Men'z Club

Men'z Club Quality, then Quantity

আকর্ষণীয় দামে পাচ্ছেন প্রিমিয়াম কোয়ালিটির শার্ট। সারা বাংলাদেশ এ ডেলিভারি দিয়ে থাকি। ➡️➡️ 𝗦𝗵𝗶𝗿𝘁 𝗣𝗿𝗶𝗰𝗲 ⬅️⬅️1টি শার্ট =649...
07/12/2022

আকর্ষণীয় দামে পাচ্ছেন প্রিমিয়াম কোয়ালিটির শার্ট।
সারা বাংলাদেশ এ ডেলিভারি দিয়ে থাকি।
➡️➡️ 𝗦𝗵𝗶𝗿𝘁 𝗣𝗿𝗶𝗰𝗲 ⬅️⬅️
1টি শার্ট =649Tk+ কুরিয়ার চার্জ
✅ shirt Size measurement:
M= CHEST 38" LONG 28."
L= CHEST 40" LONG 29."
XL= CHEST 42" LONG 30."
[Please must check the size and then order]
(সাইজ অবশ্যই মেপে ক্লিয়ার হয়ে নিবেন)
✅ অনলাইনে অর্ডার করতে ইনবক্স / কমেন্ট করুন
1) আপনার নাম
2) আপনার ঠিকানা
3) মোবাইল নাম্বার
4) পণ্যের ছবি
5) পণ্যের সাইজ
✅ডেলিভারি চার্জ :ঢাকা 80 টাকা।
ঢাকার বাহিরে: - 100 টাকা
ডেলিভারি চার্জ এর টাকা অবশ্যই এডভান্স করে অর্ডার কনফার্ম করতে হবে।

100% Export Denim ProductMen's Fashion Winter Denim Jeans Jacket.Price: 1490 Tk Only► Available Size: M,L,Xl► Size Chart...
05/12/2022

100% Export Denim Product
Men's Fashion Winter Denim Jeans Jacket.
Price: 1490 Tk Only
► Available Size: M,L,Xl
► Size Chart:
★ XL (Chest Size: 42 in, Length Size: 28 in)
★ L (Chest Size: 40 in, Length Size: 27 in)
★ M (Chest Size: 38 in, Length Size: 26 inch)

06/04/2018

কিশমিশ
০৩ এপ্রিল ২০১৮,মঙ্গলবার, ০০:০০
শোন চার বছরের বাচ্চারা,
আজ তোমরা জানবে কিশমিশ সম্পর্কে । এ শুকনো আঙুর প্রাচীনকাল থেকেই শক্তি বা ক্যালরির অনবদ্য উৎস। শক্তি ও ওজন বাড়াতে কিশমিশের জুড়ি মেলা ভার। লিখেছেন মুহাম্মদ রোকনুদ্দৌলাহ্
বলতে পারো কিশমিশ কী? বীজশূন্য ছোট আকারের শুকনো আঙুর। সারা বিশ্বেই এটি কম-বেশি ব্যবহার করা হয়। সুস্বাদু মিষ্টি খাবার হিসেবে এ বিশেষ শুষ্ক ফলটির ব্যবহার মধ্যপ্রাচ্য ও ভারতীয় উপমহাদেশে বেশি বলে ধারণা করা হয়। এ ফল অন্যান্য মিষ্টি খাবারেও ব্যবহারের রেওয়াজ আছে।
প্রাচীনকাল থেকেই শক্তি বা ক্যালরির অনবদ্য উৎস কিশমিশ। এটি হজম সহায়ক, ওজন বৃদ্ধিকারক ও বলকারক খাবার বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।
ফলটি পানি বা তরল পদার্থের সংস্পর্শে এসে ফুলে যায় আর এতে পানি প্রবেশ করে। এ বৈশিষ্ট্যের কারণে কিশমিশ বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য বা কোষ্ঠবদ্ধতা উপশমে কাজ করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম কিশমিশে ৩ দশমিক ৭ গ্রাম গলন-অযোগ্য আঁশ (ইনসলিউবল ফাইবার) থাকে। এ ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ও হজমে সহায়ক।
এ শুষ্ক ফলে রয়েছে প্রচুর গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোস। প্রতি ১০০ গ্রাম কিশমিশ প্রায় ২৫০ ক্যালরি ধারণ করে। এ কারণে বেশি মোটা ও ডায়াবেটিক রোগীদের এ ফল খেতে সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। ১০০ গ্রাম কিশমিশে থাকা লৌহ একজন মানুষের দৈনিক চাহিদার ২৩ শতাংশ পূরণ করতে পারে। এ ফলে থাকা লৌহ রক্তশূন্যতা দূর করতে ভূমিকা রাখে।
কিশমিশ ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক। কারণ এ ফলে রয়েছে কেটেচিন রেচভেরাট্রল নামের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট।
কিশমিশে রয়েছে ২৬ শতাংশ শর্করা, ১৫ শতাংশ আঁশ, ৬ শতাংশ আমিষ, চর্বি ১ শতাংশ, পটাশিয়াম ২১ শতাংশ ও লৌহ ১০ শতাংশ। ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স ও কপারও রয়েছে এ ফলে। এসব কারণে শক্তি ও ওজন বাড়াতে কিশমিশের জুড়ি মেলা ভার।

