পারুল - Parul

পারুল - Parul দারুণ সব পোশাক ও গয়না আপনার জন্য সাজিয়ে রেখেছি আমরা!

পারুল আমার মায়ের নাম। পারুল ফুলের মতোই স্নিগ্ধ মিষ্টি ছিল আমার মা।
আমার মায়ের নামেই আমার এই উদ্যোগটি এখন চলবে। জানি না কতদিন কতদূর এগিয়ে যেতে পারব কিন্তু যতদিন উদ্যোগটি থাকবে ততদিন আমার মায়ের নামটিও উজ্জ্বল হয়ে থাকবে আমার এই উদ্যোগের মাধ্যমে।
মায়ের জন্য দোয়াপ্রার্থী।
১২ মাসে ১৩ পার্বণ ছাড়াও আমাদের দেশে উৎসবের শেষ নেই। সব উৎসবে আপনাদের পছন্দ অনুযায়ী সাজসজ্জা নিয়ে আপনাদের সাথে থাকার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।-- পারুল

কি সুন্দর!! ইরানের পথে পথে...
19/05/2026

কি সুন্দর!!
ইরানের পথে পথে...

মেয়েদের জীবনে একটা কঠিন সত্য আছে, যা তারা অনেক সময় খুব দেরিতে বুঝতে পারে। নিজেকে শেষ করে দেওয়ার জন্য কেউ আপনাকে কোনো পুর...
19/05/2026

মেয়েদের জীবনে একটা কঠিন সত্য আছে, যা তারা অনেক সময় খুব দেরিতে বুঝতে পারে। নিজেকে শেষ করে দেওয়ার জন্য কেউ আপনাকে কোনো পুরস্কার দেবে না।

একটা ঝকঝকে রান্নাঘরের জন্য কেউ হাততালি দেবে না। বছরের পর বছর নীরবে সবার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়ার জন্য কেউ স্মৃতিস্তম্ভ বানাবে না। সবাইকে ভালো রাখতে গিয়ে নিজেকে ভুলে যাওয়ার জন্যও কোনো মেডেল নেই।

আপনাকে সবসময় নিখুঁত মা হতে হবে না। এমন স্ত্রীও হতে হবে না, যে কখনো ক্লান্ত হয় না। এমন কর্মীও হতে হবে না, যে ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়লেও মুখে হাসি ধরে রাখে। আর এমন বন্ধুও হতে হবে না, যে নিজের কষ্ট চেপে রেখে শুধু অন্যের গল্প শুনে যায়।

আমরা “শক্তিশালী নারী” বলতে যে ছবিটা কল্পনা করি, দূর থেকে সেটা খুব সুন্দর লাগে। কিন্তু কাছ থেকে দেখলে বোঝা যায়, সে হয়তো অনেক রাত ঠিকমতো ঘুমায়নি, নিজের জন্য অনেক দিন কিছু কেনেনি, এমনকি “আমি আসলে কী চাই?”— এই প্রশ্নটাও করা ছেড়ে দিয়েছে।

কারণ তার জীবনে সবকিছুই যেন এক একটা দায়িত্ব। রান্না করতে হবে।
ঘর গুছাতে হবে। সবার খোঁজ রাখতে হবে। সবকিছু সহ্য করতেই হবে।

তারপর একদিন শরীর আর মন একসাথে বলে ওঠে, “আর না।”

আর তখন থামতে চাইলেও সহজে থামা যায় না। তাই দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার আগেই একটু থামুন। সবকিছু ভেঙে পড়ার জন্য অপেক্ষা করবেন না।

একদিন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকেই চিনতে না পারার আগ পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।

সিন্কে থালা পড়ে থাকুক কিছুক্ষণ। জামাকাপড় পরে ভাঁজ করলেও পৃথিবী থেমে যাবে না। একদিন নিজের জন্য সময় বের করুন।
এক কাপ কফি খান একা একা। নিজের জন্য ফুল কিনুন, কোনো বিশেষ কারণ ছাড়াই। যে পোশাকটা “ভালো দিনের” জন্য তুলে রেখেছেন, আজই পরে ফেলুন। কারণ আপনি আজ বেঁচে আছেন, এর চেয়ে বড় বিশেষ দিন আর কী হতে পারে?

