কিংকর্তব্যবিমূঢ়

কিংকর্তব্যবিমূঢ় ভালোবাসার সমস্ত বিনিয়োগ শেষে, সঞ্চয়ের পাতায় মোটা অক্ষরে লেখা -ঘৃণা! হা এটাই আমি।

পৃথিবীতে অনুভূতি মাপার কোন যন্ত্র নেই।  যদি থাকতো, সেই যন্ত্র সবচেয়ে বেশিবার বিকল হয়ে যেতো। কারণ তীব্রতার স্কেলে সবচেয়ে ...
24/01/2026

পৃথিবীতে অনুভূতি মাপার কোন যন্ত্র নেই। যদি থাকতো, সেই যন্ত্র সবচেয়ে বেশিবার বিকল হয়ে যেতো। কারণ তীব্রতার স্কেলে সবচেয়ে বেশি যে তীব্র অনুভূতির কথা মানুষ কল্পনা করতে পারে, তার চেয়েও শত গুণ, সহস্র গুণ বেশি তীব্র অনুভূতি মানুষ বুকের মাঝে ধারণ করে রাখে যা পরিমাপ করার মত কোন যন্ত্র সৃষ্টি হয় নাই !

জীবনের অদ্ভুত একটা সময় পার করছি, হঠাৎ করেই প্রচন্ড হতাশ হয়ে যাচ্ছি।হঠাৎ করেই নতুন উদ্দীপনা পাচ্ছি। নিজের কি হবে তার ঠিক...
24/01/2026

জীবনের অদ্ভুত একটা সময় পার করছি, হঠাৎ করেই প্রচন্ড হতাশ হয়ে যাচ্ছি।

হঠাৎ করেই নতুন উদ্দীপনা পাচ্ছি। নিজের কি হবে তার ঠিক নাই,

সম্ভবত একা একা বাঁচতে হবে, কেউ কারো না, জীবনের গতি বাড়াতে নিজেকেই এগিয়ে যেতে হয়, একদিন সব হবে।

মির্জা গালিব বলেছেন—যদি কখনো আমার সময় বদলায়,তখন আমিও বলব—আমার ঠিক কিসে কিসে দুঃখ হয়।মানুষ আমাকে দুঃখ দেয়,আমি তা এড়িয়ে চল...
22/01/2026

মির্জা গালিব বলেছেন—
যদি কখনো আমার সময় বদলায়,
তখন আমিও বলব—
আমার ঠিক কিসে কিসে দুঃখ হয়।
মানুষ আমাকে দুঃখ দেয়,
আমি তা এড়িয়ে চলি।
আমি তাদের বুঝতেও দিই না—
আমার ঠিক কিসে দুঃখ হয়।🌸

আব্বাস খানের বিরুদ্ধে কেসটা সাজিয়া বানু কেন জিতেছিলেন? এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে সাজিয়া বানুর সতিন,সায়রা। সায়রা তার স্বাম...
21/01/2026

আব্বাস খানের বিরুদ্ধে কেসটা সাজিয়া বানু কেন জিতেছিলেন?

এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে সাজিয়া বানুর সতিন,সায়রা।

সায়রা তার স্বামী আব্বাসকে বলেছিলেন, ও তোমার চে ভালো শরীয়া জানে, ভালো কুরআনও জানে।

ইয়েস। দিস ইজ দ্য মেসেজ।

বহুদিন পর এক সেকেন্ড ব্রেক না নিয়ে একটা হিন্দি মুভি দেখে শেষ করেছি।

চমৎকার কিছু মেসেজ এই সিনেমা থেকে পেয়েছি।

যেমন, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্কুলের নাম পরিবার।

আব্বাস খান এত শিক্ষিত হয়েও যে শিক্ষা পান নাই, সাজিয়া কম শিক্ষিত হয়েও সেই সাহস আর শিক্ষা পেয়েছিলেন বাবার কাছে থেকে।

আব্বাসের সমস্ত শয়তানির সাপোর্টার ছিল তার মা।

সাজিয়ার সমস্ত সাহসের উৎস ছিল তার বাবা।

ভালো একটা পরিবার আমাদের জীবনে এমনকি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

দুই, জাস্ট পরিবার পাশে থাকলে সন্তানদের আর কাউকে লাগে না। বাবার একটা কথা, সাজিয়া, তুমি ঠিক, এইটুক পেয়েই সে দুনিয়া জয় করে আসছে।

তিন, ঠিক ভুল নির্ধারণের সবচেয়ে বড় প্যারামিটারের নাম, নিজের সন্তান। আব্বাস শেষ পর্যন্ত স্বীকার করে নাই যে সে অন্যায় করসে, বাট সাজিয়া যখন বলসে তার মেয়ের সাথে যদি এমন হয়, সে মাইনা নিতে পারবে কি না?

