Jewellery Accessories BD

Jewellery Accessories BD It is a trusted shop.
(4)

Where you can get all kind off accessories item to make handmade jewellery.Handicrafts making accessories to make home decore things.We provide both online and spot purchase service.

24/06/2026
24/06/2026
মেয়েটা আমার মিরপুরের  দোকানে  জব করেছে বছর খানেকের কাছাকাছি হবে৷ ওদের আমি কোনো স্পেশাল সুযোগ সুবিধা দেইনি। অন্য সবার মতই...
22/06/2026

মেয়েটা আমার মিরপুরের দোকানে জব করেছে বছর খানেকের কাছাকাছি হবে৷
ওদের আমি কোনো স্পেশাল সুযোগ সুবিধা দেইনি। অন্য সবার মতই বেতন দিয়েছি আর যতটুকু পেরেছি নিজের সাধ্যমত মাঝেমাঝে কিছু আপ্যায়নের ব্যবস্থা করেছি এছাড়া আর কিছুনা।
তারপরেও খুশি ছিলো।

কথা হলো স্টাফ যদি চুরির সুযোগ না খোঁজে তাহলে ওনারের উপর অখুশি থাকার মত খুব বেশি কারন থাকেনা৷ সেটা যে কোনো দোকানেই হোক৷

আমার দোকানের কর্মচারী আমার দোকান থেকে যেয়ে বিজনেস  শুরু করেছে৷ করুক সেটা আমার মাথা ব্যাথা না৷ এমন বহু আছে, জব ছেড়ে নিজেই...
22/06/2026

আমার দোকানের কর্মচারী আমার দোকান থেকে যেয়ে বিজনেস শুরু করেছে৷ করুক সেটা আমার মাথা ব্যাথা না৷ এমন বহু আছে, জব ছেড়ে নিজেই সেই বিজনেস শুরু করে কিন্তু নিজে বিজনেসে সুবিধা করার জন্য তার পূর্বের চাকরির দোকান ওনার সম্পর্কে বাজে ভাবে বদনাম ছড়ায় এমন কয়জন করে??

এই মেয়ে তার চুরি ঢাকতে একটার পর একটা কথা বলেই যাচ্ছে৷আমি স্টাডি ভিসায় দেশের বাইরে যেতে চাচ্ছিলাম স্পাউস ভিসায় না৷ সব ডকুমেন্টস আপলোড করেছি৷
প্রথমত আমি এপ্লিকেশন করেছিলাম ইতালিতে৷ সে বানালো আমি অ্যামিরিকায় যাচ্ছিলাম।আমি এপ্লিকেশন করেছিলাম স্টাডি পারপাসে সে বানালো আমি স্পাউস ভিসায় যেতে চাচ্ছিলাম।
যখন আমার ভিজা রিজেক্ট হলো তখন তার সুবিধা শেষ। এরপর শুরু হলো আমার বিজনেসের পিছনে লাগা৷

এই মিথ্যুকের একটার পর একটা বানানো মিথ্যাচারের অংশ হলো আমার বিজনেস নিয়ে।আমার বিজনেস চালানোর খরচ আমার সব খরচ না কি আমার বয় ফ্রেন্ড বিদেশ থেকে আমার ব্যাংক একাউন্টে পাঠায়৷
আমার কোন পাতানো ভাইয়া বিদেশ থেকে টাকা পাঠায় আর আমি বিজনেস করি৷
আমি সকলের উদ্দেশ্যে জানাতে চাই আমি ২০১৯ থেকে জব এবং বিজনেস এক সাথে করেছি৷ ২০২১ এ জব ছেড়ে আমি সম্পূর্ণ সময় দেই আমার বিজনেসে, এক রুম ভাড়া নিয়ে হোম অফিসের মত করি৷ ২০২২ এর জুনে আমি মিরপুরে দোকান ভাড়া নেই।
২০১৯-২০২২ পর্যন্ত বিজনেস করে, ছোটো পরিসরে একটা দোকান নেবার মত টাকা ইনকাম করার জন্য এই সময়টা কি যথেষ্ট নয়???
সব সন্তানই ক্ষুদ্র /বৃহৎ পরিসরে বাবা-মা এর ওয়ারিশ সূত্রে কিছু ভাগ পেয়ে থাকে।আমিও অতি ক্ষুদ্র পরিসরে ওয়ারিশি ভাগ পেয়েছি৷ প্রতিটা বাবা মাই তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী মেয়ের বিয়ের জন্য কিছু অর্থ জমায়।আমার বাবা-মাও তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী ক্ষুদ্র অংকের কিছু অর্থ আমাকে দিয়েছে৷

এখানে যেগুলো উল্লেখ্য করেছি এরপরেও কি আমার বিজনেস করার জন্য পাতানো ভাইয়া লাগে??
যারা বলেন মাল আসছে তাই মার্কেটে মাল কিনতে গেসি তারা মাল আসার কোনো অথেন্টিক সোর্স দিতে পারবেন????

