20/02/2026
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি? ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই দিনটি আমাদের অহংকার।মায়ের ভাষা, মুখের ভাষা—এর চেয়ে মধুর আর কিছু নেই। ভাষার অধিকার রক্ষায় যারা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা। সবাইকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শ্রদ্ধাঞ্জলি।🖤
১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর থেকে আমরা নানা ভাবে পশ্চিম পাকিস্তানিদের হাতে অত্যাচারীত হয়েছি ১৯৪৭-১৯৪৮-১৯৭১। যা হোক ভাষা নিয়ে /নিজ অধিকার নিয়ে/এবং সকল সুযোগ সুবিধা নিয়ে/ সকল বিষয় থেকে আমরা বঞ্চিত ছিলাম। From Everything. বিশেষ করে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারী যা ছিল বাঙ্গালী জাতীর জন্য এক আত্মঘাতিক লরাই । এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ভাষা নিয়ে। ১৯৪৮ সালেই পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী বিশেষ করে পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ তিনি ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এবং ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। যা বাঙালি জাতির মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়। তারপর পূর্ব বাংলার ছাএরা এবং সাধারন মানুষরা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ছাত্ররা মিছিল বের করলে পুলিশ গুলিবর্ষণ করে। উদাহরন : ঠিক ২০২৪ -৬ জুন সৈরাচার সরকার শেখ হাসিনার পালিত কুকুররা ছাএদের উপর গুলি চালিয়েছিলো ঠিক সেরকম মতো মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর কথায় পুলিশ সাধারণ ছাএদের ও সাধারণ মানুষের উপর গুলি চালায়। এতে রফিক, সালাম, বরকত, জব্বারসহ অনেকে শহীদ হন।১৯৫২ সালের এই ভাষা আন্দোলন ছিল মূলত বাঙালির আত্মমর্যাদা ও স্বাধিকারের সংগ্রামের প্রথম ধাপ। আর এর পরিসমাপ্তি ঘটেছিলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে। আমরা সবাই তাদের আত্মার সান্তির জন্য দোয়া করব।🤲