Fairuz & Faiyaz's stories

Fairuz & Faiyaz's stories রুফাইদা ফাইরুজ ও আবরার ফাইয়াজের বেড়ে উঠার গল্প ❤️❤️

17/07/2025
শিক্ষানীয় পোস্ট, আশা করি সবাই পড়বেন" বাবা বালতি টা একটু ছাঁদে নিয়ে দিবি? কাপড় গুলো শুকাতে দিবো।  " আমি পারবো না।  আমি ব্...
01/06/2024

শিক্ষানীয় পোস্ট, আশা করি সবাই পড়বেন
" বাবা বালতি টা একটু ছাঁদে নিয়ে দিবি? কাপড় গুলো শুকাতে দিবো।
" আমি পারবো না। আমি ব্যাস্ত আছি।
" তুই তো মোবাইল টিপছিস ।
" হ্যাঁ, যাও তো নিজের কাজ নিজেই করো। একটু দেখলেই এটা নয়তো ওটা কাজের কথা বলো শুধু।
মা কে ঝাড়ি দিয়ে এসে রুমের দরজা আটকে শুয়ে ফেসবুক করতে লাগলাম। দরজা খোলা রাখলে যখন তখন এসে আবার কাজের কথা বলবে।

সন্ধ্যায় ছাঁদে বসে বসে চারপাশটা একটু নজর বুলিয়ে নিচ্ছি। হঠাৎই মোবাইলটা বেজে উঠলো। মা!
" হ্যালো!
" কোথায় আছিস বাবা?
" আমি তো বলেই আসলাম আমি ছাঁদে যাচ্ছি তারপরও ঘর থেকে ফোন করার কোনো মানে হয়?
" ঘর একা একা ভালো লাগছে না। আয় না একটু ঘরে।
" ধূর কোথাও গিয়ে একটু শান্তি নেই। যাচ্ছি, তবে কোনো কাজের কথা বলা যাবে না।
মুচকি একটা হাসি দিয়ে মা বললো- আচ্ছা আয়।

ঘরে আসলাম ।
মা রান্না ঘরে রান্না করছে আর আমি ড্রয়িং রুমে বসে টিভি দেখছি। একটু পরেই আবার মা রান্না ঘর থেকে আমার কাছে এসে বললো- বাবা!
" কিছু বলবা?
" রান্নাঘরের ট্যাবে জল আসছে না। একটু জল এনে দিবি ঐ ট্যাব থেকে?
" আমি আগেই বলেছি আমায় কোনো কাজের কথা বলা যাবে না। এগুলো রান্না বান্না করা মেয়েদের কাজ আমি ওসব করতে পারবো না। তুমি যাও তো আমায় কার্টুন দেখতে দাও।
মা ভার ভার মুখ করে চলে গেলো।

প্রায় ২০ মিনিট চলে গেলো। টিভির সাউন্ড একটু বেশিই দেওয়া ছিলো । হঠাৎই নজর পড়লো ট্যাবের কাছে বালতি পড়ে আছে ছিপছিপে জলও দেখা যাচ্ছে!
- এক বালতি জল নিয়ে আসতে পুরো রুম জল দিয়ে ভিজিয়ে দিছো? কথা গুলো বলছি আর রান্না ঘরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু রান্না ঘরে উঁকি দিয়ে দেখলাম কেউ নেই।
" মা! মা!
কোথাও কোনো সাড়াশব্দ নেই।
বাইরের ট্যাবের কাছে এলাম। একটু এগোতেই আমার চক্ষু কপালে উঠলো । মা মেঝেতে পড়ে আছে। চারদিকে রক্তে লাল হয়ে আছে।
দৌড়ে আসলাম মা র কাছে - মা! ও মা! কি হইছে তোমার? মা কথা বলো!
কি করবো মাথায় ঠিক কিছুই আসছে না। কোলে করে নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে একটা টোটা নিয়ে পাশের হাসপাতালে নিয়ে আসলাম। বাবার বন্ধু এই হাসপাতালের ডাক্তার।
মা কে নিয়ে আসতেই তাকে ওটি তে নেওয়া হলো।

