Snazzy Stitch

Snazzy Stitch Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Snazzy Stitch, Clothing (Brand), Mirpur, Dhaka.

01/06/2025

Stock clearance sale ✅✅✅

Ready wear ✅⚡✨

Dress size : 38-44

01/06/2025

our signature collection ✨✨
Boom⚡⚡⚡

Send a message to learn more

01/06/2025

"Pakistani ready wear"

Signature collection 🌟🌟⭐

Dress size : 36-48✅✅✅

Dress long: 47"

Soft silk materials ☑️☑️☑️

আমাদের পেজে এখনো অর্ডার রানিং আছে। ইনসাইড ঢাকা এবং আউটসাইড ঢাকা আজকের মধ্যে অর্ডার করলে ড্রেস পেয়ে যাবেন। সম্পূর্ণ ক্যাশ অন ডেলিভারি।

Send a message to learn more

PAKISTA*NI  INSPIRED DRESS✅Stock clearance price: 1380/=🔥           KAMIJ: stripe cotta cotton with cotton inner stitch ...
29/04/2025

PAKISTA*NI INSPIRED DRESS✅

Stock clearance price: 1380/=🔥


KAMIJ: stripe cotta cotton with cotton inner stitch kamij with sequins embroidered and lacing cut worked✅

DRESS Available SIZE:

✅38,40,42,44,”✅

long:46” sleeves:21”

ORNA: giza muslin 2.5 mtr full size complete orna with standard digital printed✅✅✅

PANT: santon silk cotton 2.25 mtr stitch pant piece material.
Size :39 long ✅

COLOUR: * pesta colour ✅
* sky blue✅

PAKISTA*NI  INSPIRED DRESS✅           KAMIJ: stripe cotta cotton with cotton inner stitch kamij with sequins embroidered...
17/04/2025

PAKISTA*NI INSPIRED DRESS✅


KAMIJ: stripe cotta cotton with cotton inner stitch kamij with sequins embroidered and lacing cut worked✅

DRESS Available SIZE:

✅38,40,42,44,”✅

long:46” sleeves:21”

ORNA: giza muslin 2.5 mtr full size complete orna with standard digital printed✅✅✅

PANT: santon silk cotton 2.25 mtr stitch pant piece material.
Size :39 long ✅

COLOUR: * yellow ✅
* sky blue✅

💠 ফ্যাশন আর আরাম—দুইয়ের এক অসাধারণ সমন্বয় এখন Snazzy Stitch  এ!🌸 ২০২৫ সালের একদম নতুন, ট্রেন্ডি এবং চোখধাঁধানো ডিজাইনের ...
17/04/2025

💠 ফ্যাশন আর আরাম—দুইয়ের এক অসাধারণ সমন্বয় এখন Snazzy Stitch এ!
🌸 ২০২৫ সালের একদম নতুন, ট্রেন্ডি এবং চোখধাঁধানো ডিজাইনের প্রিমিয়াম থ্রি পিস কালেকশন চলে এসেছে আপনাদের জন্য।

🔹 শতভাগ প্রিমিয়াম কটন কাপড়
🔹 পুরো শরীরে আড়ীকাজ, স্ক্রিন প্রিন্ট ও সিকুয়েন্সের নিখুঁত কাজ
🔹 ফ্যাশনেবল ও আরামদায়ক — দৈনন্দিন কিংবা বিশেষ দিন, সব সময়েই মানানসই
🔹 বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে সম্পূর্ণ ফ্রি হোম ডেলিভারি
🔹 পছন্দ না হলে সাথেসাথেই রিটার্ন, ১০০% ক্যাশ অন ডেলিভারি

🛍️ আমাদের কোয়ালিটি আপনি যেকোনো নামী ব্র্যান্ডের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারেন। মানেই আমরা গ্যারান্টি দিচ্ছি!

📩 এখনই অর্ডার করতে “Message Now” বাটনে ক্লিক করুন!

