Römãñtîç bøy ñíhâl

Römãñtîç bøy ñíhâl fashion designer

14/10/2022
10/12/2016

Hi every one..what's up

29/04/2016

আমায় খুজঁছো????????????
খুঁজে লাভ নেই!!!
আমিতো তোমার প্রতারণার মাঝেই হারিয়ে গেছি.....

08/02/2016

-আমার ফোন অয়েটিং কেন ছিল জানতে চাইবে না?
-না।ফোন থাকলে অয়েটিং থাকতেই পারে
-এইইই রুদ্র তোমার সাথে এটা যাচ্ছে না।নতুন কাকে পাইছ বল?
-আজব!
আমার চোখ খচখচ করে ওঠে।রুদ্রের হঠাত এরকম পরিবর্তন হয়ে যাওয়াটায়
যতটা না কষ্ট পেয়েছি,তার চেয়েও
বেশি অবাক হয়েছে।অবাক হবারও যথেষ্ট কারন আছে।যে রুদ্র আমার সাথে কথা বলার জন্য সারাক্ষন অস্থির হয়ে থাকতো,ফোন অয়েটিং
থাকলে সারাক্ষন জেরা করত সেই
রুদ্রই এখন আমার অয়েটিং এ থাকার ব্যাপারটাকে সবাভাবিক ভাবে দেখছে!
এইতো কয়েকমাস আগেই আসিফের সাথে
রাত জেগে ঘন্টার পর ঘন্টা আড্ডা দিচ্ছিলাম ফোনে।হঠাত রুদের ফোন। আমাকে অয়েটিং পেয়ে কল কেটে দিয়েছিল সে।আমিও আসিফের সাথে
কথা বলা চালিয়ে যেতে লাগলাম।রুদ্র ঘন্টা খানিক পর আবার কল দিয়েছিল।
তখনো আমাকে অয়েটিংএ পেয়ে আর কল দেয় নি।
কয়েকদিন পর আবারো রাতে কথা বলি আসিফের সাথে।রুদ্র সেদিনও আমাকে অয়েটিং এ পায়।সে কল দেয় আবার
কেটে দেয়।এভাবে প্রায় ত্রিশ
পয়ত্রিশ মিনিট পর পর সে কল দিয়ে দেখে।সেদিন শেষ রাতে আমি যখন ওকে কল ব্যাক করি ততক্ষনে সে আমাকে সাত বার কল দিয়েছে।ফোন রিসিভ করেই ওর অভিযোগের সুরে
জিজ্ঞাসা,কার সাথে কথা বলছিলা?
আমি ফেমিলি মেম্বারদের সাথে কথা
বলার কথা বলে এড়িয়ে যাই।কিন্তু সে কান্নাকাটি শুরু করে দেয়।বাচ্চাদের মত একটানা কাদতে থাকে সে।
ব্যাপারটা বেশ বিরক্তিকর লাগে
আমার কাছে।
এরপরে প্রায় প্রতিরাতেই সে আমাকে অয়েটিং এ পায়।কয়েক মিনিট পর পর
কল দিতে থাকে।আমি ইচ্ছে হলে শেষ রাতে ওকে কল দেই,না হলে দেই না। কল করলেই কান্নাকাটি শুরু করে।
অস্থির থাকতো সে সব সময় আমাকে নিয়ে।যখন তখন কল দিয়ে চেক করে
আমি কারো সাথে কথা বলছি কিনা?
একদিন প্রচন্ড বিরক্তি নিয়ে
