Akhi Islam-আখি ইসলাম

Akhi Islam-আখি ইসলাম নিজের কাল্পনিক জগৎটাকে
তুলে ধরার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা 🍂🖤

উপন্যাস পড়তে এবং লিখতে ভালোবাসি🖤

উপন্যাস আমার পেশা নয় উপন্যাস আমার নেশা 😊

মনে করেন– আমি আপনার বাসায় গিয়ে দরজা ধাক্কাইতেছি আর আপনি ভেতর থেকে কে? কে? বলে চিল্লাইতেছেন।কিন্তু আমি উত্তর দিচ্ছি না।বি...
22/01/2026

মনে করেন– আমি আপনার বাসায় গিয়ে দরজা ধাক্কাইতেছি আর আপনি ভেতর থেকে কে? কে? বলে চিল্লাইতেছেন।

কিন্তু আমি উত্তর দিচ্ছি না।
বিরক্ত হয়ে আপনি তখন দরজার পিপ-হোল দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখতে চাইলেন বাইর কে এসেছে, ফকির, মেহমান, ডা!কাত নাকি ময়লাওয়ালা।

কিন্তু দেখতে গিয়ে দেখলেন যে–
আমি বাইরে থেকে পিপ-হোলের উপর চুইংগাম লাগিয়ে রাখছি, কিছুই দেখা যাচ্ছে না, আবার দরজাও ধাক্কাচ্ছি।তখন মেজাজটা কেমন লাগবে আপনার বলেন তো?

আপনি প্রোফাইল লক করে যখন ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠান,তখন আমারও এমন অনুভূতি হয়!'😒

ডিজিটাল যুগের কাক!👍😉
16/09/2025

ডিজিটাল যুগের কাক!👍😉

31/05/2025

গরু বলে কি ওদের সখ হয় না আজব তো🙄🤣🤣

 #মনের_অরন্যে_তুমিপর্ব ৫ লেখিকা আখি ইসলাম★টানা ৮ ঘন্টা পর  জ্ঞান  ফিরে নিজেকে একটা কুটকুটে অন্ধকার ঘরে। একটা চেয়ারে পিছন...
11/05/2025

#মনের_অরন্যে_তুমি
পর্ব ৫
লেখিকা আখি ইসলাম

টানা ৮ ঘন্টা পর জ্ঞান ফিরে নিজেকে
একটা কুটকুটে অন্ধকার ঘরে।
একটা চেয়ারে পিছন দিক থেকে হাত বাধা বসা অবস্থায় আবিস্কার করলো ইশান।
ভয়ে ইশান এর হাত পা অবশ হয়ে আসছে।
গলা টা শুকিয়ে আসছে।
কিছু বুঝে উঠতে পারছে না।
চোখ বন্ধ করে আবার খুললো শপ্ন দেখছে না তো।
না সত্যি ই।
এবার মনে করতে থাকলো তার সাথে লাস্ট কি হয়েছিলো।
হ্যা মনে পরেছে।
সে রুমে ছিলো তার পর মিনু এসে ডাক দিলো।
:মামা আফনারে ডাকে (বেশ তারা দিয়ে)
:কে ডাকে
:চিনিনা তো মনে হয় ডেকোরেশন এর লোক।
হেরা বাগানের দারে আছে কইলো যে,,
আফনারে জরুরী দরকার নাকি।
:আচ্ছা তুমি যাও আমি যাচ্ছি।
বলেই ইশান বাগানের দিকে রওনা দিলো।
বাগানে এসে কাউ কে দেখতে পেলো না।

কই কাউ কে তো দেখছি না মিনু তো বললো এখানেই নাকি আছে।(বিরবির করে বলছে ইশান)
হটাৎ পিছন থেকে কেউ তার মুখ চেপে ধরলো।
পিছনে ঘোরতে যাবে।
তখনই চোখ কেন জানি আপনা-আপনি বন্ধ হয়ে আসছিলো।
জোর করেও চাইলে মেলে রাখতে পারছে না।
হাল্কা ঝাপসা ঝাপসা দেখছিলো।
একটা কালো মাস্ক পরা লোক।
চোখে পরেছিলো।
কথা গুলো মনে করেই আঁতকে উঠে ইশান।
দীর্ঘ একটা জোরে শ্বাস নিল ইশান।
প্রচুর পিপাসা পেয়েছে।

:কেউ আছেন এখানে আমাকে কেন বেধে রেখেছেন (জোরে জোরে চিৎকার দিয়ে বলছে ইশান)

