Unknown stories

Unknown stories Share your stories...

" অপূর্ণতা "পর্ব - ৫ ( শেষ পর্ব ) __________________এখন আর এনির বিষয়ে জানেনা এমন কেউ নেই বললেই চলে।  চলতে লাগলো দিন,  এখ...
23/04/2026

" অপূর্ণতা "

পর্ব - ৫ ( শেষ পর্ব )
__________________

এখন আর এনির বিষয়ে জানেনা এমন কেউ নেই বললেই চলে। চলতে লাগলো দিন, এখন আর তার সাথে আগে মতো তেমন একটা কথা হয় না। শুধু প্রয়োজনেই কথা বলা হয়।

আমি এখন ভার্সিটিতে উঠে গেলাম আর এনি এইচএসসি পরীক্ষার্থী। আমার ১ম সেমিস্টারের শেষ মুহুর্তে হঠাৎ চাচা বললো আমার পাসপোর্টের ছবি তার কাছে পাঠানোর জন্য, তিনি নাকি আবেদন করবে আমার নামে। ভালোই আমিও শুনে অনেক খুশি হলাম, ভাবতে লাগলাম অবশেষে তাহলে আমার সপ্ন পূরন হবে। পাঠানোর কয়দিন এর মধ্যেই চলে আসলো আমার বিসা। আমি তো মহা খুশি এবার আমায় আটকায় কে,,,, ২ /১ বছর বিদেশ থাকবো তারপর এসে সোজা এনিদের বাসায় প্রস্তাব নিয়ে যাবো তাকে বিয়ে করার। তারপর আমিও বলতে পারবো আমারও পূর্ণতা পেয়েছে।
উপপ কি যে ভালো লাগতেছে। এসব ভাবতেছি আর নিজে নিজেই হাসতেচি।
কিন্তু আমার খুশি যে বাকিদের সহ্য হবে না কে জানতো !!!

কয়দিন পরেই শুনতে পেলাম এনির বিয়ের জন্য প্রস্তাব আসলো। শুনেই আমার সব আনন্দ এক নিমিষেই শেষ। তাঁকে হারানোর ভয় শতগুণ বেড়ে গেলো। আরো বেশি কষ্ট লাগলো যখন শুনতে পেলাম আমার জেঠি নিয়ে গেলো সেই প্রস্তাব।

যখন-ই শুনলাম, মাথায় হাজারো প্রশ্ন না চাইতেই চলে আসলো, তার মধ্যে বেশি মনে পড়াটি হলো তিনি তো জানতো আমি এনিকে পছন্দ করি। অনেক আগে থেকেই তাকে ভালোবাসি। বিদেশ এত তাড়াতাড়ি যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হলাম এনিকে পাওয়ার জন্য সবই তো জানতো তিনি, তাহলে কেন এত বড় পথের কাটা হয়ে আসলেন? কেন এনিকে আমার থেকে দূরে নিতে চাই?

এগুলো ভাবতেছি আর তিনি আসার অপেক্ষা করতে লাগলাম। সন্ধ্যার পরে আসলো তিনি, আমি আর সময় নষ্ট করলাম না চলে গেলাম তার কাছে
- আপনি কেন এনির বিয়ের জন্য প্রস্তাব নিয়ে গেলেন?
- তো কি হয়েছে, যদি তোর এনিকে পছন্দ হয় তোর মা কে বল প্রস্তাব নিয়ে যাওয়ার জন্য।

এটা বলেই তিনি চলে গেলেন। একদিকে এনিকে হারানোর ভয়, মাকে কি ভাবে বলবো এসব নিয়ে চিন্তা। অন্য দিকে আমার ফ্লাইটের আর মাএ দশ দিন বাকি। কি করবো কিছু বুজতেচি না,,,,,

তারপর কোনো উপায় না পেয়ে আবার গেলাম সেই আপুর কাছে, আর বললাম
- আপু, আপনিতো জানেন আমি এনিকে অনেক বেশি পছন্দ করি ।
- হুম জানি তো, এখন কি করতাম আপু বল?
- আপনি মাকে গিয়ে একটু বুজিয়ে বলেন, প্লিজ প্লিজ প্লিজ আপু
- আচ্ছা ঠিক আছে, আমি বুজিয়ে বলে দেখি কি বলে।

