21/06/2022
আসসালামু আলাইকুম,
সোস্যাল মিডিয়ায় জনাব মিলন স্যারকে নিয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর আমি ব্যাখা করতে চাই ইভ্যালির সম্মানিত মার্চেন্ট এবং ভোক্তাদের নিকট।
জনাব রাসেল দম্পতি দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রায় ৮০ লক্ষ প্রডাক্ট ডেলিভারি দিয়েছেন, যা বাংলাদেশ তথা বিশ্বের মানচিত্রে ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রিতে বিরল ঘটনা। যারা প্রডাক্ট গুলো ডেলিভারি পেয়েছেন সে গুলোর ৫% ছবি তুলে সোস্যাল মিডিয়ায় পজেটিভ রিভিউ দিলে ইভ্যালির সব নেগেটিভ নিউজ ভেসে যাবে।
ইভ্যালির প্রডাক্ট ডেলিভারির প্রমান কুরিয়ার কোম্পানি গুলোতে খবর নিলে পাওয়া যাবে, এখানে লোকচুরির কিছুই নাই।
অথচ অল্প কিছু সংখ্যক প্রডাক্ট ডেলিভারি পেন্ডিং থাকার কারণে কয়েক জন ভোক্তার অভিযোগের জন্য জনাব রাসেল দম্পতি কে এরেস্ট করা হয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং দেশীও উদ্যেক্তা সৃষ্টির পরিপন্থী। অদূরদর্শী সম্পন্ন বা নাম মাত্র এস্কো সিস্টেম চালু করে পুরো ই-কমার্স সেক্টরে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে, কিন্তু যুগোপযোগী এস্কো সিস্টেম চালু হলে ভালো দেশীয় উদ্যেক্তাদের আজ এতো বড় চরম মূল্য দিতে হতো না। পুরো বিষয়টি এক ধরণের সমন্বয় হীনতা এবং ভুল বুঝাবুঝি তৈরিই ছিলো কিছু বিপদগামী মানুষের মূল উদ্দেশ্য, তাতে তাদের স্বার্থ হাসিলের সহজ রাস্তা তৈরি হয়েছে।
আমাদের বিশ্বাস ছিলো এবং আছে জনাব রাসেল দম্পতি সুযোগ পেলে ব্যবসা পরিচালনা করে এবং বিনিয়োগের ব্যবস্থা করে সময় নিয়ে হলেও আমাদের বকেয়া পণ্য ডেলিভারি দিতে সক্ষম হবেন।
মহামান্য হাইকোর্ট গঠিত পরিচালনা পর্ষদের একজন হিসাবে বর্তমানে জনাব মিলন স্যার ইভ্যালির এমডি হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। জনাব মিলনের সততা নিষ্ঠা এবং একাগ্রতার কারণে দায়িত্ব পালনের শুরু থেকে দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যবসা সচল করতে মার্চেন্ট ভোক্তাদের আশা আকাঙ্ক্ষা জাগ্রত হয় এবং স্বপ্ন দেখতে থাকে। বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে দেশ এবং দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে জনাব মিলন সাহেব ইভ্যালিকে সচল করার প্রাণপন চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
কিন্তু বিষয়টিতে কমিটির অন্য সদস্য থাকায় এবং আইনি প্রক্রিয়া মধ্যে অগ্রসর মান হওয়ায় উনার সদিচ্ছা থাকা সত্তেও দ্রুত কিছু করতে পারছেন না। কমিটির অন্য সদস্যবৃন্দ নেগেটিভ মতামত ব্যক্ত করার পরও জনাব মিলন সর্বাত্তক ভাবে বোঝানোর চেষ্টা করছেন ইভ্যালিকে ব্যবসায়িক ভাবে সচল করতে এবং দৃঢ় প্রতিজ্ঞবদ্ধ।
সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ার হস্তান্তরে বিলম্ব হচ্ছে সংবাদে মার্চেন্ট ভোক্তারা বিচলিত এবং ক্ষুব্ধ হয়। তাতে জনাব মিলন কিছু কমেন্ট এবং মতামতের প্রতি বিরক্তি ভাব প্রকাশ করেন, যা হয়ত এক ধরনের ভুল বুঝাবুঝি এবং সমন্বয় হীনতাও বটে। আশা করি সামনের দিন গুলোতে এই ধরনের পুনরাবৃত্তি হবে না।
আমরা জনাব মিলন সাহেব এবং পরিচালনা পর্ষদের অন্য সদস্যদের উপর আশাবাদী, খুব তাড়াতাড়ি জনাব মিলনের নেতৃত্বে জনাব রাসেল দম্পতিকে সাথে নিয়ে ইভ্যালির ব্যবসায়িক কার্যক্রম সচল করে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।
আমাদের বিশ্বাস মহামান্য হাইকোর্ট এবং বর্তমান কমিটি লক্ষ লক্ষ ভোক্তা এবং হাজার হাজার মার্চেন্টের চাওয়ার প্রতি দয়াশীল হবেন, ধন্যবাদ সবাইকে।