কিন্তু কারো কর্ণ হলেই যেন সেই চিৎকার যাচ্ছে না।

অনবরত জোরে জোরে ডেকেই যাচ্ছে ইশান।

হঠাৎ কারো উপস্থিতি টের পেল ।
কিছু টা ভয় এবং আতংক কাজ করছে ইশান এর।
:কে তুমি আমাকে এখানে নিয়ে আসছো কে...
কথা টা শেষ হওয়ার আগেই।
আবার ও মুখ চেপে ধরেছে লোক টা।
আগের বার এর মত চোখ ঝাপসা হয়ে আসলো।
চোখ আপনা-আপনি বন্ধ হয়ে গেলো ইশান এর।

★★
ছাদে রেলিং দারিয়ে আকাশের দিকে চেয়ে নিকোটিন এর ধোয়া ছাড়ছে আরাভ।

আজ নিজেকে ভিষণ করে একা একা লাগছে পরিজান।

তুমি চলে যাওয়ার পর আমার জীবনটা ।
থেমে গেছে তোমাতেই ।
যেটুকু সময় ছিলাম আমি তোমার সাথে ।

সেটা ছিল এক রঙিন স্বপ্ন ।
কিন্তু আজ সে স্বপ্ন শুধু কষ্টের স্মৃতি হয়ে আছে।
প্রতিটি স্মৃতি আমার হৃদয়কে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়।

চোখের কার্নিশ ভিজে টুপটাপ করে অশ্রু ঝরছে।
আরাভ এর
হাতের উলটো পিঠে জল টুকু মুছে নিলো শূন্য আকাশের দিকে তাকিয়ে বললো তুমি কোথায় পরিজান।

এভাবে কেটে গেলো কিছু সময়।

হটাৎ গেটের সামনে একটা গাড়ি আশার শব্দে।
ধ্যান ভাংগে আরাভ এর।
দুজন লোক গেটের সামনে কালো একটা কাপর দিয়ে মোড়ানো কিছু একটা খুব সাবধানে রেখে চলে গেলো।
আরাভ রীতিমত অবাক হল ।
দৌড়ে নিচে নামতে লাগলো।
নিচে নামতে নামতে।
চিৎকার দিয়ে দারোয়ানকে ডাকছে আরাভ।
মজিদ চাচা গেটের চাবি নিয়ে আসেন চালু।
মাত্র ভাত খেয়ে বিছানায় শরির এলালো মজিদ।
আরাভ এর চিৎকার শুনে হুরোহুরি করে চাবি নিয়ে রুম থেকে বাহির হলো ।
:কি হইছে বাবা এমন হাপাইতাছো কেন ( বিচলিত হয়ে জিগ্যাস করলো মজিদ)
:চালু গেট খুলুন fast,,

মজিদ তারাতারি গেট খুললো।
আরাভ দৌড়ে দেখার জন্য যায়,,
মজিদ ও আরাভ এর পিছু পিছু যায়।
কাপর টা সরাতেই ইশান এর মুখ টা ভেসে উঠে।
আতকে উঠে আরাভ।
মজিদ ইশান এর মুখ টা দেখে রীতিমত ভয়ে কাপতে থাকে।
ভয়ার্ত কন্ঠে মজিদ বলে উঠল।
বাবা এটা তো ইশান মামা হেই এইহানে কি করে।
আরাভ মজিদ কে হাতের ইশারায় চুপ করিয়ে দিয়ে।
ইশান কে এলো পাতালি কোলে করে নিয়ে বাড়ির ভিতর নিয়ে যাচ্ছে।
মজিদ তারাতারি গেটে তালা দিয়ে আরাভ এর পিছে যাচ্ছে।
মিনু রান্না ঘরের থেকে বের হতে যাবে এমন সময় ইশান কে আরাভ কোলে করে নিয়ে আসতে দেখে।
তারাহুরো করে দৌড়ে আসলো।

★★
দেলোয়ার আয়শা মঞ্জমা বসে বসে গল্প করছে।
মিনুর চিল্লাচিল্লি তে দৌড়ে আসলো।
:কিরে এত চিৎকার করছিস কেন মিনু(ধমক সুরে বললেন মঞ্জমা)
:ও আম্মা গো নিচে নামেন দেইখা যান ইশান মামা রে পাওয়া গেছে।
সবাই রীতিমতো অবাক হয়ে নিচে নামছে।
:কী হয়েছে আমার ইশান এর ও এভাবে শুয়ে আছে কেন কোথায় পেয়েছিস ওকে।
ভয়ার্ত কন্ঠে এক নিশ্বাসে বললো আয়শা।
ছাদে দারিয়ে ছিলাম হটাৎ
কে বা কারা যেন একটা মাইক্রো তে করে এসে ইশান কে গেটের সামনে রেখে গেছে।
আমি তারাতারি করে নেমে এসে ইশান কে পেলাম (ইশান এর মুখের দিকে তাকিয়ে)
আরাভ ইশান কে সোফার উপর সুয়ে রেখে ওর নাকের কাছে আঙ্গুল ধরে বুঝার চেষ্টা করছে শ্বাস-প্রশ্বাস চলছে কি না।
ইশান এর মনে হয় জ্ঞ্যান নেই নিশ্বাস চলছে।
:পানি নিয়ে আসো কেউ।
ওয়াজিদ আংকেল কে ফোন দেন দাদা তারাতারি।
(উত্তেজিত হয়ে বললো আরাভ)

