আদ্যন্ত - Adyonto

আদ্যন্ত - Adyonto জীবনের গল্প!
বাকি আছে অল্প!
যা কিছু দেখার, নাও দেখে নাও!
যা কিছু বলার, নাও বলে নাও!
পাবে না সময় আর হয়ত!

⭕ ভয়ংকর নসিহাহ....একজন বিজ্ঞ আলেম ছিলেন। যার অনেক ছাত্র ছিল। যখনই তার কাছে নতুন কোন শিষ্য আসতো তিনি তখন তার পরীক্ষা নিত...
06/11/2025

⭕ ভয়ংকর নসিহাহ....
একজন বিজ্ঞ আলেম ছিলেন। যার অনেক ছাত্র ছিল। যখনই তার কাছে নতুন কোন শিষ্য আসতো তিনি তখন তার পরীক্ষা নিতেন।
তিনি কিছু তোতা পাখি পালতেন। আর পাখিগুলোকে তিনি একটি কথা শিক্ষা দিয়েছিলেন, কথাটি হল; "শিকারি আয়েগা, দানা ডালেগা, জাল বিছায়েগা, ফাসনা নেহি"। অর্থাৎ "শিকারি আসবে, খাবার দিবে, জাল পাতবে, ফেঁসে যেও না।"

যখনই নতুন কোন ছাত্র আসতো তখনই তিনি তাকে কিছু দানা আর একটি জাল দিয়ে বলতেন, "যাও ঐ গাছের নিচ থেকে কিছু তোতা পাখি ধরে নিয়ে আসো।"
পাখিগুলো মানুষ দেখামাত্রই এই বলে গান গাইতে শুরু করতো যে, "শিকারি আয়েগা, দানা ডালেগা, জাল বিছায়েগা, ফাসনা নেহি"। তখন বেশিরভাগ ছাত্রই ফিরে আসতো এই ভেবে যে, এত চালাক পাখি ধরা যাবে না!
কিন্ত যদি কোন ছাত্র জাল পাততো আর দানা দিতো তবে দেখতো যে, পাখিগুলো মুখে ঐ কথা বলছে ঠিকই কিন্ত দানা খেতে আসছে আর জালে ফেঁসে যাচ্ছে। অর্থাৎ তাদের মুখের কথা তাদের কোন কাজেই আসছে না।
এই পাখিগুলো আসলে কি বলছে তারা সেটা নিজেরাই জানে না। পাখিগুলো জানে না- 'শিকারি' কি জিনিস! 'জাল' কি জিনিস! 'ফাসনা' কি জিনিস! তাই তারা মুখে যতই গান গাওক না কেন, তাও জালে ফেঁসে মৃত্যু ডেকে আনছে।

আজকের জামানায় আমাদের অবস্থাও ঠিক যেন তোতা পাখিদের মতই হয়ে গেছে। আমরা মুখে 'লা~ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলে সাক্ষ্য দিচ্ছি, কিন্তু আমরা এর মর্ম জানি না। প্রত্যেক সালাতে সূরা ফাতিহা পড়ি কিন্তু আমরা বুঝি না এর ভিতর আল্লাহ কি বলতে চেয়েছেন।

একই সাথে আমরা সুদ-ঘুষ, পরনিন্দা, অহংকার, যিনা, গীবত, অশ্লীলতা, পর্দাহীনতা, ও অসংখ্য হারাম কাজ করছি আর তোতা পাখির মতই আবার কালেমা বলছি আর নিজেকে মুসলমান হিসেবে দাবীও করছি! কাজেই আমাদের এই সাক্ষ্যদান তোতা পাখির মতন। আমরা মুখে কালেমা জপার পরেও শিকারির জালে ফেঁসে যাচ্ছি।
আল্লাহ তা'য়ালা আমাদেরকে সঠিক দ্বীন শিখে, কুরআন ও সহীহ সুন্নাহ মোতাবেক জীবন গড়ার তৌফিক দান করুন। আমিন।

©Collected

১. সূরা মুলক – রিজিকের বরকতের সূরাআরবি:-تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌউচ্চারণ:তা...
29/10/2025

১. সূরা মুলক – রিজিকের বরকতের সূরা
আরবি:-
تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণ:
তাবারাকাল্লাযি বিয়াদিহিল মুলকু, ওয়া হুয়া 'আলা কুল্লি
শাইইন কাদির।

অর্থ:
“বরকতময় সেই সত্তা, যার হাতে রাজত্ব এবং তিনি
সর্বশক্তিমান।”

আমল করার পদ্ধতি :
১. প্রতিদিন দোকান বন্ধ করার আগে একবার সূরা মুলক
পড়বেন।
২. পড়ার সময় মনে করবেন, রিজিক একমাত্র আল্লাহর
কাছ থেকেই আসে।
৩. শেষে দু'হাত তুলে দোয়া করবেন—
“হে আল্লাহ, আমার রিজিক হালাল ও বরকতময় করুন।