আমি একটু খুশি হলাম, কিছুটা আশার আলো দেখতে পেলাম। পরের দিন আমার মামার বাসায় আমন্ত্রণ ছিলো, আমি বিদেশ যাবো সেই আশাতে। যথারীতি দুপুরে যাচ্ছিলাম রিকশায় মাঝ পথে আসলাম তখনি দেখি হঠাৎ মায়ের কল....
কি ব্যাপার হঠাৎ মা এইসময় কল দিলো কেন? ভাবতে ভাবতে কল ধরলাম আর তখনি আমার এতদিনের, এত আশা সব শেষ করে দিলো।
- হ্যালো মা ( যখনি এই কথা বললাম তখনি ওইপাশ থেকে মা গরম হয়ে বলতে লাগলো )
- তুই কি শুরু করলি?
- আমি আবার কি করলাম??
- তুই নাকি সবাইকে বলতে লাগলি এনিকে বিয়ে করবি?
- সবাইকে কই বললাম?
- এনিকে আমি কখনো আমার ছেলের বৌ হিসেবে গ্রহণ করবো না।
- কেন কি হয়েছে ?
- যদি এনিকে তুই বিয়ে করতে চাচ তাহলে আমি তোকে ছেলের পরিচয় দিবো না।
এটা বলেই কল রেখে দিলো। আমি তখন কি করবো, কোথায় যাবো কিছু বুজতেচি না।
এনি বললো তার পরিবার যেখানে বিয়ে দিবে সেখানে বিয়ে করবে পারলে ওদের বাসায় প্রস্তাব নিয়ে আসতে। এদিকে মায়ের এমন ব্যবহার কিছু বুজতেচি না কি করবো।
তাহলে কি এখানেই শেষ আমার এত বছরের অপেক্ষার ফলাফল?
তাহলে কি পরিবারকে খুশি রাখতে এনিদের বাসায় প্রস্তাব নেওয়ার সেই শেষ সুযোগ টাও হাত চাড়া করবো?
তাহলে কি এনিকে পাওয়ার আশা শেষ?
তাহলে কি বিদেশ এত তাড়াতাড়ি যাওয়ার আর কোনো লক্ষ্যই নেই?

এইসব ভাবতে ভাবতে চলে আসলো সেই দিন, যে-ই দিন বিদায় দিয়ে চলে আসলাম সেই জন্মভূমিকে।
তার মধ্যে আরো অনেক গুলো প্রস্তাব আসতে লাগলো এনির বিয়ের জন্য, এগুলোর মধ্যে বেশ কয়টাই আমার জেঠি নিয়ে আসতো আবার আমি বিদেশ চলে আসার পরে শুনতে পারলাম আমার মাও নাকি ২/১ টা প্রস্তাব নিয়ে গেলো, তবে আমার জন্য না অন্য কোনো ছেলের জন্য। আমি এগুলো শুনতাম আর নিজেকে নিজে সান্ত্বনা দিতাম, এখনো তো বিয়ে হয় নাই শুধু প্রস্তাবই আসতেছে । এই বয়সে তো এমনি আসে। এগুলো বলে নিজের মাথা ঠান্ডা রাখতাম।

তবে এনিকে মেসেজ দেওয়া বন্ধ হয় নাই। সে ইগনোর করতো ঠিকি তারপরও আমি যে ভালোবাসচি তার চোখে একটু নির্লজ্জ না হলে কি হয়। হঠাৎ একদিন শুনতে পেলাম এনিকে নাকি ছেলে পক্ষ পছন্দ করলো এবং এনির পরিবারও নাকি ছেলে পক্ষদের পছন্দ করলো। বিয়ের বিষয়ে নাকি দুই পক্ষই বসবে। এটা শুনে এনিকে আমি বললাম,
- তোমার নাকি বিয়ে ঠিক হলো?
- হুম। তবে এখনো পুরো পুরি হয় নাই কথা।
- তুমি রাজি বিয়েতে?
- কেন হবো না, আমার পরিবার যেখানে দিবে আমি সেখানেই রাজি।
- তুমি জানোনা আমি যে তোমাকে ভালোবাসি?
- হুম, তো কি হয়েছে?
- আমি তোমাকে হারাতে চাই না। অন্য কোথাও বিয়ে হতে দিবো না।
- আমি চাই আপনি আমার বিয়েতে কোনো সমস্যা তৈরী না করুন, এটা আমার জন্য খুবই খারাপ হবে। আমার পরিবার যদি জানতে পারে আমি আপনার সাথে কথা বলি আমাকে মেরেই ফেলবে।
এরপর সম্পূর্ণ আশা চলে গেলো এনিকে পাওয়ার, তারপরও নিজে সান্ত্বনা দিতাম, আগে বিয়ে হোক ভাগ্যে থাকলে ঠিকি আমার হবে। এখনো তো বিয়ে হয় নাই শুধু কথা ইনা বলতে আসবে। এনি তারপর থেকে আর আমার মেসেজ এর কোনো উওর দিতো না শুধু দেখে চলে যেতো।

