রব্বাতুল বাইত ربّة البيت

রব্বাতুল বাইত ربّة البيت আসসালামুয়ালাইকুম,
লাইক ফলো দিয়ে সাথেই থাকবেন ।
নতুন পেজকে বড় করতে সাহায্য করুন।
অসংখ্য ধন্যবাদ সকলকে যারা সাথে আছেন এবং শুভ কামনা রইলো সবসময়ই।

কিসের ডিম🤔??
02/07/2026

কিসের ডিম🤔??

01/07/2026
🥷🥷🥷🥷🥷🥷🥷🥷💪💪💪💪
17/06/2026

🥷🥷🥷🥷🥷🥷🥷🥷💪💪💪💪

تَقَبَّلَ اللّهُ مِنَّ وَ مِنْكُمْ"তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম"       "ঈদ মোবারক"...🌙🌙 💝💝কোরবানি ঈদ মোবারক 🐄🐂🐐🐪 ...
28/05/2026

تَقَبَّلَ اللّهُ مِنَّ وَ مِنْكُمْ
"তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম"
"ঈদ মোবারক"...🌙🌙 💝💝
কোরবানি ঈদ মোবারক 🐄🐂🐐🐪 জানাই সকলকে 🕌

বাচ্চাকে কেরাতি বা মার্শাল আর্ট শেখাতে না পারলেও অন্তত কিছু বেসিক আত্মরক্ষার কৌশল শেখানো খুবই জরুরি। যেমন বিপদের মুহূর্ত...
26/05/2026

বাচ্চাকে কেরাতি বা মার্শাল আর্ট শেখাতে না পারলেও অন্তত কিছু বেসিক আত্মরক্ষার কৌশল শেখানো খুবই জরুরি। যেমন বিপদের মুহূর্তে জোরে চিৎকার করা, দ্রুত সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করা, কামড় বা ধাক্কা দিয়ে নিজেকে ছাড়িয়ে নেওয়া—এ ধরনের সাধারণ কৌশলগুলো বাচ্চার সাথে খোলামেলা ভাবে অনুশীলন করতে পারেন। প্রয়োজনে চোখ, ঘাড় বা শরীরের সংবেদনশীল স্থানে আঘাত করে নিজেকে বাঁচানোর বিষয়েও বয়স উপযোগী ধারণা দেওয়া যেতে পারে।
আমাদের ভয়, লজ্জা বা সংকোচ যেন পরবর্তীতে আফসোসের কারণ না হয়।
এদেশে বাচ্চারা কোনো ভাবেই নিরাপদ নয়। তাই অন্ধভাবে কাউকে ভরসা না করে সন্তানকে সচেতন করে তোলা, তার কথা মন দিয়ে শোনা এবং নিরাপদ-অনিরাপদ আচরণ সম্পর্কে ছোটবেলা থেকেই শেখানো খুবই জরুরি ।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—বাচ্চাকে এমন পরিবেশ দেওয়া, যেখানে সে কোনো অস্বস্তিকর ঘটনা হলে নির্ভয়ে বাবা-মাকে বলতে পারে।
আল্লাহ আমাদের ফুলের মতো সন্তানদের সব ধরনের খারাপ মানুষ ও বিপদ থেকে হেফাজত করুন। আমিন

শিশুর শৈশব হোক পর্দামুক্ত: বাচ্চাকে ডিভাইসবিহীন রাখার কার্যকর কিছু চমৎকার টেকনিকবর্তমান যুগে মোবাইল, ট্যাব কিংবা টিভি যে...
26/05/2026

