16/06/2026
সকাল নয়টায় বোর্ডরুমে যে মানুষটা বসে ছিলেন, বিকেল চারটায় তিনিই উঠানে দাঁড়িয়ে ভাতিজার মাথায় হাত রাখলেন।
পোশাক বদলাননি। বদলানোর দরকার হয়নি।
অফিসের টেবিলে যখন ফাইল খুলছিলেন, তখন সহকর্মীরা একবার তাকিয়েছিলেন। কেউ কিছু বলেননি, কিন্তু চোখে একটা স্বীকৃতি ছিল। জামদানির নকশা আলোয় যেভাবে খেলে, সেটা দেখলে মনে হয় — এই মানুষটা জানেন, নিজেকে কীভাবে বহন করতে হয়।
বিকেলে আকিকার দস্তরখানে যখন বসলেন, পাশের চাচা জিজ্ঞেস করলেন, "এইটা কি হাতের কাজ?" আপনি শুধু মৃদু হাসলেন। কারণ হাতের কাজ চিনতে যাঁদের চোখ লাগে না, তাঁরাই আসলে বোঝেন।
জামদানি পাঞ্জাবীর এটাই আসল জায়গা। এটা কোনো একটা অনুষ্ঠানের জন্য না, কোনো একটা মুহূর্তের জন্য না। এটা তাঁর জন্য — যিনি সকালের মিটিং আর সন্ধ্যার দোয়া, দুটোতেই সমান স্বাচ্ছন্দ্যে থাকেন। যাঁর ব্যক্তিত্ব পোশাকের মুখাপেক্ষী না — বরং পোশাকই তাঁর সাথে মানিয়ে নেয়।
আসল ক্লাস ঘড়ি দেখে না। অনুষ্ঠানও বোঝে না।
শুধু মানুষটাকে চেনে।
#জামদানি_পাঞ্জাবী #বাংলাদেশি_পুরুষ