03/04/2018

জানার আছে অনেক কিছু....
# ইন্টারভিউ_
চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গেছে এক তরুণ। শুরু হলো প্রশ্নোত্তর পর্ব-----
প্র.: কংক্রিটের মেঝেতে ডিম ফেলবেন, কিন্তু ফাটবে না—কীভাবে করবেন এটা?
উ.: কংক্রিটের মেঝে আসলে খুব শক্ত
, ফাটার কোনো আশঙ্কাই নেই!
প্র.: একটা দেয়াল বানাতে আটজন মানুষের যদি ১০ ঘণ্টা লাগে, চারজন মানুষের কত সময় লাগবে?
উ.: কোনো সময়ই লাগবে না, কারণ দেয়ালটা ততক্ষণে তৈরি হয়ে যাবে!
প্র.: আপনার এক হাতে যদি তিনটি আপেল ও চারটি কমলা থাকে, আর আরেকটি হাতে থাকে চারটি আপেল ও তিনটি কমলা; তাহলে কী পেলেন আপনি?
উ.: বিশাল বড় হাত।
প্র.: এক হাতে একটা হাতিকে কীভাবে ওপরে তুলবেন?
উ.: এক হাতের আটবে এমন হাতিকে জীবনেও খুঁজে পাবেন না!
প্র.: একজন মানুষ কী করে আট দিন না ঘুমিয়ে থাকতে পারে?
উ.: কোনো সমস্যা নেই, সে রাতে ঘুমাবে!
প্র.: নীল সাগরে যদি একটা লাল পাথর ছুড়ে মারেন, কী হবে?
উ.: যা হওয়ার তা-ই, পাথরটি ভিজে যাবে অথবা ডুবে যাবে টুপ করে।
প্র.: কোন জিনিসটি দেখতে একটি অর্ধেক আপেলের মতো?
উ.: আপেলের বাকি অর্ধেকটি।
প্র.: ব্রেকফাস্টে কোন জিনিসটা কখনোই খেতে পারেন না আপনি?
উ.: ডিনার।
প্র.: বে অব বেঙ্গল কোন স্টেটে অবস্থিত?
উ.: লিকুইড।
পয়লা ধাক্কায় বেশ ভালোভাবেই উতরে গেল তরুণ।
---শুরু হলো দ্বিতীয় পর্ব।
প্রশ্নকর্তা বললেন, ‘আপনাকে আমি ১০টি পানির মতো সহজ প্রশ্ন করব অথবা কেবল একটা প্রশ্ন করব লোহার মতো কঠিন। উত্তর দেওয়ার আগে ভালো করে ভেবে দেখুন, কোন অপশন বেছে নেবেন আপনি।’
তরুণ কিছুক্ষণ ভাবনার চৌবাচ্চায় সাঁতার কাটল।
তারপর বলল, ‘কঠিন প্রশ্নের উত্তরটাই দিতে চাই।’
প্রশ্নকর্তা হেসে বললেন, ‘ভালো, শুভকামনা আপনার জন্য।
আপনি আপনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এবার বলুন,---
কোনটা প্রথমে আসে—দিন না রাত?’
তরুণের বুকে ঢাকের বাড়ি।
কালঘাম ছুটে যাচ্ছে তার।
এই প্রশ্নের উত্তরেই ঝুলে আছে তার চাকরিটা।
এবার ভাবনার সাগরে ডুব দিল সে।
উত্তরে বলল, ‘দিন প্রথমে আসে, স্যার!’
‘কীভাবে?’ প্রশ্নকর্তার প্রশ্ন।
‘দুঃখিত, স্যার, আপনি ওয়াদা করেছিলেন,
দ্বিতীয় কোনো কঠিন প্রশ্ন করবেন না আমাকে!’
এভাবেই চাকরি পাকা হয়ে গেল তরুণের!
হা হা হা হা
collected

25/03/2018

মনে করুন সময়টা অাগামী ২০৪১ সাল!
উন্নত বাংলাদেশ। উন্নত
শিক্ষাব্যবস্থা!-----
বাবা খেয়াল করলেন যে তাঁর ছেলে
Nature কে 'নাটুরে' বলে উচ্চারণ করছে।
স্কুলের ইংরেজির টিচারের কাছে
যেয়ে তিনি ব্যাপারটা জানতে
চাইলেন।
টিচার অত্যন্ত দুঃখিত হয়ে জানালেন
- "চিন্তার কোন কারণ নাই, ছাত্রেরা
একটু 'মাটুরে' (Mature) হলেই সমস্যার
সমাধান হয়ে যাবে।"
রেগে গিয়ে বাবা প্রধান-শিক্ষকের
কাছে যেয়ে নালিশ করলেন- "কি
ধরনের স্কুল মশাই... ছেলেরা 'নাটুরে'
বলে, টিচার 'মাটুরে' বলে...! "
প্রধান-শিক্ষক একটু হতাশ কণ্ঠে বললেন-
"আমিও বুঝি, কিন্তু কি করবেন বলুন, এই
অঞ্চলের 'কালটুরে' (Culture) টাই এইরকম।
ভার্সিটিতে গেলে অবশ্য সবই ঠিক
হয়ে যাবে!"
ক্ষিপ্ত বাবা এবার দৌঁড়লেন স্কুল-
সেক্রেটারী তথা অঞ্চল-প্রধানের
কাছে। তিনি সব শুনে প্রবল চিৎকার-
চেঁচামেচি করতে করতে বললেন-
"আমি জানতাম... আমি আগেই জানতাম,
এই স্কুলটার কোনও 'ফুটুরে' (Future) নেই! "
এটি একটি কাল্পনিক গল্প হলেও এটাই
হতে পারে কঠিন বাস্তবতা! কারণ,
প্রশ্নপত্র পেয়ে পরীক্ষা দিয়ে ১০ লক্ষ
টাকা খরচ করে চাকুরী নিয়ে তাঁদের
কাছথেকে অার কি অাশা করা
যেতে পারে!

