Memoirs of a Nostalgic Soul

Memoirs of a Nostalgic Soul Salam, this is Farzana Iqbal, welcoming you to my page where I share some vignettes of my life.
(1)

12/12/2025

মা শা আল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহুম্মা বারিক। বারান্দায় এমন ঝলমলে দুটো নাগা আর দেশি মরিচের গাছ থাকলে শীতে আর কি চাই!! সমস্যা একটাই, বহু যত্নে আদরে বড় করা গাছের ফল ছিঁড়তে যে একটুও ইচ্ছে করেনা!!

সাইবেরিয়ার হলুদ বনেএএ সবুজ ছাগল নাচবে নাআআবাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদমামাটা গলবে নাআআ- এগুলি সব তো বুঝলাম, কিন্তু হেডফোনে...
10/12/2025

সাইবেরিয়ার হলুদ বনেএএ সবুজ ছাগল নাচবে নাআআ
বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদমামাটা গলবে নাআআ
- এগুলি সব তো বুঝলাম, কিন্তু হেডফোনের উপর আলিয়া ভাটের টায়রা-টিকলি দেয়ার সাইন্সটাহ…..🤔

সকলের চাইতে নিজেকে উঁচু মনে করা, নিজেকে সবচাইতে সেরা মনে করাটা কখনো আত্মবিশ্বাস নয়। ওটা অহংকার। আত্মবিশ্বাস হচ্ছে-লোকের ...
06/12/2025

সকলের চাইতে নিজেকে উঁচু মনে করা, নিজেকে সবচাইতে সেরা মনে করাটা কখনো আত্মবিশ্বাস নয়। ওটা অহংকার।

আত্মবিশ্বাস হচ্ছে-
লোকের কথায় কান দিয়ে নিজেকে কখনো তুচ্ছ-ক্ষুদ্র-পরাজিত মনে না করাটা।
বারবার ব্যর্থ হওয়া সত্ত্বেও একদিন সফল হবো জেনে চেষ্টা করে যাওয়াটা।

দাম্ভিক মানুষ অহংকার করে, কারণ সে জানে তাঁর ভেতরটা ফাঁপা।
আত্মবিশ্বাসী মানুষ অহংকার করে না, কারণ সে জানে সকলের চাইতে সেরা হওয়াটা জীবনে জরুরী নয়। জরুরী হচ্ছে কেবলই নিজের অবস্থানটা খুঁজে নেয়া।

সকলকে দেখানোর জন্য জীবন-যাপন? সেটা অহংকার।
নিজের তৃপ্তির জন্য নিজের মত করে বেঁচে থাকতে পারাটাই হচ্ছে আত্মবিশ্বাস।

হ্যাঁ, পার্থক্য আছে 🙂

-রুমানা বৈশাখী ❤️

বছর দুই আগে কোত্থেকে যেন মা হারা ছোট্ট একটা কুকুর ছানা ঘুরতে ঘুরতে চলে এসে বাসার পার্কিংএ আশ্রয় নিলো। এতোটাই আদুরে ছিলো...
03/12/2025

বছর দুই আগে কোত্থেকে যেন মা হারা ছোট্ট একটা কুকুর ছানা ঘুরতে ঘুরতে চলে এসে বাসার পার্কিংএ আশ্রয় নিলো। এতোটাই আদুরে ছিলো ও, সবাই ওর মায়ার পড়ে গেলাম আমরা। কি যে মায়ামাখা ছোট্ট একটা বাচ্চা!! কি যে আদুরে হাসিমাখা নিষ্পাপ চোখের চাহনি ছিলো ওর!!

