Seerat Corner

Website

Seerat Corner শিশুর বেড়ে ওঠা, দারুণ সব অভ্যাস গঠন আর পজিটিভ প্যারেন্টিং—সবকিছুই একটু বেশি ভালোবাসার ছোঁয়ায়।

শিশুর এক চিলতে সুস্থ ও নির্মল হাসি প্রতিটি মা-বাবার কাছেই সবচেয়ে বড় আনন্দ। কিন্তু এই হাসিকে আজীবন সুরক্ষিত রাখতে শৈশব থে...
18/10/2026

শিশুর এক চিলতে সুস্থ ও নির্মল হাসি প্রতিটি মা-বাবার কাছেই সবচেয়ে বড় আনন্দ। কিন্তু এই হাসিকে আজীবন সুরক্ষিত রাখতে শৈশব থেকেই প্রয়োজন সচেতন পরিচর্যা। মা-বাবাদের সুবিধার জন্য শিশুর দাঁতের পূর্ণাঙ্গ যত্ন ও সুরক্ষার বিষয়গুলো নিচে ধাপে ধাপে সাজিয়ে দেওয়া হলো:

১. শুরুটা হোক গর্ভকালীন সময় থেকেই
শিশুর দাঁতের প্রাথমিক গঠন শুরু হয় গর্ভাবস্থার মাত্র ৬ সপ্তাহ থেকে। এ সময় হবু মায়ের খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি নিশ্চিত করা জরুরি।

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গর্ভাবস্থায় যেকোনো অ্যান্টিবায়োটিক বা অপ্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকুন, কারণ এটি শিশুর দাঁতের গঠনে প্রভাব ফেলতে পারে।

২. প্রথম দাঁত ওঠার আগের যত্ন
দাঁত দেখা দেওয়ার আগেই নবজাতকের মুখের ভেতরের পরিচ্ছন্নতা শুরু করা উচিত।

প্রতিদিন সকাল ও রাতে খাওয়ানোর পর একটি পরিষ্কার, ভেজা সুতি নরম কাপড় বা পাতলা গজ আঙুলে পেঁচিয়ে আলতো করে শিশুর মাড়ি ও জিব মুছে পরিষ্কার করে দিন।

৩. সঠিক নিয়মে ব্রাশ করার অভ্যাস
বয়স অনুযায়ী নরম ব্রিসলের বেবি টুথব্রাশ ব্যবহার করুন। ৩ বছর বা তার বেশি বয়সে মটরদানার সমপরিমাণ ফ্লোরাইডযুক্ত পেস্ট ব্যবহার করুন।

দিনে দুবার—সকালে নাশতার পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে—অন্তত ২ মিনিট সময় নিয়ে খেলার ছলে ব্রাশ করান।

শিশুরা যাতে পেস্ট গিলে না ফেলে, শুরু থেকেই তা থুতুর মাধ্যমে ফেলে দেওয়ার কৌশল শেখান।

৪. স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও পরিচ্ছন্নতা
চিপস, চকলেট, ক্যান্ডি ও কোমল পানীয়ের বদলে শিশুকে তাজা মৌসুমি ফল, শাকসবজি এবং পুষ্টিকর খাবার খেতে অভ্যস্ত করুন।

মিষ্টি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়ার পরপরই পানি দিয়ে ভালো করে কুলকুচি করার নিয়ম বানিয়ে ফেলুন, যাতে দাঁতে চিনি জমে অ্যাসিড তৈরি হতে না পারে।

৫. দুধদাঁতের সুরক্ষা ও সৌন্দর্য রক্ষা
"দুধদাঁত তো পড়েই যাবে"—এই ভুল ধারণা বাদ দিন। দুধদাঁতে ক্যাভিটি হলে বা অকালে দাঁত পড়ে গেলে পরবর্তীতে স্থায়ী দাঁত এলোমেলো বা আঁকাবাঁকা হয়ে ওঠার ঝুঁকি বাড়ে।

দীর্ঘদিন আঙুল চোষা, বোতলে মুখ দিয়ে ঘুমানো বা চুষনি (Pacifier) ব্যবহারের অভ্যাস থাকলে তা দ্রুত ছাড়িয়ে নিন; অন্যথায় চোয়ালের স্বাভাবিক গঠন বাধাগ্রস্ত হয়।