সুন্দর ও পরিপাটি পোশাক একজন মানুষের রুচি ও ব্যক্তিত্বকে প্রকাশ করে। রুচিশীল ব্যক্তিরা সবসময় চায় তার পোশাকের সাজসজ্জা যেন...
12/04/2025

সুন্দর ও পরিপাটি পোশাক একজন মানুষের রুচি ও ব্যক্তিত্বকে প্রকাশ করে। রুচিশীল ব্যক্তিরা সবসময় চায় তার পোশাকের সাজসজ্জা যেন মানানসই হয়। এতে আত্মতৃপ্তি ও আত্মবিশ্বাস বাড়ে।

পোশাকের নান্দনিকতা বৃদ্ধির জন্য আমরা প্রত্যেকেই কাপড় ওয়াশের পর ইস্ত্রি করে থাকি। ইস্ত্রি করা পোশাক নিশ্চয় সৌন্দর্যে পরিপূর্ণতা আনে। কিন্তু আমরা অনেকেই মনে করি শুধুমাত্র বাহ্যিক সৌন্দর্যের জন্যই কাপড় ইস্ত্রি করা হয়। আসলে তা নয়, বরং কাপড়ের গুনগত মান ও স্থায়িত্ব ঠিক রাখতে এর গুরুত্ব রয়েছে।

টি-শার্ট, জার্সি সহ প্রতিটি পোশাক সময়ের সাথে সাথে তার আকৃতি হারাতে থাকে। ইস্ত্রি বা আয়রনিং কাপড়ের ফাইবারগুলোকে নরম ও কোমল করে ফেব্রিকের আসল গাঠনিক অবস্থান ফিরে আনে এবং স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করে।

আয়রন পোশাকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং মলিনতা কমায় । অবাঞ্ছিত ক্রিজ ও রিংকল (বিকৃতি ও ভাঁজ) দূর হয়, ফেব্রিকের দৃঢ়তা বৃদ্ধি করে এবং আবেদন বাড়িয়ে তোলে।

বেশিরভাগ পোশাক বিশেষ করে ওভেন ফেব্রিকে ওয়াশের পর কিছুটা অসমতা দেখা যায়। আয়রনের পর শিংক্রেজ (কোঁচকানো রেখা ও সংকোচন) দূর হয় এবং সমতা ফিরে আসে।

প্রকৃতপক্ষে, কাপড় থেকে অণুজীব নির্মূল করার জন্য ইস্ত্রি সবচেয়ে উপযোগী প্রক্রিয়া। ইস্ত্রি বা আয়রনিং জীবাণুকে তাপ দিয়ে সম্পূর্ণভাবে মেরে ফেলতে সক্ষম; বিশেষ করে ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাক। এতে পোশাকের হাইজিন নিশ্চিত হয়।

ব্যাকটেরিয়ার একটি প্রাকৃতিক উপজাত হল শরীরের গন্ধ। কাপড় ইস্ত্রির মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া যদি নির্মুল করা হয় তবে ঘাম ও ধুলাবালির কারনে দুর্গন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

সুতরাং দীর্ঘদিন নতুনের ভাব অটুট রাখতে ইস্ত্রি করে পোশাক পরুন। দেখতেও ভালো দেখাবে, কাপড়ও টিকবে অনেক দিন।

🌸 খাঁটি টাঙ্গাইল থ্রি পিস চেনার সহজ উপায়! 🌸টাঙ্গাইলের বিখ্যাত হ্যান্ডলুম থ্রি পিস কিনতে গিয়ে নকল পণ্য এড়াতে জেনে নিন ক...
08/04/2025

🌸 খাঁটি টাঙ্গাইল থ্রি পিস চেনার সহজ উপায়! 🌸

টাঙ্গাইলের বিখ্যাত হ্যান্ডলুম থ্রি পিস কিনতে গিয়ে নকল পণ্য এড়াতে জেনে নিন কিছু দরকারি টিপস!👇

✅ ম্যাটেরিয়াল ও বুনন: খাঁটি টাঙ্গাইল থ্রি পিস হাতে বোনা হয়, তাই এর বুনন ঘন ও নিখুঁত হয়।
✅ নকশা ও কারুকাজ: আসল থ্রি পিসে সূক্ষ্ম নকশা ও হাতে করা জরির কাজ থাকে, যা ইউনিক ও নিখুঁত হয়।
✅ রঙের গুণগত মান: অরিজিনাল টাঙ্গাইল কাপড়ের রঙ থাকে উজ্জ্বল, কিন্তু কৃত্রিম ঝলক থাকে না।
✅ বিলাসবহুল আরামদায়ক: খাঁটি কাপড় হালকা ও নরম হয়, যা গরমে আরামদায়ক।
✅ মূল্য ও পরিচয়: খাঁটি টাঙ্গাইল থ্রি পিসের দাম সাধারণত একটু বেশি হয় কারণ এটি সম্পূর্ণ হ্যান্ডমেড।