আমি ওকে ডাকতাম- গুড্ডুবুড়া। ও আমাকে আর মায়ামীনকে এতো ভালো করে যে চিনতো!! গাড়ি বা লিফট থেকে নেমে “গুড্ডু কই রে” বলে ডাক দিলে যেখানেই থাকুক দৌড়ে চলে এসে পা চেটে দিতো খুশিতে!! একটা বিস্কুট কি একটুকরো মুরগী পেলে কি যে খুশি টা হতো!! ছোট বড় সবার পায়ে পায়ে ঘুরতো, প‍্যান্ট-জামার কোনা কামড়ে ধরে টানতো, খেলতে চাইতো। সেবার দেশের বাইরে থেকে ফিরে পার্কিং এ গাড়ি থেকে নেমেই দেখি এতোদিন পরে আমাকে দেখতে পেয়ে ছুট্টে এসেছে!! দু’মাসেই কতটা বড় হয়ে গেছে ও। লম্বা জার্নিতে পা ব‍্যথা করছিলো তাই গাড়িতে স্নিকার্স খুলে স্লিপার পরে নিয়েছিলাম, মোজাসহ আমার পা চেটে মোজা ভিজিয়ে দিলো ও। প্রচন্ড টায়ার্ড ছিলাম, ভাবলাম, এখন না, সকালে নেমে খেলবো ওর সাথে।

তখনো বুঝিনি, সেটাই ছিলো আমার গুড্ডুবুড়ার সাথে আমার শেষবারের মতো দেখা। সেই মোজাসহ পা চেটে দেয়াটাই ছিলো ওর শেষ ভালোবাসা টুকু।

পরদিন সকালে বাসার মেইড কাঁদতে কাঁদতে এসে বললো- “আপু, আপনার গুড্ডুবুড়া না অ‍্যাকসিডেন্ট করছে। একজন গেস্টের গাড়ির নিচে চাপা পড়ছে। মনে হয় বাঁচবেনা, উপরের তলার মেয়েরা ওকে ক্লিনিকে নিছে।”

গাড়িচাপায় গুড্ডুর মেরুদণ্ড ভেঙ্গে গিয়েছিলো। সবরকম চিকিৎসার বাইরে চলে গিয়েছিলো ওর কন্ডিশন, তাই ভেট বললেন ও যতোটা সময় আর বাঁচবে শুধু কষ্টই পেতে থাকবে, ইউথেনেসিয়া (ইচ্ছামৃত‍্যু) করাই ভালো হবে ওর জন‍্যে। উপরের তলার মেয়েগুলিরও খুব আদরের ছিলো ও, সারাটা রাত ওরা ওকে কোলে নিয়ে বসে কেঁদেছে, পরেরদিন গিয়ে ইউথেনেসিয়া করে বাবুটার মৃতদেহ আনলো বাড়িতে। নিচের গার্ডেনে যেখানে মেয়েদের সাথে লাফালাফি করে খেলতো গুড্ডু, সেখানেই আমাদের সবার চোখের জলে ভিজিয়ে কবর দেয়া হলো ওকে।

অ‍্যাকসিডেন্টের পর যতটা সময় বেঁচে ছিলো শুধু অবর্ণনীয় যন্ত্রণা নিয়ে কেঁদেছে বাচ্চাটা। আর ওকে যারা একবারো দেখেছে, সবাই ভালোবেসেছে ওকে। ওই বাড়ির সবার আদর ভালোবাসার নিরব সাক্ষী ওই মায়াকাড়া বাচ্চার শান্ত কবর।

আমার তখনকার বেডরুমের জানালা থেকে ওর কবরটা দেখা যায়। বহুদিন লেগেছে আমার ওই শোক সামলে উঠছে। বহুদিন লেগে গেছে মনকে মানাতে যে শত ডাকলেও গুড্ডু টা আর দৌড়ে আসবেনা।

ওর লালায় ভেজা সেই মোজা জোড়া আমি এখনো ওভাবে রেখে দিয়েছি, ধুইনি।
গুড্ডু চলে যাওয়ার দুই বছর হয়ে গেলো।
গাড়ি থেকে নেমে পার্কিংটা আজও বড্ড খালি লাগে।
আমার অন্তরের একটা অংশও গুড্ডুর জন‍্য আজীবন খালিই রয়ে যাবে।

(কাকতালীয়ভাবে এই পোস্ট টা যখন লিখছিলাম, এই একটু আগে, আবারো কেঁপে উঠলো ঢাকা। ভেবেছিলাম মনের ভুল, পরে দেখি যে না আসলেই!!...
27/11/2025