রেফারেন্স:
নবী করিম বলেছেন—
“যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা মুলক পড়ে, আল্লাহ তাকে
কবরের শাস্তি থেকে রক্ষা করেন।” - (তিরমিজি: ২৮৯২)

ফায়দা:
রিজিকে বরকত আসে
জীবিকার পথে নিরাপত্তা থাকে
মনের দুশ্চিন্তা কমে যায়

২. আল্লাহর নাম – ইয়া রাজ্জাক
আরবি:
يَا رَزَّاقُ
উচ্চারণ:
ইয়া রাজ্জাকু

অর্থ:
“হে রিজিকদাতা আল্লাহ।”

আমল করার পদ্ধতি :
১. প্রতিদিন ফজরের পর ৩০৩ বার “ইয়া রাজ্জাক
পড়বেন।
২. পড়ার পর বলবেন— “হে আল্লাহ, আপনি যেভাবে
পাখিদের রিজিক দেন, আমাকেও সেভাবে দিন।”
৩. শুক্রবার সকালে এই নাম পাঠ শেষে সূরা ওয়াকিয়া
পড়লে বরকত বৃদ্ধি পায়৷

রেফারেন্স:
ইমাম গাজ্জালী (রহ.) বলেন— “যে ব্যক্তি ‘ইয়া রাজ্জাক’
নিয়মিত পড়ে, আল্লাহ তার জীবনে রিজিকের প্রশস্ততা দেন।”

ফায়দা:
কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়
আয়ে বরকত আসে
হৃদয় তৃপ্ত হয়

৩. আস্তাগফিরুল্লাহ – রিজিকের দরজা খোলার চাবি
আরবি:
-
أَسْتَغْفِرُ اللهَ رَبِّي مِن كُلِّ ذَنبٍ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ:
আস্তাগফিরুল্লাহা রব্বি মিন কুল্লি যাম্বিন ওয়া আতুবু
ইলাইহ।

অর্থ:
“আমি আমার প্রভুর কাছে সব গুনাহের জন্য ক্ষমা চাই
এবং তাঁর দিকেই ফিরে আসি।”

আমল করার পদ্ধতি :
১. প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় অন্তত ১০০ বার পড়বেন।
২. পড়ার সময় মনে করবেন— “আমার রিজিক আল্লাহর
কাছেই বাঁধা।”
৩. দুশ্চিন্তা বা সংকটের সময় ৩৩ বার পড়লে হৃদয় হালকা
হয়।

রেফারেন্স:
নবী করিম বলেছেন—
“যে নিয়মিত ক্ষমা প্রার্থনা করে, আল্লাহ তার জন্য সংকট
থেকে মুক্তির পথ তৈরি করেন এবং এমন জায়গা থেকে রিজিক দেন যা সে কল্পনাও করতে পারে না।”

(আবু দাউদ: ১৫১৮)

ফায়দা:
অভাব দূর হয়
বরকত আসে
অন্তরে শান্তি ও আশা জন্মায়

শেষ কথা:

রিজিক কখনো শুধু পরিশ্রমে আসে না,
বরকত আসে তাওবা, কৃতজ্ঞতা আর আল্লাহর স্মরণে ।

“যে আল্লাহকে ভয় করে,
আল্লাহ তার জন্য উত্তরণের পথ বের করে দেন
এবং তাকে এমন জায়গা থেকে রিজিক দেন যা সে
কল্পনাও করতে পারে না।”
সূরা আত-তালাক: ২-৩

29/10/2025

দুঃখ ও যন্ত্রণা (কষ্ট, বিপদ, মানসিক ভার) থেকে মুক্তির জন্য কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বহু আয়াত নাজিল করেছেন, যা মানুষকে সান্ত্বনা, ধৈর্য ও আশার বার্তা দেয়।
🕋 ১️⃣ সূরা আশ-শরহ (আল-ইনশিরাহ)
আয়াত ৫-৬:
> فَإِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا ۝ إِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرً!
“নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে রয়েছে স্বস্তি। নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি।”
📖 (সূরা আল-ইনশিরাহ: ৫–৬)

🔹 অর্থ: এই আয়াত আল্লাহ তায়ালা নবী মুহাম্মদ ﷺ-কে (এবং সকল মুমিনকে) জানিয়েছেন যে, কোনো দুঃখ বা যন্ত্রণা স্থায়ী নয়। প্রতিটি কষ্টের পরই আল্লাহ স্বস্তি ও সমাধান দেন।

🕋 ২️⃣ সূরা আল-বাকারা

আয়াত ১৫৫-১৫৭:

