As sura's

As sura's Orginal Indian Collection Resalable Price a. Cash on home delivery.

সাধারণত বিয়ের দিন রাতে বেশীর ভাগ হাসবেন্ডরা'ই স্ত্রী কে বলে, আমার বাবা মা কে এবং পরিবার কে দেখে রাখবে।তাদের সব দায়িত্ব এ...
03/07/2024

সাধারণত বিয়ের দিন রাতে বেশীর ভাগ হাসবেন্ডরা'ই স্ত্রী কে বলে, আমার বাবা মা কে এবং পরিবার কে দেখে রাখবে।তাদের সব দায়িত্ব এখন থেকে তোমার। মানে এক কথায় , বিয়ের দিন রাতেই নতুন বউয়ের মাথায় খুব ভালো করে মাথায় সেট করে দেয়া হয় যে হাসবেন্ড এর পরিবারের সব সদস্য দের যেন কোন অযত্ন না হয়।

এবার আসি আমাদের বিয়ের দিনের কথায়। এই ভদ্রলোক বিয়ের দিন রাতে অনেক কথার মাঝে বলেছিলেন, এই ছোট্ট একটা মেয়েকে বিয়ে করেছি তার উপরে দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়ার জন্য নয়। বরং এখন থেকে সবার আগে তুমি আমার কাছে অনেক বড় দায়িত্ব। তোমার আব্বু আম্মুকে যেন মেয়ে নিয়ে আজকের পর কোন দিন দুঃশ্চিন্তা করতে না হয় সেটা আমি তোমাকে এশিউর করতে চাই।

আমার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভাবতে হবে না। তারা এখনো যথেষ্ট ইয়াং। তারা তোমাকে কিছু নিয়েই প্রেসার দিবে না। শুধুমাত্র তাদের সাথে হাসিখুশি থাাকবে, মেয়ে হয়ে থাকবে , সামাজিকতা মেইনটেইন করবে যতটা পারো ,এগুলাই তোমার কাজ। আর বাকি কাজ করার জন্য এবং দায়িত্বের জন্য কাজের মানুষ আছেন।

ভদ্রলোক বলেছিলেন, স্ত্রী কে কখনো দায়িত্ব বলে বলে শেখাতে হয় না। এতে করে তার কাছে সংসার একটা প্রেসার বলে মনে হবে। হাসবেন্ড এর ভালবাসা,সম্মান, প্রায়রিটি পেলে স্ত্রী এমনিতেই দায়িত্বশীল হয়ে ওঠবে এবং সেই সাথে তার শ্বশুর বাড়ির সবাইকে আপন ভাবা শুরু করবে। স্ত্রী কে দায়িত্ব শেখাতে হলে আগে তার জন্য একটা উপযুক্ত পরিবেশ ক্রিয়েট করতে হবে।

যাইহোক , আমি আমার বিয়ের দশটা বছর কোন কাজ করি নি। করি নি বললে ভুল হবে, আমাকে করতে হয় নি। একাধিক হেল্পিং হ্যান্ড ছিলো তাই রান্না শেখার দরকার পড়ে নি।সবাইকে নিয়ে একসাথে থাকা, সম্মান করা , মুরব্বি দের মান্য করা, গেস্ট আসলে তাদের কি লাগবে না লাগবে সেগুলা খেয়াল রাখা এগুলাই ছিলো আমার দায়িত্ব।

আমার শ্বাশুরী সবসময় বলতেন, নিজের উপর পড়লে এমনেই শিখে যাবে। এখন আমরা আছি, তারা একটু আনন্দ করে তাদের মতো করে সময় কাটাক। এমন একটা চমৎকার এনভায়রনমেন্ট আমি আমার শ্বশ্বশুর বাড়িতে পেয়েছি যেখান কখনো নিজেকে বউ হিসেবে কাউন্ট করার দরকার'ই পড়ে নি।

আমার তো সুখী হওয়ারই কথা কারণ আমি একজন ভদ্রলোক কে বিয়ে করেছি।

এখন সব দায়িত্বই পালন করি, সব শিখে গেছি কিন্তু পেছনের দিন গুলো আমাকে ফিল করায়: বিবাহিত জীবন অসম্ভব রকম সুন্দর যদি হাসবেন্ড এবং তার পরিবার ভদ্রলোক হয়।

বিয়ের ১২ বছর পরেও স্ত্রী কে এমন প্রানবন্ত করে রাখতে পারা মোটেও কোন সামান্য বিষয় নয় কিন্তু!