কিছু সময়ের জন্য হারিয়ে যান নিজের কাছেই। ঘুমান। কোনো অপরাধবোধ ছাড়া শান্তিতে ঘুমান।

কারণ একদিন সন্তানরা বড় হয়ে নিজেদের জীবনে ব্যস্ত হয়ে যাবে। মানুষ আসবে, আবার চলে যাবে। বন্ধুত্ব বদলে যাবে। অফিসও খুব দ্রুত আপনার জায়গায় অন্য কাউকে বসিয়ে দেবে।

কিন্তু এই জীবনে আপনি নিজেকে একবারই পাবেন।

তাই বছরের পর বছর অন্যের কাপে ভালোবাসা ঢেলে দেওয়ার পর, এবার নিজের কাপেও একটু ভালোবাসা ঢালুন।

কোনো একদিন নয়। সব দায়িত্ব শেষ হওয়ার পরে নয়। সময় “ভালো” হলে নয়।

আজই। এখনই।

কারণ আপনি কোনো মেশিন নন। কোনো রোবট নন। আপনি একজন মানুষ, যার ক্লান্ত হওয়ার অধিকার আছে, বিশ্রামের প্রয়োজন আছে, ভালোবাসা পাওয়ার প্রয়োজন আছে।

নিজেকে আবার খুঁজে পাওয়ার অধিকারও আপনার আছে।



pic: kaium

শাড়িতে নারী... এর চেয়ে সুন্দর কিছু মনে হয় নাই..এমন কিছু শাড়ি নিয়ে আসছি যেগুলো যারা শাড়ি পছন্দ করেন তাদের কালেকশনে থাকা ম...
13/05/2026

শাড়িতে নারী...
এর চেয়ে সুন্দর কিছু মনে হয় নাই..
এমন কিছু শাড়ি নিয়ে আসছি যেগুলো যারা শাড়ি পছন্দ করেন তাদের কালেকশনে থাকা মাস্ট..
জলদি জলদি নিয়ে নেন.. নাইলে কিন্তু বিশাল মিস!!

কোন ছেলেকে বিয়ে করতে গেলে তার মায়ের লাইফস্টাইল দেখুন। সুখী, প্রফুল্ল মায়ের ছেলেকে বিয়ে করুন। সারাজীবন দুঃখী, ভিক্টিম রোল...
09/05/2026

কোন ছেলেকে বিয়ে করতে গেলে তার মায়ের লাইফস্টাইল দেখুন।

সুখী, প্রফুল্ল মায়ের ছেলেকে বিয়ে করুন।

সারাজীবন দুঃখী, ভিক্টিম রোল প্লে করা, কান্না করতে থাকা, অপমান সহ্য করে ছেলে মেয়েকে অভিযোগ করতে থাকা মায়ের ছেলেকে বিয়ে করা মানে নিজের জন্য ঠিক তেমন জীবনই ডেকে আনা।

"মেয়েদের জীবনটাই এমন, মেয়ে মানুষের আর কিসের শখ আহ্লাদ" বলতে থাকা মায়ের ছেলেকে বিয়ে করবেন না।

সুখী,আহ্লাদী, সাজুনি, প্রতিবাদি, স্বামী সোহাগি... মায়ের ছেলে বিয়ে করুন...নিজেও এমন লাইফ পাবেন।

পুরুষ জীবনের প্রথম নারীজীবনের স্বকীয়তা উপলব্ধি করে নিজের মাকে দিয়ে। মায়ের বৈশিষ্টকেই নারীর বৈশিষ্ট ধরে বেড়ে উঠে।

মাকে ভিক্টিম হতে দেখে বড় হওয়া ছেলে ধরেই নেয় নারী জীবন মানেই ভিক্টিম হওয়া! মেয়েদের লাইফই অপমানিত, লাঞ্চিত, বঞ্চিত হওয়া!

তার মায়ের জন্য ছোটবেলায় কষ্ট হলেও বড় হতে হতে এটাই তার কাছেও স্বাভাবিক হয়ে যায় যে মেয়েদের জীবনই এমন!!
নারী মানেই মমতাময়ী। মমতা যে নারীকেও প্রভাইড করতে হয় সেটা সে শেখে না!