ঐ মুহুর্তে আব্বাসের মাথা নিচু হয়ে গেছিল।

যদি কখনও কোন মেয়ের সাথে ঠিক করছেন নাকি ভুল করছেন বুঝতে না পারেন, জাস্ট চোখ বন্ধ করে কল্পনা করবেন, সেইম কাজটা কেউ আপনার মেয়ের সাথে করতেসে।

কাজটা করা ঠিক নাকি ভুল, বুইঝা যাবেন।

সাজিয়ার ফিউচার প্ল্যান ছিল, সে মেয়ে বাচ্চাদের কুরআন পড়াতো।

আব্বাস ধর্মের নামে তার সাথে এতবড় অন্যায় করলো, তাকে হুজুররা একঘরে করলো বাট সে ধর্মের সাথে বিদ্রোহ না করে, স্টাডি করলো আরও বেশি।

বাচ্চাদের পড়ানো শুরু করলো। সে সবাইকে বলত কুরআনের সেই প্রথম শব্দ, ইকরা। পড়ো।

যত যাই করেন, পড়া থামানো যাবেই না।

মানুষের জন্য সে ধর্মকে ত্যাগ করে নাই।

খোদার সাথে তার বোঝাপড়া সে ঠিক রাখছিল, যতই মানুষ তাকে কাফের বলুক।

ভালোবাসা সাজিয়া পায় নাই। ভালোবাসা পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষের কপালেই জোটে না, এটাই নির্মম সত্য।

কে আপনাকে ভালোবাসবে কে বাসবে না, এটা আপনার হাতে নাই। একজনের জন্য জীবন দিয়ে দিলেন, সে আপনাকে ভালোবাসলো না। কী করবেন?

বাট, সম্মান জিনিসটা আদায় করে নিতে হয়।

সাজিয়া বানু যেটা আদায় করে নিয়েছিলেন।

ভালোবাসা ছাড়াও মানুষ বাঁচতে পারে, বাট সম্মান ছাড়া পারে না।

দীর্ঘতম রাতে একটাই প্রার্থনা, খারাপ দিন গুলো আর দীর্ঘ না হোক!❤️
21/12/2025

দীর্ঘতম রাতে একটাই প্রার্থনা, খারাপ দিন গুলো আর দীর্ঘ না হোক!❤️

একটু মানসিক শান্তির খোঁজে কত দৌড়ঝাঁপ করেছি! যখনই ভেবেছি, “এখানেই শান্তি আছে”, তখনই আর অন্য কিছুর দিকে তাকাইনি। কিন্তু ক...
30/08/2025

একটু মানসিক শান্তির খোঁজে কত দৌড়ঝাঁপ করেছি! যখনই ভেবেছি, “এখানেই শান্তি আছে”, তখনই আর অন্য কিছুর দিকে তাকাইনি। কিন্তু কিছু সময় পর বুঝেছি সে ভাবনা ভুল ছিল।

ঠোকর খেতে খেতে এমন প্রান্তে এসে পৌঁছেছি, যেখানে যেন মানসিক অশান্তিরই কারখানা! শেষে সামান্য যত্ন আর স্নেহের আশায়, মানসিক শান্তি খুঁজতে গিয়ে পথভ্রষ্ট আর দিশেহারা হয়ে পড়েছি।

আসলে মানসিক শান্তি কোথাও গিয়ে খুঁজে পাওয়া যায় না। শান্তিটা আমাদের ভেতরেই থাকে শুধু আমরা তা বুঝতে পারি না, অনুভব করতে পারি না।

🙇‍♀️💆‍♀️🙇‍♀️🙇‍♀️

আমি কখনো ভাবিনি—ভালোবাসা দিয়ে, সময় দিয়ে, নিজের সবটুকু দিয়েও—একদিন এমন জায়গায় এসে দাঁড়াতে হবে, যেখানে আমার অস্তিত্বটাই মূ...
04/07/2025

আমি কখনো ভাবিনি—ভালোবাসা দিয়ে, সময় দিয়ে, নিজের সবটুকু দিয়েও—একদিন এমন জায়গায় এসে দাঁড়াতে হবে, যেখানে আমার অস্তিত্বটাই মূল্যহীন মনে হবে।

ভেবেছিলাম, মানুষটা বুঝবে। আমার চুপ করে থাকা মানে আমি রাগ করি না—এটা বুঝবে। আমার কাঁধে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মানে আমি দুর্বল নই—এটা বুঝবে। আমি কিছু বলি না, মানে আমার কিছু বলার ছিল না—এটা বুঝবে না, বরং জিজ্ঞেস করবে:
“তুমি আসলে ভালো আছো তো?”