আলহামদুলিল্লাহ মাশাল্লাহ ❤️

এটা আমার জীবন অনুসারে লেখা। তাই অন্য কারো সাথে মতের মিল/অমিল হতেই পারে কিন্তু আপনার মতামত কে আমি সম্মান জানাই।

ওকে আমি আমার বিয়ের প্রথম এনিভার্সেরিতে কাছে পাই নাই। না পেয়েছি যেদিন আমার ডেলিভারী পেইন উঠেছিলো। মাঝে মাঝে রাতে পাই নি। ...
21/06/2024

ওকে আমি আমার বিয়ের প্রথম এনিভার্সেরিতে কাছে পাই নাই। না পেয়েছি যেদিন আমার ডেলিভারী পেইন উঠেছিলো। মাঝে মাঝে রাতে পাই নি। মাঝে মাঝে দিনেও …… আজ আমাদের ডিভোর্স …… কি আশ্চর্য যে আজও তার আসার সময় পার হয়ে গিয়েছে তার খবর নাই।

ডিভোর্সের মত এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়াটা আমার জন্য অনেক কষ্টের ছিলো। দীর্ঘ ৪ বছর ধরে একটা সংসার মুহূর্তে ভেঙ্গে যাবে ভাবলেই গায়ে কাটা দিত।
বিয়েটা প্রেমেরই ছিলো। কিন্তু তার এত ব্যস্ত এত ব্যস্ততা কিভাবে যেন আমাদের মাঝে বিশাল বড় কাঁচের দেওয়াল এনে দিয়েছিলো।

ঝগড়া হলেই বলত -" কার জন্য কাজ করি? তোমার জন্যই তো। আমাদের জন্যই তো। " সে মানুষও তার স্ত্রীর ডেলিভারীর দিন পাশে ছিলো না।
মানসিক রোগ আমাকে তার আগেই ধরেছিলো। কীসব ভাবতাম সারাদিন বাচ্চাটাকে পেটে ধরে। একদিন খালি বাসায় নির্দিষ্ট সময়ের আগে ব্যাথা উঠে।
আমাকে হাসপাতালে নেয় বুয়া। বাচ্চাটাকেও বাঁচানো সম্ভব হয় নি।
কি আশ্চর্য আমি কান্নার জন্য তার ঘাড়টাও পাইনি।
সে সেদিনও ব্যস্ত। যতক্ষণে এসেছিলো ততক্ষণে কান্নাও মরে গিয়েছিলো।

জন্ম নিয়েছিলো অভিমান।

তারপর আরো দুটো বছর কাটলো। কোনদিন একবার ফোন করেও আমার খোঁজ খবর নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করত না। কেন? আমি কি কেউ না?
নাকি আমি স্ত্রী বলে এটা তার মাথায় এটেই গিয়েছে যে আমাকে যেভাবে রাখবে আমি সেভাবেই থাকবো। কই আর যাবো?

জানিনা আসলে ও কি ভাবতো।
আরো দুটা বছর এভাবে নিজের মনের সাথে যুদ্ধ করে আর পারসিলাম না। যে ঘরের এক কোণায় শুধু শোপিস হয়ে থাকতে হবে সে ঘরে আমার না থাকাটাই ভালো।
না আছে মূল্যায়ন , না আছে ভালোবাসা।

ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত জানাতেও তাকে আমি দুদিন পর এপোয়েনমেন্ট পেয়েছি। খুব একটা অবাক , হতাশ কিছুই সে হয় নাই। যেনো সে জানতো এমনটাই হবে।
কোন তর্ক না করে সম্মতি দিলো।
অবাক হয়ে যাচ্ছিলাম যে সে আমাকে একটাবারো আটকালো না। বাঁধা দিলো না। বুঝালো না।