তার চেয়ে ভয়ানক ব্যাপার হলো ওই ছেলেটা ধরেই নেই যৌবনে, সংসার জীবনে কষ্ট, অপমান, লাঞ্চনা পেতে হয়। এইসব সহ্য করে ছেলে সন্তানের জন্ম দিতে হয়। তারপর এই ছেলে সন্তান বড় হয়ে তার জনমদুখিনী মাকে সুখী অনুভব করাতে মাকে সাথে নিয়ে আবার আরেকটা মেয়েকে ঠিক তেমন কষ্টেই রাখতে হবে যেমনটা তার মাকে সারাজীবন পেতে দেখে এসেছে!!

তার মা ছোটবেলা থেকেই তাকে বলে এবং বুঝিয়ে এসেছে সব সহ্য করছি তোদের জন্য। তোরা বড় হয়ে আমাকে উজাড় করে দিবি সব সেই স্বপ্নে!

ছেলের ডেস্টিনেশনই হয় মায়ের সারাজীবনের দুঃখ কষ্টকে যে কোন মূল্যে বার্ধক্যে এসে পুষিয়ে দেয়া। তাকে যে মা সন্তানের বাইরেও আরও অনেকগুলো সম্পর্কের দায়িত্ব নিতে হবে, আরও কিছু সম্পর্কও মেইনটেইন করতে হবে, আরও কিছু মানুষের সাথেও সুখ আর ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরী করতে হবে সেটা সে বোঝেই না কখনও।

প্রতিটি সম্পর্কের যা আলাদা অবস্থান থাকে সেটা সে শেখে বড় হয় না।

সারাজীবন দুঃখী মাকে দেখে বড় হয়ে সুখী,খুশি, আহ্লাদী,প্রতিবাদী স্ত্রীকে সে নারীসুলভ মনে করে না। কল্পনায় নারী বলতে যেমন বোঝে তেমনটার সাথে স্ত্রীর মিল না পেলেই স্ত্রী হয়ে যাবে অসভ্য!!!

যে ছেলে মাকে সারাজীবন খুশী, প্রফুল্ল, প্রতিবাদী, স্বামী আহ্লাদী, সংসারে মূল্যবান দেখে বড় হয়েছে সে তার কল্পনায় নারী, স্ত্রী বলতে এমনটাই ভেবে বড় হবে। সে তার স্ত্রীকেও সেভাবেই ট্রিট করবে। নিজের স্ত্রীকেও সুখী, খুশি আর প্রফুল্ল রাখার চেষ্টা করবে। "মেয়েদের জীবনটাই এমন" টাইপ মানসিকতা তার থাকবে না।

যে ছেলের মায়ের লাইফস্টাইল যত উন্নত সে ছেলের মানসিকতা তত উন্নত। রানী টাইপ মায়ের ছেলে তার বউকেও রানী করেই রাখে। মা যদি স্বভাবগত কারনে ছেলের সংসারে বেশি রাজত্ব করতেও আসে... স্মার্ট ছেলে মা আর বউকে ব্যালেন্স করতে সক্ষম হয়! কারন স্মার্ট মায়ের ছেলেও স্মার্টই হয় 🙂

‘আপা, মাইয়ারে চাইসি ম্যাডাম বানাইতে, আমার মাইয়া চাইছে বান্দি হইতে। কেউ বান্দি হইতে চাইলে আপনি কি ঠেকাইতে পারবেন?’---আমার...
09/05/2026

‘আপা, মাইয়ারে চাইসি ম্যাডাম বানাইতে, আমার মাইয়া চাইছে বান্দি হইতে। কেউ বান্দি হইতে চাইলে আপনি কি ঠেকাইতে পারবেন?’
---
আমার বাসায় যে সাহায্যকারী আপা কাজ করতেন উনি আমার থেকে হয়তো বয়সে সামান্য বড়। কিন্তু অল্প বয়সে বিয়ে করে ১৪/১৫ বছরের মেয়ের মা। মহিলা বেশ শৌখিন,কখনোই ময়লা অগোছালো জামা কাপড় পড়ে আসতেন না। কাজও অনেক পরিপাটি।

প্রায়ই বলতেন, মেয়েদের পড়াশোনার খরচের জন্য বেশি কাজ করেন। মেয়েগুলো যেন পড়াশোনা করে তারজন্য বেশ কষ্ট করতেন। মেয়েদের সাধ্যের মধ্যে সুন্দর করে রাখতেন। সব সময় বলতেন আপা আমার মাইয়াগো কেউ বুয়ার মাইয়া বলতে পারে না।