20/03/2018

জেনে নিন তওবার সময়ীমা ও ভালো মৃত্যুর আলামতসমূহ সম্পর্কে
Open In AndroidApp
আসসালামুয়ালাইকুম
সবাই কেমন আছেন??
তওবার সময়সীমাঃ
তওবা দ্রুত করা উচিত। যখন কেউ তার ভুল বুঝতে পারে সাথে সাথেই তওবা করা উচিত। একটি হাদীসে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন: ‘নিশ্চয় পাপকারী মুসলিম বান্দা থেকে বামপাশের ফেরেশতা কলম উঠিয়ে রাখে ছয় ঘন্টা পর্যন্ত। বান্দা যদি অনুতপ্ত হয় এবং আল্লাহর নিকট ক্ষমা চায় তাহলে তা মাফ করে দেওয়া হয়, নতুবা একটি গুনাহ লিখা হয়।’ (তাবারানী, বায়হাকী, ইমাম আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলে অভিহিত করেছেন)
তাওবার একটি শর্ত হল, তাওবা করতে হবে মৃত্যুর আলামত প্রকাশের পূর্বে। মৃত্যুর আলামত প্রকাশ পেতে শুরু করলে তাওবা কবুল হবে না। যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেন: ‘তাদের জন্য তাওবা নেই, যারা ঐ পর্যন্ত পাপ করতে থাকে, যখন তাদের কারো নিকট মৃত্যু উপস্থিত হয়। তখন বলে, নিশ্চয়ই আমি এখন তওবা করলাম।’ (সূরা আন-নিসা, ১৮) এ সম্পর্কিত একটি হাদীসে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ তাঁর বান্দার তওবা মৃত্যুকালীন কষ্ট শুরু হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কবুল করে থাকেন।’ (তিরমিযী)
সুস্থ জীবন তওবার উপযুক্ত সময়। জীবন থেকে নিরাশ হওয়ার পর তওবার উপযুক্ত সময় আর থাকে না। এমনিভাবে পাপ করার সামর্থ থাকাকালীন সময়টা হল তওবার উপযুক্ত সময়। পাপ করার ক্ষমতা লোপ পেয়ে গেলে তওবা করা যথোপযুক্ত নয়। তবুও সর্বাবস্থায়ই তওবা করা উচিত।
তওবার আরেকটি শর্ত হলো কিয়ামতের লক্ষণ প্রকাশিত হওয়ার পূর্বেই তওবা করতে হবে। পশ্চিমাকাশে সূর্য উদয় হওয়ার পর তওবার দরজা বন্ধ হয়ে যাবে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ রাতে তাঁর কুদরতী হাত প্রসারিত করে রাখেন। যেন দিনে যে ব্যক্তি নাফরমানী করেছে সে যেন রাতে তাঁর নিকট তওবা করতে পারে। এমনিভাবে আল্লাহ দিনে তার কুদরতী হাত প্রসারিত করে দেন যেন রাত্রে যদি কোন ব্যক্তি পাপকাজ করে থাকে সে যেন দিনে তাঁর নিকট তওবা করতে পারে। আর এ অবস্থা পশ্চিমাকাশে সূর্য উদয় হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। (মুসলিম)
ভাল মৃত্যুর আলামত সমৃহ
==================
১. “যে ব্যক্তির সর্বশেষ কথা হবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ তিনি জান্নাতে প্রবেশ করবেন।” [আবু দাউদ, ৩১১৬]
২. “মুমিন কপালের ঘাম নিয়ে মৃত্যুবরণ করলে।” [আহমাদ (২২৫১৩), তিরমিযি (৯৮০), নাসায়ি (১৮২৮)
৩. “যে ব্যক্তি জুমার দিনে বা রাতে মৃত্যুবরণ করেন আল্লাহ তাকে কবরের আযাব থেকে নাজাত দেন।” [আহমাদ (৬৫৪৬), তিরমিযি (১০৭৪)
৪. “যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয় সে শহিদ [মুসলিম, ১৯১৫]
৫. “পাঁচ ধরনের মৃত্যু শাহাদাত হিসেবে গণ্য। প্লেগ রোগে মৃত্যু, পেটের পীড়ায় মৃত্যু, পানিতে ডুবে মৃত্যু, কোন কিছু ধ্বসে পড়ে মৃত্যু এবং আল্লাহর রাস্তায় শহিদ হওয়া।” বুখারি (২৮২৯), মুসলিম (১৯১৫)]
৫.“যে নারী জুমা (বাচ্চা) নিয়ে মারা যায় তিনি শহিদ।”। আবু দাউদ (৩১১১) “যে নারী তার গর্ভস্থিত সন্তানের কারণে মারা যায় তিনি শহিদ। সে নারীকে তার সন্তান সুরার (নাভিরজ্জু) ধরে টেনে জান্নাতে নিয়ে যাবে।” ‘জানায়িয’(৩৯)
৬. “একদিন, একরাত পাহারা দেয়া একমাস দিনে রোজা রাখা ও রাতে নামায পড়ার চেয়ে উত্তম। আর যদি পাহারারত অবস্থায় সে ব্যক্তি মারা যায় তাহলে তার জীবদ্দশায় সে যে আমলগুলো করত সেগুলোর সওয়াব তার জন্য চলমান থাকবে, তার রিযিকও চলমান থাকবে এবং কবরের ফিতনা থেকে সে মুক্ত থাকবে।” [মুসলিম (১৯১৩)]
৭. “যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলল এবং এ অবস্থায় তার মৃত্যু হলো সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। যে ব্যক্তি কোন একটি সদকা করল এবং এ অবস্থায় তার মৃত্যু হলো সেও জান্নাতে প্রবেশ করবে।” [মুসনাদে আহমাদ (২২৮১৩)
আল্লাহ আমাদের সকলকে ভাল মৃত্যু দান করুক।