⚠️ নকল পণ্য থেকে সাবধান! কম দামে আকর্ষণীয় ডিজাইন দেখে প্রতারিত হবেন না।

গায়ের রঙের সাথে মিলিয়ে পোশাক নির্বাচন করুনআমাদের সবার গায়ের রং এক রকম নয়। কারো ফর্সা, কারো কালো, কারো তামাটে বা কারো শ্য...
07/04/2025

গায়ের রঙের সাথে মিলিয়ে পোশাক নির্বাচন করুন
আমাদের সবার গায়ের রং এক রকম নয়। কারো ফর্সা, কারো কালো, কারো তামাটে বা কারো শ্যামলা। কেউ হয়তো চিকন আবার কেউ বা মোটা। কিছু কিছু রং আমাদের সবাইকে মানিয়ে যায়। আবার কিছু কিছু রং গায়ের রঙের সাথে একটু মিলিয়ে পরতে হয়। ফর্সা মেয়েটিকে যে কোন ড্রেসেই সুন্দর দেখায়, সবকিছুই যেন মানিয়ে যায় যাদের গায়ের রং ফর্সা। আর কালো মেয়েদের কোন রঙেই ভালো লাগে না। কালো গায়ের রং হলে সব রঙের পোশাক পরা যাবে না। এমন কথাই প্রচলিত আমাদের দেশে। আসলেই কি তাই! না, একদমই না। চাপা রঙের মেয়েদের বা যাদের গায়ের রং তুলনামুলকভাবে একটু কালো তাদের ফ্যাশন, সাজসজ্জা অন্যরকম হবে এমনটা ভাবা উচিত না, কটকটা লাল বা হলদেটে যে শুধু ফর্সা মেয়েদেরই মানাবে এরকমও ভেবে নেয়া উচিত না। যারা চিকন তাদের সব রং মানিয়ে যাবে বা সব ডিজাইন পরতে পারবে, তাও নয়। ঠিক যারা কিছুটা মোটা ধাঁচের তারাও সব কিছুই পরতে পারে, শুধু একটু সাজিয়ে গুছিয়ে পরতে হবে।
গায়ের রং যখন ফর্সা
সবার ধারণা গায়ের রং যদি উজ্জ্বল হয়, সব রং-ই পরা যায়, জামার ডিজাইন যেমন-ই হোক না কেন। বাস্তবে ব্যাপারটি কিছুটা ভিন্ন। ব্যক্তিভেদে পোশাকের রং নির্বাচন করা উচিত। ফর্সা রঙের মেয়েদের গাঢ় রঙের চেয়ে হালকা রঙে বেশি মার্জিত লাগে। ফর্সারও ধরণ আছে। সাদা ফর্সা, গোলাপি ফর্সা, হলদে ফর্সা। সাদা ফর্সাদের হালকা রঙের পোশাকে বেশি ভালো লাগে। গাঢ় হালকার মিশ্রণেও ভালো মানায়। গোলাপি বা লালচে ফর্সাদের মাঝামাঝি গাঢ় রং কিংবা হালকা- দুটোই মানায়। হলদে ফর্সাদের মোটামুটি সব রং-ই মানিয়ে যায়।
গায়ের রং যখন শ্যামলা
যেকোন রং নির্বাচন করার আগে আয়নায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখে নিন, আপনাকে মানাচ্ছে কিনা। এমন রং নির্বাচন করা উচিত যাতে আপনাকে উজ্জ্বল দেখাবে। শ্যামলা রঙের মেয়েদের জন্যে বাসন্তি, হলুদ, ডিমের কুসুম হলুদ, হালকা কমলা, মেরুন, সাদার সাথে লালের কম্বিনেশন, হালকা সবুজ-এই রঙগুলো সহজেই মানিয়ে যায় আর উজ্জ্বল লাগে। কালচে বেগুনি অর্থাৎ ঘন গাঢ় বেগুনি, নীল, গাঢ় ঘন কালচে সবুজ ইত্যাদি রং পরলে গায়ের রং আরও ডার্ক মনে হতে পারে। তবে কালচে নেভি ব্লু তে শ্যামলাদের ভালো লাগে।
গায়ের রং যখন কালো
গায়ের রং একটু কালোর দিকে হলে অনেকেই পোশাকের রং নির্বাচনের ক্ষেত্রে অনেক ঝামেলায় পড়েন। হয়তো ভাবেন কোন রং-ই মানাচ্ছে না। আসলে ব্যাপারটা তা নয়। যেকোন রং-ই আপনি পরতে পারেন, তবে পরার আগে আয়নায় পোশাকটি গায়ের উপর ধরে একটু দেখে নিন, আপনাকে কেমন মানাচ্ছে। গায়ের রং কালো হলেও চেহারা আকর্ষণীয় আর একটু চিকন ধাঁচের হলে যেকোন পোশাকেই আকর্ষণীয় লাগে। যদি ডার্ক রঙের পোশাক পরতে চান তবে সাজসজ্জা টা একটু হালকা করতে হবে, কম গয়না পরতে হবে। ওড়না যদি রংচঙে হয়, জামাটা হালকা রঙের হতে পারে। এভাবে নিজের মতো করে মিলিয়ে নিতে হবে। যেকোনো রং-ই বুঝে পরা যেতে পারে। তবে খুব চোখে লাগে এমন কোনো রং ব্যবহার না করাই ভালো। কটকটা লাল রং টা সাধারণত দৃষ্টিকটু লাগে।