চলবে
আজকের পর্ব ছোট হয়ে গেছে তার জন্য সরি কাল কে বড় করে দিবো নি😊

 #মনের_অরন্যে_তুমিপর্ব ৪ লেখিকা আখি ইসলামতুমাকে আর কোথায়  কোথায় খুজবো বলো তো। আমি যে আর পারছি  পরিজান (বিরবির করে আকাশের...
09/05/2025

#মনের_অরন্যে_তুমি
পর্ব ৪
লেখিকা আখি ইসলাম

তুমাকে আর কোথায় কোথায় খুজবো বলো তো।
আমি যে আর পারছি পরিজান (বিরবির করে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলছে আরাভ)

হঠাৎ আরাভের ফোনে রিং আসলো ।
তৎক্ষণিক আরাভ এর ধ্যান ভাঙলো।
:হ্যা বল রবিন
:কিরে শুনলাম ইশান এর হবু বউ কে তুই নাকি বিয়ে করতে গেছিস। (ইয়ার্কি সুরে)
কথা টা শুনে আরাভ এর মেজাজ যেন তিরতির করে বেড়ে গেলো।
:তোকে কে বললো(দাতে দাত চেপে)
:দাদি বললো
:ও এটাই বলেছে আর কিছু বলেনি।
: হ্যা বলেছে তো (শুকনো ঢোক গিলে কথা টা বললো রবিন)
:তাহলে আবার কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিচ্ছিস কেন।
(রাগে কটমট করতে করতে)
:না এমনেই তোকে জিগ্যাস করে শিউর হলাম আর কি"
তুই এত রেগে আছিস কেন।
কথা শেষ হওয়ার আগেই আরাভ ফোন টা কেটে দিলো।

আরাভ এর কথা তে নিধি হাল্কা নড়ে সরে উঠলো।
নিধির ঘুম বরাবরই বেশ গভীর।
এই গভীর ঘুমের জন্য আমেনার কাছে কত কথা যে শুনেছে তার হিসাব নেই।
আরাভ এর হটাৎ নিধির দিকে নজর পরলো ।
ধবধবে ফর্সা গায়ের রঙ মুখে হাল্কা মেকাপ।
গোলাপি রঙের একটা বেনারসি পরা।
ঠোঁটে হাল্কটা মিষ্টি কালার এর লিপস্টিক।
নিধি সজাগ থাকা অবস্থায় অবশ্য বড় করে ঘোমটা দিয়ে ছিলো ।
ঘুমের কারনে ঘোমটা টা সরে গেছে
নিধি ঘুমে বার বার ঢুলে পরছে।
বেশ মায়াবী লাগছে নিধি কে।
এক পলকে তাকিয়ে আছে নিধির দিকে আরাভ।
না না কি করছি আমি এই মেয়ের দিকে এভাবে তাকিয়ে আছি কেন।
আমার এই চোখ শুধু দেখবে পরি কে আমার পরিজান কে।
পরির কথা মনে পরে আরাভ এর মন টা আবার খারাপ হয়ে গেলো।

ভাবতে ভাবতে হঠাৎ দেখল নিধির মাথা আবার ও ঢুলে পরছে বার বার।

আরাভ এর একটু মায়া হলো।
নিধির মাথা টা সিটে সাথে সোজা করে দিলো ।
তার পরেও দেখে নিধির মাথা বার বার ঢুলে সিট থেকে ও সরে যাচ্ছে।
তৎক্ষণিক আরাভ কি ভেবে জানি।
নিধির মাথা টা আরাভ এর কাধে রাখলো।
কেটে যায় প্রায় কিছু সময়

তীব্র পারফিউম মিষ্টি ঘ্রানে চোখ পিটপিট করে মেলে
নিজের মাথা আরাভ এর কাধে আবিষ্কার করলো নিধি।
লজ্জা ভয় সংকোচ তিনটাই কাজ করছে নিধির ভিতর।

:আমি দুঃখিত আসলে ঘুমিয়ে পরেছিলাম আমি খেয়াল করিনি(কাপা কাপা কন্ঠে )

