01/03/2025
🚨 যেভাবে আমরা রমাদানের জন্য সঠিক প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা গ্রহণ করবো (২য় পর্ব)
রামাদানের জন্য পরিকল্পনা করা, ব্যক্তিগত লক্ষ্য নির্ধারণ করা এবং এতে সফল হওয়া যেমন অত্যন্ত জরুরী, ঠিক তেমনি এটি বাস্তবায়ন করাও বেশ চ্যালেঞ্জিং। তাই রমাদানে আমাদের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা হতে হবে সুবিন্যস্ত ও স্পষ্ট। আর তাহলেই আর তাহলেই ইনশাআল্লাহ আমরা সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে। রমাদানে আমরা যা করতে পারি তা হল...
১. নিয়তকে পরিশুদ্ধ করাঃ
নিয়ত পরিশুদ্ধ হওয়া খুব জরুরি। কারণ আমাদের সকল কাজ নিয়তের উপরই নির্ভরশীল। রমাদানে আমাদের নিয়ত যদি থাকে কেবলই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, তাহলে রমাদান জুড়ে করা আমাদের সিয়াম ও অন্যান্য সকল ইবাদাত হবে অতি চমৎকার।
আমাদের সমাজে একটি ব্যাপার খুব লক্ষণীয় যে - আমরা যেকোনো ভালো কাজের শুরুতে খুব এনার্জি নিয়ে এগিয়ে যাই, কিন্তু মাঝপথে গিয়েই আমরা খেই হারিয়ে ফেলি। কথা হল, কেন এমনটা হয়? এর একটা বড় কারণ হল - আমরা আমাদের প্রকৃত নিয়ত থেকে দূরে সরে আসি এবং সেই নিয়তটাকে নিয়মিত রিনিউ করিনা। তাই আমাদের উচিৎ প্রতিদিন নিজের নিয়তকে নতুন করে নবায়ন করে নেয়া।
২. কুরআন কেন্দ্রিক পরিকল্পনাঃ
রমাদান মাস কুরআন নাযিলের মাস। সুতরাং আমাদের টার্গেট রাখতে হবে যে - প্রতিদিন কমপক্ষে ১পারা তিলাওয়াত করা। আপনি যদি নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াতে অভ্যস্ত না হন, তাহলে আজই তিলাওয়াত শুরু করুন। অন্তত ৫ পেজ তিলাওয়াত দিয়ে শুরু করুন। এরপর ১০, ১৫, ২০ পৃষ্ঠা এভাবে তিলাওয়াতের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। সেইসাথে চেষ্টা করুন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সূরা ও আয়াত মুখস্ত করতে।
তিলাওয়াতের ক্ষেত্রে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমাদের মাথায় রাখতে হবে তা হলো, অনেকে রমজান মাসে খতম উঠানোর জন্য খুব তাড়াহুড়ো করে তিলাওয়াত করে। ফলে তিলাওয়াতটা বিশুদ্ধ হয় না। তাই ‘যেভাবেই হোক এক খতম দিতে হবে’ এই ধরণের মানসিকতা পরিহার করে আস্তেধীরে পড়ুন। আস্তেধীরে পড়ে খতম করার চেষ্টা করুন। নয়তো যতোটুক হয় তাতেই সন্তুষ্ট থাকুন। মনে রাখবেন, পরিমাণের চেয়ে গুণগতমান বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তিলাওয়াত ও মুখস্তের পাশাপাশি বাংলা অর্থ ও সংক্ষিপ্ত তাফসীর অধ্যয়ন করুন। এতে করে তিলাওয়াতে কুরআনের সাথে সাথে তাদাব্বুরে কুরআন বা কুরআনের শিক্ষা জানা ও তা নিয়ে চিন্তা- ভাবনা করার আমলটুকুও হয়ে যাবে। বাংলা অর্থ ও সংক্ষিপ্ত তাফসীর অধ্যয়নের জন্য আমরা তাফসীরে মারেফুল কুরআন, তাফসীরে উস