দাঁতে সামান্য কালো দাগ, গর্ত, দুর্গন্ধ বা ব্যথার লক্ষণ দেখা দিলেই অবহেলা না করে ডেন্টিস্টের কাছে নিয়ে যান। বছরে অন্তত একবার নিয়মিত ডেন্টাল চেকআপের অভ্যাস রাখুন।

শৈশবের সঠিক যত্নই ভবিষ্যৎ জীবনে আপনার সন্তানের আত্মবিশ্বাসী ও উজ্জ্বল হাসির ভিত্তি গড়ে দেয়। মা-বাবা হিসেবে ছোটবেলা থেকেই এই সাধারণ নিয়মগুলো অভ্যাসে পরিণত হতে সাহায্য করুন।

আ/ত্ম/হ/ত্যায় সন্তানকে হারানোর তিন মাস পর তিনি হাতে পেয়েছিলেন আমাদের ‘আগামীর প্যারেন্টিং’ সিরিজ।একরকম ধমক দিয়েই জানতে চে...
18/10/2026

আ/ত্ম/হ/ত্যায় সন্তানকে হারানোর তিন মাস পর তিনি হাতে পেয়েছিলেন আমাদের ‘আগামীর প্যারেন্টিং’ সিরিজ।
একরকম ধমক দিয়েই জানতে চেয়েছিলেন, কেন আমরা এটি আরও বেশি মানুষের হাতে পৌঁছে দিচ্ছি না। কেন তিন মাস আগে তাঁর কাছে পৌঁছে দিইনি।
তাঁর মনে হচ্ছিল, আগে পেলে হয়তো সন্তানকে হারাতে হতো না।
এটি সন্তান হারানো একজন বাবার বুকভাঙা আক্ষেপ। আগে বইটি পেলে কী হতো, তা আমাদের জানা নেই।

যৌথ পরিবারে বড়দের প্রভাব, একাধিক মতাদর্শ এবং গোপনীয়তার অভাবের মধ্যে ইসলামিক নীতিতে সন্তান লালন-পালন করা কিছুটা চ্যালেঞ...
18/10/2026

যৌথ পরিবারে বড়দের প্রভাব, একাধিক মতাদর্শ এবং গোপনীয়তার অভাবের মধ্যে ইসলামিক নীতিতে সন্তান লালন-পালন করা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তবে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও শরয়ী নিয়ম মেনে চললে যৌথ পরিবারেই একটি আদর্শ ইসলামী পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব। মূল কৌশলগুলো হলো:

১. পিতা-মাতার সরাসরি দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত:
ইসলামে সন্তান প্রতিপালনের মূল দায়িত্ব পিতা-মাতার ওপর ন্যস্ত। যৌথ পরিবারে নানা মতাদর্শ থাকতে পারে, তবে সন্তানের ধর্মীয় শিক্ষা, পর্দা ও মৌলিক আদব-কায়দা শেখানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মা-বাবার হাতে থাকা উচিত।

২. বড়দের প্রতি সম্মান ও উত্তম ব্যবহার শিক্ষা দেওয়া:
দাদা-দাদী, চাচা-ফুপুসহ পরিবারের সবার সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে আমাদের ছোটদের স্নেহ করে না এবং বড়দের সম্মান করে না, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।" এই শিক্ষাটি বাচ্চাকে হাতে-কলমে শেখাতে হবে।

৩. পর্দা ও মাহরাম-গাইরে মাহরামের সীমানা রক্ষা:
যৌথ পরিবারে দেবর, ভাসুর বা অপরিচিত আত্মীয়-স্বজন থাকে। ইসলামে নারীদের ও বড় শিশুদের ক্ষেত্রে পর্দার বিধান অত্যন্ত কড়া। অহেতুক অবাধ মেলামেশা থেকে শিশুকে দূরে রাখা এবং ঘরে বা রুমে প্রবেশের ক্ষেত্রে ইসলামের সুনির্দিষ্ট শিষ্টাচার (যেমন অনুমতি নেওয়া) শেখাতে হবে।