আমি এখানে আমার সম্পর্কে বেশি কিছু ডকুমেন্ট আপলোড করেছি৷আমার সম্পূর্ণ আইডিন্টিটি তুলে ধরেছি৷ আমার ব্যাংক একাউন্টে টাকা চলে আসে যারা এই মেয়ের বলা এই কথাগুলো বিশ্বাস করতেসেন আমি তাদেরকে আমার শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে আমন্ত্রন জানাচ্ছি আপনারা ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চ এর হেল্প নেন।কানে শুনা কথা আর কত বলবেন তা না করে একটু যাচাই করেন।বাংলাদেশের কোনো ব্যাংক থেকে আমি আমার বাকি জীবনে কোনো রেমিটেন্স তুলেছি কি না সেটার প্রমান দেন।
একমাত্র পাঠাও কুরিয়ার ছাড়া আর কোনো সোর্স থেকে আমার ব্যাংক একাউন্টে টাকা আসে কি না সেটাও ইনভেস্টিগেশন করেন৷ আমার বিকাশ একাউন্টে কয় টাকা আসে।আমার বিকাশে, আমার ব্যাংক একাউন্টে টাকা আসে যদি এমন কোনো তথ্য প্রমান করতে পারেন তাহলে আমি বিজনেস ছেড়ে দিবো এটা পাবলিকলি বলে দিলাম৷
কেকে যাবেন চলেন ব্যাংকে নিয়ে যেয়ে গত ৫বছরের স্ট্যাটমেন্ট দেখায়ে নিয়ে আসবো।

আমার স্ট্রাগল দোকানি ভাইয়েরা দেখেছে যাদের থেকে এত বছর ধরে মালপত্র কিনতেসি৷ এর মধ্যে আলাদাভাবে বলতেই হয় হাসান এন্টারপ্রাইস এর টিপু ভাই ও রাকিব এর কথা। সব দোকান থেকে মাল কিনে এদের দোকান ভর্তি করে রাখতাম আমি৷
সব মাল গুছিয়ে বস্তা বাধতাম এদের দোকানে। যথেষ্ট সহযোগীতা করেছে এরা আমাকে যা মানুষ নিজের বোনকে করে।
কখনো সিএনজি, কখনো ভ্যান, কখনো পিকাপ'এ করে মিরপুর পর্যন্ত মাল টেনে নিতাম আমি। আর আপনারা এখন ভাইয়া আবিষ্কার করেন।
পল্টনে আমার অফিস ছিলো৷ লালবাগে বাসা, পথের মাঝে চকবাজার। যাতায়াতের পথে ১০০ টাকার প্রডাক্ট আনতেও আমি চকবাজার যেতাম, তখন ভাইয়া দরকার হয়নাই আমার, এখন ভাইয়ার থেকে টাকা আসা দরকার??

এই মেয়ের সব মিথ্যা সাজানো সেটাতো বোঝা কঠিন কিছনা সে তার বলা কথাকে সত্য বানানোর জন্য আমার বোনের নামও ব্যবহার করেছে।
যেহেতু মিরপুরে আমার বোনের বাসা, তাই আমার সম্পর্কে ওর বলা কথা গুলো যেনো বিশ্বাসযোগ্য হয় সেজন্য ও বলতো আমার বোনই আমার সম্পর্কে বদনাম করেছে৷অথচ যখন আমার বোন জামাই আর ভাই ওর দোকানে গেলো তখন ও সম্পূর্ণ অস্বিকার করেছে যে ও আমার বোন/বোন জামাইকে চেনেনা। আসলে ওর সবটাই মিথ্যা দিয়ে সাজানো।

এই পোষ্ট আমি অতি দীর্ঘ করবোনা৷ পরের পোষ্টে আমি বিস্তারিত লিখবো তার চুড়ির কৌশল আর আমার সাথে আমার কর্মচারীরা কি কি আচরন করেছে৷