(নিধি কে হাতের ইশারায় থামিয়ে দিয়ে)
আপনার মাথা আমি নিজেই আমার কাধে রাখছি বার বার ঢুলে পরছেন দেখে। (স্বাভাবিক ভাবেই কথা টা বললো আরাভ)
নিজেকে বার বার ধিক্কার দিচ্ছে নিধি।
ছি ছি নিধি বিয়ে হতে না হতে বরের কাধে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পরেছিস ছি ছি কি লজ্জা কি লজ্জা

★★পেজে Akhi Islam-আখি ইসলাম ★

গাড়ি এসে থামলো সাত তলা বড় একটা বিল্ডিং এর সামনে।
বড় করে খোদাই করে লেখা।
দেলোয়ার খান ভিলা।
দেলোয়ার ইরা আয়শা এক গাড়িতে এসেছে।
সারা রাস্তা ইরা আয়শার সাথে বকবক করতে করতে আসছে।

আয়শা ও বেশ মনোযোগ সহকারে শুনেছে ইরার কথা।
আয়শার বেশ ভালোই লাগছিলো ইরার বকবক শুনতে।
ওদের গাড়ি টা আগে আসছে।

মঞ্জমা বেগম দারিয়ে আছে নতুন বউ বরণ করার জন্য।
চার দিক থেকে ফুল ছিটাচ্ছে আরাভ আর নিধির উপর।
:মিনু মিষ্টি নিয়ে আয় ( বলে চোখে ইশারা করলো মঞ্জমা)
আরাভ আর নিধি কে মিষ্টি মুখ করে ভিতরে নিলো সবাই।
বাড়িতে বেশ হই হুল্লোড় লেগে গেছে বউ দেখার জন্য একে একে সবাই আসছে।
মঞ্জমা বেগম আয়শা বেগম নিধি কে নিয়ে যাচ্ছে আরাভ এর রুমের দিকে।
সাথে ইরা ও আছে নিধির সাথে।
আরাভ এর রুম টা ফুল দিয়ে সাজানো।
চার পাশে কাচা গোলাপ গাদা ফুল দিয়ে সাজিয়েছে।
ফুলের সুবাস পুরো রুমে বিরাজ করছে।
আরাভ এর খাটে সাদা ধবধবে একটা বিছানার চাদর বিছানো।
চাদর এর উপর বেশ অনেক গুলো গোলাপ এর পাপড়ি দিয়ে A+N লিখা।
নিচে আবার গাদা ফুলের পাপড়ি আর গোলাপের পাপড়ি দিয়ে লাভ আর্ট করা ।

নিধি আরাভ এর রুমে একবার চোখ বুলিয়ে নিলো।
বাসর ঘর সাজানো বাদে এমনেই তেই রুম টা বেশ সাজানো গুছানো।
বিশাল বড় রুম টা রুমের বা সাইডে বিশাল এক বেলকনি।
বেলকনি থেকে বাতাস আসছে রুমের ভিতর
সাদা পর্দা টাঙ্গানো হাল্কা বাতাসে পর্দা গুলো উড়ছে ।

★★
বাসর ঘরে মঞ্জমা নিধি কে বসিয়ে দিলো।
আজ থেকে এটা তোর সংসার তোর ঘর বইন।
আমার পাগল নাতী টাকে একটু সামলে রাখিস।
( মুখে মিষ্টি হাসি দিয়ে নিধি বুঝাচ্ছে মঞ্জমা)

: কি গো খালাম্মা নতুন বউ কই শুনলাম জামাই বদল হয়ে গেছে।
উত্তেজিত কন্ঠে বললেন মিসেস সালমা আহমেদ।
সাথে ডা: ওয়াজিদ আহমেদ ও আছে ।
:এই যে দেখো আমাদের নাতবউ (চাপা একটা হাসি দিয়ে বললো মঞ্জমা বেগম)
:মাশাল্লাহ ভারী মিষ্টি দেখতে তো।
দোয়া করি সুখি হও।
হঠাৎ সালমার ফোন বেজে উঠলো ।
এই সময় আবার কে ফোন দিলো।
বেশ বিরক্তি নিয়ে ফোন টা ব্যাগ থেকে বের করল সালমা ।
ও জেসি ফোন দিছে বলেই রিসিভ করে কানে ধরলো।
:হেলো
:তুমি কোথায় আম্মু (ফোনের ওপাশ থেকে)
:আমি তো তুমার আরাভ ভাইয়ার বউ দেখতে আসছি আম্মু কেন।
:কি বলছো আরাভ ভাইয়া বিয়ে করছে (বেশ ভয়ার্ত কণ্ঠে জিগ্যাস করলো জেসি)
:হ্যা আরাভ বিয়ে করছে তো।( একটু দম নিয়ে)
আজকে তো ইশান এর বিয়ে কথা ছিলো।
তুমার আব্বুর কাছে শুনেছি ইশান নাকি পালিয়েছে।
তাই ইশান এর বদলে আরাভ কে বিয়ে করাই আনছে।
ইশান এর জন্য যে মেয়ে দেখেছিলো ওই মেয়ে কেই আনছে আরাভ এর বউ করে।
মাশাল্লাহ আরাভ বউ টা ভারী মিষ্টি।
(এক দমে কথা গুলো বললো সালমা মুখে বড় করে হাসি ঝুলিয়ে রেখেছে)
:তুমার আব্বুর সাথে কথা বলবা।
:না৷ ( রাগে টগবগ করতে করতে কল টা কেটে দিলো জেসি।