বলি,তুমি এরকম করো কেন?অয়েটিং এ
থাকাটা কি এমন অসবাভাবিক
ব্যাপার?ফেমিলি মেম্বারদের সাথে
কথা বলতে পারি না আমি?এতে এরকম
অস্থির হওয়ার তো কোন মানে দেখি না আমি।
সে হতাশ হয়ে বলেছিল,যেদিন আমি আর অস্থির হবো না,হাজারবার অয়েটিং এ দেখেও যেদিন আর তোমাকে
জেরা করবো না সেদিন বুঝবে তুমি আমার এই অস্থির হওয়ার মানে।রুদ্রের কথা আমি হাসি মুখে এড়িয়ে যাই। এরকম ভাবেই চলছিল বেশ।রুদের প্রতি
আমার উদাসিনতা,আমার জন্য তার কান্নাকাটি,অস্থিরতায় দিন গুলো ভালোভাবেই পার করছিলাম।কিন্তু কিছুদিন আগেই হঠাত ধরতে পারলাম,রুদ্র কেমন জানি চেঞ্জ।
আমাকে অয়েটিং এ পেলেও আর কিছু বলে না।কল দিলে হেসে হেসে কথা বলে।আমার জন্য তার মাঝে কোন অস্থিরতাই দেখতে পাই না।কথা বলার সময় ফোন রাখতে চাইলেও বলে না,আর
কিছুক্ষন থাকো প্লিজ।সব কিছুতেই রুদ্র এর পরিবর্তন লক্ষ করি!
ব্যাপারটা ধরতে পেরে আমি ঠিক
থাকতে পারি না।ওর অস্থিরতা,কান্না
কাটি সব কিছুকেই মিস করতে থাকি।
নিজের ভুল বুঝতে পেরে ওর কাছে ক্ষমা চাই।সে হাসি মুখে এড়িয়ে যায়।
আজকে দুপুরে বড় চাচ্চু কল দেয়।এটা অটা নিয়ে কথা বলতে বলতে অনেক্ষন কেটে যায়।মাঝখানে রুদ্র মাত্র
একবার কল দেয়।কথা বলা শেষে
রুদ্রকে কল দেই।সে ফোন রিসিভ করেই আমার সাথে সবাভাবিক ভাবে কথা বলতে থাকে।একবারও আমার অয়েটিং এ থাকাটা নিয়ে কিছু জানতে চায় না।
আমি ফোনেই ফুপিয়ে কাদতে থাকি। সে বিরক্ত হয়ে কল কেটে দেয়। আমি আবারো তাকে কল করি।কিন্তু এবার আমি বিদ্যুতের শকের মত আঘাত
পাই।ফোনের স্ক্রিনে ভেসে ওঠে
অয়েটিং লেখা।ঠিক এই মুহূর্তে আমি অস্থির হয়ে পড়ি রুদ্রকে হারানোর ভয়ে।পাগলের মত যতবারই রুদের নাম্বারে কল দেই ততবারই তাকে পাই
অয়েটিং অবস্থায়।
মিনিট দশেক পরে রুদের রুমমেটের কাছ থেকে একটা এসএমএস পাই।সেটা
ওপেন করে একটা সবস্থির নিঃশবাস ফেলি।এসএমএসটাতে লেখা ছিলঃ
"রুদ্রের হাতে এখন দুইটা ফোন।এক ফোনের নাম্বার দিয়ে সে আরেক ফোনের নাম্বারে কল করে বসে বসে
কাদছে"

