুমকা, চেন, পায়েল ও নূপুর তৈরিতে কাজ করে যায়।

জানা যায় আশির দশকে এখানে স্বর্ণ ও রূপার গয়না তৈরি হতো। কিন্তু ধিরে ধিরে দাম বাড়তে থাকায় কারিগরেরা তামা ও পিতলের গহনার দিকে ঝুঁকে পড়েন। ৯০ এর দশকে এসে এখানে ইমিটেশন গহনাই মূলত তৈরি হতে থাকে। এবং বাজারেও তামা ও পিতলের গয়নার চাহিদাও বেড়ে যায় ক্রমান্বয়ে। আর তাঁর ফলাফলে এই গ্রামে বাড়তে থাকে গয়না তৈরির তোড়ঝোড়।

ভাকুর্তায় তৈরি গয়নার কাঁচামাল আনা হয় পুরাণ ঢাকার তাঁতিবাজার এবং বগুড়া থেকে। তাঁতিবাজারের ব্যবসায়ীরা এইসব কাঁচামাল আবার আমদানি করেন পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে। প্রাথমিকভাবে তৈরি গয়না গুলো অপরিশোধিত অবস্থায় থাকে। এখান থেকে পাইকাররা কিনে নিয়ে পরিশোধন ও রঙ করে বাজারে বিক্রি করে থাকেন।

ভাকুর্তায় গ্রামের নামেই রয়েছে একটি বাজার। এই বাজার থেকেই গহনা গুলো বিক্রি হয়ে যায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। এই গ্রামের গয়না ভারত সহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশেও রপ্তানি হচ্ছে। কাচা আধা পাকা টিনের ঘরে গয়না সাজিয়ে বসে থাকে বিভিন্ন বয়সের কারিগরেরা। এই ইউনিয়নের রয়েছে ২৫০-৩০০ টি দোকান রয়েছে। পাইকার দরে বিক্রি হওয়া এইসব গয়নার দাম শপিং মল গুলোর চাইতে কয়েকগুণ কম। দাম ও ডিজাইনের আকারের উপর নির্ভর করে দাম। কেউ চাইলে নিজস্ব ডিজাইনেও গয়না তৈরি করে নিয়ে আসতে পারেন।

যেভাবে যাবেন ভাকুর্তা :

ঢাকা থেকে যেকোনো প্রান্ত হতেই আমিন বাজারের বাস পাবেন। বাসে করে আমিনবাজার পার হলেই হাতের বামে একটা জরাজীর্ণ বেইল ব্রিজ চোখে পড়বে। ব্রিজটি ধরে সামনে এগুলেই মোগরকান্দা আর তারপরই পাবেন ভাকুর্তা। নিজস্ব গাড়ি থাকলে যাতায়াত অনেকটাই সহজ। এবং আশপাশের গ্রামীণ জীবন ঘুরে ঘুরে দেখতে পাবেন।

©ছবি এবং পোস্ট সংগৃহীত

ইয়ার্ন ক্রিরেসনের নিজেস্ব তাতে তৈরিকৃত মনিপুরী শাড়ির কিছু কালেকশন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আমাদের এ্যালবাম থেকে আ...
05/10/2020

ইয়ার্ন ক্রিরেসনের নিজেস্ব তাতে তৈরিকৃত মনিপুরী শাড়ির কিছু কালেকশন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।
আমাদের এ্যালবাম থেকে আপনার পছন্দ করা শাড়ীর ছবি অথবা কোড নিয়ে এখনই আমাদের ইনবক্স করুন।

📣শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকার মাঝে আমরা দিতেছি ফ্রী হোম ডেলিভারি।

😲 কুরিয়ারের মাধ্যমে সারাদেশে আপনি ঘরে বসে পন্য পেয়ে যাবেন।

👉বিকাশ ডেলিভারীতে পন্য নিতে পারবেন।😊😍

🛒 ঢাকার মধ্যে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পণ্য পাঠানো হয়ে থাকে এবং ঢাকার বাহিরে সুন্দরবন কুরিয়ারে পাঠানো হয়।

👉 ঢাকার মধ্যে ডেলিভারি সময় ১-৩ দিন, ঢাকার বাইরে ৪-৬ দিন।

✅ পণ্য অবশ্যই ডেলিভারীম্যান থেকে ভালোভাবে চেক করে নিবেন।

😍সবাইকে শারদীয় দূর্গোৎসবের আগাম শুভেচ্ছা ❤❤❤

মোবাইলঃ

☎+8801610100578
📲+8801610100578(হোয়াটসঅ্যাপ)

বর্তমানে সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলায় মনিপুরী জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। এখন দেশে যে ক’টি আদিবাসী জনগোষ্ঠী র...
12/09/2020

