Mothering By Arina

Mothering By Arina Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mothering By Arina, Maternity & Nursing Clothing Store, Dhaka.

ছেলে নবজাতকের সাধারণ কিছু সমস্যানবজাতক মেয়ে হোক বা ছেলে, জন্মের পরে কিছু সাধারণ সমস্যায় তারা ভোগে যা বেশিরভাগ সময়ই আপনা...
09/07/2026

ছেলে নবজাতকের সাধারণ কিছু সমস্যা

নবজাতক মেয়ে হোক বা ছেলে, জন্মের পরে কিছু সাধারণ সমস্যায় তারা ভোগে যা বেশিরভাগ সময়ই আপনা আপনি ঠিক হয়ে যায়। আর যদি সমস্যা প্রলম্বিত হয় লক্ষণ মারাত্মক হলে শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হবে। আজকাল আগেই চিকিৎসকরা বাবা মাকে নবজাতকের সমস্যা থাকলে আল্ট্রাসাউন্ড রিপোর্ট দেখে অবগত করে দেন। আজকে আমরা ছেলে নবজাতকের জন্মের পর কিছু সাধারণ সমস্যা নিয়ে আলোচনা করবো ।

# অন্ডকোষের ফোলাভাব (Hydrocele) : মায়ের হরমোনের কারনে অথবা অন্ডকোষের ভেতর পানি জমে থাকে। এই অবস্থাকে Hydrocele বলে। এই অবস্থা সচরাচর একবছরে ঠিক হয়ে যায়।

# অন্ডকোষ নেমে না আসা:
জন্মের সময় শিশুর অন্ডকোষ অন্ডথলিতেনা থেকে পেটে বা কুচকিতে লুকিয়ে থাকে। সাধারণত ৬মাসের মধ্যে এটি স্বাভাবিক ভাবে নেমে না এলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।

#হাইপোসপিডিয়াস(Hypospadias): এটি জন্মগত ত্রুটি, যেখানে প্রস্তাবের রাস্তা পুরুষাংগের ডগায় না থেকে নিচের দিকে থাকে। ফলে বাচ্চার প্রস্তাব করার সময় সমস্যা হতে পারে এবং চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

# ফিমোসিস(Phimosis) : বাচ্চার লিংগের সামনের চামড়া (fo****in) যদি খুব বেশি শক্ত থাকে এবং পেছনের দিকে না সরানো যায় তবে এই অবস্থাকে ফিমোসিস বলে। এর কারনে প্রস্তাবের সময় ব্যথা বা ইনফেকশন হতে পারে।

নবজাতকের পুরুষাংগ মাঝে মাঝে শক্ত হয়ে থাকে।মূত্রথলিতে চাপ বা ডায়পারের ঘর্ষনের কারনে এমন রিফ্লেক্স হতে পারে।
কোন কারনে বাচ্চা প্রস্তাবের সময় কান্না করলে অথবা লিংগ ফুলে লাল হয়ে গেলে ডাক্তারের পরামর্শ জরুরী।

নবজাতকের যেকোন সমস্যা বাবা মাকে বিচলিত করবে এটা স্বাভাবিক। মাথা ঠান্ডা রেখে ডাক্তারের পরামর্শ নিলে এই ব্যাপার গুলো মোকাবিলা করা সহজ হয়।
আমাদের পেজের সাথে থাকুন, আপনাদের মূল্যবান পরামর্শ সবসময়ই আমাদের কাম্য।

নবজাতক কন্যা শিশুর কিছু সাধারণ সমস্যা একটি নবজাতক বাবা মায়ের জন্য বিস্ময়ের বস্তূ। প্রথম বার বাবা মা হওয়া যে ধরনের উত্তেজ...
08/07/2026