বাস্, আমার সেই সান্ত্বনার মর্জাদা কোথায় রইলো।

৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, দুপুর ১:৪৫ মিনিট
তখন আমি ডিউটিতে ৩ টাই বিরতি হবে সব কাজ শেষ করে বসলাম হঠাৎ মোবাইলে একটা নোটিফিকেশন এর শব্দ। দেখতে যখন মোবাইল হাতে নিলাম দেখলাম ইন্স্ট্রাগ্রামে এনি স্টোরি দিলো। সময় নষ্ট না করে সাথে সাথে ক্লিক করতেই সামনে আসলো, যা আমার এতদিনের রাখা কিছুটা আশার সমাপ্তি। এনির বিয়ের ছবি। হাতে হাত রেখে সে আর তার জামাই। আর নিচে ক্যাপশনে লেখা ৬/২/২০২৬। শেষ হয়ে গেলো আমার না পাওয়া ভালোবাসার সমাপ্তি, চলে গেলো এনি অন্য কারো বৌ হয়ে । রেখে গেলো আমাদের হাজারো স্মৃতি আর একটি গল্পের অপূর্ণতা।

[ সমাপ্তি ]

" অপূর্ণতা "পর্ব - ৪___________________________- আমি অনেক দিন দরে তোমাকে একটা কথা বলবো বলবো বলে বলা হচ্ছে না। - কি কথা ,...
17/04/2026

" অপূর্ণতা "
পর্ব - ৪
___________________________

- আমি অনেক দিন দরে তোমাকে একটা কথা বলবো বলবো বলে বলা হচ্ছে না।
- কি কথা , বলেন !!
- আমি অনেক আগে থেকেই তোমাকে ভালোবাসি । সারাজীবন তোমার সাথেই থাকতে চাই।
- হুম, আমি জানি।
- কি??? সত্যি তুমি জানতা !!!!
- হুম, তবে....
- তবে কি??
- আমি আপনার প্রস্তাবটা নিতে পারবো না। আমার বাবা আমাকে বলেছে যদি কখনো তিনি শুনতে পারে আমি কারো সাথে রিলেশনে আচি বা কোনো ছেলের সাথে কথা বলি তাহলে আমাকে বিয়ে দিয়ে দিবে, পড়ালেখা সব বন্ধ করে দিবে। তাই আমি চাই না এত সুন্দর আমার স্বাধীনতাটা নষ্ট করতে। দুঃখিত,,,,,
- আচ্ছা বুজতে পারচি, কিন্তু এটা বলো তুমি কি আমাকে পছন্দ করো?
- জানিনা ।

এই কথা বলেই সে অনলাইন থেকে বেড়িয়ে গেলো।

তারপর যথারীতি আমি এই বিষয় নিয়ে তার সাথে আর কিছু বলি নাই। নরমাল ভাবে চলতে লাগলো কথা বলা।

এনি মাঝে মাঝে টিকটিক ভিডিও করতো তবে প্রাইভেট রাখতো। অদ্ভুত বিষয় হলো সে প্রতিটা ভিডিও আমাকে আলাদা করে পাঠাতো কিন্তু কেমন হলো, এমন কিছু বলতো না। আমিও দেখতাম আর বলতাম সুন্দর হয়েছে অনেক।

