06/05/2025
ছুটির দিন। হাজবেন্ড বায়না করেছে কাচ্চি খাবে। এদিকে আপনার রান্না করতে খুব আলসেমি লাগতেছে। মুখ ফুটে সেটা বলতেও পারছেন না, বেচারা কষ্ট পাবে।
উপায় কী তাহলে!
উপায় একটাই...
দিন দুপুরেই রান্না করতে যাওয়ার আগে কিচেন এপ্রোনের না পরে এরকম একটা সিডিউসিং নেটের শর্ট নাইটি পরে নিন।
এরপর চুল চিড়ুনি করে একদম উঁচু করে বাঁধতে বাঁধতে হাজবেন্ডকে শুনিয়ে শুনিয়ে আপনমনে বলুন, "উফ! এত্ত গরম পরছে আজকে!"
ভাবটা এরকম যে, গরম যাতে কম লাগে তাই দিনদুপুরে এগ্লা পরলেন। আপনার অন্য কোনো উদ্দেশ্য নাই।
এরপর চুল বাঁধা হলে ঠোঁটে হালকা করে একটু টিন্টেড লিপবাম লাগান। ব্যস আপনার কাজ শেষ।
এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন, আহমাদিয়াদ বেডি বলে কী! কাচ্চি রান্না তো শুরুই করলাম না। এখনই কাজ শেষ মানে?
মানে টানে কিছুই না ভাই। এইযে আপনি প্রচন্ড গরমের তীব্রতার মধ্যেও স্বামীকে ভালোবেসে স্বামীর আবদার পূরণ করার জন্য রান্না করতে যেতে উদ্যত হয়েছেন...
আলসেমি করেন নাই, গরমকে গরম মনে করেন নাই, কষ্টকে কষ্ট মনে করেন নাই...এতে করে আপনার স্বামীর মনে আপনার জন্য ভীষণ মায়া জন্মে গেছে।
এমন তীব্র গরমে আপনার কাছে কাচ্চি খাওয়ার আবদার করায় সে ভীষণ অপরাধবোধে ভুগবে এখন। ফলস্বরূপ সে আর আপনাকে রান্না করতে দিবে না। তার বদলে চট করে ফুডপান্ডায় কাচ্চি অর্ডার করে দিবে।
আপনাকে রান্নাঘর থেকে টেনে এনে ফ্যানের নিচে বসাবে। মাথার উপর ফ্যান ঘুরা সত্ত্বেও সে আপনাকে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করবে, পারলে এসি কিনে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিবে। তারপর ইত্যাদি ইত্যাদি....
শুনেন,
স্বামীকে কখনো নিজের কথা বা কর্ম দ্বারা কষ্ট দিতে হয় না।
জাস্ট এভাবে একটু ট্রিকস খাটাতে হয়, যাতে স্বামী উলটা নিজে নিজেই কষ্ট পায়।
দুনিয়াতে একটু চালাক না হইলে টিকা মুশকিল, বুঝছেন না?