বর্তমানে সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলায় মনিপুরী জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। এখন দেশে যে ক’টি আদিবাসী জনগোষ্ঠী রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম মনিপুরী সম্প্রদায়। তাদের ভাষা, বর্ণমালা, সাহিত্য ও সমৃদ্ধসংস্কৃতি এ দেশে যোগ করেছে ভিন্ন মাত্রা। মনিপুরীরা বুননশিল্পে খুব দক্ষ। নিজেদের কাপড় তারা নিজেরাই বুনে। প্রবাদ আছে- মনিপুরী মেয়েরা জন্মসূত্রেই তাঁতি ও প্রায় ৯০ শতাংশ নারী তাঁতের সাথে যুক্ত। মনিপুরীদের উৎপাদিত তাঁতপণ্যের মধ্যে রয়েছে- ফানেক (মনিপুরীদের বিশেষ এক ধরনের পোশাক) শাড়ি, শাল, ওড়না, থ্রি-পিস, গামছা, ফতুয়া, পাঞ্জাবি, বিছানার চাদর ইত্যাদি। মনিপুরী ভাষায় তাঁতকে বলে ‘ইয়োং’। ইয়োং আবার দু’ধরনের। মোয়াং ও পাং। মোয়াং তাঁতে সাধারণত মোটা সূতার কাপড় তৈরি করা হয়। আর পাং তাঁতে সাধারণত চিকন সুতার কাপড় তৈরি হয়।

একসময় নিজেদের প্রয়োজনে মনিপুরীরা তাঁতের কাপড় বুনলেও ধীরে ধীরে এটি বাণিজ্যিক রূপ নিয়েছে। বিশেষ করে মনিপুরী শাড়ির বাজার বেড়েছে। কারণ, ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধনে মনিপুরী শাড়ি এখন যেকোনো সম্প্রদায়ের ফ্যাশন সচেতন নারীর কাছে পছন্দনীয়। মনিপুরী শাড়ির রঙ ও নকশা দেখলেই বোঝা যাবে, এটি মনিপুরী শাড়ি। কারণ, মনিপুরী শাড়ির মূল বৈশিষ্ট্য হলো- এর নকশায় মাইরাংগ (টেম্পল) বা মন্দিরের প্রতিকৃতি থাকবে।

তাই প্রায় প্রতিটি শাড়ির আঁচল, জমিন ও পাড়ের নকশায় দেখা যায় এই প্রতিকৃতি। মনিপুরী শাড়ি তৈরি হয় বরাবরই উজ্জ্বল রঙের সুতায়। বর্তমানে আঁচল, জমিন ও পাড়ে মন্দির প্রতিকৃতির পাশাপাশি আঁচল ও জমিনে বিভিন্ন নকশা থাকে। এ ছাড়াও শাড়ির রঙ, নকশায়ও ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসছে। অনেক তাঁতিই শাড়ির রঙ, বুননে, নকশায় বৈচিত্র আনার চেষ্টা করছেন। চলেছে নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা। রাজশাহীর সিল্ক সুতায়ও মনিপুরী শাড়ি বুনা হচ্ছে। সিল্ক সুতার তৈরি মনিপুরী শাড়ি দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি মসৃণ ও হালকা। সিল্ক সুতার মনিপুরী শাড়ি বাজারে জনপ্রিয়তাও পেয়েছে বেশ।

মনিপুরীদের শাড়ি বুননের প্রক্রিয়াও অনেকটা আমাদের জামদানি বা দেশী তাঁতের শাড়ির মতো। একটি তাঁতে দু’জন তাঁতি কাজ করেন দুই দিকে বসে। প্রথমে সুতা মাড় দিয়ে শুকাতে হয়। তারপর শুকানো সুতা চরকায় পেঁচিয়ে গুঁটিতে ভরে সেখান থেকে মাকুতে নিয়ে বুনতে হয়। আর সবার আগে শাড়ির টানা বাঁধতে হয়। তারপর বুনন কাজ চলে। একটি শাড়ি বুনতে চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগে। তবে শাড়ির রঙ ও নকশার ওপর নির্ভর করে বোনার সময়। সাধারণত মনিপুরী শাড়ির দাম ৬০০ থেকে চার হাজার টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। তবে দাম কমবেশি নির্ভর করে শাড়ির নকশার ওপর ভিত্তি করে। এই শাড়ি এখন বিদেশেও রফতানি হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজে মনিপুরী শাড়ি বিক্রি হচ্ছে। ঢাকা ও সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আদিবাসীদের নিজস্ব দোকানে মনিপুরী শাড়ি পাওয়া যায়।

সিলেটের বিভিন্ন স্থানে মনিপুরীদের বসবাস হলেও সবচেয়ে বেশি মনিপুরী বসবাস করে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায়। তাই মনিপুরী তাঁতিদের বেশির ভাগ এই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বসবাস করে। আদমপুর, তিলকপুর, মাধবপুর, মঙ্গলপুরসহ বিভিন্ন গ্রামের মনিপুরীদের বাড়িতে গেলেই দেখা যাবে মনিপুরী তাঁতিদের বুনন ব্যস্ততা। ঘুরে দেখে আসা যায় মনিপুরীপাড়ায়। তাদের বুননশৈলী, তাদের জীবন ধারা।

