19/08/2026
⚠️আমি পেজে অন্য টপিক নিয়ে কথা বলি না তবে আজ অনেক খারাপ লাগা থেকে লিখলাম।
জামাল উদ্দিনের ঘটনাটা একটা সতর্ক বার্তা।
জামাল উদ্দিনের শেষ পরিনি তো এমন হওয়ার কথা ছিলোনা, প্রবাসে হয়তো সে না খেয়েই সারা দিন পরিশ্রম করেছে, কতো রাত হয়তো পেটে ক্ষুধা নিয়েই ঘুমিয়েছে, এতো কষ্টের টাকা স্ত্রী সন্তানের কাছে পাঠিয়েছে, হয়তো যে পোশাক পরে কাজ করে সেটা বাদে ভালো পোশাক পড়ার কখনো সময়ই হয়নি, যেন তার ছেলে-মেয়েরা নতুন পোশাক পড়তে পারে।
যাদের মুখে হাসি ফোটাতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে, সেই মানুষ গুলো স্বার্থপর হতে একটুও সময় নেয়নি, নিষ্ঠুরতার চরম পর্যায়ে যেতে একবারও ভাবেনি।
টাঙ্গাইলের সখীপুর গ্রাম। এই ব্যক্তিটির নাম জামাল উদ্দিন। বয়স ৫৫ বছর। দীর্ঘ ১২ বছর সৌদি আরব থেকে, তিন মাস আগে অসুস্থ হয়ে দেশে ফেরেন। এরপর থেকে তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছিলেন না। বিদেশে যা আয় করেছেন, সবই স্ত্রীর নামে পাঠিয়েছেন। কিন্তু দেশে ফেরার পর, তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে স্ত্রী-সন্তানেরা আগ্রহ দেখাননি।
এমনকি কিছুদিন আগে, স্ত্রী তাকে ঘরছাড়া করেন। অসুস্থ স্বামীকে রাস্তায় ফেলে যান। এরপর রাস্তা থেকে একপর্যায়ে তার ভাতিজি তাদের বাসায় নিয়ে যায়। আজ সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। স্ত্রী সন্তানেরা খোঁজ নেননি।
আমার আব্বুও একজন প্রবাসী, তার অক্লান্ত পরিশ্রম শুধু আমাদের একটু ভালো রাখার জন্য, নিজের মানুষদের ছেড়ে এতো দূরে থাকে, তার অসুস্থতার খবর পেলেও মনটা অস্থির হয়ে উঠে, আব্বু এতোটা দূরে কতো দিন সামনে থেকে দেখি না, কাছ থেকে আব্বু বলে ডেকে আবদার করা হয়না ভাবলেই চোখ ভিজে উঠে, অপেক্ষা শেষ হয় না, আব্বু কবে বাড়ি আসবে, আমার মনে হয় আমার আব্বু আছে মানেই আমি সব পারবো আর না পারলেও আব্বু সামলে নিবে, আমার কাছে ভরসা মানে "আমার আব্বু", একটা কথা আছে না,
🥀মানুষ দুনিয়ায় আশ্রয় চাইলো,
খোদা মায়া করে বাবাকে পাঠালেন🥺
আর মানুষ এতোটা নিষ্ঠুর কিভাবে হতে পারে?এদের মানুষ বলাটা কি ঠিক হবে?