> “আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, সম্পদ, জীবন ও ফসলের ক্ষতি দ্বারা। আর ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও—
যারা বিপদে পড়লে বলে: ‘নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য, এবং নিশ্চয়ই আমরা তাঁরই দিকে ফিরে যাব।’
এরাই তারা, যাদের উপর রয়েছে তাদের প্রভুর রহমত ও দয়া, এবং এরাই সৎপথপ্রাপ্ত।”
📖 (সূরা আল-বাকারা: ১৫৫–১৫৭)

🔹 অর্থ: এই আয়াত মানুষকে শেখায় যে দুঃখ-কষ্টে ধৈর্য ধরলে আল্লাহ তাঁর বিশেষ দয়া ও রহমত দান করেন।

🕋 ৩️⃣ সূরা আত-তাওবা

আয়াত ৫১:
> قُل لَّن يُصِيبَنَا إِلَّا مَا كَتَبَ اللَّهُ لَنَا
“বলুন, আমাদের কোনো বিপদই আমাদের গ্রাস করবে না, যা আল্লাহ আমাদের জন্য নির্ধারণ করেননি।”
📖 (সূরা আত-তাওবা: ৫১)

🔹 অর্থ: এই আয়াত মানুষকে আল্লাহর তাকদিরের উপর পূর্ণ ভরসা রাখতে শিক্ষা দেয়।

🕋 ৪️⃣ সূরা আয-যুমার

আয়াত ৫৩:
> قُلْ يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَىٰ أَنفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِن رَّحْمَةِ اللَّهِ
“বলুন, হে আমার বান্দাগণ যারা নিজেদের প্রতি সীমালঙ্ঘন করেছে! তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না।”
📖 (সূরা আয-যুমার: ৫৩)

🔹 অর্থ: এই আয়াত মানুষকে দুঃখ ও অপরাধবোধ থেকে মুক্তি দিয়ে আল্লাহর অসীম দয়ার আশায় ফিরিয়ে আনে।

সারসংক্ষেপ 💫
দুঃখ ও যন্ত্রণার সময়ে কুরআনের বার্তা হলো:
> ধৈর্য ধরো, আল্লাহর উপর ভরসা রাখো, এবং মনে রেখো—প্রতিটি কষ্টের পরেই আসে প্রশান্তি ও মুক্তি।

©সংগৃহীত

এখন আর আমার চুল ই পড়ে না। ৩/৪/৫ টা পড়ে মাত্র দিনে। আমার চুলে তেল দিয়ে দেয়ার মানুষটা নাই আজকে প্রায় তিন মাস। কিভাবে ...
19/10/2025

এখন আর আমার চুল ই পড়ে না। ৩/৪/৫ টা পড়ে মাত্র দিনে। আমার চুলে তেল দিয়ে দেয়ার মানুষটা নাই আজকে প্রায় তিন মাস। কিভাবে চুল পড়া কমলো তা শেয়ার করার ইচ্ছা ছিল কিন্তু আমার আম্মু মারা যাওয়ায় আমি অনেকদিন পেইজে কোন পোস্ট দেইনি।

সংক্ষেপে বলে দিচ্ছি আমার চুল পড়া কমার উপায় :
১. সপ্তাহে ২ বার অন্তত চুলে তেল দিয়েছি। মহাশংকর তেল নিয়েছিলাম RJ Fashion & Jewellery পেইজ থেকে।
২. তেল দেয়ার ২ ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করেছি। Sunsilk hair fall solution এটাও নিয়েছিলাম ওই একই পেইজ থেকে।
৩. কিছুদিন হেয়ার ড্রায়ার ইউজ করা বন্ধ রেখেছিলাম।
৪. সবচেয়ে ইফেক্টিভ উপায় - চুলে নিম পাতা বাটা লাগিয়েছিলাম। একদিন ঘণ্টা খানিক দিয়ে রেখে শ্যাম্পু করে ফেলেছিলাম। একদিন দেয়ার পরেই ড্রামাটিক চেঞ্জ দেখতে পাই যা ছবিতে আছে। এই বুদ্ধিটা আমার শ্বাশুড়ি মায়ের। উনার বুদ্ধিটাই সবচেয়ে বেশি কাজে দিয়েছে।

আপাতত আমি এখন আর কোন যত্ন নিচ্ছি না তবু আমার চুল আর পড়ছে না আল্লাহর রহমতে। আপনারা ১,২,৩ নাম্বার ফলো করেন আর না করেন ৪ নাম্বার টা ফলো করতে ভুলবেন না। আমি উপকার পেয়েছি, আশা করছি আপনাদের ও উপকার হবে। উপকার পেলে জানাবেন। আর সবাই আমার আব্বু আম্মুর জন্যে অনেক অনেক দোয়া করবেন।

উমরার লাগেজে কী কী নিবেন তার একটা লিস্ট দিচ্ছি।⚠️ - এই চিহ্ন দেয়া কোনোটাই স্কিপ করবেন না, বাকিগুলোর কোনোটা মন চাইলে স্কি...
17/10/2025