:হ্যালো হ্যালো যাহ ফোন টা কেটে দিল,,।
ফোন ব্যাগে রেখে গল্পে মন দিলেন সালমা

★★
বিছানার উপর ফোন টা ছুড়ে মারলো জেসি।
মেজাজ টা বিগরে গেছে তার।
মাথায় দুই হাত দিয়ে চাপ দিয়ে ধরে ধপাস করে ফ্লোরে বসে পরলো।
How is this possible?
এটা কি ভাবে সম্ভব কি ভাবে সম্ভব।
জোরে চিৎকার দিয়ে বলে উঠে।
রাগে জেসির পুরো শরির থর থর করে কাপছে।
ফোন টা বিছানার থেকে নিয়ে তারাতারি ডায়াল লিষ্টে যায়।
রাজু নামের একটা নাম্বারে কল দেয়।
:হ্যা হেলো মেডাম বলেন
:কু/ত্তার বা/চ্চা শু/য়ো/রের বা/চ্চা।
কাকে তুলে এনেছিস তুদের কে আমি কা কে আনতে বলেছি ( রাগে দাতে দাত চেপে কথা গুলো বলছে জেসি।
:কি বলছেন ম্যাডাম যাকে আনতে বলেছেন আমরা তো তাকেই এনেছি।
:তুর আব্বারে আনছিস কুত্তার বা..

(বাকি কথা জেসি শেষ করার আগেই ফোনের ওপাশ থেকে বেশ রাগান্বিত গর্জ ভেসে আসলো)

: এই সাবধান বাপ তুলে কথা বলবেন না বলে দিচ্ছি।
আপনি যাকে আনতে বলেছেন তাকেই আনছি আমরা।
:what the hell,,তুমরা কাকে আনছো?
:কেন যার বিয়ে তাকে মানে খান বাড়ির এক মাত্র নাতি কে।
:আরে গর্ধবের দল ওইটা তো আরাভ ছিল না।
ওই টা ইশান ভাই ছিলো।
:কি জানি ইশান না কিশান আপনি কি আমাকে ছবি দিয়েছেন যে আমি জানবো।
আর ওরই তো বিয়ে ছিলো আজকে।
আপনিই তো বললেন যে জামাই তাকে তুলে নিয়ে আসতে।

: oh god এ আমি কি করলাম নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারলাম।।
:ম্যাডাম
:কি
:এখন কি করবো উনাকে কি ঘুম করে দিবো নাকি।
না হাত পা ভেংগে দিবো।
:এই না না কিছু করতে হবে না আমাকে কেস খাওয়াবে নাকি।
শুনো ওকে ছেড়ে দেও আর ও যেন কোন ভাবে টের না পায়
আমি ওকে কিডন্যাপ করেছি।
আর হ্যা ও যেন তুমাদের কারো ফেস না দেখতে পায়।
:ঠিক আছে মেডাম

জেসির মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পরেছে কি করবে কিছু বুঝে উঠতে পারছে না।
সব দোষ জারার।
ওয় যদি না বলতো যে খান বাড়িতে বিয়ে
তাহলে এত কর্মকাণ্ড ঘটাতো না আর আরাভ এর ও বিয়েটা করতে হতো না।
ইচ্ছে করছে জারার গলা টিপে ধরতে।
কেন ওয় বুঝায় বললো না।
এ যেন নিজের গর্তে নিজে পা দেওয়া।

চলবে
আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠিকা রা।
আমি গল্প প্রথম লিখছি ।
তাই যদি গল্প পড়ে থাকেন লাইক না দেন একটা কমেন্ট কইরেন ।
কারণ আপনার একটা কমেন্টে আমাকে হাজারগুণ উৎসাহ দেয় পরের পর্ব লেখার জন্য । 😊
ধন্যবাদ

 #মনের_অরন্যে_তুমি পর্ব ৩লেখিকা আখি ইসলাম★ আমি কি করবো বলো তো সাথী এই মুখ আমি কি ভাবে দেখাবো তুমার মেয়ে কে। বাপ হয়ে যে আ...
08/05/2025