কিন্তু কিছুই বোঝেনি। বরং আমার স্যাক্রিফাইসকে “কমন” ভাবতে শুরু করলো। আমার ভালোবাসাকে “দুর্বলতা”, আমার সহ্যকে “নাটক”, আর আমার চুপ করে থাকাকে “অহংকার” ভেবে নিল।

আমি চুপচাপ ভাঙতে ভাঙতে একদিন বুঝলাম—
আমি ভুল মানুষ, ভুল জায়গা, ভুল সম্পর্কের জন্য সব দিয়ে ফেলেছি। আর সেই ভুল বোঝা থেকেই শুরু হয়েছিল অবহেলা। প্রতিদিন একটু একটু করে…

একসময় নিজের মনেই প্রশ্ন জেগেছে— এভাবে কতোদিন? আমি কি ভালোবাসা চাইছিলাম, না আত্মসমর্পণ করেছিলাম?

আজ আমি বুঝি, ভুল জায়গায় কম্প্রোমাইজ মানে শান্তি না, মানে ভেতরের এক অজানা বিষাদ— যেটা বোঝাতে গেলে চোখে পানি আসে, কিন্তু কেউ দেখে না।

আজকে আমি নিজেকে একটা প্রতিশ্রুতি দিয়েছি—
জীবন ছোট। এই অল্প সময়টা কেবল তাদের জন্য রাখবো— যারা আমার চোখের ভাষা পড়ে নিতে পারে, যারা আমার চুপ করে থাকাকেও গুরুত্ব দেয়, যারা শুধু “ভালোবাসি” বলে না—বরং সেই ভালোবাসার দায়িত্বটাও নেয়।

আমি এখন জানি— ভুল জায়গায় স্যাক্রিফাইস, ভুল মানুষের সাথে কম্প্রোমাইজ… এটা কখনো বড় মন নয়, এটা নিজেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলার সবচেয়ে সহজ রাস্তা।

আমার মতো যদি কেউ এই পথ দিয়ে হেঁটে থাকো, জানো—তুমি একা না। তুমি দুর্বল না, তুমি শুধু সত্যিকারের মানুষ ছিলে।
এখন সময় নিজেকে ফিরে পাওয়ার। নিজেকে ভালোবাসার।

এও সম্ভব। এবং এরকম হয়, প্রতিদিন কারও না কারও জীবনে।
তাই এখন তুমি আর বোকার মতো স্যাক্রিফাইস করো না।
ভুল মানুষের হাতে নিজেকে বারবার সমর্পণ করো না।
তুমি খারাপ না—তুমি শুধু ভুল জায়গায় সবচেয়ে সুন্দর জিনিসটা দিয়ে ফেলেছিলে।

এখন নিজের জন্য থেকো। নিজেকে বোঝো, ভালোবাসো।
কারণ যারা তোমার চোখের ভাষা না বুঝতে পারে, তারা তোমার জীবনের গল্পের পাতায় থাকার যোগ্য না।

অভিমান ভেঙে একবার না বারবার ফেরা যায়,যদি আপনার অনুপস্থিতি তাকেও ততোটাই পোঁড়ায় যতোটা তার অভাবে আপনি পুড়ছেন!যদি আপনার অনুপ...
22/06/2025

অভিমান ভেঙে একবার না বারবার ফেরা যায়,যদি আপনার অনুপস্থিতি তাকেও ততোটাই পোঁড়ায় যতোটা তার অভাবে আপনি পুড়ছেন!