আবার তার কাঠগোলাপ ছিলো প্রিয় ফুল, তাই একদিন আমি মজা করে তাকে জিজ্ঞেস করলাম।
- আচ্ছা এনি, মনে করো কেউ তোমাকে একগুচ্ছ তোমার প্রিয় ফুল দিলো, তুমি কি নিবা?
- প্রিয় ফুল মানি কাঠগোলাপ??
- হুম।
- কে দিবে, কেউ দেওয়ার মতো নেই। তবে যদি দেয় তাহলে না করতে পারবো না।
- ও আচ্ছা, যদি সেই মানুষটা এখন যার সাথে কথা বলতেচো সে হয়। নিবা?
- হুম নিবো, তবে বাসায় কি বলবো? যদি জিজ্ঞেস করে কে দিলো তখন?
- বলবা যে আমি নিলাম, তাহলেই তো হয়।
- না, আমি মিথ্যা কথা বলতে পারি না, বললেই আম্মু জানতে পারে।

আমি বুজতে পারলাম তার নেওয়ার ইচ্ছে আছে কিন্তু পারবেনা নিতে। তাই শুধু শুধু তাকে বিপদে না ফেলাই ভালো। চলে গেলাম অন্য বিষয় নিয়ে কথা বলা।

বেশ কয়েকদিন যাওয়ার পর, কয়েকদিন বললে ভুল হবে। কয়েকবছর যাওয়ার পরে। ততদিনে আমার এইচ.এস.সি পরীক্ষা দেওয়ার সময় হয়ে আসলো, আমার চাচা বললো পাসপোর্ট করার জন্য আমি করতে দিলাম। কয়দিনের মধ্যে চলেও আসলো, আমি পাসপোর্ট নেওয়ার সময় মজা করে কয়টা ছবি তুললাম। বাসায় এসে এনিকে দিলাম সেই ছবি গুলো।
- আপনার পাসপোর্ট চলে আসছে?
- হুম, তোমাকে তাড়াতাড়ি যাতে বিয়ে করতে পারি তাই নিজে সফল হওয়ার জন্য চেষ্টা করতেচি।
- মানি ??
- না কিছু না।
- বুজতে পারচি, দেখা যাবে।
এটা বলেই সে চলে গেলো অফলাইনে। রাতে আবার যখন আসলো তখন তাকে কেন জানি পরিবর্তন লাগতে লাগলো তার কথাতেও বেশ পরিবর্তন । আমি জিজ্ঞেস করলাম কি হয়েছে তোমার হঠাৎ? আমাকে মনে হয় ইগনোর করতেছো?

সে বললো কই না তো, এমনি একটু ব্যস্ত আছি। এটা বলেই আবার চলে গেলো অফলাইনে। আমিও ঘুমায় পড়লাম।

এরপরের বছরই ততদিনে আমাদের পরিবারের কম বেশ সবাই জানতে পারলো আমি এনিকে পছন্দ করি। কিন্তু কিভাবে জানলো সবাই??

কারণ আমার একবোন ছিলো, বলতে গেলে আমার নিজের আপুর মতোই, তিনি কয়দিন হলো চলে আসলো তার জামাই এর বাসা থেকে, কিছু সমস্যার কারণে তাদের সংসার বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। তারপর থেকেই আমাদের বাসাতেই থাকতো।

আমি সেই আপুটাকে অনেক বিশ্বাস করতাম, তাই এনির কথাও আর লুকিয়ে রাখলাম না তার কাছে।

বাচ্, এরপর থেকেই শুরু হলো সবার জানাজানি। অনেক ভালো বিশ্বাস এর মর্জাদা রাখলো সেই আপু।
আমিও কিছু না বলে নিজেকে সান্ত্বনা দিতাম, সবাই জানলো ভালোই হলো। আজ না হয় কাল তো এমনিতেই সবাইকে জানাতে হতো। কিন্তু আমার সেই মনে করাটাই যে জীবনটাকে উল্টো পাল্টে করে দিবে তা জানতাম না।

চলবে....