নবজাতক কন্যা শিশুর কিছু সাধারণ সমস্যা

একটি নবজাতক বাবা মায়ের জন্য বিস্ময়ের বস্তূ। প্রথম বার বাবা মা হওয়া যে ধরনের উত্তেজনা নিয়ে আসে, নবজাতকের কিছু সমস্যা বাবা মাকে ততটাই চিন্তায় ফেলে দেয়। কন্যা শিশুর কিছু সমস্যা জন্মের প্রথম কিছুদিন থাকে তাও ৫শতাংশে হতে পারে যেটা প্রাকৃতিক, ভয়ের কিছুই না। এই ব্যাপার গুলো অজানা থাকে তাই চিন্তার খোরাক হয়। আজ আমরা নবজাতক কন্যা শিশুর কিছু সমস্যার কথা আলোচনা করবো।

১- জন্মের পর মাসিক- জন্মের পর নবজাতক কন্যার ডায়পারে হালকা রক্ত দেখতে পেলে ভয় পাবার কিছু নাই। ৫ শতাংশ ক্ষেত্রে এই ঘটনা লক্ষনীয়। বাচ্চারা মায়ের পেটে থাকাকালীন বিভিন্ন হরমোনের সংস্পর্শে আসে। এই ক্ষেত্রে জন্মের পর ইস্ট্রোজেন হরমোন বাচ্চার শরীরে কমে গেলে কিছু ক্ষেত্রে তা মাসিক ঘটায় । কিছুদিন পরে " নকল মাসিক " এমনিতেই চলে যায়। বিশেষ ক্ষেত্রে ডাক্তার দেখাতে হতে পারে।

২- ওজন কম থাকা- জন্মের পর মেয়ে নবজাতকের ওজন ছেলে নবজাতকের চেয়ে কম হয়। জন্মের সময় ছেলে নবজাতকের ওজন গড়ে ৭পাউন্ড ১০আউন্স হয়। আর মেয়েদের ওজন হয় গড়ে ৭পাউন্ড ২আউন্স হয়। পার্থক্য টা খুব সামান্য তবে এটাই প্রাকৃতিক।

৩- কন্যা শিশুর মস্তিষ্ক প্রতিসম হয়- মানুষের মস্তিষ্ক দুই সমান ভাগে বিভক্ত । মস্তিষ্কের ডান ও বাম অংশের মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য আছে। আর এদের কাজ ও আলাদা। জন্মের সময় ছেলে শিশুদের মস্তিষ্ক কিছুটা তুলনামূলক অপ্রতিসম হয়। আর মেয়ে শিশুদের মস্তিষ্ক তুলনামূলক কিছুটা প্রতিসম হয়। এক্ষেত্রে মেয়েদের মস্তিষ্কের গ্রে ম্যাটার ছেলেদের তুলনায় বেশি থাকে। এই গ্রে ম্যাটার মানুষের স্মৃতিশক্তি, চিন্তা, আবেগ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ইন্দ্রিয়জনিত তথ্য প্রক্রিয়াকরনে ভাল ভুমিকা রাখে।

৪- চুল ঝরে যাওয়া- মাতৃগর্ভে থাকাকালীন কন্যা শিশুরা মায়ের হরমোনের সংস্পর্শে আসে। জন্মের পর ঐ হরমোনের কম বেশির প্রভাবে বিশেষ করে ইস্ট্রোজেন হরমোন কমে যাওয়ার কারণে সাময়িক চুল পরার সমস্যা হয়। জন্মের একমাসে এ প্রভাব নরমাল হয়ে যায়। যদিও বেশির ভাগ শিশুর মাথা ন্যাড়া করে দেয়া হয় তাই ব্যাপার টা চোখে পরেনা। এই বিষয়টা স্বাভাবিক। ভয়ের কিছুই না।

আজকে কন্যা নবজাতক নিয়ে আমাদের যে গবেষণা সেটা শেয়ার করলাম। আপনাদের যদি আরো কিছু শেয়ার করতে ইচ্ছা করে দয়া করে জানাবেন। আপনাদের অভিজ্ঞতা আমরা তুলে ধরতে আগ্রহী। আমাদের পেজের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ।

🤍 Printed Maternity Long Flair Maxi 🤍মাতৃত্বের প্রতিটি মুহূর্ত হোক আরামদায়ক, আত্মবিশ্বাসী আর স্টাইলিশ। 🌸আমাদের Printed ...
06/07/2026