নিজের উপর আজ খুবই রাগ হচ্ছে। এক বালতি জল নিয়ে এসে দিলে কি এমন ক্ষতি হতো? মা র কিছু হয়ে গেলে নিজেকে কখনোই ক্ষমা করতে পারবো না।
একটু পরেই একজন নার্স এসে একটা কাগজ হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললো- এগুলো নিয়ে আসুন। তাড়াতাড়ি।
আমি দৌড়ে ডিসপেনসারিতে গিয়ে ঔষধ গুলো নিয়ে আসলাম। আমি এসে দেখি আংকেল ওটির বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন।
- আংকেল মা র অবস্থা কেমন এখন?
" তোমার মা র অবস্থা খুবই খারাপ। তোমার মা কে আমি গত সপ্তাহেও বলেছি ভারী কাজ না করতে কিন্তু কে শোনে কার কথা। শরীর একেবারেই দূর্বল। ভারী কাজ থেকে দূরে থাকতে হতো তাকে।
" এখন সে কেমন আছে?
" পড়ে যাওয়ার জন্য অনেক রক্ত বেড়িয়ে গেছে ।
" যত রক্ত দরকার আমার শরীর থেকে নেন। আমার সব রক্ত বের করে নেন।
" আমাদের ব্যাংকে কিছু রক্ত ছিলো সেগুলো দিয়েছি। কিন্তু শরীর রক্ত নিচ্ছে না। তুমি নিয়ে আসতে অনেক দেরী করে ফেলছো। কষ্ট হলেও বলতে হচ্ছে এখন সব কিছু উপরওয়ালার হাতে। আমাদের করার কিছুই নেই। তবুও ডাক্তাররা শেষ চেষ্টা করছে।
" প্লিজ আংকেল এমন বলবেন না। আমার মা কে বাচিয়ে দিন।
আমি ওনার সাথে কথা বলছি এর মাঝেই সাদা কাপড়ে মুড়িয়ে একটা নিথর দেহ নিয়ে নার্স বেরিয়ে আসলো। একজন ডাক্তার এসে আমার কাঁধে হাত রেখে বললো - তুমি নিয়ে আসতে অনেকটা দেরি করছো নয়তো তাকে হয়তো বাঁচানো যেতো।

আমার পুরো পৃথিবী আজ থমকে গেছে। যাকে আমি এত অবহেলা করতাম আজ তার নিথর দেহ আমার শরীরের সমস্ত শক্তি কেঁড়ে নিয়েছে। দুচোখ দিয়ে অঝোরে জল ঝড়ছে।
কাঁপা কাঁপা হাতে মুখ থেকে কাপড় সরালাম। কোনো দিন ভালো করে এই মায়া মুখটা দেখা হয় নি। পৃথিবীর সমস্ত মায়া যেন এই মুখে - মা! ও মা! মা! দেখো না আমি আজ কোথাও যাই নি। তোমার কাছেই বসে আছি । চলো গল্প করি। কি হলো? গল্প করবে না? আমি আজ তোমার সব গল্প শুনবো। কোথায় কার কি হয়েছে? কোন দিন তুমি স্কুলে স্যারের বকা শুনেছো সব শুনবো। বলো মা প্লিজ বলো। আমি ! আমি তোমার সব কাজ করে দিবো। একবার কথা বলো না মা। তুমি ছাড়া আমায় বাবা কে বলবে বলো? মা! ও মা! এভাবে অভিমান করে না মা। চোখ খুলো না। দেখো আমি কোথাও যাই নি। আমি তোমায় ফেসবুক চালানো শেখাবো তো। ও মা কথা বলো না একবার। এভাবে কেন চুপ করে আছো। প্লিজ মা। আমার কষ্ট হয় তো মা! ও মা। তুমি না বলতে আমার চোখের জল দেখবে?
আমি নাকি পাষাণ। এই দেখো মা আমার চোখ আজ বাঁধা মানছে না। একবার কথা বলো মা। আমি তোমায় রাণী করে রাখবো। সব কিছু আমি করবো তুমি শুধু একবার বাবা বলো। প্লিজ মা আমায় ছেড়ে যেও না। 😥
সেদিন মা আর কথা বলে নি!
(গল্পটা সম্পূর্ণ কাল্পনিক বাস্তবের সাথে
এর কোনো মিল নেই)