16/03/2018

সন্ধ্যা ৬টায় হানিফ পরিবহনের একটি বাস ঢাকার উদ্দ্যেশ্যে কিচ্ছু যাত্রী নিয়ে টেকনাফ থেকে রওনা দেয়,দমদমিয়া-সেন
্টমার্টিন ঘাট থেকে অনেক যাত্রী উঠে, হ্নীলা,হোয়াইকং,উখিয়া এর পর লিঙ্ক রোড,চকরিয়া,চট্টগ্রাম থেকে অনেক যাত্রী উঠানামা করে।রাত ১টা। চট্টগ্রাম শহর ছাড়িয়ে হু হু করে বাস এগিয়ে চলেছে ঢাকার দিকে। সদ্য বানানো মসৃণ রাস্তা। বেশির ভাগ যাত্রী সিটে বসে ঢুলছে। সামনের সিটে এক বৃদ্ধ তাঁর মেয়েকে নিয়ে বসেছেন। অভিজাত জামাকাপড় পরে আছেন তাঁরা। হঠাত্ উঠে দাঁড়িয়ে অন্য সব যাত্রীর দিকে মুখ করে বলতে শুরু করলেন তিনি —‘প্রিয় যাত্রী মহোদয়, আমার পোশাক-আশাক দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন যে আমি ভিখারি নই। প্রভু আমাকে অনেক দিয়েছেন, কিন্তু কেড়ে নিয়েছেন আমার স্ত্রী সাবিহাকে। বিধির বিধান কে খণ্ডাতে পেরেছে, বলুন? কিছুদিন আগে আমার ফ্যাক্টরিতে আগুন ধরে সব ছারখার হয়ে যায়। এর কিছু দিনের মধ্যে আমার এক্সপোর্ট-ইম্পোর্টের ব্যবসাও লাটে ওঠে। হঠাত্ করে এতটা ক্ষতি আমি সইতে পারিনি।তাই হয়তো কিছুদিন পরই আমার হার্ট অ্যাটাক করে। যেসব আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব আগে আমার কাছে এসে বসে থাকত, তারা আমার এই দুর্দিনে ধীরে ধীরে দূরে সরে যেতে থাকে। আমি দিন দিন হতাশ হয়ে পড়ি। শরীরও খারাপ হতে থাকে। একসময় ডাক্তার জানায়, আমার জীবনে খুব বেশি দিন অবশিষ্ট নেই। যেকোনো সময় ডাক এসে যেতে পারে। আমার এই যুবতী মেয়ে মিথিলা। দেখতেই পাচ্ছেন আপনারা। সে বেশ সুন্দরী। আমার অবর্তমানে এই মেয়ে নিষ্ঠুর পৃথিবীর বুকে একলা থাকলে তার কী যে দুর্দশা হবে, সে কথা ভেবেই আমি শিউরে উঠি!’ এই কথা কয়েকটি বলতে বলতেই বৃদ্ধের হেঁচকি ওঠা শুরু হয়। মেয়ে মিথিলা বাবাকে ধরে আবার সিটে বসিয়ে দেয়। এমন সময় বাসের পেছনের সিটে বসা এক ভদ্রলোক দাঁড়িয়ে পড়েন এবং বাসে বসে থাকা লোকদের সম্বোধন করে বলা শুরু করেন -ভদ্র মহোদয়গণ, আমি পেশায় ব্যবসায়ী। আমার দুই ছেলে। বড় ছেলে ডাক্তার, বিবাহিত। এই আমার ছোট ছেলে। দুই বছর হলো ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে একটি প্রাইভেট কম্পানিতে চাকরি করছে। আমি এর বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজছি। প্রভুর অশেষ দয়া, আমি এই বাসে এক সুন্দরী সুশীলা পাত্রীর দেখা পেলাম। আমি ওই বৃদ্ধকে অনুরোধ করছি, তিনি যদি আমার ছোট ছেলেকে উপযুক্ত মনে করেন, তবে আমি তাঁর মেয়েকে নিজের পুত্রবধূ হিসেবে গ্রহণ করতে রাজি আছি। আপনাদের সবার সামনে শপথ করছি, ওনার মেয়ে আমার বাড়িতে আমার পুত্রবধূ নয়, মেয়ে হয়েই থাকবে।’এ পর্যায়ে সুপুরুষ ছোট ছেলে নিজের সিট ছেড়ে দাঁড়িয়ে বলে উঠল, ‘মেয়ে আমার পছন্দ হয়েছে। আমি বিয়েতে রাজি।’এক অনাবিল মুহূর্তের সাক্ষী হতে পেরে সবার ঘুম গেছে ছুটে! বাসের অন্য যাত্রীরা হাততালি দিয়ে এই সম্বন্ধকে স্বীকৃতি জানাল। এরই মধ্যে নাটকীয়ভাবে এক লোক দাঁড়িয়ে বললেন -আপনাদের সবাইকে অনেক অভিনন্দন! বাসেই যদি এই বিয়ের কার্যক্রম হয়ে যায়, তাহলে এর চেয়ে আনন্দের আর কী হতে পারে। আমি পেশায় কাজি। বিয়ে পড়াই। আমি এই বিয়েটা পড়াতে পারলে মনে করব জীবনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিয়ে পড়াতে পারলাম।’যাত্রীরা একসঙ্গে বলে উঠল, দারুণ! মারহাবা...সেই উত্সাহপূর্ণ হট্টগোলের মাঝে কাজি সাহেব বিয়ের কাজ শুরু করলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে সব আচার-অনুষ্ঠান শেষ হয়ে গেল। এ পর্যায়ে এক মধ্যবয়স্ক যাত্রী তাঁর সিটে দাঁড়িয়ে বললেন -‘অনেক দিন পর আমি আমার মেয়ে-জামাইয়ের বাড়িতে যাচ্ছি। নাতি-নাতনিরা মিষ্টি পছন্দ করে। তাদের জন্য পাঁচ কেজি রসগোল্লা নিয়েছি। কিন্তু এই আনন্দের মুহূর্তে এই মিষ্টির সদ্ব্যবহার এই বাসেই হোক। পাত্রী তো আমার কন্যাসম।’ .বক্তব্য শেষ করে ভদ্রলোক কন্যার বাবার দিকে চেয়ে তাঁর অনুমতির অপেক্ষা করতে লাগলেন। মেয়ের বাবা ড্রাইভারের উদ্দেশে বলেন, ‘ড্রাইভার সাহেব, পাঁচ মিনিটের জন্য গাড়ি থামান দয়া করে। সবাই আগে মুখ মিষ্টি করুন। তারপর আমরা আবার যাত্রা শুরু করব ঢাকার দিকে।’ ঠিক আছে স্যার’ বলে ড্রাইভার বাস থামিয়ে দিলেন। আনন্দে উদ্বেলিত মেয়ের বাবার নির্দেশে সেই মধ্যবয়সী ভদ্রলোক একে একে বাসযাত্রীদের মুখে রসগোল্লা পুরে দিলেন।ড্রাইভার আর কন্ডাক্টর যখন চোখ মেলে তাকাল তখন ভোর ৫টা। নববিবাহিত বর-বউ, দুই পিতা, কাজি আর মিষ্টি বিতরক বাদে বাসে সবাই আছে। তবে হ্যাঁ, কারোরই মানিব্যাগ, হাতঘড়ি, গলার সোনার চেইন, হাতের বালা-চুড়ি, স্যুটকেস কোনো কিছুই আর জায়গা মতো নেই!! {Collected} >>সতর্কীকরণ : অপরিচিত কারো থেকে বাসে কেউ কিছু খাবেন না।

