05/04/2024
# # কদরের রাত: মহিমান্বিত রজনী
**শবে কদর**, যা **লাইলাতুল কদর** নামেও পরিচিত, মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাত। এটি হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। এই রাতে পবিত্র কুরআন নাযিল হয়েছিল।
**কখন:**
* রমজান মাসের শেষ দশকের কোনো এক বিজোড় রাতে শবে কদর পালিত হয়।
* হাদিস থেকে জানা যায়, ২৭, ২৯, ২১, ২৩, ২৫ তারিখে শবে কদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
**ফজিলত:**
* **হাজার মাসের চেয়ে উত্তম:** শবে কদরের রাত এক রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়ে উত্তম।
* **পবিত্র কুরআন নাযিলের রাত:** এই রাতেই জিবরাইল (আঃ) আল্লাহর পক্ষ থেকে রাসুল (সাঃ)-এর কাছে কুরআন নাজিল করতে শুরু করেন।
* **ফেরেশতাদের আগমন:** এই রাতে অসংখ্য ফেরেশতা পৃথিবীতে নেমে আসেন এবং বরকত বর্ষণ করেন।
* **গুনাহ মাফের রাত:** এই রাতে আল্লাহ তায়ালা বান্দাদের গুনাহ মাফ করে দেন।
* **শান্তির রাত:** এই রাত পুরোপুরি শান্তিতে ভরে থাকে।
**আমল:**
* **তাহাজ্জুদ:** শবে কদরের রাতে তাহাজ্জুদ পড়া অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।
* **দোয়া:** এই রাতে দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
* **কুরআন তেলাওয়াত:** কুরআন তেলাওয়াত করে এই রাতের ফজিলত লাভ করা যায়।
* **জিকির ও তাসবিহ:** জিকির ও তাসবিহ করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া।
**কিছু টিপস:**
* রমজানের শেষ দশকের রাতগুলো জেগে কাটানো।
* রাত জেগে ইবাদত করার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া।
* পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পোশাক পরা।
* দোয়া ও জিকিরের বই সংগ্রহ করা।
**মনে রাখতে হবে:**
* শবে কদরের নির্দিষ্ট রাত কোনটি তা আমাদের জানা নেই।
* তাই রমজানের শেষ দশকের রাতগুলোকে সমানভাবে সম্মান করা উচিত।
* এই রাতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে, দোয়া করে এবং ইবাদত করে কাটানো উচিত।
**শবে কদর** একটি অত্যন্ত মহিমান্বিত রাত। এই রাতের ফজিলত লাভের জন্য আমাদের সকলের উচিত যথাযথভাবে প্রস্তুতি নেওয়া এবং ইবাদত-বন্দেগিতে মনোনিবেশ করা।