30/08/2026
পটুয়াখালীর দশমিনায় দুই বছর বয়সী শিশু সন্তানকে এক ব্যক্তির কাছে লাখ টাকায় বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাবা মো. মারুফ মুন্সির বিরুদ্ধে। তবে শিশুটিকে বিক্রির বিনিময়ে টাকা নেওয়া এবং সেই টাকা দিয়ে আইফোন কেনার বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
অভিযুক্ত মারুফ মুন্সি উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের বড় গোপালদী গ্রামের মফিজ মুন্সির ছেলে। তিনি পেশায় কাঠমিস্ত্রি।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে ঢাকার সাভারের বৃষ্টি নামে এক তরুণীকে বিয়ে করেন মারুফ। বিয়ের প্রায় আড়াই বছর পর তাদের একটি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। সম্প্রতি দাম্পত্য কলহের জেরে প্রায় এক মাস আগে বৃষ্টি শিশুটিকে রেখে বাবার বাড়ি চলে যান। এরপর মারুফও শিশু মুসাকে তার দাদির কাছে রেখে ঢাকায় চলে যান।
শিশুটির দাদি মাহফুজা জানান, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় মারুফ বাড়িতে ফেরেন। পরদিন শনিবার সকালে মুসাকে বাজারে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। যাওয়ার আগে শিশুটিকে সাজিয়ে দিতে তার মাকে অনুরোধ করেন তিনি। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও বাবা-ছেলে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরে মারুফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরিবারের সদস্যদের জানান, উপজেলার আলীপুরা ইউনিয়নের রমানাথসেন গ্রামের ইমরান নামের এক ব্যক্তির কাছে মুসাকে এক লাখ টাকায় দিয়ে দিয়েছেন। ওই টাকা দিয়ে তিনি আইফোন কিনেছেন বলেও পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি।
অন্যদিকে, শিশুটিকে নিজের কাছে নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন ইমরান। তার দাবি, তার শ্বশুরের পাঁচ মেয়ে থাকলেও কোনো ছেলে সন্তান নেই। এ কারণে লিখিতভাবে মারুফের কাছ থেকে শিশুটিকে নেওয়া হয়েছে।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, মারুফ ও ইমরান একই সঙ্গে কাজ করেন। সেই পরিচয়ের সূত্রে শিশুটিকে ইমরানের কাছে দেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে টাকা লেনদেনের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ওসি আরও জানান, শিশুটি বর্তমানে গলাচিপা উপজেলার চরকাজল এলাকায় রয়েছে। তাকে উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শিশুটিকে দেওয়ার বিনিময়ে পাওয়া টাকা দিয়ে আইফোন কেনার বিষয়টিও এখনো নিশ্চিত নয় বলে জানান তিনি।পটুয়াখালীর দশমিনায় দুই বছর বয়সী শিশু সন্তানকে এক ব্যক্তির কাছে লাখ টাকায় বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাবা মো. মারুফ মুন্সির বিরুদ্ধে। তবে শিশুটিকে বিক্রির বিনিময়ে টাকা নেওয়া এবং সেই টাকা দিয়ে আইফোন কেনার বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
অভিযুক্ত মারুফ মুন্সি উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের বড় গোপালদী গ্রামের মফিজ মুন্সির ছেলে। তিনি পেশায় কাঠমিস্ত্রি।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে ঢাকার সাভারের বৃষ্টি নামে এক তরুণীকে বিয়ে করেন মারুফ। বিয়ের প্রায় আড়াই বছর পর তাদের একটি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। সম্প্রতি দাম্পত্য কলহের জেরে প্রায় এক মাস আগে বৃষ্টি শিশুটিকে রেখে বাবার বাড়ি চলে যান। এরপর মারুফও শিশু মুসাকে তার দাদির কাছে রেখে ঢাকায় চলে যান।
শিশুটির দাদি মাহফুজা জানান, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় মারুফ বাড়িতে ফেরেন। পরদিন শনিবার সকালে মুসাকে বাজারে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। যাওয়ার আগে শিশুটিকে সাজিয়ে দিতে তার মাকে অনুরোধ করেন তিনি। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও বাবা-ছেলে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরে মারুফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরিবারের সদস্যদের জানান, উপজেলার আলীপুরা ইউনিয়নের রমানাথসেন গ্রামের ইমরান নামের এক ব্যক্তির কাছে মুসাকে এক লাখ টাকায় দিয়ে দিয়েছেন। ওই টাকা দিয়ে তিনি আইফোন কিনেছেন বলেও পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি।
অন্যদিকে, শিশুটিকে নিজের কাছে নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন ইমরান। তার দাবি, তার শ্বশুরের পাঁচ মেয়ে থাকলেও কোনো ছেলে সন্তান নেই। এ কারণে লিখিতভাবে মারুফের কাছ থেকে শিশুটিকে নেওয়া হয়েছে।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, মারুফ ও ইমরান একই সঙ্গে কাজ করেন। সেই পরিচয়ের সূত্রে শিশুটিকে ইমরানের কাছে দেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে টাকা লেনদেনের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ওসি আরও জানান, শিশুটি বর্তমানে গলাচিপা উপজেলার চরকাজল এলাকায় রয়েছে। তাকে উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শিশুটিকে দেওয়ার বিনিময়ে পাওয়া টাকা দিয়ে আইফোন কেনার বিষয়টিও এখনো নিশ্চিত নয় বলে জানান তিনি।
**সূত্র: সময়ের কণ্ঠস্বর**