20/02/2018

-“ভাইয়া আল্লাহ্‌ কি আমায় মাফ করবেন? আমি তো অনেক গুনাহ করি। করতেই থাকি। তওবা করি। আবার গুনাহ করি।”
-“কেন ক্ষমা করবেন না? তুমি আবার বিশুদ্ধ মনে তওবা কর।”
-“কিন্তু আল্লাহ্‌ তো বলেছেন, যারা একই ভুল বারবার করে তাদের তিনি ক্ষমা করবেন না।”
-“কোথায় বলেছেন?”
-“আর যারা কোন অশ্লীল কাজ করলে অথবা নিজেদের প্রতি যুলম করলে আল্লাহকে স্মরণ করে, অতঃপর তাদের গুনাহের জন্য ক্ষমা চায়। আর আল্লাহ ছাড়া কে গুনাহ ক্ষমা করবে? আর তারা যা করেছে, জেনে শুনে তা তারা বারবার করে না।”[৩:১৩৫]
দেখেছেন ভাই? আমি তো এক গুনাহ বারবার করি। আল্লাহ্‌ আমায় ক্ষমা করবেন না।”
-“জেনেশুনে বারবার করে না।”- এ আয়াতের ব্যাখ্যায় ইবনে কাসীর (রহ) কি বলেছেন জানো? বলেছেন, এটা দিয়ে বুঝানো হচ্ছে- তাদের কথা, যারা গুনাহ করে সে গুনাহের মধ্যেই পড়ে থাকে না। বরং গুনাহ থেকে তওবা করে, আর আল্লাহ্‌র কাছে ফিরে যায়। এরপর যদি আবার গুনাহ করে, আবার আল্লাহ্‌র কাছে ফিরে যায়।”
-“সত্যি?”
-“হ্যাঁ সত্যি। শুধু তাই না, রাসূল (সা) অনেক হাদীস বর্ণনা করেছেন, যার দ্বারা প্রমাণিত হয়, এক গুনাহ বারবার করে ফেললে আল্লাহ্‌ ক্ষমা করেন।
রাসূল (সা.) বলেছেন, “আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন, ‘আমার এক বান্দা গুনাহ্‌ করে আর তারপর বলে, 'হে আল্লাহ্‌! আমার গুনাহ মাফ করে দিন।’ তারপর আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন, ‘আমার বান্দা গুনাহ্‌ করেছে আর এরপর বুঝতে পেরেছে, তার এক রব রয়েছেন যিনি গুনাহের জন্য ক্ষমা করতে পারেন, আবার শাস্তিও দিতে পারেন।’ সে পুনরায় গুনাহ করে আর বলে, ‘হে আমার রব! আমার গুনাহ মাফ করে দিন।’ এরপর আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন, ‘আমার বান্দা গুনাহ্‌ করেছে আর তারপর বুঝতে পেরেছে, তার এক রব রয়েছেন যিনি গুনাহের জন্য ক্ষমা করতে পারেন, আবার শাস্তিও দিতে পারেন।’ সে আবারো গুনাহ করে আর বলে, ‘হে আমার রব! আমার গুনাহ মাফ করে দিন।’ তারপর আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন, ‘আমার বান্দা গুনাহ্‌ করেছে আর এরপর বুঝতে পেরেছে, তার এক রব রয়েছেন যিনি গুনাহের জন্য ক্ষমা করতে পারেন, আবার তার বিচারও করতে পারেন। আমি আমার বান্দাকে ক্ষমা করে দিলাম। তার যা ইচ্ছা সে তা করুক।’ (বুখারী)
ইমাম নববী এই হাদীসটি তাঁর ব্যাখ্যাগ্রন্থে এনেছেন “বারবার একই গুনাহ করলেও সে গুনাহের তওবা গ্রহণ করা হয়”- এই শিরোনামে। তিনি ব্যাখ্যায় লিখেছেন, “এই হাদীস আমাদের পরিষ্কারভাবে জানায় যে, যদি একটি গুনাহ একশোবার করা হয়, হাজারবারও করা হয়, আর প্রত্যেকবার যদি তওবা করা হয়, তার তওবা গ্রহণ করা হবে। তার গুনাহ মুছে দেয়া হবে।”
আরো হাদীস রয়েছে। এক লোক একবার রাসূল (সা) এর কাছে এসে বলল, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমি পাপ করেছি।”
রাসূল (সা) বললেন, “তওবা করো।”
-“আমি তওবা করেছি তারপর আবার আমার দ্বারা আবার পাপ হয়ে গেছে।”
-“আবার তওবা করো।“”
-“আমি পুনরায় পাপ করে ফেলেছি।”
-“আবার তওবা করে ফেলো।”
-“কিন্তু আবার পাপ করেছি।”
রাসূল (সা) তখন বললেন, “তুমি তওবা করতেই থাকো। শয়তান একসময় ক্লান্ত হয়ে পড়বে।” (ইবনে কাসির)
মানে তুমি গুনাহ করে বারবার তওবা করলে এমন অবস্থা একসময় হবে যে, শয়তান তোমার ব্যাপারে হতাশ হয়ে পড়বে। বলবে- “ব্যাটার সমস্যা কি! এতো কষ্ট করে গুনাহ করাই, আর প্রতিবারই তওবা করে ফেলে। আরে আমারে দেখে শেখ! এক গুনাহ করছি, এখনো তওবা করি নাই।”
-“বাহ! মনটা খুশীতে ভরে গেলো।”
-“এতো খুশী হবার কারণ নেই। এটা মনে করো না, আল্লাহ্‌ তায়ালা গুনাহ করাকে পছন্দ করেন। তিনি মোটেও গুনাহকে পছন্দ করেন না। তাই তো আমরা যাতে গুনাহ না করি এ জন্যে শাস্তির ভয় দেখিয়েছেন। কিন্তু তিনি এটাও চান না যে, তাঁর বান্দারা তাঁর রহমত থেকে নিরাশ হয়ে পড়ুক। তিনি এটা পছন্দ করেন যে, গুনাহগাররা তাঁর কাছে ক্ষমা চাইবে, তিনি ক্ষমা করে দিবেন।”
-“গুনাহ করলাম, তারপর ক্ষমা চাইলাম। তারপর আবার গুনাহ করে ক্ষমা চাইতে কি লজ্জা লাগবে না?”
-“ঠিক এই প্রশ্নটাই হাসান আল বসরী(রহ) কে করা হয়েছিল। উনি উত্তরে বলেছিলেন, “শয়তান চায় এরকম অনুভূতি যাতে তোমার মধ্যে আসে। (তুমি যাতে আল্লাহ্‌র রহমত থেকে নিরাশ হয়ে পড়ো) কখনোই ক্ষমা চাওয়া ছেড়ে দিবে না।”
“আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহর রহমত থেকে কাফের সম্প্রদায় ব্যতীত অন্য কেউ নিরাশ হয় না।” [১২:৮৭]
এ কারণেই রাসূল (সা) বলেছেন, “যদি তোমরা এমনভাবে গুনাহ করতে থাকো, যে তোমাদের গুনাহ আসমান ছুয়ে যায়, আর তারপর তওবা করো। (তবুও) তোমাদের তওবা কবুল করা হবে।” (ইবনে মাজাহ)
-“কিভাবে তওবা করব?”
-"ইমাম নববী (রহ) তওবার তিনটি শর্তের কথা বলেছেন। যে গুনাহের জন্য তওবা করা হচ্ছে সেটা পুরোপুরি ছেড়ে দেয়া, গুনাহের জন্য অনুতপ্ত হওয়া, আবার গুনাহটি না করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করা। তওবা করার সময়ও রয়েছে। মৃত্যু এসে গেছে এ অবস্থায় তওবা করলে সে তওবা কবুল হয় না।" [তিরমিযী, আলবানী (রহ.) এর মতে সহীহ]
-“কখন মৃত্যু আসবে তা তো জানা নেই।”
-“হ্যাঁ, তাই তওবা কালকে করব এই কথা বলারও কোন মানে নেই। তওবা এখনই করতে হবে। এখনই মানে এখনই। ইন শা আল্লাহ্‌, আল্লাহ্‌ তায়ালা ক্ষমা করবেন।”
“তারা কি জানে না যে, আল্লাহ্‌ তায়ালা তাঁর বান্দাদের গুনাহ ক্ষমা করে থাকেন?” [৯:১০৪]