#মনের_অরন্যে_তুমি
পর্ব ৩
লেখিকা আখি ইসলাম


আমি কি করবো বলো তো সাথী এই মুখ আমি কি ভাবে দেখাবো তুমার মেয়ে কে।
বাপ হয়ে যে আমি ব্যর্থ।
বড় সাধ করে যে বিয়ে টা ঠিক করেছিলাম।
মৃত স্ত্রীর ছবির দিকে তাকিয়ে কান্না ভেজা কন্ঠে কথা গুলো বলছেন তাইজুল চোখের কোনে অশ্রু চিকচিক করছে।
হটাৎ ফোন টা বেজে উঠলো।
ফোনের স্ক্রিনে খান বাড়ি লেখা টা বড় করে ভেসে উঠলে।
কিছুটা আনন্দ আবার আতংক কাজ করছে ভিতরে।
:আসসালামু আলাইকুম
দেলোয়ার :ওলাইকুম সালাম তাইজুল আমি তুমার তালই বলছি তুমার সাথে কিছু কথা আছে।

(আমাদের আঞ্চলিক ভাষায় মেয়ের অথবা ছেলের নানা নানি বা দাদা-দাদী থাকলে তাদের বাবা মা রা তালই বলে থাকেন )
:কি কথা (অস্থির কন্ঠে)
:সবার আগে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আর আমরা আসছি আর আসল কথা টা হচ্ছে জামাই বদল হয়েছে।
:কি বলেন এই...
:চিন্তা করো না নাত বউ আমাদের বাড়ির বউ হয়েই আসবে আমার বড় নাতির বউ করে আনবো।
:আপনি আমাকে এখন বলছেন এইসব
:বাকি কথা পরে জানাবো প্রায় এসে পরেছি রাখি এখন।


আমেনা শুনছো হুরোহুরি করে নিচে নামছে তাইজুল।
:কি হয়েছে এমন এমন চিল চিৎকার করছো কেন
:জামাই বাড়ির লোক আসছে গো (খুশিতে গদগদ হয়ে)
:কি বলছো সত্যি (মুখে যেন আমেনার এক চিলতি হাসি ফুটে উঠলো)
:হ্যা গো সত্যি তবে
:তবে কি
:একটা ঝামেলা হয়েছে
:কি ঝামেনা (কপালে ভাজ দিয়ে)
:তালই বললো যে জামাই নাকি বদল হয়েছে।

( মুহূর্তে আমেনার হাসিটা চুপসে গেলো)
:কি বলো
:উনি তো তাই বললো আবার বলেছে উনাদের বাড়ির ছেলেই নাকি বিয়ে করবে।
আমার মনে হয় উনার ছেলের ঘরে যেই নাতি আছে ওর কথাই মনে হয় বলেছে কারন খান বাড়িতে তো আর কোন ছেলে নেই আমার জানামতে।
উনার নিজের নাতি ছাড়া।

:ও তাই বলো বিয়ে টা তো হচ্ছে নাকি।
:হ্যা তা তো হবেই।
আমি কত চিন্তায় ছিলাম জানো (জোরে একটা নিশ্বাস ছাড়লেন আমেনা)
:আচ্ছা শুনো বাড়ি সকল মেহমানদের বলে দেও জামাই আসছে।
কথা টা শেষ করে ছুটলেন জামাই বাড়ির লোকদের এগিয়ে আনতে তাইজুল।
আমেনা বেগম বেশ খুশি।
সৎ হলেও তো নিধিই তার মেয়ে সে কখনো নিধির এমনে খারাপ চাননি।
তব উনার মাঝে মদ্ধে ভুল ধারণার জন্য নিধির সাথে খারাপ আচরণ করতেন আবার মাঝে মদ্ধে আফসোস ও করতেন।
খুশিতে গদগদ করতে করতে নিধির রুমে ছুটলেন আমেনা।
★★
পর পর চারটা মাইক্রো- এসে থামলেন তিন তলা বাড়ির সামনে বেশ পুরনোবাড়িটা।
আকাশী রঙ সাদা রং দিয়ে ডিজাইন করা বেশ কয়েক যায়গায় রংয়ের চালটা উঠানো।
বাড়ির সামনে খোদায় করে লিখা তাসনুভা-কুঞ্জ।
(তাসনুভা তাইজুল এর আম্মার নাম ছিলেন উনার বাবা সাদেক রহমান স্ত্রী কে বেশি ভালোবাসতেন তাই উনার বাড়ির নাম স্বয়ং নিজের স্ত্রীর নামে দিয়েছে)
নিধিদের বাড়িতে বেশ হইচই লেগে গেছে বাচ্চারা চিল্লাছে বর এসেছে বর এসেছে বলে।
ইরা ঠিক করে রেখেছিলো বিয়ের গেট ধরবে ।
এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য প্রস্তুত ছিলো না কেউই।
নিধির রুম থেকে ইরা দৌড়াতে দৌড়াতে আসছে জামাই দেখ্যার জন্য।
নিচতলায় সদর দরজার সামনে গেট ধরে আছে নিধির বান্ধবি রুপা -সাদিয়া ইরার কয়েকটা বান্ধবি ও আছে।
সবার হইচই এর মদ্ধে বর কে দেখা যাচ্ছে না।
বেশ বিরক্ত হয়ে চোখ দিয়ে খুজছে নতুন জামাই কে দেখার।
কালো পাঞ্জাবি -সাদা পায়জামা পরা ছয় ফিট সুঠাম দেহির যুবক উজ্জ্বল শ্যামলা বর্ণের
চুল গুলো বেশ উশখুশ চোখের মনি টা নীল মুখে হাল্কা চাপ দাড়ি।
মুখে বেশ বিরক্ত ছাপ।।