" অপূর্ণতা "পর্ব - ৩_______________আমি যখন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়তাম তখন হঠাৎ একদিন অসুস্থ হয়ে পড়ি। তখন আমাদের বাড়ির পাশের ডা...
11/04/2026

" অপূর্ণতা "

পর্ব - ৩
_______________

আমি যখন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়তাম তখন হঠাৎ একদিন অসুস্থ হয়ে পড়ি। তখন আমাদের বাড়ির পাশের ডাক্তারের কাছে আমাকে নিয়ে যায়। ডাক্তার আমাকে কিছু ঔষধ দেয়, তারপর থেকেই আমার অবস্থা আরো খারাপ হতে শুরু করে। সারাদিন মাথা ব্যথা, কোনো কথা মনে না থাকা, পুরনো কিছু মনে না আসা ইত্যাদি অনেক রকম এর সমস্যা দেখা দেয়। চলতে থাকে কয়েকদিন, পরবর্তীতে আমার অবস্থা বেশি খারাপ দেখে হাসপাতালে নিয়ে যায় সেখানে আমাকে পরীক্ষা - নিরীক্ষা করে বলে এতদিন আমাকে নাকি পাগল হওয়ার ঔষধ খাওয়ানো হচ্ছিলো তাই আমার এমন অবস্থা হতে লাগলো।

আমি এনির থেকে এসব শুনে রীতিমতো হতবাক হয়ে গেলাম। তাই তার নাকি ছোট বেলার কিছুই মনে নেই। আমি অনেক চেষ্টা করলাম মনে করানো পরে এক পর্যায়ে হার মেনে বাদ দিয়ে দিলাম চেষ্টা করা।

চলতে লাগলো আমাদের কথা বলা, আগে থেকেই অনেক টাই গভীর সম্পর্ক হয়ে গেলো আমাদের। তার কি ফুল পছন্দ, কি ইচ্ছে করে, কেমন মানুষ ভালো লাগে বলতে গেলে সব কিছুই আমার জানা হয়ে গেলো।

বেশ কয়েকদিন যাওয়ার পরে একদিন হঠাৎ সে আমাদের বাসায় বসলো, তার বাবা নাকি বিদেশ থেকে আসলো তাই তিনি আমাদের বাড়ির সবার সাথে দেখা করতে আসলো। আমি তখন টিউশনিতে চিলাম, শুনা মাএই আমাকে আর আটকায় কে - সাথে সাথে চলে আসলাম বাসায়।

উপপপ আজকে তাকে কি যে সুন্দর লাগতেছে | চোখে কাজল, মিষ্টি রঙের জামা, আগে থেকেও আরো অনেক বেশি সুন্দরও হয়ে গেছে। এমন মনে হচ্ছিলো মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি।

যথারীতি এনির বাবা সবার সাথে দেখা করে চলে গেলো ওইদিন এর জন্য, কিন্তু আমার যে আর ঘুম নেই সেদিন এর জন্য। চোখ বন্ধ করলেই শুধু সেই মায়াবী চোখ,,,,

বেশ কয়দিন যাওয়ার পরে একদিন আমি বলেই ফেললাম এতদিন দরে মনের মধ্যে আটকিয়ে রাখা সেই কথা গুলো।
কথাগুলো এমন ছিলো......

চলবে......

"অপূর্ণতা "পর্ব - ২ ______________যখন দেখলাম তার এত পরিবর্তন তখন আর আমি চুপ থাকলাম না,  জিজ্ঞেস করতে লাগলাম-কি হলো তার? ...
09/04/2026

"অপূর্ণতা "

পর্ব - ২
______________

যখন দেখলাম তার এত পরিবর্তন তখন আর আমি চুপ থাকলাম না, জিজ্ঞেস করতে লাগলাম-
কি হলো তার?
এমন অবস্থা হলো কিভাবে?
তখন তারা কেউ ই কিছু বলে নাই চলে গেলো কিছুক্ষণ পরে। তারপর থেকে তার ছোট বোনটার সাথে আমার বোন বন্ধুত্ব করতে লাগলো এবং কয়েকদিন পর পরই আসা যাওয়া চলতে লাগলো। আমিও তখন একটু সুযোগ পেতাম এনির সাথে কথা বলার জন্য, বাচ্ ওইযে কথায় আছে না " সুযোগে সৎ ব্যবহার " সুযোগ হাত ছাড়া করলাম না শুরু করে দিলাম কথা বলা।

কখনো কখনো তাদের বাসায় যাওয়ার পরে দেখতাম সে পড়তেছে।
আবার কখনো গিয়ে দেখতাম রান্না করতেছে।
কয়েকদিন চলে গেলো এভাবে হঠাৎ একদিন শুনতে পারলাম তাদের বাসায় নাকি পুলিশ আসলো, এনিকে নিয়ে যাবে তাই!!!