যদি আপনার অনুপস্থিতি তাকে অস্থির না করে তবে সেখানে বার বার সেচ্ছায় ফেরাটা আত্ম-সম্মানহীনতার পরিচয়।

আপনার অনুপস্থিতি যদি তাকে স্বস্তি দেয় - ভালো রাখে! মুক্ত স্বাধীন অনুভূতি দেয়!
তবে সেখানে ফেরার থেকে নিজেকে পোড়ানো উত্তম, পচনটা কলিজায় ধরুক,
তবুও আমার উপস্থিতি কাউকে বিব্রত না করুক!🖤🌿

জীবনের পথে চলতে হলে…চারপাশে অনেক মানুষের সঙ্গে দেখা হবে, অনেক রকম কথা কানে আসবে, কখনো কখনো আপনাকে ভিড় ঠেলে এগোতেও হবে। এ...
03/05/2025

জীবনের পথে চলতে হলে…
চারপাশে অনেক মানুষের সঙ্গে দেখা হবে, অনেক রকম কথা কানে আসবে, কখনো কখনো আপনাকে ভিড় ঠেলে এগোতেও হবে। এমন সময় আপনি যা করবেন তা হলো—ইগনোর। কারণ জীবনে কিছু মানুষ থাকবে, যাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো আবর্জনা ছড়ানো, অন্যের জীবনে বিষ ঢালা।
লাইফ আপনার—চয়েস ও ডিসিশনও আপনার।
নেগেটিভিটি যেখানেই দেখবেন, সেখান থেকে নিজেকে সরিয়ে নেবেন। এটা দুর্বলতা নয়, বরং নিজের মানসিক শান্তির প্রতি দায়িত্বশীল থাকা।
খারাপ লাগলেও এটা সত্যি—আপনি যাদের বন্ধু ভাবেন, তাদের অনেকেই আপনার পতন দেখতে চায়। সহানুভূতির মুখোশ পরে তারা সুযোগ খুঁজে বেড়ায় আপনাকে আঘাত করার।
তাদের সেই সুযোগটা দেবেন না। অপ্রয়োজনীয় তর্কে যাবেন না, কারো কিছু বোঝাতে যাবেন না। কেউ যদি আপনাকে মূর্খ বলে, হেসে বেরিয়ে আসুন। এতে আপনি সময়, এনার্জি আর মানসিক শান্তি—সবই বাঁচাবেন।
আপনার রেসপন্সই আপনার শক্তি।
যারা জীবনটা সত্যি বোঝে, তারা জানে কাকে রেসপন্স দিতে হয় আর কাকে এড়িয়ে যেতে হয়।
সমালোচনার মধ্যে না ডুবে গিয়ে ভালো কিছু করুন—
একটা ভালো বই পড়ুন
প্রিয়জনের সাথে সময় কাটান
ঘর সাজান
রংতুলি দিয়ে ক্যানভাসে মনের কথা ফুটিয়ে তুলুন
সিনেমা দেখুন, গান শুনুন
ছবি তুলুন, ব্যায়াম করুন, গাছ লাগান
কিংবা একটুখানি চুপ করে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে সংযোগ গড়ুন
নিজেকে বাঁচান অপ্রয়োজনীয় মানুষের আগ্রাসন থেকে।
আপনার জন্য আসল মানুষগুলোকে চিনে নিন—পরিবার, কাছের কিছু বন্ধুবান্ধব, যাদের সামনে আপনি আয়নার মতো স্বচ্ছ হতে পারেন। তাদের সঙ্গেই আপনার মনের কথাগুলো ভাগ করুন, কারণ তারা আপনার ভালোটা চায়। বাকি দুনিয়াকে জঞ্জাল ভাবুন, এবং দরকার হলে ঝেড়ে ফেলুন।
সবশেষে, মনে রাখবেন—
জীবন অনেক সুন্দর। পৃথিবীও অনেক সুন্দর। পথে চলতে গিয়ে আগাছা আর কাঁটাঝোপ থাকবেই, কিন্তু আপনাকেই বেছে নিতে হবে কোনটা পাশ কাটিয়ে এগিয়ে যাবেন।
সব কথার উত্তর দিতে নেই, সবকিছুর প্রতিক্রিয়াও দিতে নেই।
নিজেকে প্রমাণ করার দরকার নেই, শুধু নিজের পথে স্থিরভাবে এগিয়ে যান।

জীবনে চলার পথে অনেককিছুর প্রয়োজন আছে। তবে সেই প্রয়োজন পূরণ করতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন যা তা হলো "মানসিক শান্তি।" মানসিক শা...
03/05/2025

জীবনে চলার পথে অনেককিছুর প্রয়োজন আছে। তবে সেই প্রয়োজন পূরণ করতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন যা তা হলো "মানসিক শান্তি।" মানসিক শান্তি না থাকলে আপনি কোনোকিছুই ঠিকমতো করতে পারবেন না। আপনি বিশেষ মুহূর্ত গুলোতেও অমনোযোগী হয়ে থাকবেন।