যাই হোক সংগদোষ,পরিবেশ বলে একটা কথা আছে। একদিন শুনি সেই মেয়ে হুট করে এক হেল্পারের সাথে পালিয়ে গিয়েছে। বাসায় ফিরে দেখি আপা কাজ না করে চুপ করে বসে আছে।

জিজ্ঞেস করলে নরমালিই বললো যে মেয়ে পালিয়েছে। কোন আফসোস করলো না,কান্নাকাটি করলো না,শাপ শাপান্ত করলো না। জাস্ট চোখের পানি মুছে এইটুক বললো- আপা মাইয়ারে চাইসি ম্যাডাম বানাইতে,আমার মাইয়া চাইছে বান্দি হইতে। কেউ বান্দি হইতে চাইলে আপনি কি ঠেকাইতে পারবেন?

অশিক্ষিত একটা মহিলা,বাসাবাড়িতে কাজ করে কিন্তু কি গভীর একটা উপলব্ধি! কেউ নিজে শখ করে বান্দি হতে চাইলে তাকে কোনদিন সিংহাসনে তোলা যায় না। যতই তাকে ভালো কিছু দিতে চাওয়া হোক,সেই মানুষ নর্দমাতেই মুখ দিবে।

ইদানীং কিছু মেয়েদের দেখলে আমার এই কথাটা মনে হয়। এরা কেন যেন যেচে বান্দি হতে চায়!

বিদ্র: এখানে বান্দি বলতে ঘরের কাজ বোঝাই নাই,কোয়ালিটি অফ লাইফ বুঝিয়েছি। ঢাল তলোয়ার নিয়ে আসার দরকার নাই।

© Renew Me

একবার একজন আপু বলছিলেন, উনার বিয়ে ঠিক হওয়ার পর ছেলের পরিবার আর ছেলের সাথে উনি বিয়ের গয়না কিনতে গিয়েছিলেন। ওখানে গয়না দেখ...
08/05/2026

একবার একজন আপু বলছিলেন, উনার বিয়ে ঠিক হওয়ার পর ছেলের পরিবার আর ছেলের সাথে উনি বিয়ের গয়না কিনতে গিয়েছিলেন।

ওখানে গয়না দেখতে দেখতে হবু জামাই দোকানদারের সাথে কথা বলতে বলতে একটা জোক্স করেছিলো। খুব সম্ভব "পকেট ভর্তি টাকা থাকলে আর বউকে শরীর ভর্তি গয়না দিতে পারলে কোন মেয়েকে লাথি দিলেও সংসার ছেড়ে যাবে না" - এই টাইপের কিছু একটা, আমার এক্স্যাক্ট জোক্সটা মনে নাই।

সেই আপু বাসায় ফিরে দরজা দিয়ে ঢুকেই বলেছিলেন উনি এই বিয়ে করবেন না।

এত 'ভালো' (মানে সম্পদশালী!) ছেলে আর পাওয়া যাবে না, কী না কী বলেছে দোকানদারকে ফাইজলামি করতে গিয়ে - তা এত সিরিয়াসলি নেয়ার কী আছে, মেয়েদের এত দেমাগ থাকা ভালো না - এই সেই দুনিয়ার এমন কোন ধমকা ধমকি নাই যা ঐ আপুকে উনার পরিবার করেনি।

উনার বাবা এমনকি হার্ট এটাক্‌ হওয়ার ভান করেছিলেন!

কিন্তু ঐ আপু ঐ বিয়ে করবেন না তো নাইই। ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো- ঐ আপুর বড়ভাই ঐ সময় উনার সাথে ছিলেন। শেষ পর্যন্ত বড়ভাই ঢাল হয়ে থাকাতে সেই বিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন ঐ আপু।

মেয়েরা, যদি চান পুরুষদের উপর থেকে আপনার বিশ্বাস উঠে না যাক, যদি ব্যক্তি জীবনে মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে চান, তাহলে শুধুমাত্র এমন পুরুষদেরকেই আপনার লাইফে থাকার অনুমতি আর স্কোপ দিন যারা মেয়েদের ডিগনিটিকে শ্রদ্ধা করে।

কোনো পুরুষ মানুষ আসলে কেমন, তা বুঝতে খেয়াল করুন সে তার আশেপাশের নারীদের সাথে কী ধরণের ব্যবহার করে, কীভাবে কথা বলে।