গড়ন যদি হয় চিকন
একটু ভারী কাপড়ের ফোলা কাপড় পরতে হবে। গায়ে লেগে থাকে এমন কাপড়ের সালোয়ার-কামিজ পরবেন না। শাড়ির ক্ষেত্রেও এমন শাড়ি পরবেন যা একটু ফুলে ফেঁপে থাকে। ভারী কাজের, গাঢ় রঙের- সবই তারা পরতে পারেন, এতে স্বাস’্য একটু ভালো দেখাবে। ছাপার পোশাকের ক্ষেত্রে বড় বড় ছাপার ড্রেস নির্বাচন করুন। কিন’ কখনই গায়ে লেগে থাকে এমন পোশাক পরবেন না,এতে আরও রোগা দেখাবে।
মাঝারি গড়ন যাদের
মাঝারিরা সব ধরনের পরতে পারলেও, এমন সালোয়ার-কামিজ পরবেন না যা বেশি ফুলে থাকে। এতে করে খানিকটা মোটা লাগতে পারে। শাড়ির ক্ষেত্রে বেশি ফুলে থাকে এমন শাড়ি, যেমন – টিস্যু বা মসলিন পরলে স্বাস’্য ভারী মনে হবে। তারা মোটামুটি সব কাজের সব প্রিন্টের শাড়িই পরতে পারেন।
গড়ন মোটার দিকে হলে
ফুলে থাকে এমন মচমচে কাপড়ের সালোয়ার-কামিজ পরবেন না। শাড়ির ক্ষেত্রে গোলগাল মেয়েরা অবশ্যই ফুলে থাকে এমন শাড়ি কিংবা খুব ভারী কাজের যেসব শাড়ির পুরো জমিনে কাজ ভর্তি – এমন শাড়ি পরবেন না। এতে আরও মোটা দেখাবে। মোটা গড়নের মেয়েরা শরীরের সাথে লেগে থাকে এমন শাড়ি নির্বাচন করবেন। বেশি গাঢ় রঙের শাড়ি পরলেও মোটা লাগবে। ভারী জরি পাড় ধরনের শাড়িতেও মোটা লাগবে। কাতান পরলে শুধু পাড়-আঁচলে কাজ করা বা মাঝে হালকা ছিট ছিট কাজ করা শাড়ি পরুন। সিফন হলে কিছুটা ভারী কাজের পরতে পারেন। কেননা এ শাড়িগুলো শরীরে লেগে থাকে। টিস্যু, মসলিন, ফুলে থাকা শাড়ি মোটেই পরবেন না। প্রিন্টের শাড়ি যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন। মোট কথা নিজেকে বেশি মোটা লাগে- এমন শাড়ি কখনো পরা উচিত নয়।
উচ্চতা অনুযায়ী
আপনার উচ্চতা কম হলে সালোয়ার বা প্যান্ট খুব বেশি ঢোলা পরবেন না, তাতে আরও খাটো দেখাবে। টাইটস, লেংগিস বা জেংগিস পরতে পারেন কামিজের সাথে।
উচ্চতা কম হলে পশ্চিমা পোশাক পরতে হয় খুব সাবধানে। একেবারে ছোট টপস, গেঞ্জি, শার্ট পরবেন না। মাঝারি ঝুলের ফতুয়া, গেঞ্জি, টপস ইত্যাদি পরুন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় প্রিন্টের পোশাক পরবেন না। লম্বালম্বি সরু স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নিন।
লম্বা যারা তারা একটু খাটো পোশাক পরতে পারেন। একেবারে লং না পরে সেমি লং পোশাক পরতে পারেন। আড়াআড়ি স্ট্রাইপ বা বড় জংলী প্রিন্টের পোশাক বেছে নিন।
কিছু টিপস
১. আপানার গায়ের রং, উচ্চতা, ওজন সবকিছুর সাথে মিলিয়েই পোশাক নির্বাচন করুন।
২. অনেকের থাই মোটা থাকতে পারে, সেক্ষেত্রে টাইট সালোয়ার না পরে, সেমি ফিট বা ঢোলা সালোয়ার পরা উচিত। তাদের লেগিংস এড়িয়ে চলাই ভালো।
৩. অনেকের হাত শুধু মোটা থাকতে পারে, সেক্ষেত্রে ছোট হাতার পোশাক না পরে কোয়ার্টার বা লং হাতার পোশাক পরা উচিত।
৪. মোটা হলে শাড়িতে কুচি একটু কম দিতে হবে, আঁচল বড় রাখতে হবে। চিকন হলে কুচি বেশি দিতে হবে।
৫. ব্লাউজ এর ক্ষেত্রে যারা মোটা,তারা ছোট প্রিন্টের বা চেকের স্ট্রেইট কাটের থ্রিকোয়ার্টার ব্লাউজ পরতে পারেন।
৬. যাদের কাঁধ চওড়া তারা ভি শেপ এর গলা দিতে পারেন। এতে চওড়া কম দেখাবে।
এভাবে আপনার গড়ন, গায়ের রং, ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী পোশাক নির্বাচন করুন এবং আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠুন।

