19/05/2026
আজ আপনাদের সামনে আমাদের এক ভাইয়ের কঠিন সময়ের কথা তুলে ধরছি----
১ম ধাক্কাঃ বিদেশে প্রতারণার শিকার হয়ে নিজের পিতার দেশে ফিরে আসা ( ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫ লক্ষ)
২য় ধাক্কাঃ চিকিৎসা চলাকালীন ২০২৪ সালে জমজ সন্তানের মৃত্যু ( ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৬ লক্ষ)
৩য় ধাক্কাঃ চিকিৎসা চলাকালীন ২০২৬ সালে ২য় সন্তানেরও মৃত্যু ( ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫ লক্ষ)
৪র্থ ধাক্কাঃ স্বর্ণ বিক্রি করতে গিয়ে সব স্বর্ণ চুরি (ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৪ লক্ষ)
পরিমাণঃ মোট আর্থিক করজের পরিমাণ প্রায় ১৯ লক্ষ টাকা।
বিস্তারিত:-
২০২১ সালে ছাত্রাবস্থায় তিনি যখন একটা ব্যবসা শুরু করেছিলেন, স্বপ্ন ছিল নিজের পায়ে দাঁড়ানোর। কিন্তু হঠাৎ করেই বিদেশে থাকা তার বাবা এক বড় প্রতারণার শিকার হয়ে রিক্তহস্তে দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হন। পরিবারের বড় সন্তান হিসেবে পুরো সংসারের দায়িত্ব আর বাবার ফেলে আসা ঋণের বোঝা তখন থেকেই তার কাঁধে এসে পড়ে। তবুও তিনি হাল ছাড়েননি, আল্লাহর উপর তাওায়াক্কুল রেখে ধীরে ধীরে সব সামলানোর দায়িত্ব নেন। ২০২৩ সালে বিয়ে করেন তিনি।
তারা যমজ সন্তানের বাবা-মা হতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু চিকিৎসকরা শুরুতেই নেতিবাচক কথা বলেন। বাবা-মা হিসেবে তারা দমে যাননি, সাধ্যের বাইরে গিয়ে দামি ইনজেকশন আর চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিলেন যাতে সন্তানরা পৃথিবীতে আসতে পারে। কিন্তু ৭-৮ মাসের মাথায় সেই যমজ সন্তান দুনিয়া দেখার আগেই আল্লাহর জিম্মায় চলে যায়। প্রথমবারেই তাদের অনেক টাকা কর্জ হয়ে যায় চিকিৎসা বাবদ। দ্বিতীয়বার তারা আবার সন্তানের আশা করছিলেন এবং আল্লাহ আবার তাদেরকে বাবা-মা হওয়ার সুযোগ দেন।তারা পুনরায় নিজেদের সর্বোচ্চ দিয়ে চিকিৎসা শুরু করেন।এইবার ঠিক ডেলিভারির আগ মুহূর্তে সেই বাচ্চাটিও মাতৃগর্ভেই মারা যায়। পর পর তিন তিনটি সন্তান হারিয়ে একজন বাবার বুক আজ কতটা খালি, তা আমাদের পক্ষে অনুভব করাও অসম্ভব।
এরই মধ্যে ব্যবসায় মন্দা এবং বারবার বিশাল অংকের মেডিকেল খরচের কারণে তিনি ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়েন। গত রমজানে পাওনাদারদের চাপে নিজের কাছে থাকা শেষ সম্বল ২ ভরি স্বর্ণ বিক্রি করতে নিয়ে গিয়েছিলেন তার স্ত্রী, কিন্তু সেখান থেকে তার স্ত্রীর ব্যাগটি চুরি হয়ে যায় যেখানে তাদের শেষ সম্বলটুকু ছিলো। সব মিলিয়ে তার ঋণের পরিমাণ এখন ১৯ লক্ষ টাকা ছাড়িয়েছে।পাওনাদারদের অসহ্য চাপ আর মানসিক যন্ত্রণায় তিনি আজ এতটাই বিপর্যস্ত যে, এই তরুণ বয়সেই তিনি জীবন নিয়ে চরম ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। তার একটাই ভয়, এই বিশাল ঋণ নিয়ে যদি পৃথিবী ছাড়তে হয়, তবে আখিরাতেও শান্তি নেই। তিনি আজ নিরুপায় হয়ে আমাদের কাছে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। তার সবটুকু হারানো শেষ, এখন শুধু নিজেকে হারানোই বাকি মনে হচ্ছে। আমাদের সামান্য সহযোগিতা আর ভালোবাসা হয়তো এই ভাইটিকে ঋণের অভিশাপ থেকে মুক্তি দিতে পারে। আসুন, আমরা যে যার জায়গা থেকে এই কঠিন সময়ে তার পাশে দাঁড়াই।
তার আত্মমর্যাদার জন্য তার পরিচয়টা গোপন রাখছি।কেউ যদি ঘটনার সত্যতা আর পার্সোনালি ঘটনাটা জেনে সাহায্য করতে চান যোগাযোগ করে তাও করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
----------------------
বিকাশ/নগদ/রকেট-
01859-382416
01600-317035
--------
ইসলামী ব্যাংক-
ROKEYA BEGUM
20501630205928205
Islami Bank Bangladesh Limited
Patiya Branch
--------
সেলফিন-
01600-317035