(কাকতালীয়ভাবে এই পোস্ট টা যখন লিখছিলাম, এই একটু আগে, আবারো কেঁপে উঠলো ঢাকা। ভেবেছিলাম মনের ভুল, পরে দেখি যে না আসলেই!! আল্লাহ রক্ষা করেন আমাদের)

গতকালকে থেকে বাংলাদেশ ও আশেপাশের এলাকা এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকবার কেঁপে উঠেছে। এটা নিশ্চিত বলা যায় যে- আল্লাহর দুনিয়ার এই সর্বংসহা জমিন হঠাৎ করেই প্রচন্ড রকমের অশান্ত হয়ে পড়েছে, এখন আর কোনমতেই হালকা ভাবে নেয়া যায় না ব‍্যাপারটা। যেকোনো বিপদের জন্য মানসিক ও পারিপার্শিক প্রস্তুতি নিয়ে রাখা জরুরি।

ভূমিকম্প হলে সবার ভিতরে সবার আগে যে চিন্তা টা আসে তা হলো বাড়ি ঘর ছেড়ে দৌড়ে বেরিয়ে যাওয়া। আচ্ছা, আমরা ঢাকায় বা বড় শহর গুলিতে যারা আছি, তারা একটু বারান্দায় বা জানলায় গিয়ে দেখি তো- ভূমিকম্প হলে বেরিয়ে যে যাব, গিয়ে দাঁড়াবো টা কোথায়? অপ্রশস্ত রাস্তার দুপাশে বিল্ডিং, কোনো খালি জায়গা নেই, রাস্তার দুপাশে উপরি হিসেবে হাই ভোল্টেজ ইলেকট্রিসিটি কেবল চলে গেছে। নিচে নেমে এগুলির ধসের মধ্যে পড়ে বিপদ কিন্তু কম হবে না। বরং মাথা ঠান্ডা রেখে প‍্যানিক না কপে আল্লাহর উপর ভরসা করে বিল্ডিং এর ভিতরেই যথাসম্ভব নিরাপদ আশ্রয় নেয়া উচিত, যদি আশেপাশে নিরাপদ খোলা জায়গা না থাকে।

আমরা সবাই এখন মোটামুটি জানি, বাসার সবচে নিরাপদ জায়গা হলো- কলাম ও বীমের সংযোগ স্থলের নিচে, জানলার কাঁচ এবং ভারী আসবাবপত্র থেকে দূরে, শক্ত কোনো টেবিলের নিচে। আর আধুনিক হাইরাইজ বিল্ডিং এর লিফট কোর এবং ফায়ার এক্সিটের সিড়ির দেয়াল সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী প্রোটেকশন দেয় ধসে পড়া দেয়াল থেকে।

ছবিতে এটা আমাদের বাসার একটা আর্কিটেকচারাল স্ট্রাকচারের ডিজাইন । এখানে লাল চিন্হিত বক্সগুলি কলাম। এখানে দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে লিফট এবং সিড়ির আশেপাশের জায়গায় কলামের সাপোর্ট সবচে বেশি। তাই হলুদ চিহ্নিত অংশটি আমরা নির্ধারণ করে রেখেছি (আল্লাহ-না-করেন) ভূমিকম্পের আশ্রয়স্থল হিসেবে। জায়গাটা বাসার মেইন ডোর ও ফায়ার এক্সিট থেকে সবচেয়ে কাছে, আশেপাশে জানালা নেই, যেহেতু ডাইনিং, পাশেই বড় টেবিল। আর মেইন ডোরের পাশেই বাসার মেইন ইলেকট্রিক সুইচ বোর্ড ও ফায়ার অ্যালার্ম + এক্সটিংগুইশার।

এই জায়গার কাবার্ড খালি করে কিছু ইমার্জেন্সি সাপ্লাইজ গুছিয়ে রাখা শুরু করেছি। আমার লিস্টে আছে-