উমরার লাগেজে কী কী নিবেন তার একটা লিস্ট দিচ্ছি।
⚠️ - এই চিহ্ন দেয়া কোনোটাই স্কিপ করবেন না, বাকিগুলোর কোনোটা মন চাইলে স্কিপ করতে পারেন।

‼️শুরুতেই বলে রাখি ছুরি/কেচি হ্যান্ড ব্যাগে নিবেন না ভুলেও, এয়ারপোর্টে রেখে দিবে। লাগেজে নিবেন এসব।

⚠️ গন্ধ-মুক্ত সাবান-শ্যাম্পু : শুধুমাত্র ইহরামের আগে ইউজের জন্য। বাকি সময় এটা লাগবে না।

⚠️ 3 pin plug, পাওয়ার ব্যাংক 20000 mAh, air buds

🟣 বোরকা, হিজাব, নিকাব, জুতা-মোজা, থ্রিপিস, খিমার, নামাজের হিজাব।

🟤 পেস্ট মিনিপ্যাক, ব্রাশ,চিরুনি, নেইল কাটার, হ্যান্ডওয়াশ, মাথার ব্যান্ড ২-৩টা, সাবান/বডি ওয়াশ অল্প পরিমাণে, শ্যাম্পু মিনি প্যাক বা ট্রাভেল বোতলে অল্প পরিমাণ।

⚠️ ক্রিম, রোল অন, অলিভ অয়েল, লোশন, ভেজলিন, সানস্ক্রিন, সানগ্লাস, সান ক্যাপ, ছাতা, বালিশের কভার, সিঙ্গেল ১টা কাথা, পাতলা জায়নামাজ।

⚠️ কেটলি, হেয়ার ড্রায়ার।
আর কেউ হোটেল রুমে নিজে কিছু রান্না করে ইন্সট্যান্ট খেতে চাইলে সাথে ট্রাভেল কুকার সাথে আনতে পারেন।

🟢 টুথপিক, সুই-সুতা, রশি, ৬-৭টা হ্যাঙ্গার, কাপড়ের ক্লিপ। কাপড় ধোয়ার ওয়াশিং পাউডার।

⚠️ প্রয়োজনীয় ঔষধপত্র, রেগুলার চেকআপের প্রেসক্রিপশন। আর অবশ্যই ব্যথার মলম, নাপা, গ্যাস্ট্রিকের ট্যাবলেট, পেট খারাপের ট্যাবলেট, স্যালাইন, গ্লুকোজও নিবেন। এগুলো বারবার লাগে!

⚠️ শুকনো খাবার নিবেন বেশি করে।
আমি চিড়া ভাজা, খেজুর, পাউরুটি, কেক, বিস্কুট, বাকরখানি, স্টারশিপ- আমি এসব এনেছি নিজের পছন্দমতো। যা খাওয়ার অভ্যাস নেই অন্যদের কথায় সেসব নিয়ে অযথা লাগেজ ভারী করবেন না।

🟢 ফোল্ডিং মোড়া/টুল নিতে পারেন। আমি এটা নিয়েছি। অনেক কাজে দেয় এটা।

🟣 ছোট কেচি, চাকু - অবশ্যই লাগেজে নিবেন, হ্যান্ডব্যাগে না! তাহলে এয়ারপোর্টে চেকিংয়ের সময় রেখে দিবে।

⚠️ একটা প্লেট, সামান্য পরিমাণ লবণ, গ্লাস/মগ।

⚠️নরম স্যান্ডেল ২/৩ জোড়া। আর চশমা ২-৩টা।
কারণ হারাম শরীফে হাটতে হাটতে কখনও জুতা হারায়, কখনও ছিড়ে যায়, কখনও চশমা পড়ে হারায় বা ভেঙে যায়।

⚠️ স্যালাইন, গ্লুকোজ - যারা উইক/প্রেসার কম থাকে তাদের রেগুলার স্যালাইন বা গ্লুকোজ খেতে হয় বেশি হাটাহাটি করে শরীর ক্লান্ত হবার কারণে। সেইসাথে খেজুরও।

🟢 ১টা বড় সাইজের হ্যান্ডব্যাগ, ১টা ব্যাগপ্যাক।
আর গলায় ঝুলানোর জন্য একটা মিনি ব্যাগ রাখতে পারেন যেটায় টাকা, ফোন আর পাসপোর্ট, ভিসা রাখতে পারবেন। ভীড়ের মধ্যে বড় ব্যাগ বারবার খোলা ঝামেলার।

🟣 বড় সাইজের লাগেজ - আসার সময় জিনিস বাড়ে কেনাকাটা করলে তাই লাগেজ বড় হলে সুবিধা।