৪. সঠিক পরিবেশ ও গোপনীয়তা বজায় রাখা:
যৌথ পরিবারে একই ঘরে গাদাগাদি করে থাকলে বাচ্চাদের মানসিক বিকাশ ও গোপনীয়তা বিঘ্নিত হতে পারে। পবিত্র কোরআনে সুনির্দিষ্ট সময়ে (যেমন ফজর ও এশার পর বা দুপুরের বিশ্রামের সময়) বাচ্চাদের রুমে প্রবেশের আগে অনুমতি নেওয়ার নির্দেশ রয়েছে (আন-নূর: ৫৮)। সম্ভব হলে নিজেদের সন্তানদের ঘুমানোর ও পড়াশোনার জন্য আলাদা নিজস্ব জায়গা বা কোণ নির্ধারণ করে দেওয়া উচিত।

৫. দ্বীনি শিক্ষার একটি রুটিন তৈরি করা:
যৌথ পরিবারের কোলাহলের মাঝেও প্রতিদিন নির্দিষ্ট একটি সময় বের করতে হবে। এ সময় সন্তানের সাথে বসে কোরআন তেলাওয়াত, ইসলামের ইতিহাস ও নবীদের গল্প বলা এবং ছোট ছোট দোয়া মুখস্থ করানো যেতে পারে।

৬. পিতা-মাতার আদর্শ ও ইতিবাচক উদাহরণ:
যৌথ পরিবারের অন্য সদস্যদের আচরণের সাথে অনেক সময় মতের অমিল হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাচ্চার সামনে অন্য কারও সমালোচনা বা পরনিন্দা না করে, বাবা-মা নিজে প্র্যাকটিক্যাল বা আমলিভাবে সত্যবাদিতা, ধৈর্য ও ইনসাফ প্রদর্শন করুন। কারণ শিশুরা উপদেশ শোনার চেয়ে দেখে বেশি শেখে।

সোনামণিদের প্রিয় বাক্স!
17/10/2026

সোনামণিদের প্রিয় বাক্স!

17/10/2026

মিথ্যা সবসময়ই মিথ্যা!

উস্তাদ তাওসীফ মুসান্না

শিশুকে স্ক্রিন থেকে দূরে রাখার সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি হলো নিজের হাতের ফোনটি রেখে দেওয়া। কারণ সন্তান কথার চেয়ে দেখে শেখে বেশি...
17/10/2026

শিশুকে স্ক্রিন থেকে দূরে রাখার সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি হলো নিজের হাতের ফোনটি রেখে দেওয়া। কারণ সন্তান কথার চেয়ে দেখে শেখে বেশি।

ভালোবাসা জমা রাখুন!
17/10/2026

ভালোবাসা জমা রাখুন!

17/10/2026

আমাদের সোনামণি সিরিজে কী কী আছে?

আজ দুপুরে বাসায় খেতে বসেছি। হুট করেই কারেন্ট চলে গেল।যে রুমে বসে আমি খাবার খাই, দুপুরের দিকে রুমটা এমনিতেই বেশ গরম হয়ে থ...
16/10/2026

আজ দুপুরে বাসায় খেতে বসেছি। হুট করেই কারেন্ট চলে গেল।
যে রুমে বসে আমি খাবার খাই, দুপুরের দিকে রুমটা এমনিতেই বেশ গরম হয়ে থাকে। তার ওপর কারেন্ট চলে যাওয়া মানে কিছুক্ষণের মধ্যেই দরদর করে ঘামতে শুরু করা।
কিন্তু কারেন্ট চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমি একদম হৃদয়ের গভীর থেকে বলে উঠলাম, আলহামদুলিল্লাহ!

আমার কথা শুনে শাকির, যুহাইরা আর তাদের আম্মু তিনজনই কেমন প্রশ্নবোধক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকালেন।
কারেন্ট চলে যাওয়ার পর আবার আলহামদুলিল্লাহ কেন? আলহামদুলিল্লাহ তো কারেন্ট আসার পর বলতে হয়!