মনিপুরী দেশীয় বুননশিল্পের অন্যতম একটি মাধ্যম। মনিপুরী শাড়ি এখন দেশীয় শাড়ি হিসেবে পরিচিত। মনিপুরী তাঁতশিল্প পুরোটাই চলছে মনিপুরীদের লোকজ্ঞানে। এই শিল্পের আরো উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা, প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও প্রশিক্ষণ। তাহলেই সম্ভাবনাময় এই শিল্প পৃথিবীর বুকে সগৌরবে তার অস্তিত্ব ধরে রাখবে।

#ইয়ার্ন_ক্রিয়েশনের নিজেস্ব তাতে তৈরিকৃত মনিপুরী শাড়ি কিছুদিনের মাঝেই আসছে

আমাদের সাথে থাকুন যেকোন কিছু জানতে আমাদের ম্যাসেজ করুন

ইয়ার্ন ক্রিয়েশনের নিজেস্ব   তৈরিকৃত বেবি নোকশী কাথা কিছুদিনের মাঝেই আপনাদের মাঝে পাচ্ছেনইয়ার্ন ক্রিয়েশন দিচ্ছে আপনাদের...
27/08/2020

ইয়ার্ন ক্রিয়েশনের নিজেস্ব তৈরিকৃত বেবি নোকশী কাথা কিছুদিনের মাঝেই আপনাদের মাঝে পাচ্ছেন

ইয়ার্ন ক্রিয়েশন দিচ্ছে আপনাদের নিজেদের পছন্দমত ডিজাইন থেকে বেবি নকশী কাথা, কুর্তি, বেড কভার, কুশন তৈরি করে নেয়ার সুযোগ যে কোন ইনফরমেশনের জন্য আমাদের পেজে মেসেজ করুন

ছবি : সংগ্রহকৃত

গ্রাম বাংলা
23/08/2020

গ্রাম বাংলা

সুতার খেলা
22/08/2020

সুতার খেলা

color collection
25/07/2020

color collection

সুতার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস সুতা ঠিক কত বছর আগে আবিষ্কার তা সঠিকভাবে কেউ বলতে পারেননি। তবে মেক্সিকোর বিভিন্ন গুহাগুলো সন্ধানক...
19/07/2020

সুতার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

সুতা ঠিক কত বছর আগে আবিষ্কার তা সঠিকভাবে কেউ বলতে পারেননি। তবে মেক্সিকোর বিভিন্ন গুহাগুলো সন্ধানকারী বিজ্ঞানীরা সুতার বোল এবং তুলা কাপড়ের টুকরা খুঁজে পেয়েছিলেন যা পরীক্ষা করে প্রমাণিত হয়েছে যে সেগুলো কমপক্ষে ৭,০০০ বছর পুরনো। বর্তমানে আমেরিকাতে কোন পরিচর্যা তারা তুলা গাছ বেড়ে উঠছে।

খ্রিস্টপূর্ব ৩,০০০ বছর পূর্বে পাকিস্তানের সিন্ধু নদী উপত্যকায়, তুলার চাষ করা এবং তা থেকে প্রাপ্ত সুতা ব্যবহার করে কাপড়ে বোনা হত।

প্রায় একই সময়ে, মিশরের নীল উপত্যকার আদিবাসীরা সুতার পোশাক তৈরি শুরু করে।

আরব ব্যবসায়ীরা সুতা কাপড় ইউরোপে নিয়ে গিয়েছিল।

১৪৯২ সালে কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কার করলে বাহামা দ্বীপপুঞ্জে তুলা গাছ জন্মাতে দেখা যায়। ১৫০০ সালের মধ্যে, সুতা বিশ্বজুড়ে পরিচিত ছিল।

ধারণা করা হয় ১৫৫৬ সালে ফ্লোরিডায় এবং ভার্জিনিয়ায় ১৬০৭ সালে তুলার বীজ রোপণ করা হয়েছিল।

Colonists রা ১৬১৬ সালের মধ্যে, ভার্জিনিয়ার জেমস নদীর তীরে তুলা চাষ শুরু করেছিলেন।

১৭৩০ সালে ইংল্যান্ডে প্রথমবারের মতো
যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে তুলা থেকে সুতা উৎপাদন শুরু হয়েছিল।

ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তুলার জিন আবিষ্কারের ফলেই আজ বিশ্ব বাজারে তুলার এত চাহিদা।

এলি হুইটনি ১৭৯৩ সালে সুতির জিনের পেটেন্ট আবিষ্কার করেছিলেন। যদিও পেটেন্ট অফিসের রেকর্ড থেকে বোঝা যায় যে হুইটনির পেটেন্ট আবিষ্কারের দু'বছর আগে নোট হোমস নামে একজন মেশিনবিদ প্রথম সুতির জিন তৈরি করেছিলেন। দ্রুত বর্ধনশীল জিন টেক্সটাইল শিল্পকে প্রচুর
পরিমাণে সুতি সরবরাহ করা সম্ভব করেছে। ১০ বছরের মধ্যে, মার্কিন তুলা ফসলের মূল্য

$১৫০,০০০ থেকে বেড়ে ৮ মিলিয়নেরও বেশি
হয়েছে।

Yarns fun
19/07/2020

Yarns fun

Address

Dhaka

Telephone

+8801533429325

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Yarn's Creation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Yarn's Creation:

Share