যারা ওদের কথা বিশ্বাস করেন তারা পরের পোষ্ট পড়বেন অনুরোধ রইলো৷

22/06/2026

এই মেয়ে বাকি দুইজনকে নিয়ে আমার সাথে যে ধরনের আচরন করেছে তা আর কোনো ওনারের সাথে তার স্টাফরা করে কি না আমার জানা নেই।
আমার কোনো কর্পোরেট অফিস না,একটা দোকান সেটা তারা দেখেই জবে জয়েন করতেসে। আমি দোকান না দেখায়ে, কখনো কোনো মেয়েকে জবের জন্য কনফার্ম করতামনা। কোথায় কাজ করতে হবে সেটা সরাসরি এসে দেখুক তারপর জয়েন করুক আমি সেটাই চাই সবসময়।
যখন আসে তখন তাদের একটা জবই দরকার আর কিছু না।

১০০০০-১১০০০ টাকাও তাদের কাছে অনেক হয়ে যায় তখন৷ এ মাসে জয়েন করে, পরের মাস থেকেই তাদের পুরো আচার আচরন পরিবর্তন হয়ে যায়।তখন শুরু হয় বেতন কম, অথচ কিছু দিন আগেও জবলেস ছিলো৷ তখন শুরু হয় আমি টেবিল চেয়ারে বসি তাদের জন্য কেনো এমন ব্যবস্থা করিনা। তাদের কেনো টুলে বসতে হয়৷ ফ্লোরে বসে কাজ করতে হয়। অথচ আমিও তাদের সাথেই ফ্লোরে বসতেছি, আমারতো সম্মান কমে যাচ্ছেনা৷ পেইজে কাজের জন্য যাকে রাখি তার লেখালেখির কাজ আছে তাই তার জন্যতো বসার ব্যবস্থা রাখি কিন্তু সেলসে+ প্যাকেজিং এই কাজ যারা করবে তাদেরকে কি টেবিল এনে দিবো বসার জন্য???
দোকানে যারা সেলসে কাজ করে তাদের জন্য টেবিল+চেয়ারে বসার ব্যবস্থা কোনকোন জায়গায় থাকে???
আমিতো কোনো পশ প্রডাক্টের বিজনেস করিনা, আমার কাজ এক্সেসোরিজ আইটেম নিয়ে৷

তাদেরকে বলেই রাখি রাত ৮টা-৯টা পর্যন্ত ডিউটি,কাজের উপর নির্ভর করে। অনলাইন অর্ডার না থাকলে, শেষের দিকে দোকানে কাস্টমার না থাকলে কখনোই ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখতাম না।
কুরিয়ার থেকে রাইডার এসে পার্সেল পিক করার পরে যদি অর্ডার হতো তখন আর তাদের মুখের দিকে তাকানো যেতোনা৷ পার্সেলতো পিক করেই ফেলসে তাহলে এখন আবার কেনো অর্ডার নিতে হবে বিল তৈরি করতে হবে, অর্ডারের প্রডাক্ট মিলাতে হবে।
যেদিন পার্সেল রেডি করার জন্য বা দোকানে কাস্টমার থাকার কারনে ৯টা বেজে যেতো বন্ধ করতে সেদিন পুরোপুরি ঝগড়া শুরু করে দিতো ওদের যেতে দেরি হচ্ছে।
আর যেদিন ৮টার আগেই সব কাজ শেষ হয়ে যেতো, কাস্টমারও থাকতোনা শেষের দিকে সেদিন আর তারা ৮টায় উঠতোনা যাবার জন্য তারা দিতোনা।সেদিন আমাকে বলতে হইতো শাটার নামাও ৮টা বাজে বন্ধ করবো। তখনও বসেবসে মোবাইলই চাপতো। এটা কেমন ফাজলামো?
কাজ না থাকলে সেদিন যাবার তারা নেই ৮টা বেজে গেলেও৷ আর যেদিন কাজ থাকে সেদিন যাবার জন্য তাড়াহুড়া।

দুপুরের খাবার নিয়েও এমন করতো।দুপুর শেষ হলেও কেউ লাঞ্চ করতোনা। বিকালের দিকে অনলাইন অর্ডারও বেশি আসতে শুরু করে আর দোকানেও কাস্টমার থাকতো। তখন অভিযোগ করতো আমার দোকানে চাকরি নিয়ে ওরা দুপুরের খাবারটাও সময় মত খেতে পারেনা৷ তখন আমি বলে দিলাম তোমরা ২টা-২:৩০ টা এর মধ্যে লাঞ্চ সেরে ফেলবা। বিকাল হলে কাজের চাপ বাড়ে সেটাতো দেখোই৷ সেটাতেতো সমস্যা আরো বেশি হলো, আমি কি ওদের মাথা কিনে নিসি না কি চাকরি দিয়ে?? দুপুরের খাবার কখন খাবে সেটাও আমি ঠিক করে দিবো???