শাকির তো বলেই ফেলল, ‘আব্বু, কারেন্ট চলে গেলে তো ইন্নালিল্লাহ পড়তে হয়!’
আমি বললাম, ‘আব্বু, আমাদের তো মাঝেমধ্যে কারেন্ট যায়। কিন্তু এমন অনেক মানুষ আছেন, যাদের বাসায় আমাদের চেয়ে অনেক অনেক বেশি কারেন্ট যায়। বলতে গেলে নিয়মিত কারেন্ট থাকেই না। মাঝেমধ্যে অল্প সময়ের জন্য আসে।
অথচ আল্লাহ তাআলা আমাদের তাঁদের তুলনায় কত ভালো রেখেছেন! সেজন্যই আমি আলহামদুলিল্লাহ বলেছি।’

শাকিরের মুখের দিকে তাকিয়ে মনে হলো, সে বিষয়টা বুঝতে পেরেছে। শাকিরের আম্মুও আমার কথায় সায় দিলেন এবং নিজের মতো করে শাকিরকে আরও একটু বোঝালেন।
পাশাপাশি যুহাইরার দিকেও তাকিয়ে দেখলাম, সেও কেমন একটা বুঝতে পারার ভাব নিয়ে তাকিয়ে আছে। যেন বলছে, হুম, ঠিকই তো!

এরপর অবশ্য কারেন্ট আসতে বেশ ভালোই সময় লেগেছে। গরমের কারণে দুপুরে খাবারের পর অল্প সময়ের ঘুমটাও ঠিকমতো ঘুমানো যায়নি।
কিন্তু আমার সন্তানদের এবং আমার পরিবারকে আমি যে শিক্ষাটা দিতে চেয়েছিলাম, আলহামদুলিল্লাহ, সেটা দিতে পেরেছি।

আমার কাছে ওই অল্প সময়ের কষ্টের তুলনায় সন্তানদের এই শিক্ষাটা দিতে পারা এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে সেই তৌফিক পাওয়াটা অনেক অনেক বড় একটা অর্জন।
আপনাদের সঙ্গে ঘটনাটা শেয়ার করার পেছনে একটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ আছে।
শয়তানকে যখন আল্লাহ তাআলা জান্নাত থেকে বিতাড়িত করে দিলেন, তখন শয়তান আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বড় যে চ্যালেঞ্জগুলোর একটি নিয়েছিল, সেটা ছিল,
‘আপনি আপনার বান্দাদের অধিকাংশকেই শুকরগুজার পাবেন না।’
একটু চিন্তা করে দেখুন বিষয়টা!

অর্থাৎ শয়তান আমাদের সামনে শুকরিয়া না করার যতগুলো কারণ আছে, সেগুলোকে অনেক বড় করে দেখাতে চাইবে।
যেন আল্লাহর হাজারো-কোটি নেয়ামত আমাদের সারাক্ষণ ঘিরে থাকার পরও ছোট্ট একটা না পাওয়া, সামান্য একটা অপ্রাপ্তি কিংবা অন্য কারও বেশি পাওয়াটাই আমাদের চোখে অনেক বড় হয়ে দেখা দেয়।

আর আমরা তখন আল্লাহর কোটি কোটি নেয়ামতকে পাশ কাটিয়ে কেবল ওই একটা অপ্রাপ্তিকেই বড় করে দেখতে থাকি।
আমরা যদি ছোটবেলা থেকেই আমাদের সন্তানদের শুকরিয়ার এই শিক্ষাগুলো দিয়ে বড় করতে পারি, তাহলে ইনশাআল্লাহ, তাদের দুনিয়ার জীবনটা অনেক সহজ হয়ে যাবে।
আর মা-বাবা হিসেবে আমাদের জন্য নিশ্চয়ই এটা অনেক বড় একটা দায়িত্ব। কী বলেন?

উস্তাদ তাওসীফ মুসান্না
প্যারেন্টিং প্রশিক্ষক

হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের আমাদের চোখের শীতলতা বানিয়ে দিন এবং আমাদের মুত্তাকিদের জন্য আদর্শ ব্যক্তি বানিয়ে ...
16/10/2026

হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের আমাদের চোখের শীতলতা বানিয়ে দিন এবং আমাদের মুত্তাকিদের জন্য আদর্শ ব্যক্তি বানিয়ে দিন।

Address

Sadar
Mymensingh
2200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Seerat Corner posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share