1. কনস্ট্রাকশন কাজে ব‍্যবহৃত হেলমেট জনপ্রতি ১ টা করে
2. মাস্ক ১ বক্স
3. পাতলা কম্বল (আল্লাহ না করুন, ছুটে আসা কাঁচ থেকে বাঁচার জন‍্যে)
4. শক্ত ছোট শাবল/রড (আল্লাহ না করুন, ধ্বংসাবশেষে আটকে গেলে)
5. ছোট শক্তিশালী টর্চ ২ টা
6. হুইসল এবং লাল কাপড়
7. ব‍্যাটারি চালিত রেডিও
8. এক্সট্রা ব‍্যাটারি
9. ফুলচার্জ করা পাওয়ার ব‍্যাংক
10. ছোট ফায়ার এক্সটিংগুইশার
11. ছোট বোতলজাত পানি ১২/২৪ টা
12. শুকনো খাবার, ওরস‍্যালাইন বক্স
13. ব‍্যান্ডএইড, গজ, কটনপ‍্যাড, স‍্যাভলন মলম, হেক্সিসল, স‍্যানিটারী প‍্যাড, মাস্কিং টেপ, ব‍্যাথার ওষুধ।
14. আমার এক্সট্রা চশমা এবং ওড়না

আপাতত এগুলিই মনে পড়লো। কিছু মিস গেলে কমেন্টে জানান, প্লিজ।

বিপদ আপদ মৃত‍্যু সবই আল্লাহ পাক নির্ধারিত করে রেখেছেন, এগুলি এড়ানোর কোনো উপায় নেই, সবকিছুই আল্লাহর ইচ্ছাধীন। তাই বিপদের জন‍্যে মানসিক প্রস্তুতি গ্রহণের সাথে সাথে সবার আগে আমাদের উচিত বেশি বেশি করে আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করা, যেন তিনি আমাদের সকলকে ক্ষমা করে জমিনকে শান্ত করে দেন, সকল বিপদ আপদ কাটিয়ে দেন, আমাদেরকে হিদায়াতের আলোকে ঈমানের পথে রাখেন। আমীন।

কুন্জলতাছোট্ট একবিন্দু ফুলকিন্তু কি অমূল্য তার হাসি!! সুবহানাল্লাহ ❤️
26/11/2025

কুন্জলতা
ছোট্ট একবিন্দু ফুল
কিন্তু কি অমূল্য তার হাসি!!
সুবহানাল্লাহ ❤️

২০১২ সালের মার্চের কোনো এক সকালের কথা। আমার মেয়ের বয়স তখন সবে ১ মাস হবে। সারা রাত ওকে নিয়ে পালা করে জেগে থাকি আমি আর আমা...
23/11/2025

২০১২ সালের মার্চের কোনো এক সকালের কথা। আমার মেয়ের বয়স তখন সবে ১ মাস হবে। সারা রাত ওকে নিয়ে পালা করে জেগে থাকি আমি আর আমার মা, সকাল হলে ওকে খাইয়ে আমার শাশুড়ি মায়ের কাছে দিয়ে ঘন্টা দুই ঘুমাই, একদম পাগলের মতো।

সেদিন সকালেও ওকে ওর দাদীর কাছে দিয়ে ঘুমাচ্ছিলাম অঘোরে। হঠাৎ হালকা ঝাঁকুনিতে ঘুম হালকা হতেই সোজা চোখ পড়লো সামনে রাখা পানির গ্লাসে- পানিটা দুলছে। এক সেকেন্ডের মাঝে ব্রেন অ‍্যাকটিভ হয়ে গেল “ভূমিকম্প হচ্ছে, আমার মেয়ে কই!”

দৌড়ে শাশুড়ির রুমে গিয়ে ছোঁ মেরে মেয়েকে বুকে জাপটে ধরে কলামের পাশে এসে দাঁড়ালাম, সবাই নিচে নামলেও আমি সি-সেকশনের শরীর নিয়ে আর পাঁচতলা থেকে সিড়ি বেয়ে নামতে যাইনি। মেয়েকে বুকে জড়িয়ে ধরেই দাঁড়িয়ে দোয়া পড়ছিলাম। কেন যেন তখন শুধু মেয়ের সুরক্ষার কথা বাদে আর ভয় ডর কোনো কিছুই কাজ করছিলো না!

