Tãñîßhã Tûbã - Bhoot.come

Tãñîßhã Tûbã - Bhoot.come "রাত যত গভীর হয়, নীরবতার মাঝে তত বেশি শোনা যায় অদৃশ্য পায়ের শব্দ।"

09/07/2026

অবশ্যই। তবে "সত্য ঘটনা" বলে প্রচলিত ভৌতিক গল্পগুলোর বেশিরভাগই স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায় না। নিচে একটি বাস্তব ঘটনা হিসেবে মানুষের মুখে প্রচলিত ভয়ঙ্কর কাহিনি তুলে ধরছি।
রাত তিনটার দরজায় কড়া
২০১৮ সালের শীতের এক রাত। বাংলাদেশের একটি গ্রামের স্কুলশিক্ষক রাশেদ প্রতিদিনের মতো পাশের বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। সেদিন কুয়াশা এত ঘন ছিল যে পাঁচ হাত দূরেও কিছু দেখা যাচ্ছিল না।
রাত প্রায় তিনটা। হঠাৎ তিনি শুনলেন, দূর থেকে একটি মেয়ের কান্নার শব্দ ভেসে আসছে।
"ভাই... আমাকে একটু সাহায্য করবেন?"
রাশেদ টর্চ জ্বালিয়ে দেখলেন, সাদা পোশাক পরা এক তরুণী রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে। তার মুখ নিচু, লম্বা চুলে ঢাকা।
রাশেদ কাছে যেতেই মেয়েটি বলল, "আমাকে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দিন।"
তিনি কিছুটা ভয় পেলেও মানবিক কারণে রাজি হলেন। দু'জনে হাঁটতে লাগলেন। কয়েক মিনিট পর তিনি খেয়াল করলেন, মেয়েটির পায়ের কোনো শব্দ নেই। টর্চের আলো নিচে ফেলতেই বুক কেঁপে উঠল—মেয়েটির পা উল্টো দিকে ঘোরানো!
ভয়ে তিনি চোখ বন্ধ করে দৌড় দিলেন। পিছন থেকে ভেসে এল এক অদ্ভুত হাসি।
পরদিন সকালে গ্রামের মানুষ ঘটনাটি শুনে জানায়, বহু বছর আগে ঠিক ওই রাস্তায় এক নববধূ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন। এরপর থেকে গভীর রাতে অনেকেই নাকি সেখানে এক সাদা পোশাকের মেয়েকে দেখেছেন।
রাশেদ এরপর আর কখনও রাতের বেলা একা সেই রাস্তা দিয়ে যাননি।

02/07/2026

👀🤭

02/07/2026

দ্রষ্টব্য: নিচের গল্পটি লোকমুখে প্রচলিত একটি ভৌতিক কাহিনী। এটিকে সত্য ঘটনা হিসেবে নিশ্চিত করার মতো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।

অনেক বছর আগে বাংলাদেশের একটি প্রত্যন্ত গ্রামের পাশে একটি বিশাল জমিদার বাড়ি ছিল। একসময় সেখানে অনেক মানুষের আনাগোনা থাকলেও ধীরে ধীরে বাড়িটি পরিত্যক্ত হয়ে যায়। গ্রামের বয়স্করা বলতেন, রাত ১২টার পর ওই বাড়ির পাশ দিয়ে কেউ গেলে অদ্ভুত কান্নার শব্দ, দরজা-জানালা বন্ধ হওয়ার আওয়াজ এবং কারও হাঁটার শব্দ শোনা যেত।
একদিন চারজন কলেজপড়ুয়া বন্ধু ঠিক করল, তারা রাত কাটিয়ে দেখবে আসলে কী হয়। তারা টর্চ, ক্যামেরা এবং খাবার নিয়ে সন্ধ্যার আগেই বাড়িতে ঢুকে পড়ল।
রাত বাড়তে লাগল। প্রথমে সব স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু রাত ১২টার পর হঠাৎ চারদিকে অস্বাভাবিক নীরবতা নেমে এল। বাতাস একেবারে থেমে গেল। ঠিক তখনই দোতলার করিডোর থেকে "ঠক... ঠক... ঠক..." করে কারও হাঁটার শব্দ ভেসে এলো।
তারা সাহস করে ওপরে উঠল। করিডোরে পৌঁছে দেখে সেখানে কেউ নেই। কিন্তু ধুলো জমা মেঝেতে যেন নতুন পায়ের ছাপ দেখা যাচ্ছে, যা ধীরে ধীরে একটি বন্ধ ঘরের দিকে যাচ্ছে।
ঘরটির দরজা বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল। তালা খুলে ভেতরে ঢুকতেই এক ধরনের ঠান্ডা বাতাস তাদের গায়ে লাগে। ঘরটি ফাঁকা, শুধু এক কোণে একটি পুরোনো কাঠের চেয়ার। হঠাৎ কোনো কারণ ছাড়াই চেয়ারটি ধীরে ধীরে দুলতে শুরু করল।
চারজনই ভয়ে স্থির হয়ে গেল। ঠিক সেই সময় নিচতলা থেকে একজন নারীর কান্নার মতো শব্দ ভেসে এলো। তারা দৌড়ে নিচে নেমে দেখে, পুরো বাড়ি ফাঁকা। কিন্তু প্রধান দরজাটি, যেটি তারা খোলা রেখেছিল, সেটি ভেতর থেকে বন্ধ।
অনেক চেষ্টা করে দরজা খুলে বাইরে বেরিয়ে আসে তারা। বাইরে এসে দেখে, ভোর হয়ে গেছে। গ্রামের কয়েকজন বৃদ্ধ তাদের দেখে বলেন, "আমরা তো বলেছিলাম, রাত হলে ওই বাড়িতে যেও না।"
বন্ধুরা এরপর আর কখনো সেই বাড়িতে যায়নি। তাদের মধ্যে একজন নাকি অনেক দিন পর্যন্ত রাতে সেই হাঁটার শব্দ শুনতে পেত বলে দাবি করেছিল।