(ইরার চোখ দুইটা রসগোল্লা মত হয়ে গেছে চোখের মনি মনে হচ্ছে কোটা থেকে বের হয়ে যাবে)
উফ মনে হচ্ছে যেন হৃত্বিক রোশন না না এর থেকে ও অনেক অনেক সুন্দর ।
বলে মনে মনে উপাধি দিচ্ছে ইরা

আপু রে বলে দৌড় দিলো ইরা।
:কিরে এত হাপাচ্ছিস কেন একটু বিচিলিত হয়ে জিগ্যেস করলো নিধি।
:আপু রে তুই জিতছোস৷ রে আপু।
:কি জিতছি (আড়চোখে ইরা কে দেখে)
:আপু রে ভাইয়া তো পুরা নায়ক ঋত্বিক । কথা টা বলে চোখ মুখ খিচে জিব্বায় কামর দিলো।
:না না ঋত্বিক না ঋত্বিক এর থেকেও হ্যান্ডসাম।
আচ্ছা ছেলে পরি আছে যদি ছেলে পরি থাকলে সেটা হল তুর হবু জামাই।
আর মেয়ে পরি টা হলি তুই।
উফফ আপু তুদের যা মানাবে না।
আমার ভাবতেই ভাল্লাগছে আমার আপুর এত কিউট একটা বর হবে আমার আপুকে তো এরকম একজন এর সাথেই মানায়।
ঠোঁটে একটা প্রশান্তি হাসি দিয়ে কথা গুলো বলছে এরা।

নিধি ইরার হাবভাব দেখছে ।
বেশ চটপটে মেয়েটা যাকে দেখে তাকেই ভালো লাগে ওর ইশান কে প্রথম দিন দেখেও ঋত্বিক এর সাথে তুলনা করছে।
আজকের পর থেকে হয়তো আর ইরার আথে খুনসুটি করা হবে না দুইবোন মিলে ঝরগা-মারামারি হবে না।
মাঝ রাতে ইরা কে বার বার ডেকে সোজা হয়ে শুতে বলা হবে না।
দুইবোন মিলে এক সাথে ঘুরতে ও যেতে পারবে না বড্ড একা হয়ে যাবে।
ভাবতে ভাবতে চোখে কখন যে পানি চলে আসছে তার কোন ভ্রুক্ষেপ নেই।
এই আপু আপু( নিধি কে জোরে ধাক্কা দিয়ে)
:হুম
:কি ভাবছো
:কিছুনা
:কে বলছে আমি তো দেখছি তুমি কি যেন ভাবতাছো।
তুমি কান্না করছো( আপু চিৎকার দিয়ে)
:কই না তো (হাতের উলটো পিঠে মুছতে মুছতে)
:এই যে আমি দেখছি তুমার চোখে পানি (মুখ টা শক্ত করে)
:তুদের কে খুব মিস করবো রে।
বলে হাউমাউ করে কেদে উঠলো নিধি।
আপু তুমরা কাদছো কেন তুমাদের কি হয়েছে।
( বলেই গোল গোল চোখে তাকিয়ে আছে বোনদের দিকে নিবির)
আরে ছোট্ট ভাই আমার এদিকে আয় (ইরা হাতের ইশারায় নিবির কে কাছে ডাকলো)
দরজায় দারিয়ে ছিলো নিবির।
দৌড়ে বোনদের কাছে গেলো।
নিধু আপু তুমি কাদছো কেন তুমার না আজকে বিয়ে।
আম্মু কি কিছু বলেছে তুমাকে।
আমি আম্মু কে বকে দিবো তুমি কেদো না।
ছোট ভাই এর মুখে এমন কথা শুনে নিধি আরো জোরে কান্না করে দিলো।
:নিবির আপু কে কেউ বকেনি আপুর আজকে বিয়ে আজকের পর থেকে আপু আর আমাদের সাথে থাকবে না।
:তো কোথায় থাকবে আপু। (চোখ মুখ খিচে জিগ্যেস করলো নিবির)
:আপুর শশুরবাড়িতে আপু আমাদের ছেড়ে চলে যাবে।
:এহহ এত সোজা আমি কোথাও যেতে দিবো না আমার আপু কে। (বলেই নিধির গলা জরিয়ে ধরছে)