জামা কাপড় চেনার কিছু টিপস ঃ-➡️ Snazzy Stitch বিভিন্ন ধরনের কাপড় চিনবেন কী করে, তার কিছু সহজ পদ্ধতি এখানে তুলে ধরা হল। ...
04/04/2025

জামা কাপড় চেনার কিছু টিপস ঃ-

➡️ Snazzy Stitch

বিভিন্ন ধরনের কাপড় চিনবেন কী করে, তার কিছু সহজ পদ্ধতি এখানে তুলে ধরা হল। এগুলি জানা থাকলে জামা কাপড় কিনতে গিয়ে আপনার ঠকার ভয় থাকবে না।

তসর, গরদ চিনবেন কি করে?
তসর, গরদ বা সিল্ক কেনার সময় কাপড় থেকে একটু সুতা বের করে পুড়িয়ে নিন। পোড়ানোর পর কাপড় থেকে যদি রেশম পোকার পোড়া পোড়া গন্ধ বের হয় এবং সুতা পুড়ে ছাই হয়ে যায়, তখনই বুঝবেন শাড়িটি আসলেই রেশম সুতায় তৈরি গরদ, তসর বা কাতান। অন্যদিকে, পলিয়েস্টার সুতা পোড়ালে কোনও গন্ধ তো বেরই হবে না, বরং তা চুইংগামের মতো আটকে যাবে হাতে।

কাপড়ের রঙ পাকা কি করে বুঝবেন?

চোখে দেখেই আপনি বুঝতে পারবেন কাপড়ের রঙ পাকা কি না। কাপড়ের রঙ পাকা না হলে রঙটি স্বাভাবিক রঙের তুলনায় অনেক বেশি উজ্জ্বল দেখাবে। এক্ষেত্রে আপনি একই রঙের দুটি কাপড় পাশাপাশি রেখে যাচাই করতে পারেন। যে রঙটি দেখবেন কৃত্রিমভাবে উজ্জ্বল দেখাচ্ছে বুঝবেন সেটির রঙের আয়ু বেশি দিনের নয়।

কাপড়ের রঙ উঠবে কি না সেটা বোঝার জন্য কাপড়ের এক কোণা একটু সাবান জলে ভিজিয়ে নিতে পারেন। তারপর কয়েক মিনিট রেখে হাত দিয়ে কচলে দেখুন। যদি রঙ ওঠে তাহলে বুঝবেন ঠকেছেন।

কাপড়ের খানিকটা অংশ ভিজিয়ে নিন, তারপর ওপরে একটি সুতি কাপড় রেখে ইস্ত্রি করুন। সুতি কাপড়টি যদি সাদাই থাকে, তাহলে আপনার কাপড়ের রঙ পাকা। নাহলে আপনি ঠকেছেন।

রঙ পাকা না হলে কী করবেন?