মানসিক শান্তিতে কিভাবে থাকবেন? প্রথমত আপনাকে মানুষ বুঝে মিশতে হবে। মিশুক স্বভাব থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে। মানুষ আপনাকে চাওয়া মাত্র পেয়ে গেলেই আপনি তাদের কাছে সস্তা হয়ে যাবেন। নিজেকে সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা থেকে বিরত থাকতে হবে।

আপনার মনমানসিকতার সাথে মিলে, আপনাকে ছোটখাটো বিষয়েও উৎসাহিত করে এমন মানুষদের সঙ্গ নিতে হবে। যাদের কাছ থেকে মানসিক অশান্তি পাবেন যতদ্রুত সম্ভব তাদের থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিতে হবে সে যতই কাছের হোক বা আপন হোক।

মানুষ আপনাকে স্বার্থপর ভাবতেই পারে। তবে আমি মনে করি নিজের ভালো চাওয়া, নিজেকে ভালো রাখার মাঝে কোনো স্বার্থপরতা নেই। মানসিক শান্তি টা জীবনে খুব বেশি প্রয়োজন।

ছোট্ট জীবনে হারিয়েছি অনেক কিছুই। কিন্তু প্রাপ্তির খাতায় তেমন কিছু যোগ করতে পারি নি। বছর কিভাবে কেটে যাচ্ছে তা বুঝতে পারা...
22/04/2025

ছোট্ট জীবনে হারিয়েছি অনেক কিছুই। কিন্তু প্রাপ্তির খাতায় তেমন কিছু যোগ করতে পারি নি। বছর কিভাবে কেটে যাচ্ছে তা বুঝতে পারার আগেই বড় হচ্ছি বহুগুণে। পাওয়া না পাওয়া নিয়েই যাচ্ছে দিন, জন্ম হয়ে পৃথিবীতে আসা ছাড়া আর কখনো স্পেশাল দিন আসে নি। নিতান্তই সাধারণ মানুষের মতন জীবন যাপন করছি। সব শেষে আমি যা বুঝলাম, আমি যেমন তেমনই যথেষ্ট। আমার জীবনের চলার পথে প্রতিটা কাজ, প্রতিটা ক্ষত, প্রতিটা অপূর্ণতা এ সব কিছুই আমার জীবনে গল্পের অংশ।"perfection" বলে আসলে কিছু হয় না।"I'm enough just the way I'm.🫥

যে তোমার প্রথম প্রেম ছিলো একমাত্র সে-ই জানতো তুমি কতোটা চঞ্চল ছিলে। কেবল সে-ই তোমার কথার জ্বালায় কানে তুলো গুঁজতো। তাকে ...
31/03/2024

যে তোমার প্রথম প্রেম ছিলো একমাত্র সে-ই জানতো তুমি কতোটা চঞ্চল ছিলে। কেবল সে-ই তোমার কথার জ্বালায় কানে তুলো গুঁজতো। তাকে ঘিরেই ছিলো তোমার সব জমিয়ে রাখা পাগলামো। তার কাছেই তুমি নিজেকে জমা রেখেছিলে, যেভাবে তুমি রাখতে চাইতে।

যে তোমার প্রথম প্রেম ছিলো সে-ই জানতো তুমি কতোটা অভিমানী। জল লুকাতে চোখে কিছু পড়াটা যে বানাহা এটা কেবল সে-ই জানতো। সে-ই জানতো প্রচন্ড কষ্টে তোমার জ্বর এসে যায়। তুমি শুধু তাকেই বলেছ কখন তোমার সবচে বেশি মন খারাপ হয়, কোন কথা তোমার সহ্য হয় না কষ্ট পাও খুউব। কেবল সে-ই জানতো তুমি রাগ দেখাতে পারো না, যেটা দেখাও সেটা কেবলই অভিমান।

যে তোমার প্রথম প্রেম ছিলো একমাত্র তাকেই তুমি বিলিয়ে দিয়েছিলে তোমার সমস্ততা।
তবে জানো তো অদ্ভুত হলেও সত্য যে, এতো কিছু জেনেও, সব কিছু বুঝেও, এতো কাছ থেকে দেখেও প্রথম প্রেমটা আর কপালে জোটে না সবার।
তাই তো মানুষ দ্বিতীয়বার ভালোবাসতে ভয় পায় আর আফসোসের সুরে বলে, “যে এতো কাছে ছিলো যাকে এতোটা ভালোবেসেছি তাকেই কেন ভুল মানুষ হতে হলো! কেন?”

Address

Dinajpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কিংকর্তব্যবিমূঢ় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share