নোট: ভার্চুয়াল জগতের মাঝে আমরা এতটাই ডুবে থাকি যে পরিবারের কথা ভুলে যাই। তারাও চায় আমাদের সাথে সময় কাটাতে আমাদের সঙ্গ পেতে। তাই সবাই নিজেদের পরিবারকে সময় দিন। তাদের সাথে যেটুকু সময় থাকবেন সেটুকুই আপনার হৃদয় কে প্রশমিত করবে। মনে রাখবেন পরিবারের এক একটা সদস্য একবার হারিয়ে গেলে পৃথিবীর কোনো কিছুর বিনিময়ে আর ফিরে পাবেন না।
Copy
#আমার

প্রখ্যাত ভারতীয় কার্টুনিস্ট ইসমাইল লাহারির আঁকা এ ছবিটি ক'দিন আগে আন্তর্জাতিক মাতৃদিবসে আমরা সোশ্যাল মিডিয়াতে ভেসে বেড়াত...
21/05/2024

প্রখ্যাত ভারতীয় কার্টুনিস্ট ইসমাইল লাহারির আঁকা এ ছবিটি ক'দিন আগে আন্তর্জাতিক মাতৃদিবসে আমরা সোশ্যাল মিডিয়াতে ভেসে বেড়াতে দেখেছি। শুধু একটি কার্টুন ছবির মাধ্যমে তিনি যেন একজন অসহায় মায়ের সামনে তার সন্তানদের মোবাইলের চোরাবালিতে ডুবে যেতে দেখিয়েছেন। আমি নিজেও মনে করি আমাদের স্কুল পড়ুয়া ছেলেমেয়েদের সামনে মোবাইল, নেট... একটা সামাজিক সমস্যা। লেখা পড়ার বাইরে যেটুকু সময় তারা পায় মোবাইলে ডুবে থাকে। এর ক্ষতিকর দিক বাবা মা'রা বোঝেন না এমন নয়। কিন্তু তারা যেন অসহায়। একজন শিক্ষক হিসাবে এমন অভিজ্ঞতাও হয়েছে অভিভাবক আমাদের অনুরোধ করছেন তার ছেলেমেয়ে যেন মোবাইল ব্যবহার না করে সেটা একটু বুঝিয়ে বলতে। তারা বাবা মা হয়ে সন্তানকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে শিক্ষকের শরণাপন্ন হচ্ছেন! এটা অসহয়তা নয়।

এবার মাধ্যমিক পরীক্ষায় মেধা তালিকায় রামকৃষ্ণ মিশনের ছ জন কৃতি ছাত্র আছেন৷ মিশনের মহারাজ একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছিলেন, তাদের মিশনে যদি মোবাইল ব্যবহারের অনুমতি থাকত তাহলে হয়তো তার কৃতি ছাত্ররা তালিকায় থাকতে পারত না।

আমাদের ছোটবেলায় যখন মোবাইল স্বপ্নেও ছিল না, তখন পড়ার বাইরে আমাদের খেলা ছিল। আর ছিল গল্পের বই পড়া। আমি ক্লাসে যারা ভালো রেজাল্ট করে তাদেরও জিজ্ঞাসা করে দেখেছি, পড়ার বই এর বাইরে কোন বই তারা পড়ে না। চাঁদের পাহাড়, সবুজ দ্বিপের রাজা, ফেলুদা, ব্যোমকেশ ছাড়াই, শুধু মোবাইলকে সঙ্গী করে স্কুল জীবন পেরিয়ে কলেজে পৌঁছে গেল।