🔴 পলি রাখতে পারেন সাথে, বিভিন্ন কাজে লাগে এখানে।

আপাতত এগুলোই, পরে আরোও মনে পড়লে এডিট করে দিব। কপি না করে শেয়ার করতে পারেন।

Post credit : Mehejabin Binte ahmed

দরুদ ও ইস্তেগফার পড়ার কিছু কার্যকরী টিপস:দরুদ ও ইস্তেগফার এর ফজিলত সম্পর্কে মোটামুটি আমাদের সবারই ধারনা আছে আশা করি, দরু...
23/09/2025

দরুদ ও ইস্তেগফার পড়ার কিছু কার্যকরী টিপস:
দরুদ ও ইস্তেগফার এর ফজিলত সম্পর্কে মোটামুটি আমাদের সবারই ধারনা আছে আশা করি, দরুদ ও ইস্তেগফার এর অসম্ভাব্য শক্তি নিয়ে অন্যদিন লিখব,আজ সহজে আমল করার মত কিছু টিপস লিখে যাচ্ছি ঈংশা-আল্লহ।

📌 মূল টিপসঃ ১ম দিকে ধরে নিন আপনি প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০০+ দরুদ ও ১০০০+ ইস্তেগফার নিজের আমলনামায় জমাবেন। এবার প্ল্যান করুন এত ব্যাস্ততার মাঝেও এটা কিভাবে সম্ভব।

🌻প্ল্যান ১ঃ আপনি চলতে ফিরতে, বাসে ট্রেনে প্লেনে যেখানে যে অবস্থায় আছেন জিকির জারি রাখুন। শুধু মাত্র টয়লেট ছাড়া সব খানে সকল অবস্থাতেই আপনি জিকির চালিয়ে যেতে পারেন। গণনার জন্য নিজের হাত ব্যবহার করুন; ২ হাতের কর দিয়ে গণনা করলে ২০+২০=৪০ হয়ে গেল,এবার ২ হাতের আঙ্গুল ১০ টায় তাসবিহ পড়ুন তাহলে ৫০ হয়ে গেল। মানে ৫০ বার=১ সেট ভেবে নিন তাহলে এভাবে ২০ সেট তাসবিহ পড়লেই আপনার ১০০০ হয়ে গেল, যেন কম না হয় এই সতর্কতায় আরো কিছু বেশি পড়লেন। যদি একাগ্রতার সাথে পড়েন তবে ২/৩ মিন এ ১০০ সব চেয়ে ছোট *দরুদ (সঃ)* বা সব চেয়ে ছোট ইস্তেগফার *আস্তাগফিরুল্লাহ* পরা সম্ভব।

🌻প্ল্যান ২ঃ আপনি রান্নাবান্না বা এমন কাজে ব্যাস্ত থাকেন যে আপনি হাতের আঙ্গুলেত কর গুনে পড়তে পারছেন না। সমস্যা নেই, আপনি ঘড়ির টাইম দেখে নিন, এবার সুন্দর ও ধীরস্থির ভাবে শুদ্ধ করে ১০০ বার দরুদ বা ইস্তেগফার পড়তে কয়মিনিট সময় লাগলো সেটা দেখে নিন। ব্যাস হয়ে গেল, এবার আপনি আপনার কাজ করতে থাকুন আর ঘড়ির টাইম দেখে নিন ১০০০+ হতে আপনার বর্তমান টাইম থেকে কত টাইম পর্যন্ত পড়তে হবে,সতর্কতার জন্য তার থেকে ৩/৪ মিন বেশি পড়ুন হয়ে গেল।

🌻প্ল্যান ৩ঃ পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের আগে টার্গেট রাখবেন মিনিমাম ১০০ করে দরুদ ও ইস্তেগফার পরে নিবেন,ও সলাতের পরে ১০০ করে পড়বেন। কোন কারনে সলাতের আগে ১০০ করে পড়া সম্ভব না হলে যা বাঁকি থাকবে সলাতের পর সেটা পূরন করে তবেই নামাজের যাইগা থেকে সরবেন। প্রবল ইচ্ছাই একমাত্র আপনাকে সাক্সেস করতে পারে।

🌻প্ল্যান ৪ঃ ফজর ও মাগরীবের নামাজ পর ১৫ মিন করে এক্সট্রা সময় নিন নিজের জন্য। ফজর নামাজ শেষে ১৫ মিন সময় নিয়ে দরুদ শেষ করুন, মাগরীবের পর ১৫ মিন সময় নিয়ে ইস্তেগফার শেষ করুন।*

🌻প্ল্যান ৫ঃ নিজে আমল করুন,সেই সাথে কমপক্ষে ৫/৭ জন মানুষ কে এই আমলে আগ্রহী করুন। আপনার আহবানে যদি তাদের কেও এই আমল করে আপনিও পাবেন তাদের আমলের সমষ্টির সমান,কিন্ত তাদের আমলের কোন কমতি করা হবেনা। অর্থাৎ আপনি সারাদিনে যদি ১০০০+ দরুদ পড়েন, আরো ৩ জন ও ১০০০+ করে পরে তবে আপনি তাদের সওয়াব ৩০০০+ পাবেন ফ্রী তে,আর আপনার নিজের টা তো আছেই। সুন্দর না বেপার টা...!!