19/02/2018

খলিফা হযরত ওমর (রাঃ) এর সময়কার একটি ঘটনা
পারস্যের নিহাওয়ান্দ প্রদেশেরশাসনকর্তা হরমুযান। পর পর অনেকগুলো যুদ্ধেমুসলমানদের বিরুদ্ধে লড়বার পর এবং অগনিত মুসলমানকে নিজ হাতে হত্যা করার পরতিনি অবশেষে মুসলমানদের হাতে বন্ধী হলেন । হরমুযান ভাবলেন , খলিফা ওমর (রাঃ) নিশ্চয়ই তার প্রানদন্ডের হুকুম দেবেন, না হয় অন্ততঃ তাকে গোলাম হিসাবে কোথাও বিক্রি করে দেবেন।
কিন্তু হযরত ওমর (রাঃ) বিশেষ কর দেওয়ার ওয়াদায় হরমুযানকে ছেড়ে দিলেন।
হরমুযান নিজ রাজ্যে ফিরে ওয়াদার কথা ভুলে গেলেন। অনেক টাকা-পয়সা ও বিরাটসৈন্য সমাবেশ নিয়ে তিনি আবার মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করলেন। তুমুল যুদ্ধ শুরু হলো ।অবশেষে হনমুযান পরাজিত হয়ে আবার মুসলমানদের হাতে বন্দী হলেন।তাকে হযরত ওমর (রাঃ)
এর দরবারে হাজির করা হলে খলিফা জিজ্ঞেস করলেন,
: আপনিই কি কুখ্যাত নিহাওয়ান্দ শাসনকর্তা হরমুযান?
: হ্যাঁ খলিফা , আমিই নিহাওয়ান্দ এর অধিপতি হরমুযান।
: আপনিই বার বার আরবের মুসলিম শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষনা করেছেন এবং বার বার অন্যায় যুদ্ধের কারন ঘটিয়েছেন?
: এ কথা সত্যি যে, আমি আপনার অধীনতা স্বীকার করতে রাজী হইনি, তাই বার বার যুদ্ধ করতে হয়েছে।
: কিন্তু এ কথা কি মিথ্যে যে, আপনাকে পরাজিত ও বন্দী করার পরও আপনারপ্রস্তাবানুসারে সোলেহনামার শর্ত মতে আপনাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বার বার আপনি সোলেহনামার শর্ত ভংগ করেছেন এবং অন্যায় যুদ্ধে মুসলমানদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন?
: এ কথা মিথ্যা নয়।
: আপনি কি জানেন আপনার কি সাজা হবে?
: জানি, আমার সাজা মুত্যু এবং আমি সেজন্য প্রস্তত আছি।
: এবং এই মুহুর্তেই?
: তাও বেশ জানি।
: তা হলে আপনার যদি কোন শেষ বাসনা থাকে তা প্রকাশ করতে পারেন।
: খলিফা, মৃত্যুর আগে আমি শুধুই এক বাটি পানি খাব।
খলিফার হুকুমে বাটিতে পানি এল। হরমুযানের হাতে দেওয়া হলে খলিফা
বললেন,
: আপনি সাধ মিটিয়ে পানি খেয়ে নিন।
: আমার শুধুই ভয় হয় পানি খাওয়ার সময়ই জল্লাদ না এক কোপে আমার
মাথাটা দেহ থেকে আলাদা না করে দেয়।
: না হরমুযান, আপনার কোনই ভয় নেই। আমি আপনাকে কথা দিচ্ছি, এই পানি খাওয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউ আপনাকে কতল করবে না ।
: খলিফা, আপনি বলেছেন এই পানি পান করা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউ আমায় কতল করবে না। ( বাটির পানি মাটিতে ফেলে দিয়ে) সত্যি
এ পানি আর আমি খাচ্ছি না এবং তাই আপনার কথা মত কেউই আমাকে আর কতল করতে পারবে না।
চমৎকৃত হযরত ওমর (রাঃ) খানিক চুপ করে থেকে হেসে ফেললেন।
বললেন, হরমুযান: আপনি সত্যিই একটি নয়া উপায় বের করেছেন নিজেকে রক্ষা করার জন্যে। কিন্তু ওমরও যে আপনাকে কথা দিয়েছে তার
খেলাপ হবে না। আপনি আযাদ, আপনি নির্ভয়ে নিজ রাজ্যে চলে যান।
হরমুযান চলে গেলেন। অল্পদিন পরে বহু সংখ্যক লোক নিয়ে আবার এলেন।খলিফা হযরত ওমর (রাঃ) এর দরবারে হাজির হয়ে বললেন,
: আমিরুল মু’মিনিন! হরমুযান আবার এসেছে। এবার সে এসেছে
বিদ্রোহীর বেশে নয়, এক নব জীবনের সন্ধানে। আপনি তাকে তার অনুচরবর্গসহ ইসলামে দীক্ষিত করুন। হরমুযান আর বলতে পারলেন না।
তার কন্ঠ রুদ্ধ হয়ে এলো।
হযরত ওমর (রাঃ) দেখলেন, লৌহমানব হরমুযানের দু’চোখ পানিতে হলহল করছে ।হরমুযানকে তিনি আলিংগন করলেন