🤍 Printed Maternity Long Flair Maxi 🤍

মাতৃত্বের প্রতিটি মুহূর্ত হোক আরামদায়ক, আত্মবিশ্বাসী আর স্টাইলিশ। 🌸

আমাদের Printed Maternity Long Flair Maxi-তে রয়েছে নরম ও আরামদায়ক ফেব্রিক, সুন্দর প্রিন্ট এবং ঢিলেঢালা লং ফ্লেয়ার ডিজাইন, যা বেবি বাম্পের সাথে মানিয়ে আরামদায়ক ফিট নিশ্চিত করে।

✨ স্টাইলিশ প্রিন্টেড ডিজাইন
✨ আরামদায়ক লং ফ্লেয়ার ফিট
✨ গর্ভাবস্থার জন্য উপযোগী
✨ দৈনন্দিন ব্যবহার ও বিশেষ মুহূর্তের জন্য পারফেক্ট

মাতৃত্বের সৌন্দর্যকে আরও বিশেষ করে তুলতে আজই অর্ডার করুন। 💕

যারা বিগত এক দশকে বাবা মা হয়েছেন কিংবা সামনে নতুন বাবা মা হতে যাচ্ছেন তারা সবাই একটা কথা স্বীকার করবেন যে এই জেনারেশনের...
30/06/2026

যারা বিগত এক দশকে বাবা মা হয়েছেন কিংবা সামনে নতুন বাবা মা হতে যাচ্ছেন তারা সবাই একটা কথা স্বীকার করবেন যে এই জেনারেশনের বাচ্চাদের বাবা মা হওয়া এক কঠিন পরীক্ষা। পৃথিবীর সবচে কঠিন জিনিস হলো ভাল অভিভাবক হওয়া। এই কথা সকল যুগের জন্য সত্য। তবে বর্তমান যুগে এ যেন অগ্নীপরীক্ষা। আগের যুগের বাবা মায়েদের সন্তানের নৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিয়ে চিন্তা করতে হতো। শিল্পযুগের বাবা মায়েরা টিভি, ভিডিও গেমস ইত্যাদি নিয়ে ভাবলেও অনেক কিছুর নিয়ন্ত্রণ তাদের কাছেই ছিল। দিন দিন যত টেকনোলজি সহজলভ্য হচ্ছে মানবজীবন তত অস্থির হচ্ছে। স্থিরতা, ধৈর্য্য, অনুশাসন এসব মূল্যবোধ হারিয়ে যাচ্ছে। এখন বাচ্চাদের ভাল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার আগে যুদ্ধ করতে হয় smart technology এর সাথে। online games, smart phone ইত্যাদি গ্যাজেটে বাচ্চারা এখন অন্য রকম এক জগতে বাস করে যার সাথে কোন যুগের মানুষের কোন পরিচিতি নেই। এ যুগের বাবা মাকে অজানা এক যুদ্ধ করতে হচ্ছে বাচ্চাদের মানুষ করার জন্য। আমরা বুঝতেই পারিনা কি করলে এই অদৃশ্য আসক্তি থেকে আমরা মুক্তি পাব।

নিজের সংযমবোধ

প্রথমেই বাবা মাকে বুঝতে হবে ভাল অভ্যাস আগে নিজেদের গড়তে হবে। নিজেরা সংযমী না হলে বাচ্চারা ও কিছুই শিখবেনা । প্রথম নিতান্তই প্রয়োজন ছাড়া ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে বাসায় আসার সাথেই। এর বিকল্প হতে পারে বই পড়া, গান শোনা, বাগান করা, নতুন কোন রান্না শেখা বা এমন কোন ক্রিয়েটিভ কাজ করা যা বাচ্চারা দেখে অনুপ্রাণিত হবে। বাবা মা যখনই বাসায় থাকবে কোন খেলনা বা ড্রইং নিয়ে বাচ্চাদের সাথে সময় কাটাতে পারেন। আজকাল বাজারে play dough পাওয়া যায়। চাইলে play dough দিয়ে অনেক কিছু হাতে গড়া যায়। এসবের জন্য বাবা মাকে অনেক ধৈর্য ধরে অন্তত একমাস এই অভ্যাসে আসতে হবে, তাহলে বাবা মায়েদের smart phone আসক্তি অনেকাংশেই কমবে।