পৌঁছে গেল, কিন্তু কোথাও যেন একটা ফাঁক থেকে গেল। সে ফাঁকটা সব থেকে বেশি বুঝতে পারছেন একজন মা। তিনি যেন ডুবতে দেখছেন সন্তানদের কিন্তু তিনি যেন অসহায়।

এই অসহয়তা থেকে মুক্তির উপায় আমার জানা নেই। কিন্তু ভাবতে হবে সবাইকে।
Collected

প্রকৃতির প্রতিশোধ ----সবাই একবার পড়ুন---লাইব্রেরী  থেকে বের হয়ে দেখি আমার ছাত্রী একটা ছেলের সাথে হাত ধরাধরি করে বের হচ্...
19/05/2024

প্রকৃতির প্রতিশোধ ----
সবাই একবার পড়ুন---

লাইব্রেরী থেকে বের হয়ে দেখি আমার ছাত্রী একটা ছেলের সাথে হাত ধরাধরি করে বের হচ্ছে। আমাকে দেখে আমার ছাত্রী চমকে গেলো। আমি কিছু না বলে চুপচাপ ওদের সামনে থেকে চলে গেলাম।

পরেরদিন যখন আমি আমার ছাত্রীকে পড়াতে যাই, তখন ছাত্রীর বাবা আমার শার্টের কলার ধরে বলেছিলো, আমার এত সাহস কি করে হলো তার মেয়ের শরীরে হাত দেওয়ার আর বাজে ইঙ্গিত দেওয়ার..

আমি অবাক হয়ে ছাত্রীর বাবার কাছে জানতে চেয়েছিলাম আমার নামে এই নোংরা কথাটা কে বললো.

ছাত্রীর বাবা আমার ডানগালে থাপ্পড় মেরে বলেছিলো, এই কথাটা না কি আমার ছাত্রী নিজেই বলেছে।

ছাত্রীর বাসা থেকে বের হয়ে চিন্তা করতে লাগলাম, শহরের মেয়েরা স্মার্ট হয় কিন্তু এতটা স্মার্ট হয় জানতাম না। আমার অপরাধ ছিলো আমি আমার ছাত্রীকে বয়ফ্রেন্ড সহ সামনাসামনি দেখে ফেলেছিলাম। তাই আমার ছাত্রী আমার নামে তার বাবা মার কাছে নোংরা একটা জিনিস বানিয়ে বললো যাতে ওর বাবা মা আমাকে ভুল বুঝে। আর আমি কিছু বললেও যেন বিশ্বাস না করে...

তার কয়েকমাস পর ইন্টারনেটে ৮ মিনিটের একটা ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওটা আমার ছাত্রী ও তার বয়ফ্রেন্ডের। আমি তখন আকাশের দিকে তাকিয়ে শুধু মুচকি একটা হাসি দিলাম...

আমি যে মেসে থাকি সেই মেসে আমি বাদে সবাই স্মার্টফোন ব্যবহার করে। সহজ কথা বলতে গেলে আমি বাদে সবার পারিবারিক অবস্থা খুব ভালো। মেসে আমার রুম মেটের ৪ হাজার টাকা হারিয়ে গেলো। সবার ধারণা হলো আমি টাকাটা চুরি করেছি কারণ আমি সেদিন কমদামের একটা স্মার্টফোন কিনেছিলাম। পাশের রুমের এক বড় ভাই তিনি জোর গলায় বললেন, উনি না কি নিজ চোখে দেখেছেন আমি আমার রুমমেট মামুনের ব্যাগে হাত দিয়েছি। আমি তখন কিছু বললাম না কারণ আমার কিছু বলার মত পরিস্থিতি ছিলো না। বড় ভাইকে সবাই খুব মানতো আমি কিছু বললেও লাভ হতো না। আমি দোকানে গিয়ে দোকানদারের হাতে পায়ে ধরে ফোনটা ফেরত দিয়ে সেই টাকাটা আমার রুমমেটকে দিলাম।