এখন বলেন শুনি, দুপুরের খাবারের একটা নির্দিষ্ট টাইম করে দেয়া কি অন্যায় কিছু? আমার দোকানে আমি কি এই সময় নির্ধারনের রাইট রাখিনা??
ওদেরকে স্নেহ আমি কম করিনি কিন্তু কখনো ওদের মন জয় করতে পারিনি।ওদের জিজ্ঞাসা করে গিয়ে,ওদের পছন্দের খাবার এনেও ওদের খুশি করতে পারিনি৷এমন কোনো অকেশন নাই যেটাতে ওদের জন্য বাইরের খাবারের ব্যবস্থা করিনি৷ সাথে করে রেস্টুরেন্টে নিয়েও খাওয়াইসি৷
রাতে যেতে দেরি হইলে অনেক দিনই রিকসা ভাড়ার টাকা দিসি৷ মালপত্র আনলে ওরা উঠাতো সেটার জন্যও আলাদা টাকা দিতাম। আর ওই চোরকেতো আমার জুতা, জামাও দিসি।

প্রতি মাসেই ছুটি আছেই৷ ফ্যামিলি ইস্যুজ প্রতি মাসে থাকবেই সবার। ছুটি দিতে না চাইলে বলে বেতন কেটে দিয়েন। একজনে স্টাফের বেতন কেটে দেয়া কি ওনারের জন্য কোনো সমাধান?? কাজ আছে বলেইতো লোক রাখি তাইনা? কাজ না থাকলেতো পয়সা খরচ করে লোক রাখতামনা৷আর এই যে ছুটি গুলো নেয়, না কল করবে না জানাবে। হুটহাট নাই, ফোন বন্ধ যোগাযোগ নাই। কবে আসবে না কি আসবেনা সেটাও জানায়না৷
কিছু বললে ডিরেক্ট বলে বসে আপনি যে আপনার ফ্যামিলির কাজে যান। আমার মা'কে চোখের ডাক্তার দেখাতে নিয়ে গেসি, সেটাও তারা আমাকে বলে আপনার মা'কে নিয়ে যে আপনি ডাক্তার দেখাতে গেলেন, রিপোর্ট নিয়ে কয়দিন দৌড়ালেন৷
আমি কি এই কৈফিয়তও ওদেরকে দিবো??

আমি কি খাই, আমি কি পরি সবকিছুতে ওদের সমস্যা।মানে এমন একটা অবস্থা যে ওরা আমার ফ্যামিলি মেম্বার আমি বাসায় ভালো খাবার রান্না করে ওদের রেখে খেয়ে ফেলতেসি।
সবাই স্টাফ রাখে, বেতন দেয়, স্টাফ দুপুরে কি দিয়ে ভাত খাবে সেটাতো ওনার ঠিক করে দেয়??
আপনাদের যাদের দোকান আছে স্টাফ আছে আপনি দুপুরে যা দিয়ে ভাত খান দোকানে সেটা কি স্টাফদের জন্যও নিয়ে যান??
আপনি যে ড্রেসটা পরেন সেটা স্টাফকেও কিনে দেন না কি ওর বেতন দিয়ে দেন ও কিনে নেয়???
বেতন কত দিবো সেটাতো বলেই রাখতেসি, জেনেই আসতেছে। ওদের বেতন ৩-৫ তারিখের মধ্যে দিচ্ছি কি না সেটা নিয়ে ওরা কথা বলতে পারে সেই রাইট ওদের আছে কিন্তু আমার ইনকাম দিয়ে আমি কি পরবো কি পরবোনা এটা নিয়ে কথা বলার ওরা কে??
আমার ড্রেসের কোনো নির্দিষ্ট পছন্দের যায়গা নেই, রেগুলার পরার ড্রেস আমি যখন যেখান থেকে ইচ্ছা কিনি তাতে ফুটপাথ আর দোকান বাছিনা। কোনো অনুষ্ঠানাদি, ঈদ এই সময় যেকোনো মানুষ রেগুলার ইউজের চেয়ে একটু ভালো মানের ড্রেসই পরে থাকে। এই ক্ষেত্রে অনলাইন থেকে বেশি কিনি৷ ড্রেসের পার্সেল দেখলেই ওদের মাথা খারাপ হয়ে যেতো যেনো আমি মহাপাপ করে ফেলসি ড্রেস কিনে।আর সাথে আলাপতো আছেই এখান থেকে কেনো কিনি ওখান থেকে কেনো কিনি৷ মানে আমি কোথা থেকে ড্রেস কিনবো সেটাও আমার স্টাফরা ঠিক করে দিবে??