কাপড়ের রঙ পাকা না হওয়ার অর্থ এই কাপড়টি টেকসই না। কিছুদিন পর এটি ফেড হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে দোকানে এই কাপড় ফেরত নিয়ে যাওয়াই ভাল। যেহেতু সম্পূর্ণ কাপড়টি ধোয়া হয়নি, তাই ফেরত দিতে অসুবিধা হবে না।

খারাপ ফেব্রিকে রঙ ভাল করে বসে না, খারাপ রঙও এর জন্য দায়ি। বিষয় যাই হোক না কেন, পোশাকটি পরার কথা ভাববেন না।

কাপড় থেকে যে রঙ উঠে উঠে আসে, সেটা হতে পারে আপনার ত্বকের ক্যান্সারের কারণও! তাই সাবধান।

ব্র্যান্ডেড পোশাক চিনবেন কি করে?

ব্র্যান্ডেড পোশাকের পরিচয় তার ট্যাগ। ট্যাগ লাগানোর জায়গা দেখেই বুঝে নিতে পারেন এটা আসল কি না।

প্রত্যেক নামী কোম্পানির ট্যাগ লাগানোর একটা বিশেষ জায়গা আর নকশা থাকে। যা দেখে সহজেই চিনতে পারা যায়।

কোনও ব্র্যান্ডেড পোশাক কেনার আগে সঠিক দোকান বেছে নেওয়াটা জরুরি।

যখনই পোশাক কিনবেন, তা অবশ্যই পরে দেখবেন। কারণ ব্র্যান্ডেড পোশাকের ফিটিংস অন্য পোশাকের থেকে ভাল হয়।

কোনও ব্র্যান্ডেড পোশাকের জাত চেনা যায় তার কোয়ালিটি দেখে। কারণ ব্র্যান্ডেড পোশাকের কাপড় অন্য কাপড়ের তুলনায় অনেক মোলায়েম হয়।

ব্র্যান্ডেড পোশাকের লিনিং যথেষ্ট ভাল হয়। অর্থাত্‍ পোশাকের ভিতরের কাপড় ভাল কোয়ালিটির হয়। যেমন, কোনও কোটের ভিতরের কাপড় বা জিন্সের পকেটের কাপড়। এর সেলাইও যথেষ্ট ভাল হয়।

ব্র্যান্ডেড পোশাকের অ্যাসেসরিজের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। যেমন, কোনও জিন্স বা শার্ট কিনতে গেলে জিপার, বোতাম কেমন তা খেয়াল রাখা দরকার। ব্র্যান্ডেড কাপড়ে এই অ্যাসেসরিজগুলোর কোয়ালিটি যথেষ্ট ভাল হয়।

ব্র্যান্ডেড পোশাক চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হল তার সেলাই। পোশাকের সব জায়গায় সেলাই মজবুত হবে।

জামদানি শাড়ি চিনবেন কি করে?

জামদানী শাড়ি সম্পূর্ণ হাতে তৈরি রেশম ও তুলোর সুতোর সংমিশ্রণে প্রস্তুত এক ধরনের শাড়ি, যা মোঘল আমল থেকে সর্বজন সমাদৃত। জামদানী শাড়ীর ডিজাইন গুলো জ্যামিতিক, ওজনে হাল্কা এবং আরামদায়ক হয়। জামদানী শাড়ি ব্যবহৃত সুতোর উপর ভিত্তি করে 2 প্রকারের:
1. হাফ সিল্ক ও 2. ফুল সুতি (কটন)

হাফ সিল্ক জামদানীতে-আড়াআড়ি সুতোগুলো রেশমের হয় এবং লম্বালম্বি সুতোগুলো তুলোর হয়।
ফুল সুতি জামদানীতে-সব সুতোই তুলোর হয়।
============

সংগ্রহ- Dailyhunt

আমিন💝
04/04/2025

আমিন💝

Address

Mirpur
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Snazzy Stitch posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share