এরপর গতপরশু সকালের কথা। মেয়ে তার রুমে ছুটির দিনের ঘুম ভাংগা আলসেমিতে শুয়ে আছে। মেয়ের বাবা আমার পায়ের নখ কেটে দিচ্ছে আর আমি আরাম করে শুয়ে বই পড়ছি। এরমাঝেই প্রথম ঝাঁকুনি। হঠাৎই বিছানা টা কেঁপে উঠলো, ড্রেসিং টেবিলে রাখা কাঁচের ভারি ফুলদানিটা পাথরসমেত পড়ে গেলো, দেয়ালজোড়া থাইগ্লাস নড়তে শুরু করলো। প্রচন্ড শব্দে ঝাঁকুনিতে দিশেহারা অবস্থায়ও এবারো এক মুহুর্তেই বললাম- ভূমিকম্প হচ্ছে। দৌড়ে গিয়ে মেয়ের রুমে গিয়ে ওকে এনে দুজনে আগলে ধরে আবার কলামের পাশে দাঁড়িয়ে পড়লাম। তখনো চলছে ভয়াবহ সেই দুলুনি!!

নতুন বাসা নয়তলায়, এগারোতলা উচ্চতার সমান, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায়। চেয়ে দেখছি ফ‍্যান দুলছে, ড্রয়ার আপনাআপনি খুলছে, বইএর শেলফে বই কাত হয়ে পড়ে যাচ্ছে, টবের গাছ বাতাস ছাড়াই দুলছে, আর কি ভয়াবহ সব শব্দ। আমি স্বামী সন্তানকে ধরে আল্লাহর নাম নিচ্ছি আর সতর্ক দৃষ্টি রাখছি যেকোনো সম্ভাব‍্য বিপদের।

নাহ, একটুও ভয় পাইনি তখন। বিপদ কেটে যাওয়ার বেশ পরে, এমনকি এখনো- সেই সময়ের কথা ভেবে কেমন একটা অবর্ণনীয় আতংক বোধ করছি। গতকাল সারাদিন গেছে মাথাঘোরা আর মাথাব‍্যথায়। কিন্তু তখন, ওই সময়ে আল্লাহ পাক আমার অন্তরকে কেমন যেন শান্ত সতর্ক করে দিয়েছিলেন!! এখন ভাবতে এত অবাক লাগছে!! একটুও ভয় কাজ করছিলো না, শুধু বারবার মেয়েকে আর মেয়ের বাবাকে বলছিলাম-
তোমরা ভ‍য় পেওনা, প‍্যানিক করোনা।
আল্লাহ ভরসা!! আল্লাহ ভরসা!! আল্লাহ ভরসা!!

ভেবে অবাক হই, যেই আমি কিনা একসময় বজ্রপাতের শব্দে ভয়ে কেঁপে উঠতাম, সেই আমারই নার্ভ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা এমন ইস্পাত কঠিন করে দিয়েছিলেন ওই সময়ে!! সন্তানের সুরক্ষায় মায়ের অন্তরকে আল্লাহ কতটা শক্তিশালী করে দেন, সুবহানাল্লাহ!!

মৃত‍্যু অবশ‍্যম্ভাবী, প্রতিটা জীবন্ত প্রাণীকে মৃত‍্যুর স্বাদ গ্রহণ করতেই হবে। শুধু আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতালার কাছে সবিনয় ফরিয়াদ তিনি যেন সকল পিতামাতাকে সন্তানের সর্বাবস্থায় সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করার তৌফিক দান করেন, সকলকে দীর্ঘ সুস্থ সুন্দর বিপদমুক্ত জীবন দান করেন, আমাদের উপরে পরিপূর্ণ রূপে খুশি হয়ে তবেই আমাদের সুন্দর উপায়ে মৃত‍্যুদান করেন।

আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল হাসনুল খতিমাহ।
আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাহ।
আল্লাহুম্মা আজিরনী মিনাননার।

আমীন❤️

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Memoirs of a Nostalgic Soul posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share