[সুরা আন-নিসাঃ৮৫, সহীহ মুসলিম ৬৬৯৭ ও আবু দাউদ ৪৬০৯।]
#সংগৃহীত

– এক লোক প্রচুর কুরআন পড়ত। কুরআন নিয়েই ডুবে থাকতে ভালবাসত। কিন্তু কেন যেন কুরআনের কিছুই সে মুখস্থ রাখতে পারত না। একদি...
24/08/2025

– এক লোক প্রচুর কুরআন পড়ত। কুরআন নিয়েই ডুবে থাকতে ভালবাসত। কিন্তু কেন যেন কুরআনের কিছুই সে মুখস্থ রাখতে পারত না। একদিন লোকটির ছোট ছেলে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলল, 'বাবা, আপনি যে এত কুরআন পড়েন, কিছুই তো মনে রাখতে পারেন না।
এতে কী লাভ হচ্ছে ??
— তোমার এই প্রশ্নের উত্তরটা দিবো। তার আগে এক কাজ করো, তুমি এই বেতের ঝুড়িটা সমুদ্র তীরে নিয়ে যাও এবং পানি ভরে নিয়ে আসো।
— এটা তো বেতের তৈরি, পানি কীভাবে ধরবে?
— আহা, চেষ্টা করে দেখো না!
সাধারণত কয়লা আনা-নেওয়ার কাজে তারা এই ঝুড়ি ব্যবহার করে। তবুও বাবার কথায় ছেলেটি ঝুড়ি নিয়ে তীরে গেল এবং পানি ভরল। কিন্তু বাড়ি ফিরে আসতে আসতে সব পানি পথেই শেষ। পড়তে পড়তে একদম খালি হয়ে গেছে।
'দেখলেন ? কোনো লাভ হলো ?
পানি একটুও বাঁচেনি।' ছেলে আফসোস নিয়ে বলল।
লোকটি আশ্বাস দিলো, 'চেষ্টা চালিয়ে যাও সোনা। আরও কয়েকবার চেষ্টা করো।'
এভাবে দুইবার, তিনবার, চারবার, সবশেষে পাঁচবার পর্যন্ত চেষ্টা করল ছেলেটি। কিন্তু এক মুঠো পানিও আনতে পারল না। অবশেষে হাল ছেড়ে দিয়ে বাবাকে বলল, 'এই ঝুড়ি দিয়ে আমার পক্ষে পানি আনা অসম্ভব।'
এবার লোকটি শান্ত গলায় বলল, 'আচ্ছা, তবে তুমি কি ঝুড়িটার ভিতরের দিকে খেয়াল করেছ?
ভিতরের অবস্থার কোনো পরিবর্তন দেখেছ?'
— হ্যাঁ, এটা পানি ধরে রাখতে না পারলেও বার বার পানি ভরার কারণে কয়লার ময়লাগুলো সাফ হয়ে গেছে। ভিতরটা বেশ পরিষ্কার দেখাচ্ছে এখন।
— ঠিক ধরেছ। এবার বলি, কুরআনও ঠিক এই কাজটাই করে তোমার অন্তরের ভিতরে। দুনিয়ার পেছনে ছুটতে ছুটতে তোমার অন্তর যখন কলুষিত হয়ে পড়ে, তখন কুরআন সমুদ্রের পানির মতোই তোমাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে দেয়। অন্তরে মুখস্থ রাখতে না পারলেও সে তোমাকে পবিত্র করে দেয়। (আলহামদুলিল্লাহ)

বাবারে, একটা কথা মনে রেখো, কুরআনের প্রথম অবতীর্ণ আয়াত হলো 'পড়ো'।
কাজেই মুখস্থ করতে না পারার কারণে শয়তান যেন তোমাকে ধোঁকায় না ফেলে, কুরআন পড়া থেকে দূরে সরিয়ে দিতে না পারে।

সংগৃহীত
Sabr-সবর

Can't hold back my tears!!!
23/07/2025

Can't hold back my tears!!!

Omanush na chinle chine nin, dekhe rakhun omanush dekhte kemon hoy!
22/07/2025

Omanush na chinle chine nin, dekhe rakhun omanush dekhte kemon hoy!