মেয়েদেরকে নিয়ে সে কী ধরণের জোক্স করে।

বিশেষ করে কারো সাথে বিয়ে ঠিক হলে খুব খুব ভালো করে খেয়াল করুন - পরিচিত বা অপরিচিত মেয়েদের সাথে তার কথাবার্তা কেমন। ব্যবহার কেমন।

তার নিজের মা- বোনকে সে শ্রদ্ধা করে কিনা। যে ছেলে নিজের আশেপাশের মেয়েদেরকে শ্রদ্ধা করে না, সে ছেলে আপনার জন্য যদি ভালবেসে দিওয়ানাও হয়ে যায়, সোওওওওজা উল্টা দিকে দৌঁড় দিন! ভুলেও সে ছেলের দিকে ফিরে তাকাবেন না।

মেয়েদেরকে নিয়ে যে ছেলে অশ্রদ্ধামূলক জোক্স করে, সেক্সিষ্ট জোক্স করে, সেই ছেলে কোনোদিন আপনাকে মানুষ হিসেবে শ্রদ্ধা করতে পারবে না।

শুরুতে যে আপুর কথা বললাম, উনার ঘটনা এখনো শেষ হয়নি। বাকীটুকু বলি।

তো সে আপুর অন্য জায়গায় বিয়ে হয়েছে। কয়েক বছর পর উনারা মালয়েশিয়া গিয়েছেন ঘুরতে। ওখানে গিয়ে সেই লোকটার সাথে দেখা, যার সাথে আপু বিয়ে করতে অস্বীকার করেছিলেন!

আপুর জামাইয়ের সামনেই সেই লোক এসে জিজ্ঞেস করলো আপু কেনো উনাকে বিয়ে করতে মানা করেছিলেন!

আপু যখন সেই গয়নার দোকানের সেলসম্যানের সাথে উনার ঐ জোক্সের কথা বললেন, তখন লোকটা ভীষণ অবাক হয়ে বললো - ঐ জোক্সে উনি খারাপ কী বলেছেন?!
আপুর জামাই এতক্ষণ চুপ ছিলো।
কিন্তু লোকটা যখন উল্টা জেরা করা শুরু করলো ঐ জোক্সে ভুল কী বলেছে, তখন আপুর জামাই আপুর সামনে এসে আপুকে আড়াল করে লোকটাকে বলেছে- "ভাই, আপনি এই যে বুঝতে পারছেন না আপনার ঐ কথায় ভুল কী আছে, এটাই আপনাকে বিয়ে না করার জন্য যথেষ্ঠ!"

তো, যে কথা বলতে এত কথা বলা- যখন ধর্মের কথা আসবে, একটা বেইস লাইন মনে রাখবেন প্লীজ - আল্লাহ'র সামনে ছেলে হোক বা মেয়ে, মানুষ হিসেবে আপনার মর্যাদা সমান। আপনার ডিগনিটিও সমান।

এবার পৃথিবীর যত বড় ধর্মীয় স্কলার আসুক, দায়ী আসুক, ওয়ায়েজ আসুক, যেইই আসুক, যখনই দেখবেন ঐ লোক বা মহিলা ধর্মের নাম দিয়ে এমন কথা বলছে যা আপনার ডিগনিটিতে আঘাত করছে-
সোওওওওওজা উল্টা দিকে দৌঁড়ান!
এমনভাবে দৌঁড়াবেন যেন আপনি উল্কা!
ভুলেও পিছন ফিরে তাকাবেন না।
উর্ধ্বশ্বাসে উল্টাদিকে জানপ্রান বাজি রেখে দৌঁড় দিবেন।

আল্লাহ্‌ আপনাকে মানুষ হিসেবে যে সম্মান আর মর্যাদা দিয়েছে, পৃথিবীর কাউকে সে সম্মান আর মর্যাদার সাথে কম্প্রোমাইজ করার সুযোগ দিবেন না। কাউকে না।
©

একজন নারী। গৃহকর্মী।  তার নাম আফরোজা।  ৬ টা বাসায় নিয়মিত কাজ করে ১৪০০০ টাকার মতো উপার্জন করে। স্বামী একটা দোকানে থাকে।  ...
07/05/2026