শিশুর শৈশব হোক পর্দামুক্ত: বাচ্চাকে ডিভাইসবিহীন রাখার কার্যকর কিছু চমৎকার টেকনিক

বর্তমান যুগে মোবাইল, ট্যাব কিংবা টিভি যেন শিশুদের নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। খাওয়ানো থেকে শুরু করে কান্না থামানো—সবকিছুর সহজ সমাধান হিসেবে অনেকেই ডিভাইস হাতে তুলে দেন। কিন্তু অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম শিশুর মানসিক বিকাশ, মনোযোগ, আচরণ, ঘুম এবং সামাজিক দক্ষতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তাই ছোটবেলা থেকেই বাচ্চাকে ডিভাইসবিহীন বা নিয়ন্ত্রিত স্ক্রিন অভ্যাসে বড় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিচে কিছু কার্যকর ও বাস্তবসম্মত টেকনিক তুলে ধরা হলো—

১. নিজে উদাহরণ হোন

শিশুরা কথার চেয়ে কাজ দেখে বেশি শেখে। আপনি যদি সারাক্ষণ ফোনে ডুবে থাকেন, তাহলে শিশুও সেটাকেই স্বাভাবিক ভাববে। পরিবারে “ফোন-ফ্রি সময়” তৈরি করুন—যেমন খাবারের সময় বা ঘুমানোর আগে।

২. ঘরের ভেতর খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি করুন

রঙ পেন্সিল, ব্লক, বই, পাজল, বল, কাগজ কাটা, লেগো—এসব শিশুকে স্বাভাবিকভাবেই ব্যস্ত রাখে। শিশু যত বেশি হাতে-কলমে খেলবে, তত কম ডিভাইস চাইবে।

৩. বাচ্চাকে কাজে যুক্ত করুন

শিশুরা খুব পছন্দ করে “বড়দের কাজ” করতে। রান্নাঘরে সবজি ধোয়া, কাপড় গুছানো, গাছে পানি দেওয়া—এসব ছোট কাজে যুক্ত করলে তারা আনন্দ পায় এবং স্ক্রিনের কথা ভুলে যায়।

৪. গল্প বলার অভ্যাস গড়ে তুলুন

রাতে ঘুমানোর আগে গল্প বলা বা বই পড়ে শোনানো শিশুর কল্পনাশক্তি বাড়ায়। এতে শিশুর মন বই ও কথোপকথনের দিকে ঝুঁকে, স্ক্রিনের দিকে নয়।

৫. বাইরে সময় কাটাতে উৎসাহ দিন

পার্কে হাঁটা, সাইকেল চালানো, বন্ধুদের সঙ্গে খেলা বা প্রকৃতি দেখা—এসব শিশুর মানসিক ও শারীরিক বিকাশে অসাধারণ ভূমিকা রাখে। বাইরে খেলাধুলা করলে স্ক্রিনের প্রতি নির্ভরতা কমে যায়।

৬. হঠাৎ করে পুরোপুরি নিষেধ না করে ধীরে ধীরে কমান

একদিনে ডিভাইস কেড়ে নিলে শিশু বিরক্ত বা আক্রমণাত্মক হতে পারে। তাই ধীরে ধীরে সময় কমান। যেমন আগে যদি ৩ ঘণ্টা দেখে, তাহলে প্রথমে ২ ঘণ্টা, পরে ১ ঘণ্টায় আনুন।

৭. নির্দিষ্ট “নো-স্ক্রিন জোন” তৈরি করুন

শোবার ঘর, ডাইনিং টেবিল বা পড়ার জায়গাকে স্ক্রিনমুক্ত রাখুন। এতে শিশু বুঝতে শেখে যে সব জায়গায় ডিভাইস ব্যবহার করা যায় না।

৮. একঘেয়েমিকে ভয় পাবেন না

অনেক অভিভাবক মনে করেন বাচ্চা বোর হলে সমস্যা। অথচ একঘেয়েমি থেকেই শিশুর সৃজনশীলতা জন্ম নেয়। সবসময় ফোন দিয়ে ব্যস্ত না রেখে তাকে নিজে নিজে কিছু ভাবতে দিন।