22/07/2025

এই ট্র্যাজেডি যেন জাহান্নামের এক ক্ষণিক ঝলক…

এক ভাইয়ের লেখা,বাস্তবতা কতটা ভয়ংকর ছিল,
আমরা বাইরে থেকে যতটুকু দেখেছি, ওরা ভেতরে যা দেখেছে সেটা কল্পনারও বাইরে।

মৃত্যুর সংখ্যা ১২০+ (প্রতক্ষ্যদর্শী)

২ তালা ভবন
— ১ম তলায় ৩য়,৪র্থ,৫ম শ্রেণি
— ২য় তলায় ৬ষ্ঠ,৭ম,৮ম শ্রেণি

আমি কোন ক্লাসরুমে ঢুকিনি যেন এক উত্তপ্ত কয়লার বাগারে ঢুকেছিলাম... ক্লাসের ঢুকার রাস্তায় বিমানের ধংসাবশেষ পড়ে বন্ধ... জানালা একটি— ভিতরে ৩০+ শিক্ষার্থী বেঞ্চে বসে...দেহ অর্ধ গলিত অবস্থায়...কেউ হাত নাড়ায় আর কেউ মাথা... এক সেনা সদস্য বাহিরে দিয়ে গ্রিল ভাঙ্গবার কথা বলা মাত্র ফায়ার সার্ভিসের কয়েকজন মিলে গ্রিল ভাঙ্গা শুরু করি.... কয়েকজনের হাত জানালার গ্রিলে ছিল (কারণ তারা বের হবার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে ছিল) কিন্তু আগুনের উত্তপ্তার কাছে জীবন দিতে হল তাদের...

জানালার গ্রিল ভাঙ্গবার সময় পাশে থাকার ২ জন সেনাসদস্য কাদঁছিল আর বলছিল, "এইযে মা !!! এইযে মা হয়ে গেসে আরেকটু এরপরই বের হতে পারবা " বলে বলে অজস্র কান্নায় ভেঙ্গে পড়তে দেখছি... হাত কাপছিল বাচ্চাগুলার মুখ দেখা মাত্র... বালতি দিয়ে নিচ থেকে পানি আনতে গেলে উপরে শব্দ পাই গ্রিল ভাঙ্গসে... ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এক এক করে ঢুকে গেল আমাদের মাক্স ছিল না তাই মানা করসে আমরাও মানা শুনে ঢুকার সাহস করিনি... মাথা ঝিম খাওয়া ছিল, হাত কাপছিল আর হার্টবিট প্রচুর ফাস্ট হয়েগিয়েছিল... শুধু দেখলাম ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা বাচ্চা গুলোর হাত ধরে তুলতে গিয়ে হাত সাথে এসে পরতেসে আহহহহহহহহ.... নিজেকে ঐ সময় কিভাবে ঠিক রাখতে পেরেছিলাম তাই ভাবছি...

সমাজের কিছু শুয়োরের বাচ্চার সাথেও দেখা হইসে যারা আহত কিন্তু সুস্থ অবস্থায় হেটে হেটে প্রথম ধাপে বের হইসে তাদের ভিডিও করছিল আর "আল্লাহ" "ইসসস" "আল্লাহ" করছিল... মূলত এদের সাথে সেনা সদস্যদের হাতাহাতিই দেখতে পেরেছেন হয়তো... এদের এইসব কর্মকান্ডের জন্য আর সারাক্ষণ বিভিন্ন পয়েন্টে মারামারি দেখতে পাইসি এবং আমার মতে উচিত হয়েছে....

— হে আল্লাহ!!!, " তুমি এরকম পরিস্থিতি আর বাংলাদেশের বুকেঁ না নামাও...আজ যত নিরীহ প্রাণ গুলো নিহত হয়েছে তারা শহীদ...জান্নাতের সর্বোচ্চ মকামে ওদের রেখো আর এই "বাংলাদেশ"কে এরকম আপদকালীন সমস্যাগুলো থেকে বের করার জন্য যা যা প্রয়োজন তা দিয়ে সমৃদ্ধশালী কর আর যারা এই দেশকে সমৃদ্ধশালী হওয়ায় বাধা হয়ে দাঁড়ায় তাদের উপর গজব নাযিল কর... আমিন

উত্তরা মাইলেস্টন কলেজ বিমান বিধ্বস্ত দূর্ঘটনা
২১/০৭/২০২৫ ; দেশের পাতার এক নির্মম কালো অধ্যায়।

একটা প্লেন বিধ্বস্ত হলো…হাসপাতালের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মাত্র একটা ম্যাসেজ…‘Emergency at Diabari. All who are near, please...
21/07/2025

একটা প্লেন বিধ্বস্ত হলো…
হাসপাতালের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মাত্র একটা ম্যাসেজ…
‘Emergency at Diabari. All who are near, please attend.’
তারপর দেখা গেলো—কে ছুটিতে, কে বাসায়, কে ক্লান্ত ডিউটির পর বিশ্রামে—সব ভুলে
যে যেভাবে পেরেছে ছুটে এসেছে রোগীদের পাশে।

বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ডাক্তারদের এই দৃশ্য গর্ব করার মতো।
কেউ বলে নাই, "আমি ছুটিতে", কেউ বলে নাই, "আজ আমার অফিস নাই"।
সবাই শুধু একটা কথাই বলেছে—"I’m on the way."