তখন, এনি নবম শ্রেণিতে পড়তো। দৌড়ে গেলাম তাদের বাসায় সাথে আমার বাবাও গেলো। বাবা জিজ্ঞেস করলো পুলিশকে কি হলো? ওকে কেন নিয়ে যাবেন?

বলে রাখা ভালো " আমার বাবা ওই পুলিশদেরকে অনেক আগে থেকেই চিনতো। ব্যবসার সময়, প্রায় তারা বাবার কাছ থেকে জিনিসপত্র কিনাকাটা করতো। "

বাবা যখন জিজ্ঞেস করলো তখন তাদের মধ্যে একজন বললো, ও যে মোবাইলটা চালায় ওটা চুরি হওয়া এক সেনাপ্রধানের মোবাইল। তাই তাকে নিয়ে গেলে ওই চুরি করা চোরদের কে ধরতে পারবো এজন্য তাকে নিয়ে যাচ্ছি।

তখন বাবা এনিকে জিজ্ঞেস করলো,
বলো মোবাইলটা কই পেলে?
কার থেকে নিয়েছো এই মোবাইল?

তখন এনি বললো আমার ভাইয়ের দোকানে একটা লোক বিক্রি করার জন্য আনলো আর তখন আমার ভাই দেখে বুজলো কম টাকায় ভালো মোবাইল, তাই আমার জন্য কিনে নিলো।

কিন্তু পুলিশরা বিশ্বাস করতে চাই নাই, অনেক বুঝানোর পরে শেষে ওরা রাজি হলো কিন্তু দুইটা শর্ত রেখে, মোবাইলটা তারা নিয়ে যাবে এবং পাঁচ হাজার টাকা দিতে হবে। তখন সবাই আর কিছু উপায় না পেয়ে রাজি হয়ে গেলো এবং বিদায় করলো পুলিশকে।

আপনারা হয়তো ভাবতে লাগলেন এখানে চোর-পুলিশ এর গল্পের কি কাজ??

আসলে এখান থেকেই আমি জানতে পারলাম তার মোবাইল আছে । তাই পরেরদিন আমি তাদের বাসায় গেলাম আর এক পর্যায়ে জিজ্ঞেস করলাম,
- এনি তুমি মোবাইল চালাও কবে থেকে?
- আমি এক-দুই মাসই হলো চালায়।
- তাহলে তো মনে হয় ফেসবুকও আছে তোমার?
- হ্যাঁ, কয়দিন ই হলো চালানো শুরু করলাম।
- আমাকে দিবা তোমার ফেসবুক আইডি, প্রেন্ড হবা আমার আইডির সাথে?
- ঠিক আছে, এই নিন।

এরপর থেকেই রাত দিন ওর সাথে মেসেজ এ কথা হতো, এখন আর বোনকে ওই বাড়িতে যাওয়ার জন্য কানে কানে এসে মনে করিয়ে দেওয়া লাগে না। চলতে লাগলো দিন এভাবেই। এনি আমার সাথে তার ঘটে যাওয়া সব কথায় শেয়ার করতো বলতে গেলে বন্ধুর মতোই ছিলাম আমরা।

একদিন কথার মধ্যে তাকে জিজ্ঞেস করলাম,
- আচ্ছা, এনি ওইদিন আমাদের বাসায় যে আসলা তোমাকে দেখতে এত রোগা মনে হলো কেন?

তারপর সে বলতে লাগলো তার ঘটে যাওয়া সেই কষ্টের দিনগুলো।

চলবে........

" অপূর্ণতা "পর্ব - ১ ______- আমি চাই আপনি আপনার বিয়েতে কোনো সমস্যা তৈরী না করুন, এটা আমার জন্য খুবই খারাপ হবে।  আমার পরি...
08/04/2026

" অপূর্ণতা "

পর্ব - ১
______

- আমি চাই আপনি আপনার বিয়েতে কোনো সমস্যা তৈরী না করুন, এটা আমার জন্য খুবই খারাপ হবে।
আমার পরিবার যদি একবার জানতে পারে আমি আপনার সাথে কথা বলচি আমাকে মেরেই ফেলবে।

- আমি এখনো পর্যন্ত এমন কিছু করলাম যা তোমার সমস্যা হবে ?