11/02/2018

★জানুন মহাবিশ্বের বিস্ময়কর ফ্যাক্ট★
(পর্ব-১)
|
১। সূর্য তার কেন্দ্রে প্রতি সেকেন্ডে ৬২০০০ কোটি কে.জি. হাইড্রোজেন পোড়ায়!!!
|
২। সূর্যের কেন্দ্র থেকে প্রতি সেকেন্ডে
১০ হাজার নিউক্লিয়ার বোমার
সমপরিমাণ শক্তি নির্গত হয়, যা আলো ও তাপ আকারে ছড়িয়ে পড়ে।
|
৩। শনি গ্রহের ঘনত্ব এত কম যে একে
পানিতে রাখা হলে এটি ভাসতে থাকবে।
(এত বড় সমুদ্র বানাইব কেডা?)
|
৪। সূ্র্য আয়তনে পৃথিবীর অপেক্ষা ১৩ লক্ষ গুন বড় এবং বিস্তৃতি প্রায় 1300000000 km., এর ভর প্রায় 200000000000000
0000000000000000 kg (বলেনতো সংখ্যাটা কত!)
|
৫। হেটে হেটে চাঁদে যেতে চান? প্রায় ৬ বছর সময় লাগবে!!
—সূর্যে যেতে লাগবে ২৫০০ বছর!!
—মঙ্গলে যেতে লাগবে প্রায় ৪০০০ বছর!!!
—প্লুটোতে যেতে লাগবে প্রায় ১লক্ষ ২০হাজার বছর!!! এবং
—আলফা সেন্টারিতে যেতে লাগবে প্রায় ২০৬ মিলিয়ন বছর!!! (যাইবেন নিকি?!)
|
৬। বুধ গ্রহের তাপমাত্রা এতটা উঠানামা করে যে, দিনে এর তাপমাত্রা বেড়ে প্রায় ৪৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে উঠে যায় আবার রাতে সেটা নেমে যায় –২০০ ডিগ্রি পর্যন্ত!
|
৭। বামন গ্রহ প্লুটো আবিস্কৃত হয় ১৯৩০ সালে। আর এটি সূর্যকে ২৪৮ বছরে এক বার প্রদক্ষিণ করে, তার মানে আবিস্কারের পর থেকে আজ পর্যন্ত প্লেটো সুর্যকে ১বারও আবর্তন করতে পারেনি!! আবর্তন সম্পন্ন করবে ২১৭৮ সালে।
|
৮। চাঁদ মামা আমাদের কাছ থেকে প্রতি বছর ২ ইন্ছি করে দূরে সরে যাচ্চে। এবং আগামি ৫৫ বিলিয়ন বছর পর এটি আমাদের কাছ থেকে দ্বিগুণ দূরে চলে যাবে। তখন পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব হবে ৬ লক্ষ কি.মি. এর কিছু বেশি। (মামির সাথে রাগ করে মনে হয়)
|
৯। চাঁদের আয়তন পৃথিবীর আয়তনের ৫০ ভাগের এক ভাগ এবং চাঁদে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীর ওজনের ৬ ভাগের এক ভাগ।
|
১০। আমাদের পৃথিবীকে যদি ব্লাক হোলে পরিণত করতে চাই তবে ভর ঠিক রেখে এর আয়তন ৮৭ সে.মি. এ আনতে হবে। আর যদি সূর্যকে ব্লাক হোলে আনতে চাই তবে এর আয়তন আনতে হবে ৩ কি.মি. এর কাছাকাছি।
|
১১। আপনি যদি ৯০ কি.মি. প্রতি ঘণ্টা বেগে একটানা ১৭৬ বছর গাড়ি চালান তাহলে আপনি পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্বের সমান দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম হবেন!! (তেল খরচ দিবো কেডা?? ট্রাই মারতে পারতাম!!)
|
১২। সূর্যের ভেতরে আলোর ফোটন কণা তৈরি হওয়ার পর, সুর্য থেকে মুক্ত হতে এর ১০ হাজার বছর থেকে ১ লক্ষ ৭০ হাজার বছর লেগে যায়!! এর পর স্পেসে ছড়িয়ে পড়ে। তার মানে আমরা দিনের বেলায় যে আলো দেখি এগুলো হাজার হাজার বছরের পুরনো!!!!
|
১৩। সূর্যের বার্ষিক গতি ২১৭ কি.মি/সে. এবং ২২৫-২৫০ মিলিয়ন বছরে
ছায়াপথকে একবার প্রদক্ষিণ করে।
|
১৪। চাঁদ পৃথিবীর যে দিকে থাকে সে দিকে পৃথিবীর সকল বস্তুর ওজন খানিকটা কমে যায়(খুবই সামান্য)
|
১৫। সূর্যে প্রতি সেকেন্ডে ৯.২×১০^৩৭ টি প্রোটন-প্রোটন চেইন রি-এ্যাকশন ঘটে। যার ফলে সেকেন্ডে ৪২ লক্ষ মেট্রিক টন শক্তি বিমুক্ত হয়। আর প্রতি সেকেন্ডে সূর্য ভর হারাচ্ছে, কারন, এটি সেকেন্ডে প্রায় ৮.৯×১০^৫৬ টি প্রোটন মুক্ত করে দেয়।
|