বাগান করা/প্রানী পোষা

প্রকৃতির দিকে ফিরে আসা আমাদের সকলের উচিত। শহরের সবাই ছাদে অথবা বারান্দায় বাগান করতে পারেন। এতে স্ক্রিন আসক্তি কমবে , বাগান পরিচর্যা বাচ্চাদের জন্য অনুকরণীয় অভ্যাস হবে।
ছোট মাছের অ্যাকুয়ারিয়াম ও আরেকটি অনুকরণীয় শখ । বড় পরিসরে না হলেও ছোট ফিশ বোলে এক দুই টা মাছ পালার অভ্যাস করা যায়।
আবার চাইলে সুযোগ থাকলে ছাদবাগানের পাশে অথবা বারান্দায় ছোট ছোট পাখি পালন ও শখ ও ফোন নিরাসক্তি দুই পূরন করবে।

একটু ইচ্ছাশক্তি অনেক কিছুই করতে পারে। ফোন বা অন্য গ্যাজেট আসক্তি অনেকাংশেই কমবে যদি কিছু ভাল অভ্যাস অভিভাবক ও সন্তান সবাই একসাথে গড়ে তোলেন।
এই বিষয়ে আপনাদের মতামত জানাবেন আমাদের। আর ও লেখা আগামীতে থাকবে এই বিষয়ে। আমাদের পেইজের সাথে থাকুন।

Greetings to our lovely clients . We are happy to announce that we are now available in Gulshan 1 Unimart. Please visit ...
25/06/2026

Greetings to our lovely clients . We are happy to announce that we are now available in Gulshan 1 Unimart. Please visit us.

আরামদায়ক ঘুমের জন্য স্টাইলিশ নাইট ওয়্যার কাফতান।নরম ও হালকা কাপড়ে তৈরি, যা আপনাকে দেবে সারারাত আরাম।✔ সফট ফেব্রিক✔ ফ্...
22/06/2026

আরামদায়ক ঘুমের জন্য স্টাইলিশ নাইট ওয়্যার কাফতান।
নরম ও হালকা কাপড়ে তৈরি, যা আপনাকে দেবে সারারাত আরাম।
✔ সফট ফেব্রিক
✔ ফ্রি সাইজ
✔ আরামদায়ক ফিট

বিসিজি (যক্ষ্মা) এবং ওপিভি (পোলিও)বিসিজি (BCG) এবং ওপিভি (OPV) হলো শিশুদের টিকাদান কর্মসূচির (EPI) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ...
20/06/2026

বিসিজি (যক্ষ্মা) এবং ওপিভি (পোলিও)

বিসিজি (BCG) এবং ওপিভি (OPV) হলো শিশুদের টিকাদান কর্মসূচির (EPI) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি জীবন রক্ষাকারী টিকা।
*বিসিজি (BCG): এটি যক্ষ্মা (TB) রোগ প্রতিরোধের টিকা। শিশুদের জন্মের পরপরই বা যত দ্রুত সম্ভব এটি দেওয়া হয়। এটি শিশুদের যক্ষ্মা রোগের মারাত্মক জটিলতা যেমন যক্ষ্মা মেনিনজাইটিস থেকে সুরক্ষা দেয়।
*ওপিভি (OPV): এটি পোলিও রোগের মুখের খাওয়ার টিকা। এটি শিশুদের পোলিওমাইলাইটিস (যা পক্ষাঘাত বা প্যারালাইসিস সৃষ্টি করে) থেকে রক্ষা করে। জন্মের সময় '০' ডোজসহ, শিশুদের সাধারণত ৬, ১০ ও ১৪ সপ্তাহ বয়সে এটি খাওয়ানো হয়।

বিসিজি (BCG) টিকা প্রদানের পর সাধারণত মৃদু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায় যা কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে টিকা দেওয়ার স্থানে লালচে ভাব, হালকা ব্যথা, পুঁজ জমা, এবং মৃদু জ্বর।

সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
*ইনজেকশনের স্থানে পরিবর্তন: টিকা দেওয়ার স্থানে সামান্য ফুলে যাওয়া, লালচে হওয়া, বা ছোট ফুসকুড়ির মতো হওয়া স্বাভাবিক। ২ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে সেখানে ছোট ফোঁড়া বা ঘা তৈরি হতে পারে।
*পুঁজ জমা এবং দাগ: ঘা থেকে সামান্য পুঁজ পড়তে পারে, যা ধীরে ধীরে শুকিয়ে শক্ত খোলস বা মামড়ি তৈরি করে। এই দাগটি স্থায়ী হয় এবং আজীবন একটি ছোট চিহ্ন হিসেবে থেকে যায়।
*জ্বর: অনেকের শরীরে মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার জ্বর আসতে পারে।
*গ্রন্থি ফুলে যাওয়া: বগলের নিচে বা ঘাড়ের দিকের লসিকা গ্রন্থি (Glands) সামান্য ফুলে যেতে পারে।

যত্ন ও সতর্কতা:
*টিকা দেওয়ার স্থানে কোনো ব্যান্ডেজ, অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম, বা পাউডার ব্যবহার করবেন না। যদি পুঁজ বা তরল বেশি নিঃসৃত হয়, তবে কেবল শুকনো গজ দিয়ে জায়গাটি ঢেকে রাখতে পারেন।
*শিশুর গোসল করাতে কোনো বাধা নেই, তবে ঘায়ের জায়গাটিতে সরাসরি সাবান বা ঘষাঘষি থেকে বিরত থাকুন।
*জ্বরের কারণে শিশু অস্বস্তি বোধ করলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ দেওয়া যেতে পারে।

কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন?
সাধারণত এর জন্য আলাদা কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। তবে নিচে উল্লেখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করতে হবে:

টিকা দেওয়ার স্থানের ক্ষত না শুকিয়ে যদি অনেক বড় হতে থাকে।
উচ্চমাত্রার জ্বর থাকে (যেমন ১০৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তার বেশি)।
বগলের নিচের ফুলে যাওয়া গ্রন্থি অতিরিক্ত বড় হয়ে যায় বা পুঁজে ভরে যায়।
ঘায়ের লালচে ভাব এবং ফোলা অংশ দুই-তিন দিনের বেশি স্থায়ী হয়।

মা দিবস উপলক্ষে আমাদের "মা তুমি" শীর্ষকে  নিজেদের মাকে নিয়ে যারা অকৃত্রিম অনুভূতি প্রকাশ করেছেন তাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ।...
10/06/2026

মা দিবস উপলক্ষে আমাদের "মা তুমি" শীর্ষকে নিজেদের মাকে নিয়ে যারা অকৃত্রিম অনুভূতি প্রকাশ করেছেন তাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমরা আজকে বিজয়ীদের নাম প্রকাশ করছি। বিজয়ীরা দয়া করে তাদের পূর্ণ ঠিকানা আমাদের পেইজে দেয়া whatsapp number এ পাঠিয়ে দিন। আশা করি বিজয়ীরা সঠিক সময়ে তাদের পুরস্কার পেয়ে যাবেন।

আমরা এমন এক পৃথিবীতে বাস করি যেখানে নারী হিসেবে স্বজাতির কাছ থেকে কোন নিরাপত্তা আশা করা যায়না। কেউ বলতে পারবেনা পৃথিবীর...
07/06/2026