24/06/2026

ঢাকার পুরান শহরের Bahadur Shah Park সম্পর্কে বহু বছর ধরে ভৌতিক গল্প প্রচলিত রয়েছে। ইতিহাস বলে, ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের পর এখানে অনেক বিদ্রোহী সৈন্যকে প্রকাশ্যে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার স্মৃতি থেকেই এলাকাটি নিয়ে নানা ভৌতিক কিংবদন্তি জন্ম নেয়।
একজন বৃদ্ধের মুখে শোনা একটি দীর্ঘ কাহিনী গ্রাম-শহরে এখনও প্রচলিত।
ঘটনাটি প্রায় ২০ বছর আগের। শীতের রাত। তিন বন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠান শেষে পুরান ঢাকা থেকে ফিরছিল। রাত তখন প্রায় ১টা। চারপাশে অস্বাভাবিক নীরবতা।
তারা পার্কের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ শুনতে পেল—কেউ যেন দূর থেকে কাঁদছে।
প্রথমে তারা গুরুত্ব দিল না। কিন্তু কয়েক মিনিট পর কান্নার শব্দ আরও স্পষ্ট হতে লাগল। মনে হচ্ছিল একজন নয়, অনেক মানুষ একসঙ্গে কষ্টে গোঙাচ্ছে।
তাদের একজন সাহস করে বলল, “চলো দেখি ব্যাপারটা কী!”
তিনজন ধীরে ধীরে পার্কের ভেতরে ঢুকল।
কুয়াশায় চারপাশ ঢেকে ছিল। গাছের ছায়াগুলো মানুষ দাঁড়িয়ে থাকার মতো লাগছিল। হঠাৎ তারা দেখতে পেল দূরে একটি পুরনো গাছের নিচে সাদা পোশাক পরা একজন লোক দাঁড়িয়ে আছে।
লোকটির মাথা নিচু।
তারা ডাকল—
“কে ওখানে?”
কোনো উত্তর নেই।
আরও কাছে এগোতেই লোকটি ধীরে ধীরে মাথা তুলল।
কিন্তু মুখ দেখা গেল না।
কারণ যেখানে মুখ থাকার কথা, সেখানে ছিল শুধু অন্ধকার!
তিনজনের বুক কেঁপে উঠল।
ঠিক তখনই চারপাশে ঠান্ডা বাতাস বইতে শুরু করল।
তাদের একজন দাবি করেছিল, সে গাছের ডালে ঝুলন্ত কয়েকজন মানুষের ছায়া দেখেছে।
আরেকজন বলেছিল, সে স্পষ্ট শুনেছে কেউ ফিসফিস করে বলছে—
“আমাদের ভুলে যেও না...”
ভয়ে তারা দৌড়ে পার্ক থেকে বের হয়ে আসে।
বাইরে এসে দেখে তাদের একজন নিখোঁজ!
বাকি দুজন আতঙ্কে লোকজন ডেকে আনে।
প্রায় এক ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর ছেলেটিকে পার্কের এক কোণে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়।
জ্ঞান ফেরার পর সে যা বলেছিল, তা আরও ভয়ঙ্কর।
সে জানায়, দৌড়ানোর সময় হঠাৎ সে অনুভব করে কেউ তার কাঁধ ধরে ফেলেছে। তারপর সে দেখে তার চারপাশে পুরনো পোশাক পরা কয়েকজন মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। তাদের গলায় ফাঁসির দড়ি ঝুলছে।
তারা নাকি একসঙ্গে বলছিল—
“আমাদের কষ্টের কথা কেউ জানে না...”
এরপর সে আর কিছু মনে করতে পারেনি।
আজও এই ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত নয়। তবে বাহাদুর শাহ পার্ককে ঘিরে অদ্ভুত শব্দ, ছায়ামূর্তি এবং অস্বস্তিকর অনুভূতির গল্প বহু বছর ধরে মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত রয়েছে।

Address

Narayan Gonj
Narayanganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tãñîßhã Tûbã - Bhoot.come posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share