৯. প্রশংসা ও পুরস্কারের সঠিক ব্যবহার করুন

শিশু যদি নির্দিষ্ট সময় ডিভাইস ছাড়া থাকতে পারে, তাহলে তাকে প্রশংসা করুন। ছোট পুরস্কার দিন—যেমন প্রিয় খাবার, একসাথে ঘুরতে যাওয়া বা নতুন গল্পের বই।

১০. সম্পর্ককে ডিভাইসের বিকল্প বানান

অনেক সময় শিশুরা একাকীত্বের কারণে স্ক্রিনে আসক্ত হয়। তাই তার সঙ্গে কথা বলুন, খেলুন, হাসুন, সময় দিন। একজন ব্যস্ত বাবা-মায়ের চেয়ে একজন সময় দেওয়া বাবা-মা শিশুর বেশি প্রয়োজন।

শেষকথা

ডিভাইস পুরোপুরি খারাপ নয়, তবে অল্প বয়সে অতিরিক্ত নির্ভরতা শিশুর স্বাভাবিক শৈশব কেড়ে নিতে পারে। শিশুকে শুধু “স্ক্রিন থেকে দূরে” রাখলেই হবে না, বরং এমন সুন্দর বিকল্প দিতে হবে যাতে সে বাস্তব জীবনকেই বেশি উপভোগ করে।

মনে রাখবেন, শিশুর সবচেয়ে বড় বিনোদন কোনো মোবাইল নয়—তার পরিবার, ভালোবাসা এবং সুন্দর সময়।

A dreamy moment...... ❤️বাচ্চাকে ডিভাইস বিহীন রাখার ৬ টি নিনজা পদ্ধতি: (১) সাবানের ফেনা দিয়ে বাবল ফুলাবেন। আপনি ফু দিয়...
25/05/2026

A dreamy moment...... ❤️

বাচ্চাকে ডিভাইস বিহীন রাখার ৬ টি নিনজা পদ্ধতি:

(১) সাবানের ফেনা দিয়ে বাবল ফুলাবেন। আপনি ফু দিয়ে বাবল বের করবেন, বাচ্চা একটা একটা করে ফুটাবে। বাতাসে বাবল উড়বে, বাচ্চা পিছে পিছে দৌড়াবে। কি যে আনন্দ পায় আল্লাহু আকবার! বাচ্চার কথা বাদই দেন, আপনার নিজেরই মনটা ভালো হয়ে যাবে।

(২) বাইরে অথবা ছাদে খেলতে নিয়ে যাবেন। যদি ওরকম কোন সুযোগ না থাকে তাহলে অন্তত আপনার বারান্দাতে একটু জায়গা করে দিবেন। অনেক আহামরি খেলনা লাগবে না। আপনি ওকে বলবেন যে দেখো, ঠেলাগাড়িতে করে একটা আঙ্কেল সবজি বিক্রি করছে, ওখানে দেখো ভাইয়াটা স্কুলে যাচ্ছে... দেখো এই তিন চাকার গাড়িটার নাম রিক্সা! দেখবেন আপনার বাচ্চা দারুন বিস্ময় নিয়ে প্রতিটা বিষয় এনজয় করছে। ওদের কাছে সবকিছুই নতুন। ছোট বয়স থেকে এই স্বাভাবিক ছোটখাটো জিনিসগুলো চেনানোর অভ্যাস করলে, ওদের পর্যবেক্ষণ দক্ষতা বাড়বে। এটা ছোট বাচ্চাদের ভাষার দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ও অসম্ভব কাজে লাগে আলহামদুলিল্লাহ।

(৩) রান্নাবান্না করে আপনাকে খাওয়াতে বলবেন। সেদিন আমার মেয়ে নিজ দায়িত্বে আমাদের রান্নাঘর থেকে প্লাস্টিকের বাটি নিয়ে গেছে। একটু পরে দেখি আমার তসবিটা সেখানে ঢুকায়ে নাড়াচ্ছে আর বলছে, 'ভাত নান্না করি, ভাত!' এখানে একটা নতুন পদ্ধতি শিখিয়ে দিচ্ছি।