ওরা দোকানে কখনো অসুস্ত হলে নিজে সাথে করে ফার্মাসীতে নিয়ে যেতাম,ওষুধ এনে দিতাম। কিন্তু কখনোই কোনো কিছুতে আমি ওদের মন জয় করতে পারিনি।সমস্যা একটা অন্য কোনে সুবিধাই ওদের কাছে ভালো লাগতোনা, কাজ রেখে মোবাইল চাপতে না পারা আর ঘনঘন ছুটি না পাওয়া এটাই ওদের বড় সমস্যা। আর যখন থেকে চুড়ির পথ কম গেসে তখন থেকেতো আমি ওদের জন্ম শত্রুরে কাতারে চলে গেসি।

ওরা সবসময় বলতো আমি দেখতে পেঙ্গুইনের মত। আমি বুড়ি, শুধু সং সেজে থাকি। অথচ সারা বছর আমি মেকাপ, সাজগোজ ছাড়াই খুব স্বাভাবিকভাবে কাটাই শুধুমাত্র কোনো অনুষ্ঠানে যাওয়া ছাড়া।আমি বুড়ি না কি সেটা তাদের দেখার দরকার আছে কি??
তারা দেখবে আমি তাদের ঠিকমত বেতন দিচ্ছি কি না,যে সকল সুযোগ সুবিধা দিবো বলে রেখেছি তা দিচ্ছি কি না।
আমি বুড়ি হই, কুৎসিত হই, আমার মাথায় চুল পরে টাক হয়ে যাক এগুলো সবইতো আমার ব্যক্তিগত বিষয় তাইনা???
এসব নিয়ে কথা বলাও কি জায়েজ ওদের জন্য??

আমি আমার বোনকে, ভাগনিকে প্রডাক্ট দেই কেনো টাকা ছাড়া৷ আমার কাজিন বা রিলেটিভ কেউ নিলে প্রডাক্টের দাম কম রাখি কেনো এসব নিয়েও ওরা তর্ক করতো।আমার প্রডাক্ট আমি যদি সব টাকা ছাড়াও দিয়ে দেই সেটা নিয়ে ওরা কেনো কথা বলব?

মানুষ যে প্রডাক্ট নিয়ে বিজনেস করে সেটা সে নিজের জন্য নেয়না?
শাড়ি, চুড়ি গয়না,জামা,জুতা,ফল,সবজি ব্যাবসায়ী তার দোকানের জন্য কেনা প্রডাক্ট থেকে নিজের প্রয়োজনে নেয়না???
আমি আমার নিজের জন্য কোনো জিনিস রেখে দিলে সেটা নিয়ে পর্যন্ত ওরা কথা বলতো আমি কেনো এগুলো রেখে দেই, বিক্রি করলেতো এগুলো থেকেও লাভ হতো।

এই মেয়ে এত বেশি হিংসা,শক্রতা পুষে রাখার মত মেয়ে যে ও দোকান থেকে বের হয়ে যেয়েও আমাকে শান্তি দেয়নি।রোজায় যে মেয়ে গুলোকে রেখেছিলাম তাদের সাথেও যোগাযোগ করতো। ৮ম রমজানে আমার মা মারা যায়, আমার বাবা মারা যায় ২০১৮ তে, একটা সন্তান তার মা-বাবাকে সারা জীবনের জন্য হারানো এটা কত বড় ধাক্কা তা শুধু যারা হারিয়েছে তারা বোঝে৷

ইফতারের সময় আমার কান্না চলে আসতো কারন আমার মা পুরো রোজা জুরে ইফতার শেষ না হতেই কল দিতো উফতার করলাম কি না, আমি এই রোজায় আর এই ভাগ্যে পাইনি। সন্ধ্যায় আমি বসে বসে কোরআন শরীফ পড়তাম, আমার চোখ বেয়ে পানি পরতো। এরা এটা নিয়ে পর্যন্ত হাসাহাসি করতো।

মানুষের প্রতি মানুষের মায়া আসে আচরনে আবার মানুষ মন থেকে উঠেও যায় নিজের আচরনের জন্যই৷
আমি ওদেরকে বেশি আদর দিয়ে মাথায় তুলছিলাম। এরপর ওরা বাদর হয়ে আমার মাথায় বসে নাচছে।