05/02/2016

কমিশনার সাহেব বাসায় আছেন ?
: কেন ?
: আমার একটা চারিত্রিক সার্টিফিকেট দরকার ।
: তিন মাস পরে আসেন, উনি নারীঘটিত কেসে ছয় মাসের জন্য জেলে আছেন।

05/02/2016

যদি কোন বৃষ্টি ভেজা রাতে ,
তোমার চোখে ঘুম না আসে, জানালার পাশে তুমি এসে দাড়িও । ভুল করে যদি আমার কথা মনে পড়ে যায় , গ্রিলের ওপাশে দুটি হাত বাড়িয়ে দিও । আমি বৃষ্টির ফোটা হয়ে তোমায় ছুয়ে দেবো । তোমার মনে জমে থাকা সকল কষ্ট ধুয়ে দেবো ।।।

26/01/2016

টিচার খুব আন্তরিকতার সাথেই পাশের মেয়েটাকে বললেন–
জননী তোমার কি বিয়ে হয়েছে?
মেয়েটা একটু লজ্জা পেয়ে বলল- জ্বী স্যার। আমার একটা দুই বছরের একটা ছেলে আছে।
টিচার চট করে দাঁড়ালেন। খুব হাসি হাসি মুখ নিয়ে বললেন- আমরা আজ আমাদেরই একজনের প্রিয় মানুষদের নাম জানবো। এই কথা বলেই মেয়েটার দিকে তাকিয়ে বললেন –
মা আজকে তুমিই টিচার। এই নাও চক, ডাষ্টার।
যাও তোমার প্রিয় দশজন মানুষের নাম লেখো। মেয়েটা বোর্ডে গিয়ে দশ জন মানুষের নাম লেখলো।
টিচার বললেন- এরা কারা? তাদের পরিচয় ডান পাশে লেখো।
মেয়েটা এদের পরিচয় লিখলো।
সংসারের সবার নামের পাশে দুই একজন বন্ধু, প্রতিবেশীর নামও আছে।
টিচার এবার বললেন – লিষ্ট থেকে পাঁচ জনকে মুছে দাও।
মেয়েটা তার প্রতিবেশী, আর ক্লাশমেটদের নাম মুছে দিলো।
টিচার একটু মুচকি হাসি দিয়ে বললেন,
আরো তিন জনের নাম মুছো।
মেয়েটা এবার একটু ভাবনায় পড়লো। ক্লাশের অন্য ষ্টুডেন্টরা এবার সিরিয়াসলি নিলো বিষয়টাকে। খুব মনযোগ দিয়ে দেখছে মেয়েটার সাইকোলজি কিভাবে কাজ করছে। মেয়েটার হাত কাঁপছে।
সে ধীরে ধীরে তার বেষ্ট ফ্রেন্ডের নাম মুছলো। এবং বাবা আর মায়ের নামও মুছে দিলো। এখন মেয়েটা রীতিমত কাঁদছে।
যে মজা দিয়ে ক্লাশটা শুরু হয়েছিলো, সেই মজা আর নেই। ক্লাশের অন্যদের মাঝেও টানটান উত্তেজন। লিষ্টে আর বাকী আছে দুইজন। মেয়েটার হাজবেন্ড আর সন্তান।
টিচার এবার বললেন, আরো একজনের নাম মুছো।
কিন্তু মেয়েটা ঠায় দাঁড়িয়ে রইলো। কারো নাম মুছতে সে আর পারছেনা।
টিচার বললেন – মা গো, এইটা একটা খেলা। সাইকোলজিক্যাল খেলা। জাষ্ট প্রিয় মানুষদের নাম মুছে দিতে বলেছি, মেরে ফেলতে তো বলিনি!!!
মেয়েটা কাঁপা কাঁপা হাত নিয়ে ছেলের নামটা মুছে দিলো।
টিচার এবার মেয়েটার কাছে গেলেন, পকেট থেকে একটা গিফ্ট বের করে বললেন– তোমার মনের উপর দিয়ে যে ঝড়টা গেলো তার জন্য আমি দুঃখিত।
আর এই গিফ্ট বক্সে দশটা গিফ্ট আছে। তোমার সব প্রিয়জনদের জন্য।
এবার বলো, কেন তুমি অন্য নামগুলো মুছলে?
মেয়েটা বলল- প্রথমে বন্ধু আর প্রতিবেশীদের নাম মুছে দিলাম। কারন তবু আমার কাছে বেষ্ট ফ্রেন্ড আর পরিবারের সবাই রইলো। পরে যখন আরো তিন জনের নাম মুছতে বললেন, তখন বেষ্ট ফ্রেন্ড আর বাবা মায়ের নাম মুছে দিলাম। ভাবলাম, বাবা মা তো আর চিরদিন থাকবে না। আর বেষ্ট ফ্রেন্ড না থাকলে কি হয়েছে?
আমার কাছে আমার পুত্র আর তার বাবাই বেষ্ট ফ্রেন্ড।
কিন্তু সবার শেষে যখন এই দুইজন থেকে একজনকে মুছতে বললেন তখন আর সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না। পরে ভেবে দেখলাম, ছেলেতো বড় হয়ে একদিন আমাকে ছেড়ে চলে গেলেও যেতে পারে। কিন্তু ছেলের বাবাতো কোন দিনও আমাকে ছেড়ে যাবে না..........................

25/01/2016

“যেদিন এই নিষ্ঠুর পৃথিবীর আর সবাই আমাকে ভুলে যাবে,সেদিন অন্তত তোমার বুক ব্যথিয়ে উঠবে এই পাগলটার পাগলামীর কথা মনে করে।অন্ততএইটুকু সান্তনা নিয়ে যেতে পারব।এ কি কম সৌভাগ্য আমার?সেদিন তোমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধুর চেয়েও হয়তোবা বেশি করে মনে পড়বে এই দূরের বন্ধুটিকে।

25/01/2016

design korte korte haat betha hoia jaitase....ki er laiga j ai subj nilam...peraaaaaaaaa

23/08/2015

Don't love the person who enjoys with
u....Love the person who really suffers without
u.. Bcz the pain of real love never be defined

Address

Narayanganj
Narayanganj

Telephone

1687427615

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Römãñtîç bøy ñíhâl posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share