আমরা এমন এক পৃথিবীতে বাস করি যেখানে নারী হিসেবে স্বজাতির কাছ থেকে কোন নিরাপত্তা আশা করা যায়না। কেউ বলতে পারবেনা পৃথিবীর কোন জায়গায় নারী "নিরাপদ "।
পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর crime rate পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাবে নির্যাতন, ধর্ষণ, খুন হবার শীর্ষে নারীই থাকে। তবুও সেসব দেশে আইন আর বিচার ব্যবস্থা সুষ্ঠ থাকায় মৃত নারীও সুবিচার পায়! আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে মানুষ হিসাবে বেঁচে থাকা দুষ্কর আর নারী হিসাবে বেঁচে থাকা আরও দুর্বিষহ। সমাজে নারী নির্যাতন যেভাবে বাড়ছে তাতে বলাই যায় বাংলাদেশ কোন নারীর জন্য নিরাপদ দেশ না। যে দেশে তিন মাসের কন্যা শিশু থেকে শুরু করে মাদ্রাসায় পড়া শিশুরা ও নিরাপদ না। নিজের ঘর, স্কুল, আত্মীয়স্বজনের কাছে কোন বয়সের শিশু নিরাপদ না। এই বিবেচনায় এই দেশ নিরাপত্তার সুচকে নিম্নে অবস্থান করছে। নব্বই ভাগ মুসলিমের দেশে রোজার মাসে ও এদেশে নারী ও শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। মাদ্রাসায় কন্যা বা পুরুষ শিশু মাত্রই যৌন নির্যাতনের শিকার। অতএব ধর্মের কল এখানে বাতাসে নড়ে। শিশুদের প্রতি নির্মমতার উদাহরণ পৃথিবীতে বেড়েই চলছে। আর বাংলাদেশের মত দেশের জন্য এই সব নিত্য দিনের ঘটনা। সরকার আর সর্বোচ্চ আদালতের বিবেকে নাড়া না দিলে এগুলো থামানো অনেক কঠিন। তবুও শিশুদের সার্বিক স্বার্থে সমাজের সকল মা বাবাকে সচেতন হতেই হবে।
মায়ের সচেতনতা:
শিশু মায়ের কাছে সবচেয়ে নিরাপদ থাকে। আমাদের সমাজের প্রত্যেক শ্রেণীর মা কে সচেতন থাকতে হবে।এই যুগে বাচ্চাদের good touch bad touch শেখাতে হবে। কোন শিশুকে হুট করেই কারো কোলে সে যেই হোক বসতে দেয়া ঠিক না। শিশুদের চকলেট, খেলনা ইত্যাদির আবদার শুধুই মা বাবার পূরন করা উচিত। শিশুদের ওএটা শেখানো উচিত যে মা বাবা ছাড়া আর কারও কাছ থেকেই কিছু নেয়া বা চাওয়া উচিত না। অনেক মা বাচ্চাদের স্কুল বা আশেপাশে একা পাঠান যা একদম উচিত না। মা বাবা ছাড়া শিশুদের কোথাও ঘুরতে পাঠানো ঠিক না।
কন্যা শিশুদের খুব কম বয়সে কারাটে জাতীয় ট্রেনিং দেয়া উচিত। বাসায় কোন গৃহ শিক্ষক আসলে কোন রুম বা নির্জনে পড়ানো থেকে বিরত থাকা উচিত।

বাবার সচেতনতা:
বাবাকে সন্তান খুব কম সময়ই কাছে পায়। তবুও বাবা হিসেবে পরিবারের সুরক্ষা বাবাকে নিশ্চিত করতে হবে। কন্যার বাবাদের সন্দেহ প্রবণ হতে হবে। পরিচিত পুরুষের কাছেও কন্যাকে একা রাখা যাবেনা।কন্যার আবদার বাবা ছাড়া আর কারও পূরন করা যাবেনা। বাসার নিরাপত্তার জন্য দরকার হলে CCTV আর আনুষঙ্গিক চিন্তা বাবার করা উচিত। বাসা আর বাইরের অদৃশ্য নজরদারির ব্যবস্থা বাবাকে করতে হবে।চাকর, ড্রাইভার, গৃহ শিক্ষক সবার ফোন, NID ইত্যাদির বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।