22/06/2026

আমার পুরাতন স্টাফদের চুড়ি ও আমার সাথে করা তাদের আচরন গুলো আমি আজ প্রকাশ করতে চাই৷
তাদের চুড়ির কথা আমি আগেও বলেছি, আজও বলি। যে মেয়েটা এখন দোকান নিয়েছে চুড়ির মূল কারিগর এই মেয়ে৷
আমি সব সময় বলে দিতাম প্রথমবার যখন কোনো কাস্টমার অর্ডার প্লেস করবে তখন এড্রেস, ফোন নাম্বার ছাড়া কোনো অর্ডারের বিল তৈরি করবানা,প্রডাক্ট গুছাতে দিবানা৷
কাস্টমার প্রডাক্টের ছবি দিয়ে তথ্য চাইতেই পারে৷কিন্তু প্রডাক্টের ছবি দেয়া মানেইতো অর্ডার দেয়া না৷অর্ডার দিলেতো কাস্টমার এড্রেস,ফোন নাম্বার দিবেই৷
আমি এটাও বলেছি যে এসব ক্ষেত্রে শুধু হিসাব করে প্রডাক্টের প্রাইস জানিয়ে দিবা কত আসে টোটাল।
কিন্তু আমার কথা না মেনে সব সময় এড্রেস, ফোন নাম্বার ছাড়া বিল করে প্রডাক্ট গুছিয়ে ফেলতো। আমার কাজ এক্সেসোরিজ নিয়ে, ছোটোছোটো বিভিন্ন ধরনের প্রডাক্ট।এমন পার্সেল ২-৪টা প্রতি সপ্তাহে থাকতোই এরপর দুই দিন চার দিন এই রেডি পার্সেল পরে থাকতো, এক সময়ে দেখতাম পার্সেলই আর নাই।
আমি জিজ্ঞাসা করলে বলতো, এড্রেস দেয়নি কয়েক দিন হয়ে গেছে মনে হয় নিবেনা৷ তাই সব প্রডাক্ট আবার তুলে রাখসি৷ এই তুলে রাখার কাজ গুলো আমার চোখে আমি কখনো করতে দেখিনি গোছানো পার্সেল পরে আছে,এরপর আর সেটা নাই আমি এটাই দেখেছি৷ যেসব আপুরা রেগুলার প্রডাক্ট নেয় তারা প্রায় সময় এসে আগে জিজ্ঞাসা করে আপু এই প্রডাক্ট এভেইলেবল? থাকলে আমার জন্য রাখেন আমি অন্যান প্রডাক্টের লিস্ট দিচ্ছি।
এই সময়ে কি আমি সেটা ওই কাস্টমার আপুর জন্য আলাদা করে রাখবোনা?
তারা এড্রেস ছাড়া পার্সেল রেডি করাকে জাস্টিফাই করার জন্য আমাকে বলে আমি যে কাস্টমারদের জন্য প্রডাক্ট রেখে দেই।
মানে আমি কেনো প্রডাক্ট রাখবো সেটা তাদেরকে কৈফিয়ত দিতে হবে?
অনলাইন অর্ডারে কিছু রিটার্ন পার্সেল থাকেই৷ এটা ছিলো এই মেয়ের আরেক সুবিধা।পার্সেল রিটার্ন আসার পরে প্রডাক্ট গুলো আবার সব তুলে রাখতে বলতাম।কিন্তু আমি দোকানে থাকা অবস্থায় এগুলো তুলে রাখতে চাইতোনা, যতই বলতাম এখন তুলো, না তাদের একই কথা সকালে এসে তুলবো তখনতো কাজের চাপ একটু কম থাকে৷
আমি এমনও টেস্ট করে দেখসি যে একটা প্রডাক্ট শেষ বলেছে, ঠিক তখন বলছি এটা রিটার্ন পার্সেলে ছিলো একটা ওইখান থেকে দাও৷ তখন আর কারো মুখে কোনো কথা নাই, একজন আরেকজনকে বলে তুমি রাখসো আমিতো এটা রাখিনাই। আরেকজন বলে ওই রিটার্ন পার্সেলতো তুমি তুলছিলা আমি তুলিনাই৷
এরপর আমি বলে দিছিলাম সরাসরি, তোমরা রিটার্ন পার্সেল খুলবানা।রাইডার দিয়ে যাবার পরে রেখে দিবা আমি এসে খুলবো৷

জুয়েলারীর এক্সেসোরিজ বিক্রেতা যারা আছেন তারা সবাই জানেন, এক ধরনের জালের মত একটা হ্যাঙ্গার দেয়ালে আটকিয়ে সেটাতে প্রডাক্ট জুলিয়ে রাখা হয়৷
এরা দেয়ালে আটকানো থেকে যে প্রডাক্ট এর পলি নামাবেতো নামাবেই সেগুলো আর তুলবেনা। ফ্লোরেই রেখে দিতো।আমি উঠিয়ে রাখতে চাইলে তখন মক করতো, আমি না ওনার, আমার এত সম্মানবোধের অভাব । ওনার হয়ে আমি প্রডাক্ট উঠিয়ে রাখতে চাই।
এসবের মানে কি??
এসবের মানে হলো উপরে ঝুলিয়ে রাখা প্যাকেট গুলো থেকে প্রয়োজনের চেয়ে বাড়তি প্রডাক্ট নামানো সব সময় সুবিধাজনক না তাই ফ্লোরে প্রডাক্টের প্যাকেট ফেলে রাখতো আর সেখান থেকে সুবিধা অনুযায়ী প্রডাক্ট সরাতো।