- না, তবে কিছু না করলেই ভালো।

_____________________________________________

নোয়াখালী জেলার একটি শহরে থাকতো একটি মেয়ে, নাম তার এনি। নামটি যেমন সুন্দর দেখতেও মাসআল্লাহ লম্বা চুল, কিছুটা চিকন এবং চোখ গুলো দেখলে যে কারো মন জুড়িয়ে যাবে। তার পাশের বাসায় ছিলাম আমি, আমার কথা আর কি বলবো দেখতে তেমন একটা সুন্দর না হলেও আমার মা সব সময় বলতো আমার চেহারা নাকি অনেক মায়াবী, একদম পুরো আমার দাদার মতো হয়েছি। কে জানতো কতটা সত্যি, হয়তো সবাই কালো কালো বলে রাগায় দেখে আমাকে সান্ত্বনা দিচ্ছে আর নয়তো সত্যিও হতে পারে। হুম, আল্লাহ-ই ভালো জানে,,,, দুজনের'ই বয়স খুব একটা বেশি না, আমার আট বছর আর ও আমার একবছরের ছোট মানি সাত বছর ।

প্রতিদিন একসাথে দু'জন খেলাধুলো না করলে মনে হয় দিনই কাটতো না আমাদের , কখনো দড়ি লাফ, আবার কখনো বড় আপুদের সাথে বৌ বৌ। যেখানে ও হতো বৌ আর আমি হতাম তার জামাই।

এভাবে চলতে চলতে হঠাৎ কয়েক বছর পর এনির পুরো পরিবার চলে যায় অন্য একটি এলাকায়, সেখানেই তারা নতুন বাড়ি তৈরি করে। সম্ভবত তখন এনি দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়তো, আমি মাঝে মাঝেই ওই এলাকায় যেতাম কারণ আমার যে খেলার সাথী ওখানে থাকে।

এভাবে চলতে লাগলো দুইবছর, তারপর হঠাৎ একদিন আমি গাড়ি দূর্গটনায় আহত হয় আর বন্ধ হয়ে যায় সেই এলাকায় যাওয়া। বন্ধ হয়ে যায় এনির সাথে দেখা করা একসাথে খেলা করা।

হয়তো এনিও তখন অপেক্ষা করতো তার খেলার সাথীর জন্য কিন্তু কে জানতো আমি যে এখন আর চাইলেও পারবো না আসতে |

চলবে.......

" অপূর্ণতা " - coming soon full Story ✅✅
06/04/2026

" অপূর্ণতা "

- coming soon full Story ✅✅

হাম্বা মোবারক অফার 🤩🤩১৫% ডিসকাউন্টে নিতে পারবেন টি-শার্ট। সব সাইজের রয়েছে,  ইনবক্স করুন এখুনি,,,,
29/05/2025

হাম্বা মোবারক অফার 🤩🤩

১৫% ডিসকাউন্টে নিতে পারবেন টি-শার্ট।
সব সাইজের রয়েছে, ইনবক্স করুন এখুনি,,,,

Drop shoulder T-shirt  [ 15% Discount ]180-200 GSMSize-XLColour: Black & Marun Inbox.....
28/05/2025

Drop shoulder T-shirt
[ 15% Discount ]

180-200 GSM
Size-XL
Colour: Black & Marun
Inbox.....

15/11/2024

আসসালামু আলাইকুম
কেমন আচেন সবাই??

t-shirt name : Rich kids Fashion weave t-shirt
21/10/2024

t-shirt name : Rich kids
Fashion weave t-shirt

Address

Noakhali
3800

Opening Hours

Monday 08:00 - 22:00
Tuesday 08:00 - 22:00
Wednesday 08:00 - 22:00
Thursday 08:00 - 22:00
Friday 10:00 - 20:00
Saturday 08:00 - 22:00
Sunday 08:00 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Unknown stories posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share