একজন নারী। গৃহকর্মী। তার নাম আফরোজা। ৬ টা বাসায় নিয়মিত কাজ করে ১৪০০০ টাকার মতো উপার্জন করে। স্বামী একটা দোকানে থাকে। তার নাম জহির। আফরোজা খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে সকলের রান্নাসহ ঘরের প্রতিটি কাজ করে ছোটে অন্যের বাসায়। মাস শেষে যা পায় তাই দিয়ে পরিবারের টুকটাক খরচসহ কিছু জমানোর চেষ্টা করে। কারণ, তার ইচ্ছে এসব কাজ ছেড়ে দিয়ে গ্রামে গিয়ে ছোটখাটো একটা বিজনেস করবে।

গত পাঁচ বছর যাবত আফরোজা জহিরের কাছে প্রতি মাসে ৫০০০ টাকা দেয় ডিপিএস এ জমা রাখার জন্য। সে হিসেবে এখন তার প্রাপ্য প্রায় ৩ লাখ টাকা। আফরোজা কিছুদিন আগে দ্বিতীয় বাচ্চার মা হয়েছে। বাচ্চার বয়স ৩ মাস না যেতেই আবার কাজ শুরু করেছে। এমনকি প্রেগন্যান্সির নবম মাসেও সে সকল বাসায় কাজ করেছে। কারণ, বাচ্চা হলে খরচের সিংহভাগ তাকেই বহন করতে হবে।

আফরোজার হিসেব অনুযায়ী এমাসেই ডিপিএস এর মেয়াদ শেষ হবার কথা। অন্ধকার রাতে স্বামীর চিরচেনা বুকে মাথা রেখে আগামীর স্বপ্নের কথা বলা শুরু করে আফরোজা। কতো টাকা পাবে, কিসের বিজনেস শুরু করবে, টাকাগুলো কোথায় খাটালে ভালো হবে ইত্যাদি। জহির একদম নিশ্চুপ। আফরোজা স্বামীকে হালকা ধাক্কা দেয় কিছু বলার জন্য। নড়েচড়ে বসে জহির। আমতা আমতা করে বলে, এক টাকাও সে ডিপিএস এ জমা দেয় নি এ কয় বছর। সব টাকা খেয়ে ফেলেছে। এমনকি কোন একাউন্টই করেনি সে আফরোজার নামে। এছাড়া উত্তরাধিকারসুত্রে প্রাপ্ত আফরোজার বাবার বাড়ি থেকে জমি বিক্রির টাকাও হাপিশ করে দিয়েছে জহির।

আফরোজার হাত পা থরথর করে কাঁপছে। তার নি:শ্বাস বন্ধ হবার উপক্রম হচ্ছে। সে এখনই হয়তো মরে যাবে! এতো কষ্টের টাকা! রক্ত পানি করা টাকা! তার একটা শখের ছোট্ট ব্যবসা! তার সন্তানদের ভবিষ্যৎ!

হঠাৎই তার চার মাসের ছেলেটা ঘুমের মধ্যে কেঁদে উঠলো। আফরোজা চেয়ে দেখলো কিন্তু সে তাকে ছুঁতে পারছে না। হাত কাঁপছে। বাচ্চার কান্না বেড়েই যাচ্ছে। আফরোজাকে দেখে মনে হচ্ছে এ পৃথিবীর কোন কিছুই আর তাকে স্পর্শ করছে না। একটু পরে হাত বাড়িয়ে কোনরকমে বাচ্চাকে কোলে নেয়।

সকাল পর্যন্ত ঠায় বসে থাকে আফরোজা বিছানায়। ঘুমায় নি সারা রাত। না, কোন কান্নাও করে নি সে। শুধু মনে হচ্ছিলো তার বুকের হৃদপিণ্ডটা বুঝি এক্ষুনি বের হয়ে যাবে! আর একটা কথাও বলে নি সে তার স্বামীর সাথে। কার সাথে কথা বলবে সে আর কাকে বিশ্বাস করবে? সংসারের অভাব, অনটন মেনে নিয়েছিলো সে। কিন্তু প্রতিদানে কী পেলো? সিজারের পুরো টাকাটা পর্যন্ত তাকে দিতে হয়েছে।

অবশ্য জহির অনেক কথা, অনেক অযুহাত তৈরি করে আফরোজার মান ভাঙানোর চেষ্টা করেই যাচ্ছিলো। জুয়া খেলে যে সব টাকা শেষ হয়েছে এ কথাটা আর এ মুহূর্তে আফরোজাকে বলার সাহস করে উঠতে পারলো না। আফরোজাও কিছু শুনতে চাইলো না। শেষ মুহূর্তে আফরোজা শুধু একটা বাক্য বললো,
"এই সংসার আর করবো না।"।