বাসায় চাল,ডাল,পেয়াজ কৌটায়, ঝুড়িতে রাখা হয়না??
সেগুলো নেবার সময় কতটুকু পরে প্রতিদিন?
পরে গেলেও সেগুলো আবার তুলে রাখা হয়না??
একটা ইলেক্ট্রনিক আইটেম বিক্রির দোকানে কত শত রকমের প্রডাক্ট থাকে?
সদরঘাটের মার্কেট গুলোতে ঢুকলে দেখা যায়, কত শতরকমরের এক্সেসোরিজ। জামা,জুতা,ব্যাগে ইউজ হচ্ছে এগুলো।তারা এগুলো প্রতিদিন নামাচ্ছে কাস্টমারকে দিচ্ছে তারপর আবার তুলে রাখতেসেনা?? তাদের কয় কেজি করে ময়লার সাথে যায় প্রতিদিন?

ওরা প্রতিদিন হিউজ পরিমানে ম্যাটেরিয়ালস ফ্লোরেই ফেলে রাখতো পরের দিন সকালে ঝাড়ু দিয়ে বস্তায় তুলতো আর বলতো এসব ময়লা৷ ম্যাটেরিয়াল গুলো ১কেজি/হাফ কেজির প্যাকেট থাকে৷ একটা প্যাকেট খোলার পরে তার অর্ধেক যাইতো ফ্লোরে ময়লার মধ্যে৷

দোকান শিফট করেছি তিন মাস শেষের পথে, এখনো আমার দোকানে মেয়েরা কাজ করতেসে৷ওরাও ওই একই প্রডাক্টেরই পার্সেল তৈরি করতেসে।কিন্তু ফ্লোর ভর্তি ময়লা পরে থাকেনা,আর বড়বড় ময়লার বস্তাও হয়না।

আমার মিরপুরের দোকানে আমি যে টেবিলটায় বসতাম সেই টেবিলের নিচে একটা কাঠের ছোটো ড্রয়ার টাইপের রাখতাম। আমি না থাকা অবস্থায় যা সেল করতো তা ওই ড্রয়ারে রাখতে বলতাম। প্রডাক্টের ছবি আর বিলের কপি যেনো আমাকে whatsapp এ দিয়ে দেয় সেটাও বলে দিতাম। কিন্তু এই মেয়ের অযুহাত ছিলো কাস্টমার থাকতেই ছবি তোলে কিন্তু আমাকে পাঠাতে মনে থাকেনা তাই কাস্টমার যাবার পরে দেয়৷
কিন্তু অসংখ্য দিন এমন হয়েছে যে সেলের চেয়ে টাকা বেশি৷ কিছু বললে বলতো টাকাতো সেলের চেয়ে কম পাননি বেশি পেয়েছেন আমার কথা হলো টাকা বেশি পাবারতো দরকার নাই, যা সেল করবে তা পেলেই হলো বেশি হওয়াটাই সমস্যা৷

সোজা কথা হলো হয়ত কিছু সেল তুলতোনা৷ যেদিন টাকা সরাতে পারতো সেদিন ক্যাশে টাকা বেশি হইতোনা, যেদিন সরানোর সুযোগ না করতে পারতো সেদিনই বেশি হতো টাকা।

একবার ডেস্কটপ ওপেন করলেই ওদের মাথা নষ্ট হয়ে যাইতো,মানে আমি ডেস্কটপে ওদের মনিটরিং করতেসি৷
আমি যদি এমনি কোনো কাজের জন্যও ওপেন করতাম তবুও ওদের কথা একটাই আমি ওদের মনিটরিং করতেসি।সেটা যদি আমি করিও তাহলে কি অন্যায়??
আমি আমার দোকানের সবকিছু সিসি ক্যামেরায় মনিটরিং করবোনা?? সেটা আমি মোবাইল থেকে করি, আর ডেস্কটপ থেকে করি এটাতে ওরা আপত্তি জানানোর কে??

