24/10/2025
عَنْ ابْنِ عَبَّاس قَالَ نَزَلَ جِبريل عَلَيْهِ السَّلَامُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَتَكُون فِتَن قَالَ فَمَا الْمَخْرَجُ مِنْهَا يَا جِبْرَئِيلُ قَالَ كِتَابُ اللهِ . ارواه رزين كذا في الرحمة المهداة)
★ হযরত ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, হযরত জিবরাঈল (আঃ) হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সংবাদ দিলেন যে, বহু ফেৎনা প্রকাশ পাইবে। হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করিলেন, এইগুলি হইতে বাঁচিয়া থাকার উপায় কি? তিনি বলিলেন, কুরআন শরীফ। (রহমতে মুহদাত: রাযীন)
আল্লাহর কিতাবের উপর আমলও যাবতীয় ফেৎনা হইতে বাঁচিবার উপায়, এমনিভাবে উহার তেলাওয়াতের বরকতও ফেৎনা হইতে মুক্তির উপায়। হাদীসে বলা হইয়াছে, যে ঘরে কালামে পাকের তেলাওয়াত করা হয় ঐ ঘরে ছাকীনা ও রহমত নাযিল হয় এবং সেই ঘর হইতে শয়তান বাহির হইয়া যায়।
ওলামায়ে কেরাম ফেৎনার অর্থ দাজ্জালের আবির্ভাব ও তাতারীদেব ফেৎনা ইত্যাদি বলিয়াছেন। হযরত আলী (রাযিঃ) হইতেও একটি দীর্ঘ রেওয়ায়াতে উপরোক্ত হাদীসের বিষয়বস্তু বর্ণিত হইয়াছে যে, হযরত ইয়াহয়া (আঃ) বনী ইসরাঈলদেরকে বলিলেন, আল্লাহ তায়ালা তোমাদিগকে তাঁহার কালাম পড়ার হুকুম করিতেছেন এবং উহার দৃষ্টান্ত হইল এইরূপ যেন কোন কওম নিজেদের কিল্লায় হেফাজতে রহিয়াছে। আর দুশমন উহার উপর আক্রমণ করিতে উদ্যত হইয়াছে। কিন্তু দুশমন যে দিক হইতেই হামলা করিতে চাহিবে সেই দিকেই দেখিতে পাইবে যে আল্লাহর কালাম তাহাদের হেফাজতকারী হিসাবে রহিয়াছে এবং উহা সেই দুশমনকে প্রতিহত করিয়া দিবে।