এইটাই ডাক্তার নামের আসল পরিচয়।
মানুষের বিপদে ছুটে আসা, নিঃস্বার্থভাবে পাশে দাঁড়ানো।

স্যালুট টু আওয়ার ডক্টরস।
এসব গল্পগুলো সবসময় আড়ালেই থাকে।
ফুটেজখোর বিদেশ থেকে ডাঃ নিয়ে আসতে চায়, অথচ ডাক্তারদের প্রয়োজনীয় উপকরণ দেয়না।

এইদেশের যেকোনো ক্যাজুয়ালটি tackle দেয় সামনে থেকে ডাঃ, নার্সরা। এদের মূল্যায়ন হয় না।
কারণ ডাক্তাররা ক্রেডিটকোর না, ডাক্তাররা কাজ করে, ফটকাবাজি, চাপাবাজীর টাইম তাঁদের হাতে থাকে না।

জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউট এর চিকিৎসকরা মাস ক্যাজুয়ালটি ম্যানেজ করতে কিছুটা হলেও অভ্যস্ত। কিন্ত আজ আমরা যে অভিজ্ঞতার মুখোম...
21/07/2025

জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউট এর চিকিৎসকরা মাস ক্যাজুয়ালটি ম্যানেজ করতে কিছুটা হলেও অভ্যস্ত। কিন্ত আজ আমরা যে অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছি, তার সাইকোলজিকাল ট্রমা আমরা কতদিনে কাটিয়ে উঠতে পারব, জানিনা।
খবর পাওয়ার পরেই অফিসিয়াল হোযাটসঅ্যাপ গ্রুপে সকলকে নোটিশ করা হয়। এরপরের রেসপন্স এর একটা স্ক্রিনশট দিলাম, সবাই ইনস্ট্যান্ট হাসপাতালে রওয়ানা হয়ে আসছে।
আমাদের সকল চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ড বয় যাঁরা হাসপাতালের বাইরে ছিলেন, এমনকি যারা ছুটিতে ছিলেন, তারাও চলে এসেছেন। কয়েকটা বাচ্চার সিভি লাইন করলাম, তার মধ্য দুজন আমার রামিন এর বয়সী। পুড়ে যাওয়া মুখমন্ডল আর ক্ষণে ক্ষণে পানি পানি বলে বিলাপ নিতে পারছিলাম না।

বিভিন্ন হাসপাতালের অনেকেই ফোন করে সাপোর্ট লাগবে কিনা জানতে চেয়েছেন, সবার কাছে কৃতজ্ঞতা ।

বার্ন পেশেন্ট এর শ্বাসনালী পুড়ে যাওয়া হচ্ছে ভয়ের কথা। অনেকেরই এমন ইনহেলেসনাল ইঞ্জরি হয়েছে।
যারা বেঁচে আছেন তাদের বার্ন পরবর্তি ইনফেকশন হচ্ছে মেইন কনসার্ন। আরেকটা ছবি দিচ্ছি, দেখেন। সারাদিন না খেয়ে খাটা খাটনি করে এরপর বের হওয়ার সময় মেইন গেটে দেখি বিরাট জটলা। উনার সবাই সাংবাদিক, সবাই ভিতরে ঢুকবেন, ছবি, ভিডিও নিবেন। কিন্তু আমাদের আনসার সদস্যরা বাঁধা দিচ্ছিল।
এতজন সাংবাদিক ভাই যদি হাসপাতালে ঢুকে ঘুরতে থাকেন বিভিন্ন জায়গায়, তাহলে ইনফেকশন কন্ট্রোলের কি অবস্থা হবে সেটা বলাই বাহুল্য।

আর বের হয়ে রাস্তায় দেখি অনেক মানুষ, এদের অনেকেই রক্ত দিতে এসেছেন। কিন্তু বার্ন পেশেন্ট এর প্রথম দিনেই রক্ত দরকার নেই। ধীরে ধীরে পরে লাগে রক্ত। তাই রক্ত দেয়ার জন্য সবাই ভিড় না করাটাই ভালো।

আল্লাহ আমাদের এই শোক সইবার শক্তি দান করুন।

লিখা:
ডা.নাজমুল আহসান সিদ্দিকী রুবেল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ

Address

Mirpur
1212

Opening Hours

Monday 08:00 - 00:00
Tuesday 08:00 - 00:00
Wednesday 08:00 - 00:00
Thursday 08:00 - 00:00
Friday 08:00 - 00:00
Saturday 08:00 - 00:00
Sunday 08:00 - 00:00

Telephone

+8801701000587

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আদ্যন্ত - Adyonto posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share