আমার দোকানেতো সিসি ক্যামেরা দুইটা ছিলো। একটা দোকানে ঢোকার দিক করে সেট করেছিলাম, আরেকটা পুরো দোকান কাভার করে এমন করে সেট করেছিলাম।
একটা রুমে কাজ করার সময় মানুষ যে কোনো এঙ্গেলে বসতে পারে,সেটা কোনো সমস্যা না।কিন্তু স্টকের মাল গুছানোর সময়, পার্সেল প্যাকেজিং এর সময় কেনো তাদের উল্টো ঘুরে বসতে হয়??
যেই সিসি ক্যামেরাটা ডোরের দিকে ছিলো সেটাকে পিছন করেতো তারা কখনো বসতোনা, যেটা পুরো দোকান কাভার করতো সব সময় সেটাকে পিছন করেই বসতো। এটাকি সব সময়ই অনিচ্ছাকৃত হয়ে যায়??
কাস্টমার আসলে একজন অনলাইন অর্ডারের পার্সেল গুছাও আরেকজন কাস্টমারকে প্রডাক্ট দাও আমি এটা বলার পরেও কেনো তারা দুইজন যায় তাদের সিলেক্টেড কিছু কাস্টমারকে প্রাডক্ট দিতে৷ এরপরেও আবার দুই জন মিলে এমনভাবে দাড়ায় যেটা উঠে না যাওয়া পর্যন্ত বুঝা সম্ভব না যে আসলে প্রডাক্ট কতটুকু দিতেসে , কি করতেসে।

আমি যদি সামনে যেয়ে দেখি যে ঘুরে বসে কি করতেসে তাহলে সমস্যা কোথায়??
তখন আবার বলতো আমরা কি করতেসি সেটা দেখার জন্য আপনার উঠে আসার দরকার কি??আপনিতো সিসি ক্যামেরা দিয়েই ডেস্কটপে দেখতে পারেন।

আমি উঠে যেয়ে দেখলে কি সমস্যা যদি তারা সৎ থাকে? আমি সিসি ক্যামেরা দিয়ে দেখি, ওদের পাশে বসে দেখি যে কোনোভাবে দেখতে পারি ওদেরকে, ওরা প্রডাক্ট না সরালে আমি দেখতেসি কি না সেটাতে ওদের এত চিন্তা কেনো ছিলো?

ওরা ঠিক এইভাবে একটা বিশৃঙ্কলা তৈরি করে ফেলতো।
আমি মোবাইল, সিসি ক্যামেরায় ওদের দেখতেসি, না দেখলেও দেখতেসি এইযে একটা ভয় আমি সব সময়ে দেখেছি ওদের মধ্যে ওদের এত সিসি ক্যামেরার ভয় কেনো চুড়ি না করলে???
একটা মুদি দোকানেও সিসি ক্যামেরা থাকে।
ওরা আমার প্রতিটা মুভমেন্ট খেয়াল করতো, আমার মনে হইতো আমার দোকানে আমিই ওদের কাছে জিম্মি।আমার মোবাইল আমার ডেস্কটপ প্রজেক্টরে দেখাইলে মনে হয় আরো খুশি হইতো ওদের এমন অবস্থা ছিলো৷ ওরা আমার মোবাইলের পাসওয়ার্ডটা পর্যন্ত জানার চেষ্টা করতো, কেনো জানাইনা সেটা নিয়ে আক্ষেপ৷ বিকাশ,ব্যাংক সহ সব ধরনের এপস থাকে মোবাইলে৷ মেইল লগইন করা মোবাইলে৷ এটাই সবার থাকে৷ স্টাফদের সাথে কেনো মোবাইল পাসওয়ার্ড শেয়ার করতে হবে??তারাই বা এটা এক্সপেক্ট করে কেনো কোনো চুরির উদ্দেশ্য ছাড়া৷

এগুলো ওরা উদ্যেশ্য করেই করতো আমি এখন বুঝি,ওরা চাইতো বিজনেস সোর্স,প্রডাক্ট এর সোর্স জানতে যার ফলাফল এখন ওই মেয়ের বিজনেস।

Grow your business with us! We provide both spot purchase and online ordering options to make your shopping easier.For o...
20/06/2026

Grow your business with us! We provide both spot purchase and online ordering options to make your shopping easier.
For online orders, simply visit our page, select your desired accessories, and send the pictures to us via inbox.
You are also welcome to visit our shop for spot purchases.
Address:
Shop No. 11-12
Azimpur Adhunik Nagar Market
Near Azimpur Bus Stand
Contact: 01915078848

Address

Outlet: , আজিমপুর আধুনিক নগর মার্কেট
Mirpur
1211

Telephone

+8801915078848

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jewellery Accessories BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jewellery Accessories BD:

Share

Category