বলেই গগনবিদারী চিৎকার দিয়ে অঝোরে কান্না শুরু করলো। এতো বড়ো প্রতারণা মেনে নেয়ার মানসিক শক্তি তার ছিলো না। সন্তান দুটিকে সাথে নিয়ে এক কাপড়ে সে তার ১৩ বছরের সংসার রেখে বেরিয়ে এলো। একবারও পিছু ফিরে চাইলো না।

আফরোজার সংসার

- নুজহাত তাসনিম
( সত্য ঘটনা অবলম্বনে)
এসব প্রতারণা মেনেও সংসার করে যায় অনেক নারী...

একটা জিনিস আমি খুব খেয়াল করেছি, মানুষ যেমনটা চায়, আল্লাহ ঠিক তেমনই মিলিয়ে দেন।কয়টা উদাহরণ দেই। পরিচিত একজনকে দেখেছি,...
06/05/2026

একটা জিনিস আমি খুব খেয়াল করেছি, মানুষ যেমনটা চায়, আল্লাহ ঠিক তেমনই মিলিয়ে দেন।

কয়টা উদাহরণ দেই। পরিচিত একজনকে দেখেছি, বাচ্চার বয়স কমিয়ে বলতো যেন পরিবহনের টিকিট কাটতে না হয়, বা হাফটিকিট কাটলেই হয়। কিছুদিন পর দেখা গেল, বাচ্চার গ্রোথ আটকে আছে। টিকিটের টাকা এখনো বেঁচে যাচ্ছে, কিন্তু এখন বাচ্চার ওষুধ আর সাপ্লিমেন্ট কিনতে টাকা বেশি খরচ হচ্ছে।

আরেকজনকে দেখেছি, ছেলের বয়স সার্টিফিকেটে অনেক কমিয়ে রেখেছে, যেন সরকারি চাকরিতে এপ্লাই করার জন্য বেশিদিন সুযোগ পায়। তার সরকারি চাকরি ঠিকই হয়েছে, তবে বহুবার পরীক্ষা দিয়ে, আর অরিজিনাল বয়স ৩০ বছর পার করে।

আরেকজনকে চিনি, বিয়ের আগে শ্বশুরবাড়ি খুব প্রভাবশালী হবে এমন চাইতো। এরকম আত্মীয়-স্বজন থাকলে নাকি বিপদে আপদে বহু কাজে লাগে। অতঃপর তার বিয়ে হয়েছে মনমতো, সাথে একের পর এক বিপদও লেগে আছে।

এরকম আরো বহু উদাহরণ দিতে পারবো। শুধু নেগেটিভ না, পজিটিভ অনেক ঘটনাও কিন্তু আছে।

যেমন, এক ভাই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সুদি ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন। মাঝে কয় বছর পরীক্ষার ভেতর দিয়ে গেলেও আজ তার আরো ভালো কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে, তার সন্তানেরা সবাই হাফেজ ও আলেম হওয়ার পথে।

আরেকজন নিজ ছেলেকে স্টুডেন্ট অবস্থায় বিয়ে দিয়েছিল। ছেলের পড়াশোনা ব্যাহত হবে, ছেলের বউকে পালতে হবে- এসব নিয়ে দুশ্চিন্তা করেননি। আজ তার ছেলে পুরো পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছে, আর তার ঘর জুড়ে অনেক নাতি-নাতনির মেলা।

আরেকজনের গল্প শুনেছি, গর্ভে থাকা কালীন তার বাচ্চার জটিল রোগ ধরা পড়ে। বিদেশের ডাক্তাররা এবর্শনের কথা বললেও তিনি রাজি হননা, আল্লাহর উপর ভরসা করেন। পরবর্তীতে তার বাচ্চা সম্পূর্ণ সুস্থ জন্ম নেয়, সুবহানাল্লাহ! এরপর তিনি নিজেকে ও সন্তানকে আল্লাহর রাস্তায় সঁপে দেন।

আসলে, মানুষ যখন জীবন নিয়ে ইতিবাচক চিন্তা করে, আল্লাহ তাকে হুবহু সেটাই না হলেও উত্তম কোন ব্যবস্থা করে দেন। আর সে যদি আল্লাহর জন্য কিছু ছাড় দেয়, তখন তিনি আরও বারাকাহ ঢেলে দেন।

রিজিক ব্যাপারটা এমনই রহস্যময়। এর পিছনে ছুটলে ধরা যায় না; কিন্তু চোখ বন্ধ করে আল্লাহর উপর ছেড়ে দিলেই সেটা আপনাআপনি কাছে এসে ধর্না দিবে- কখনো কখনো কল্পনার থেকেও বহুগুণ বেশি হয়ে!