১৬। সৌরজগতের সব গ্রহ ঘুরছে পশ্চিম থেকে পূর্বে, কিন্তু শুক্র গ্রহটি ঘুরছে পূর্ব থেকে পশ্চিমে। আমরা পৃথিবীতে সূর্য পূর্ব থেকে উদিত হয়ে পশ্চিমে অস্ত যেতে দেখি, কিন্তু শুক্র গ্রহে সূর্য পশ্চিম দিকে উদিত হয়ে পূর্বে অস্ত যাচ্ছে।
|
১৭। পৃথিবী, মঙ্গল ও শুক্রকে অনেক
স্থানেই তিন যমজ বোন বিবেচনা করা
হয় তাদের অনেক মিলের জন্য। (গ্রহদেরও তাইলে লিঙ্গ বলতে কিছু একটা আছে)
|
১৮। আপনি যদি শুক্রের মাটিতে এক টুকরো সীসা রাখেন তাহলে সেটা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই গলে যাবে।
|
১৯। বৃহস্পতি ব্যাতীত সৌর জগতের বাকি সবগুলো গ্রহের ভরকে একত্র করলেও বৃহস্পতির ভর তা থেকে প্রায় আড়াই গুণ বেশি হবে।
|
২০। বৃহস্পতি গ্রহের আয়তন ১৩২১টি পৃথিবীর আয়তনের সমান এবং ভরের দিক থেকে এটি ৩১৭টি পৃথিবীর ভরের সমান। আর একটি তথ্য, যে বিশাল একটি ঘূর্ণিঝড় এর মধ্যে বিরাজ করছে তার মধ্যে রাখা যাবে তিন তিনটা পৃথিবী।
|
২১। মহাশুন্যে জিরো গ্রাভিটিতে কোন পাখি খাবার গিলতে পারবে না।কারন পাখিদের খাবার গিলার জন্য গ্রাভিটির দরকার হয়।
|
২২। ধারণা করা হয় গুপ্ত পদার্থ বা ডার্ক ম্যাটার মহাবিশ্বের মোট পদার্থের ৮৩% এবং মোট ভর-শক্তির ২৩%। এমনকি আমাদের আকাশগঙ্গা ছায়াপথের মোট ভরের ৮৯ ভাগ ভরের জন্য দায়ীএই ডার্ক ম্যাটার, বাকি ১১ ভাগ দৃশ্যমান বস্তুর।
|
২৩। আমাদের আকাশগঙ্গার মাঝখানে অবস্থিত সুপারম্যাসিভ ব্লাকহোলটির ভর ৪ মিলিয়ন সৌরভরের সমান।
|
২৪। একটা গ্যালাক্সি থেকে অন্য গ্যালাক্সির যে দুরত্ব তার মাঝে আরও প্রায় শখানেক গ্যালাক্সি রাখা যাবে। তাহলে একটা গ্যালাক্সি কত বড় হতে পারে!?
|
২৫। আপনি যদি একটি ব্লাকহোলের কাছাকাছি গিয়ে এর চারপাশে ঘুরতে থাকেন তাহলে ব্লাকহোলের অসীম গ্রাভিটির টানে আপনার সময় স্লো হয়ে যাবে। (যাদের বয়স কমানোর ইচ্ছা আছে তারা যাইতে পারেন)
|
২৬। বিজ্ঞানীদের মতে রাতের আকাশে প্রতি ছয়টি নক্ষত্রের অন্তত একটিতে পৃথিবী- আকৃতির গ্রহ রয়েছে। এ হিসাব অনুযায়ী, আমাদের ছায়াপথে পৃথিবীর আকারের গ্রহের সংখ্যা মোট
১ হাজার ৭০০ কোটি বলে জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।
|
২৭। বিগব্যাং মডেল অনুযায়ী, ধারনা করা হয় বিগব্যাং এর আগে মহাবিশ্বের আয়তন ছিল একটি পরমানুর থেকেও ছোট এবং তাপমাত্রা ছিল কয়েক বিলিয়ন ডিগ্রি সেন্ট্রিগেড।
|
২৮। বর্তমান মহাবিশ্বের মূল অংশই হচ্ছে কৃষ্ণ শক্তি, বাকিটা কৃষ্ণ বস্তু। আমরা চোখে বা টেলিস্কোপ মাধ্যমে যা দেখি তা মহাবিশ্বের মাত্র ৫ শতাংশের কম। মহাবিশ্বের বর্তমান বয়স ১,৩৭৫ কোটি বছর। মহাবিশ্বের দৃশ্যমান অংশের “এই মুহূর্তের” ব্যাস প্রায় ৯৩ বিলিয়ন আলোক বছর।
|
২৯। আমাদের লোকাল গ্যালাক্সি গ্রুপে ৫৪ টি ছোট-বড় গ্যালাক্সি রয়েছে। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় গ্যালাক্সি হল এন্ড্রোমিডা, এরপর মিল্কিওয়ে।
|
৩০। আমাদের মিল্কিওয়েতে সমস্ত নক্ষত্র তৈরি হওয়ার পর অবশিষ্ট যা হাইড্রোজেন-হিলিয়াম রয়ে গিয়েছে তা দিয়ে আরো ২০০-৪০০ বিলিয়ন নক্ষত্র তৈরি হওয়া সম্ভব।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Men'z Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share