'Toy Rotation' পদ্ধতি। সেটা কিভাবে কাজ করে? ধরুন যাইনাবের পাঁচটা খেলনা আছে। পাঁচটা খেলনাই একবারে বের করে দিবো না। পাঁচটা থেকে দুইটা হয়তো এখন দিলাম। বাকি তিনটা উপরে তুলে রাখলাম। একমাস পরে উপরের দুইটা নামিয়ে দিলাম, এখন আগের তিনটা উপরে তুলে রাখলাম। তাহলে তার কাছে প্রতিবারই মনে হবে যেন সে নতুন খেলনা দিয়ে খেলছে। একসাথে অনেক খেলনা একসাথে দিয়ে দিলে তাদের তাড়াতাড়ি শখ মিটে যায়। কিন্তু রোটেশন করে করে দিলে, সে সহজে বোরড হয়ে যাবে না।

(৪) প্রচুর আঁকাবুকি, রং করা, পুরাতন ডায়েরী পুরাতন নোট-খাতা/কাগজ যেগুলো দরকার হয় না, বাচ্চাকে এমনি আঁকতে দিবেন। হাবিজাবি যা পারে আঁকুক। এখনই কোন কিছু পার্ফেক্ট হতে হবে না। যেটাই এঁকে নিয়ে আসবে, এপিসিয়েট করবেন, প্রশংসা করবেন। দেখবেন যে, তার হাতের মোটর স্কিলস গুলো অনেক ভালো হচ্ছে, মাশাআল্লাহ।

(৫) ছোট ছোট হাতে ধরা যায় এমন জিনিস একবার পলিথিন বা, এরকম কোন পুরান ব্যাগে, একবার ঢুকাতে দিবেন এবং বের করতে দিবেন। আমাদের ক্ষেত্রে সে বাসার তসবিহ গুলো সব সাথে একটা ব্যাগে ঢুকায়, আবার বের করে। এরকম অনেকবার করতে থাকে । পুতিপুতি জিনিসগুলো ধরতে মজা পেয়ে যায় মনে হয়। এগুলোও মোটর স্কিলস এর জন্য অনেক ভালো।

(৬) বই বই এবং বই প্রচুর পরিমাণে বই।
৬ মাস বয়স থেকেই বোর্ডবুক/ক্লোথবুখগুলো ধরতে দিতে পারেন। সব সময় পড়ে শোনানোর অভ্যাস করবেন। ছোটবেলা থেকেই পড়ে শোনালে ‌ বড় হলে সন্তানের ভাষারীতির বিকাশ অনেক ভালো হবে।

হয়তো ৬ মাসের একটা বাচ্চা আপনি ওকে কি বলছেন বই থেকে পড়ে, কিছুই বুঝবে না। কিন্তু ধীরে ধীরে বাচ্চাটা পিকআপ করা শুরু করবে যে, মা এক একটা শব্দ বলে কতক্ষণ থামে, একটা বাক্য কোন টোনে শেষ হয়, শব্দের উচ্চারণ আসলে কেমন? এগুলো তার শব্দমালা সমৃদ্ধ করবে এবং স্পিচ ডিলে জাতীয় সমস্যা গুলো থেকে তাকে অনেক দূরে রাখবে ইনশাআল্লাহ।

আর আপনার সাথে যদি ইসলামিক বই থাকে, তাহলে তো কথাই নেই। মা হিসেবে প্রতিদিন আপনি এক্সাইটেড থাকবেন, আরে আজকে আমার বাচ্চার বইটা থেকে আমি ইসলামের নতুন কোন গল্পটা জানবো? আজকে বাচ্চার বইয়ের মূল চরিত্রের নায়ক তার আখলাক উন্নতির জন্য কি কি করবে? আজকে সাহাবীদের কোন মজার ঘটনাটা পড়ে বাচ্চার সাথে হাসতে হাসতে লুটিয়ে পড়বো?