চোরের অপবাদ নিয়ে যে মেস থেকে ৫ মাস আগে বের হয়ে গিয়েছিলাম আজ সেই মেসে বড় ভাই আমাকে খবর দিয়ে নিয়ে এসেছে। সবার সামনে বড়ভাই আমার হাত ধরে বললো, পিয়াস আমায় ক্ষমা করে দিস। আমি সেদিন ইচ্ছে করে তকে চোর বানিয়েছিলাম। আসলে সেদিন টাকাটা আমি চুরি করেছিলাম।

বড়ভাইয়ের ক্যান্সার ধরা পড়েছে। তার মাঝে মৃত্যু ভয় ঢুকে গেছে। আমি বড়ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে শুধু মুচকি একটা হাসি দিলাম...

শ্রাবণী তার সামনে রাখা গ্লাসটা আমার মুখে ছুড়ে মেরে বললো, তোর মত ভিখারীর কি করে সাহস হয় আমাকে এইসব বলার? তুই ভালো ছাত্র ছিলি দেখে তোর নোট পাওয়ার লোভে তোর সাথে বন্ধুত্ব করেছিলাম আর সেই তুই কি না আমাকে আজ প্রেমের প্রস্তাব দিস...

সেই শ্রাবণীর খুব বড়লোক ছেলের সাথেই বিয়ে হয়েছিলো। কিন্তু বিয়ের ৩ বছর পর সে আজ আমার সামনে বসা। শ্রাবণী তার স্বামীর বিরুদ্ধে এক একটা নির্যাতনের কথা বলছে আর আমি এস আই আবুল বাশার পিয়াস সুন্দর করে নোট করছি।

কথাবলার এক পর্যায়ে শ্রাবণী আমায় বললো, সেদিন যদি তোর প্রস্তাবে রাজি হয়ে যেতাম তাহলে আমার কপালে আজ এত কষ্ট থাকতো না।

আমি কিছু না বলে শুধু নিচের দিকে তাকিয়ে মুচকি একটা হাসি দিলাম। যে হাসির অর্থ হলো, কেউ তোমার উপর অন্যায় করলে সে তার প্রতিদান পাবেই।

আজ একটা কথা খুব মনে পড়ছে,

দুনিয়াতে মানুষ মানুষকে ক্ষমা করে দিলেও, আল্লাহ তায়ালা প্রকৃতির মাধ্যমে সব হিসাব করে মানুষকে তা ফিরিয়ে দেয়...

#সংগৃহ

30/04/2024

বিশ্বাসের জায়গা গুলো আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে।

মিল্টন সমাদ্দার
যদি সত্যি তিনি দোষী হয়ে থাকে তাহলে তার বিচার হওয়া উচিত।

আর যদি নির্দোষ হয়ে থাকে তাহলে, নিজের স্বার্থের জন্য কোন ভালো মানুষকে হেনস্তা করা কি উচিত?

মানুষের মধ্যে এমনই মানবিকতা কমে যাচ্ছে। আর যারা মানবিক কাজ করছে তাদের যদি অপমানিত হতে হয় তাহলে তো সহজে কেউ ভালো কাজে এগিয়ে আসবে না।

কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা এখন যেন ধোঁয়াশা।

একজন গরীব মানুষকে সাহায্য করা আর তার খাওয়া, সেবা যত্নের দায়িত্ব নেওয়া একদম ভিন্ন ব্যাপার।

উনি যে কাজ গুলো করেছে সত্যি প্রশংসার দাবী রাখে।
এখন মানুষ স্বার্থ ছাড়া কোন কাজ করে না।
মিল্টন সমাদ্দার কি ফেরেস্তা যে বিনা স্বার্থে এত কিছু করছে??

আল্লাহ ভালো জানেন❤️
আল্লাহ উত্তম ফয়সালা কারী❤️

আমি এতটুকু চাই,
মিল্টন সমাদ্দার যদি সত্যি নির্দোষ হয়, তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার টুকু বন্ধ করা হোক।
তিনি অনেক গুলো অসহায় মানুষের সহায়ের আশ্রয়স্থল।

Address

Dhaka Uddan
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fairuz & Faiyaz's stories posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share