বুঝতে পারলাম আমাদের মাঝে আর কিছুই বাকী নাই।
ও অনেক এগিয়ে গিয়েছে। আমি সেখানেই পরে আছি যেখান থেকে শুরু করেছিলাম।

আজ যে তালাকনামায় সাক্ষর প্রয়োজন সে এখানেও উপস্থিত নাই।
বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে।

সে হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে আসলো। এসেই কলম খুঁজে যাচ্ছে। খুব তাড়াহুড়ো করে সাক্ষর করে বেরিয়ে গেলো।

একবার তাকালোও না।
আমি আমার স্থানে সাক্ষর করে বেরিয়ে পরলাম।
ভাবছিলাম একদিন আমার অনুপস্থিতি সে বোধ করবে …

আবার একাই হেসে উঠলাম - হয়ত আমার অভাব বোধ করার সেই সময়টাও এই মানুষের হবে না।

কয়েক মাস পর শুনলাম সে তারই অফিসের এক কলিগকে বিয়ে করেছে।

বুঝতে বাকী রইলো না ব্যস্ততাটা আসলে কিসে এবং কোথায় ছিলো। অথচ কি আশ্চর্য তাই না? আমাদের বিয়েটাও প্রেমেরই ছিলো। 🙂

সত্য_ঘটনা_অবলম্বনে

পারিবারিক জীবন নিয়ে সুন্দর একটিশিক্ষা......🤌ছাত্রঃ- স্যার! “বউ হারালে একশ টা বউপাওয়া যাবে, কিন্তু মা হারালে আরপাওয়া যাব...
13/02/2024

পারিবারিক জীবন নিয়ে সুন্দর একটি
শিক্ষা......

🤌
ছাত্রঃ- স্যার! “বউ হারালে একশ টা বউ
পাওয়া যাবে, কিন্তু মা হারালে আর
পাওয়া যাবে না”-কথাটি কতটুকু সঠিক?
দার্শনিক ভস্কি জোন্স ঃ- বৎস! কথাটি
বাহ্যিকভাবে খুবই সঠিক মনে হলেও এরকম
বলা অত্যন্ত
খারাপ এবং বিকৃত মস্তিষ্ক প্রসূত।
তোমার স্ত্রী কিন্তু তোমার সন্তানের
মা। সুতরাং, প্রত্যেক স্ত্রীর ভেতরেই
একজন মা লুকিয়ে থাকেন। আরেকটা
কথা, মায়ের প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য
অনেক সময় তোমার আরো ভাই-বোন আছেন,
কিন্তু স্ত্রীর প্রয়োজনীয়তা পূরণে তুমি
একজনই।
ছাত্রঃ-স্যার ! তাহলে আমাদের পরষ্পরে
কী
রকম আচরণ হওয়া উচিত?

দার্শনিক ভস্কি
জোন্স ঃ-তুমি স্ত্রীর সাথে এমন আচরণ
করবে,
যে আচরণ তোমার বোনের সাথে তার
স্বামীর থেকে আশা করো। জননীর সাথে
এমন
আচরণ করবে, তোমার বোনের সাথে তার
শাশুড়ি থেকে যে রকম আচরণ আশা
করো। আর তোমার স্ত্রীর উচিত শাশুড়ির
সাথে এমন আচরণ করা, যে আচরণ তিনি
আপন ছেলের বউ থেকে তিনি আশা করেন।
স্বামীর পরিবারের লোকের
সাথে এমন আচরণ করা উচিত, যা তার
ভাইয়ের বউয়ের কাছ থেকে আশা করেন।
শিক্ষণীয় উপদেশ.....
☆শুনো, বৎস! স্রষ্টার দেয়া নির্দিষ্ট
কক্ষপথে চললে সৃষ্টি সমূহ কখনোই মুখোমুখি
হবে না।
#সংগৃহীত
#শয়ন_চন্দ্র_মহন্ত
ভালো লাগলে পেজ টা ফলো করতে ভুলবেন না 🥀👉 WriWriter's Shyon - wbs

Address

Khulna Sadar
Khulna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when As sura's posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share