অবশ্যই একটা পর্যায়ে বই পড়ে শোনাতে শোনাতে আপনার চোয়াল ব্যাথা হয়ে যাবে। মনে হবে চাপা আর ব্যথায় নড়ছে না! তখন আর কি করবেন?

বাচ্চাকে বাবার কাছে পাঠিয়ে দিবেন,

না হলে আবারো রোটেট করে কালার পেন্সিল হাতে দিয়ে দিবেন,

না হলে হয়তো দেখবেন তখন খাওয়ানোর, গোসলের অথবা ঘুমানোর সময় হয়ে যাবে‌ ইন শা আল্লাহ...

আসলে সত্যি কথা জানেন?

অনেকে খুব ভয় পায় যে, ডিভাইস না দিলে তো বাচ্চা সামলানো অনেক বেশি কঠিন হয়ে যাবে! কিভাবে শান্ত রাখবো? কিভাবে খাওয়াবো? আসলে সত্য কথা জানেন, ডিভাইসে আসক্ত না হলেই বাচ্চার সাথে প্যারেন্টিং টা আপনি সবচেয়ে নির্মল ভাবে এনজয় করতে পারবেন সুবহানআল্লাহ।

ক্ষণস্থায়ী কতক্ষণের তথাকথিত স্বস্তির জন্য দীর্ঘমেয়াদি অনেক ক্ষতি না হোক আমাদের বাচ্চাদের...

তাহলে দেখবেন, প্যারেন্টিং টা আপনি যেন সত্যিই অনেক এনজয় করতে পারছেন ইন শা আল্লাহ!

প্যারেন্টিং হবে ডিভাইস বিহীন ...

প্যারেন্টিং হবে সুন্নতি লাইফ স্টাইলের অংশ ...

প্যারেন্টিং হবে কুরআনের আয়াতের জীবন্ত প্রতিচ্ছবি....

✨🕌 ইসলামিক দৃষ্টিতে কুরবানী কেন দেয়া হয়? 🐑❤️কুরবানী হলো ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যা মূলত নিম্নলিখিত কারণে পালন...
25/05/2026

✨🕌 ইসলামিক দৃষ্টিতে কুরবানী কেন দেয়া হয়? 🐑❤️

কুরবানী হলো ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যা মূলত নিম্নলিখিত কারণে পালন করা হয়:

- 📜 আল্লাহর নির্দেশ পালন:** এটি আল্লাহর আদেশ মেনে চলার বিশাল নিদর্শন। আল্লাহ তাঁর বান্দাদেরকে এই ইবাদত দিয়েছেন তাঁর প্রতি আনুগত্য ও বাধ্যতা প্রকাশ করার জন্য। 🙏✨
- 🤲 নবী হযরত ইব্রাহীম (আ.) এর আদর্শ অনুসরণ: আল্লাহর প্রতি তাঁর অগাধ ভালোবাসা ও সর্বোচ্চ ত্যাগের ইতিহাস স্মরণ করার জন্য। যেখানে তিনি সন্তানকে কুরবান করার মতো কঠিন নির্দেশও মেনে নিতে প্রস্তুত হয়েছিলেন—এই মহান ত্যাগের শিক্ষা আমরা কুরবানীর মাধ্যমে গ্রহণ করি। 🕋💖
- 🤝 ত্যাগ ও ভালোবাসার শিক্ষা: নিজের প্রিয় বস্তু বা সম্পদ আল্লাহর পথে উৎসর্গ করার মাধ্যমে শেখা হয় যে, আল্লাহর ভালোবাসার কাছে সবকিছু ছোট। 🥀💞
- 🤗 সমাজে সমতা ও ভালোবাসা বৃদ্ধি: কুরবানীর গোশত গরিব, দুঃখী, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের মাঝে বিতরণ করা হয়। এর মাধ্যমে সমাজের ধনী-গরিবের পার্থক্য কমে যায়, সবাই একসাথে খেতে পারে এবং পারস্পরিক স্নেহ-ভালোবাসা বাড়ে। 🥘❤️🌍
- 🧡 আত্মশুদ্ধি ও ক্ষমা লাভ: এই ইবাদতের মাধ্যমে মানুষ তার মনের লোভ, স্বার্থপরতা দূর করে এবং আল্লাহর কাছ থেকে বিপুল ক্ষমা ও রহমত লাভ করে। 🤲✨☪️