গৃহ আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকলকে শিশুদের play group থেকেই good touch bad touch জাতীয় প্রাথমিক জ্ঞান দিতে হবে। নিজের সুরক্ষার জন্য তিন চার বছর থেকেই কারাটে বা আনুষঙ্গিক ট্রেনিং দয়াটা সহজলভ্য করতে হবে।
গ্রাম হোক বা শহর সবক্ষেত্রে সবাই কে সচেতন হতে হবে। নেশা, পর্ন, সুশিক্ষার অভাব সমাজকে অবক্ষয়ের দিকে নিয়ে যায়। সবার আগে মানুষ কে নৈতিকতা আর বিবেকের শিক্ষা দেয়াটা প্রত্যেক পরিবারের জন্য ফরজ করতে হবে। যে পুরুষ তার মাকে সম্মান দেয় তার নৈতিকতার অবক্ষয়ের সম্ভাবনা কম থাকে। প্রত্যেক ছেলের মা কে এই ব্যাপারে সচেতন থাকা উচিত।
বাংলাদেশে সরকারি বেসরকারি ভাবে মানসিক চিকিৎসার বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। Child molestation, Pe******ia এগুলো বিকৃত মানসিকতার লক্ষণ। অবাধে নেশা আর পর্ণ শিশু ধর্ষণের জন্য দায়ী। দেশের সরকার কে এগুলো গুরুত্ব সহকারে দেখতে হবে। যেহেতু এই দেশ নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ সেহেতু নিজেদের অনেক সচেতন থাকতে হবে। এর বিকল্প নেই।

বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (EPI) অনুযায়ী শিশুদের জন্মের পর থেকে ১৫ মাস বয়সের মধ্যে মোট ১০টি মারাত্মক রোগ (...
06/06/2026

বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (EPI) অনুযায়ী শিশুদের জন্মের পর থেকে ১৫ মাস বয়সের মধ্যে মোট ১০টি মারাত্মক রোগ (যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, ধনুষ্টঙ্কার, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি, পোলিও, নিউমোনিয়া, হাম ও রুবেলা) প্রতিরোধের জন্য বিনামূল্যে টিকা দেওয়া হয়।

শিশুদের জন্য আদর্শ ইপিআই সময়সূচী:

জন্মের সময়: বিসিজি (যক্ষ্মা) এবং ওপিভি (পোলিও)।
৬ সপ্তাহ: পেনটাভ্যালেন্ট-১, ওপিভি-১, পিসিভি-১, এফআইপিভি-১ (ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, ধনুষ্টঙ্কার, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি, পোলিও এবং নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া)। প্রথম ডোজ।
১০ সপ্তাহ: পেনটাভ্যালেন্ট-২, ওপিভি-২, পিসিভি-২ দ্বিতীয় ডোজ।
১৪ সপ্তাহ: পেনটাভ্যালেন্ট-৩, ওপিভি-৩, পিসিভি-৩, এফআইপিভি-২ -এর তৃতীয় ডোজ।
৯ মাস: এমআর-১ (MR-1), টিসিভি (TCV) (হাম, রুবেলা এবং টাইফয়েড জ্বর)।
১৫ মাস: এমআর-২ (MR-2) (হামের টিকার) দ্বিতীয় ডোজ।

💡 মা ও অভিভাবকদের জন্য জরুরি কিছু পরামর্শ:

*টিকা কার্ডটি যত্ন সহকারে রাখুন: প্রতিটি টিকা দেওয়ার সময় এবং পরবর্তীতে স্কুলে ভর্তির সময়ও এই টিকাদান কার্ডটির প্রয়োজন হয়।
*সামান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া স্বাভাবিক: টিকা দেওয়ার পর শিশুর হালকা জ্বর হওয়া, কান্নাকাটি করা বা সুই ফোটার স্থানটি কিছুটা ফুলে যাওয়া স্বাভাবিক। এতে ভয়ের কিছু নেই, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল সিরাপ খাওয়ানো যেতে পারে।
*বাদ পড়া টিকা: কোনো কারণে নির্দিষ্ট তারিখে টিকা দিতে না পারলে নিকটস্থ ইপিআই কেন্দ্রে যোগাযোগ করে দ্রুত পরবর্তী টিকাদানের ব্যবস্থা করুন।
*কিশোরীদের জন্য HPV টিকা: এছাড়া সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কন্যা শিশুদের জন্য জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধক এইচপিভি (HPV) টিকা
দেওয়া নিশ্চিত করুন।

আপনার শিশুর বর্তমান বয়স কত অথবা কোনো নির্দিষ্ট টিকা বাদ পড়েছে কি না তা জানালে আমি পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিতে পারব।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mothering By Arina posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share