একটু আগেই দেখা গেল হঠাৎ ঝরঝর বৃষ্টি!!!এই বৃষ্টি যেন নিয়ে আসে ভ্যাপসা গরম।এমন গরম আর টানা বৃষ্টিতে চুলের প্রয়োজন বিশেষ যত...
05/05/2026

একটু আগেই দেখা গেল হঠাৎ ঝরঝর বৃষ্টি!!!
এই বৃষ্টি যেন নিয়ে আসে ভ্যাপসা গরম।
এমন গরম আর টানা বৃষ্টিতে চুলের প্রয়োজন বিশেষ যত্ন 🌧️✨

🔹 আবহাওয়ার কারণে মাথার ত্বক স্যাঁতসেঁতে হলে চুলের উজ্জ্বলতা কমে যায়
🔹 চুল পড়া ও খুশকির সমস্যা বাড়তে পারে

💆‍♀️ তেল ব্যবহারের টিপস

🔹 সারা রাত তেল রাখতে পারলে ভালো, না হলে শ্যাম্পুর আগে ৩০–৪০ মিনিট রাখুন
🔹 তেল দেওয়ার পর ১৫ মিনিট ম্যাসাজ করলে রক্ত চলাচল বাড়ে
🔹 শ্যাম্পুর আগে তেল ব্যবহার করলে চুল রুক্ষ হয় না

🌿 কোন তেল ব্যবহার করবেন

🔹 আমন্ড তেল: চুল নরম, মসৃণ ও উজ্জ্বল করে
🔹 অলিভ অয়েল: চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখে
🔹 নারকেল তেল: পুষ্টি জোগায় ও চুল সতেজ রাখে

🍯 অতিরিক্ত যত্ন

🔹 পেঁয়াজের রস + নারকেল তেল: চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে
🔹 নারকেল তেল + মধু + লেবুর রস: খুশকি কমায় ও চুল মসৃণ করে

✔️ নিয়মিত তেল ব্যবহারই সুস্থ ও সুন্দর চুলের মূল চাবিকাঠি ✨

দিনভর এনার্জি পেতে রাখুন সকালের নাস্তায় রাখুন এই খাবারগুলো—🔹 ওটমিল: জটিল শর্করা ও আঁশে ভরপুর, যা দীর্ঘ সময় শক্তি দেয়🔹 আম...
05/05/2026

দিনভর এনার্জি পেতে রাখুন সকালের নাস্তায় রাখুন এই খাবারগুলো—
🔹 ওটমিল: জটিল শর্করা ও আঁশে ভরপুর, যা দীর্ঘ সময় শক্তি দেয়
🔹 আমন্ড বাটার: স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও প্রোটিন, পেট ভরা রাখে
🔹 ডিম: সহজলভ্য প্রোটিন ও ভালো চর্বি, শরীরকে সক্রিয় রাখে
🔹 গ্রিক ইয়োগার্ট: হজম ভালো রাখে, অন্ত্র সুস্থ রাখে
🔹 চিয়া বীজ: আঁশ ও প্রোটিন সমৃদ্ধ, ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
🔹 নারকেল: স্বাস্থ্যকর চর্বি দিয়ে শক্তি জোগায়

✔️ মনে রাখুন: প্রোটিন + জটিল শর্করা + স্বাস্থ্যকর চর্বির সমন্বয়ই সারাদিন সতেজ থাকার চাবিকাঠি।
সকালে ভরপেট খাওয়ার পরও যদি সারাদিন ঝিমুনি লাগে, তাহলে বুঝতে হবে নাশতায় সঠিক পুষ্টির ঘাটতি রয়েছে। তাই সঠিক নাশতা, সঠিক এনার্জি 💪

Address

Dhaka

Telephone

01676984188

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পারুল - Parul posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to পারুল - Parul:

Shortcuts

Share

Category