সংক্ষেপে বললে, কুরবানী হলো—আল্লাহর জন্য ভালোবাসা, ত্যাগ ও তাঁর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণের নাম। 🐂🌹🙌
অগ্রিম ঈদ উল আজহার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই আমার পক্ষ থেকে।

মা হওয়াটা শুধু একটা পরিচয় না,এটা একসাথে হাজারটা দায়িত্ব বয়ে নেওয়ার নাম।একদিকে সন্তানের মা,অন্যদিকে একজন স্ত্রী,সংসারের ম...
25/05/2026

মা হওয়াটা শুধু একটা পরিচয় না,
এটা একসাথে হাজারটা দায়িত্ব বয়ে নেওয়ার নাম।
একদিকে সন্তানের মা,
অন্যদিকে একজন স্ত্রী,
সংসারের মানুষ,
ঘরের সবকিছুর ভরসা।
সবার চাওয়া, সবার প্রয়োজন,
সবার সুখ-দুঃখ নিজের ভেতর আগলে রেখে
প্রতিদিন হাসিমুখে সব সামলে যাওয়া—
এটা সত্যিই সহজ না।
কখনো নিজের ক্লান্তির কথা বলা হয় না,
কখনো নিজের মন খারাপটাও লুকিয়ে রাখতে হয়।
তবুও মা থেমে যায় না।
কারণ তার ভালোবাসা নিঃস্বার্থ,
তার দায়িত্বের শেষ নেই।
মাতৃত্ব শুধু বাচ্চাকে বড় করার নাম না,
এটা নিজের ভেতরের শক্তিকে প্রতিদিন নতুন করে খুঁজে পাওয়ার গল্প।
নিজে ভেঙে পড়লেও
পরিবারকে আগলে রাখার নামই মা।
তাই তুমি যদি ক্লান্ত হও,
যদি কখনো মনে হয় আর পারছো না—
তাহলে জেনে রেখো,
তুমি ব্যর্থ নও।
তুমি অনেক কিছু একসাথে সামলাচ্ছো,
আর সবকিছু করছো পুরো মন আর ভালোবাসা দিয়ে।
এটাই তোমাকে সবচেয়ে সুন্দর, সবচেয়ে শক্তিশালী করে তোলে। 🤍

প্রত্যেকটা বাবা-মার উচিৎ সন্তানকে এগুলো শিক্ষা দেওয়াসন্তান হলো বাবা-মায়ের আমানত। শুধু ভালো খাবার, সুন্দর পোশাক কিংবা দাম...
25/05/2026

প্রত্যেকটা বাবা-মার উচিৎ সন্তানকে এগুলো শিক্ষা দেওয়া

সন্তান হলো বাবা-মায়ের আমানত। শুধু ভালো খাবার, সুন্দর পোশাক কিংবা দামী স্কুলে পড়ালেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। একজন সন্তানের চরিত্র, আদব-আখলাক, শিষ্টাচার ও মানবিকতা গড়ে তোলাই হলো প্রকৃত সফলতা। ছোটবেলা থেকে যেসব শিক্ষা সন্তানকে দেওয়া হয়, বড় হয়ে সে সেভাবেই নিজেকে গড়ে তোলে। তাই প্রত্যেকটা বাবা-মার উচিৎ সন্তানকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আদব ও শিষ্টাচার শেখানো।

১. সালাম দেওয়ার অভ্যাস শেখান

সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই “আসসালামু আলাইকুম” বলার শিক্ষা দিন। ঘরে প্রবেশ করলে, বড়দের দেখলে ও কোথাও গেলে আগে সালাম দিতে শেখান। সালাম ভালোবাসা বৃদ্ধি করে এবং অহংকার দূর করে।

২. বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করতে শেখান

যে সন্তান বড়দের সম্মান করতে জানে না, সে জীবনে কখনো প্রকৃত মানুষ হতে পারে না। বাবা-মা, শিক্ষক, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের সম্মান করতে শেখান।

৩. খাবারের আদব শেখান

খাওয়ার আগে “বিসমিল্লাহ” বলা, ডান হাতে খাওয়া, অপচয় না করা এবং খাবার নিয়ে অভিযোগ না করার শিক্ষা দিন। অন্যের বাসায় গেলে খাবার নিয়ে সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকতে শেখান।

৪. সত্য কথা বলার অভ্যাস গড়ে তুলুন

মিথ্যা মানুষকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। সন্তান ভুল করলেও যেন সত্য কথা বলতে ভয় না পায়, এমন পরিবেশ তৈরি করুন।

৫. ধৈর্য ও ক্ষমার শিক্ষা দিন

জীবনে সবকিছু নিজের ইচ্ছামতো হবে না—এটা সন্তানকে বুঝান। রাগ নিয়ন্ত্রণ করা, অন্যকে ক্ষমা করা এবং ধৈর্য ধরার শিক্ষা দিন।

৬. পরনিন্দা ও অপমান থেকে দূরে থাকতে শেখান

কারো শারীরিক গঠন, পোশাক, গায়ের রং বা আর্থিক অবস্থা নিয়ে হাসাহাসি না করতে শেখান। কাউকে ছোট করা কখনো ভদ্রতার পরিচয় নয়।

৭. কৃতজ্ঞ হতে শেখান

সন্তানকে “ধন্যবাদ”, “জাযাকাল্লাহ খাইর” বলা শেখান। কেউ সামান্য উপকার করলেও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা একজন উত্তম মানুষের পরিচয়।

৮. গোপনীয়তা ও অনুমতির আদব শেখান

কারো রুমে ঢোকার আগে অনুমতি নেওয়া, অন্যের জিনিস ব্যবহার করার আগে জিজ্ঞেস করা—এসব ছোট ছোট বিষয়ই একজন মানুষের চরিত্র প্রকাশ করে।

৯. সময়ের মূল্য শেখান

সময় নষ্ট করা যেন অভ্যাস না হয়। নামাজ, পড়াশোনা, ঘুম ও দৈনন্দিন কাজের একটি সুন্দর রুটিন গড়ে তুলতে সাহায্য করুন।

১০. আল্লাহভীতি ও দ্বীনি শিক্ষা দিন

সন্তানকে শুধু দুনিয়াবী সফলতার জন্য নয়, আখিরাতের সফলতার জন্যও প্রস্তুত করুন। নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, দোয়া ও ভালো কাজের গুরুত্ব শেখান।

১১. মানুষের উপকার করতে শেখান

অসহায় মানুষকে সাহায্য করা, প্রাণীদের প্রতি দয়া করা এবং সমাজের জন্য ভালো কিছু করার মানসিকতা গড়ে তুলুন।

১২. বিনয়ী আচরণ শেখান

অহংকার মানুষকে ছোট করে দেয়। সন্তানকে শেখান—ভদ্রতা, নম্রতা ও সুন্দর ব্যবহার মানুষের হৃদয় জয় করে।
---
শেষ কথা
একজন সন্তানের সবচেয়ে বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো তার পরিবার। বাবা-মা নিজেরা যেমন আচরণ করবেন, সন্তানও সেটাই শিখবে। তাই শুধু মুখে উপদেশ নয়, নিজের জীবন দিয়েও সন্তানকে আদব-আখলাকের শিক্ষা দিতে হবে। কারণ সুন্দর চরিত্রই একজন মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ।

:

Address

Dhaka
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রব্বাতুল বাইত ربّة البيت posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share