★★পেজে akhi islam-আখি ইসলাম ★★

জয়নাব আজিজ খানের একমাত্র পুত্র আরিয়ান খানে আরাভ এর সাথে তাইজুল রহমানের একমাত্র কন্যা নিশিতা রহমান নিধির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছে।
রাজি থাকলে বলো বাবা কবুল।
কাজি কথা টা বলে আরাভ এর দিকে তাকিয়ে আছে।
:কিরে কিছু বলছিস না কেন।
কিছুটা বিচলিত হয়ে বলছেন দেলোয়ার।
:কবুল ( চোখ বন্ধ করে)
(কাজি এক গাল হাসি দিয়ে)
আলহামদুলিল্লাহ।
আরেকবার বলো বাবা।
:কবুল কবুল (বলে বড় একটা শ্বাস ছাড়লো আরাভ)

★★
পুরো বাড়িতে সবাই নিরবতা পালন করছে।
এতখন হইচই থাকলে ও।
পরিবেশ এখন নিস্তেজ।
এইবার যে নিধির বিদায় পালা।
ইরা সেই যে তখন থেকে নিধিকে ধরে আছে ছাড়ার নাম নেই।
তার মনে হচ্ছে ছেড়ে দিলেই নিয়ে যাবে তার আপু কে।
পাড়া প্রতিবেশি রা ও বেশ কান্না কান্না ভাব।
তাইজুল নিধির হাত আরাভ এর হাতে দিয়ে বললো আমার মা মরা কলিজা টাকে তুমার হাতে তুলে দিলাম বাবা।
ওকে কষ্ট দিও না কখনো।
বলেই হাউমাউ করে কেদে দিলেন তাইজুল।
নিধি ও কাদছে তবে আজ প্রথম বার তার বাবা কে কাদতে দেখলো ।
অনেকখন ধরে বেশ কান্নাকাটি চললো।
আরাভ কি বলবে বা কি করবে কিছুই বুঝে উঠে পারছে না।
নার্ভাস হয়ে যাচ্ছে।
ইরা নিধি কে বেশ ঝাপ্টে ধরে আছে ছাড়ার কোন নাম গন্ধ নেই বোনের বিদায় তার সহ্য হচ্ছে না ছোট বেলা থেকেই তো এই বোনেই তাকে আগলে রেখেছে।
আমেনা বেগম ও আজ কাদছে নিধির জন্য।
বেয়াই আপনার ছোট মেয়ে কেও নিধির সাথে দিয়ে দিন।
(মুচকি হাসি দিয়ে কথা টা বললো আয়শা)
:সে কি না না বেয়াইন ওকে কি ভাবে দিবো লোকে কি বলবে।
(একটু লাজুক হয়ে বললো আমেনা)
:লোকে আবার কি ভাব্বে (একটু প্রতিবাদ সুরে বললো দেলোয়ার)
ইরা শুনে খুশিতে গদগদ হয়ে বললো
:আম্মু আমিও যাই না আপুর সাথে তুমি না করো না।
:বেয়াইন দিন ওকে নিধির সাথে যেহেতু ও যেতে চাচ্ছে।
আমাদের বাড়িতে কোন অসুবিধা হবে না আর এমনেই তে তো কিছুদিন পর যাবেই তো এখন গেলে কিছু হবে না।
আচ্ছা ওরা যেহেতু নিতে চাচ্ছে যাক
(ঠান্ডা কন্ঠে সৌজনমূলক হাসি দিয়ে বললো তাইজুল)

★★
গাড়িতে বসে আছে নিধি তার পাশেই আরাভ।
কেমন জানি সংকোচ বোধ কাজ করছে।
অনেকক্ষন কেদেছে আজ।
মাথা টা বেশ ধরেছে ঘুম ঘুম ও আসছে।
মেয়েদের জীবন টা কি অদ্ভুত তাই না।
ছোট বেলায় যেই বাড়িতে খেলেধুলে বড় হয়েছে।
নিজের আপন বলে জেনে এসেছে একদিন সেই বাড়িরই মেহমান হতে হয়।
যেই বাড়ি কখনো দেখেনি যেই মানুষ গুলো কে চিনে না জানে না তাদের সাথে থাকতে হয় সারাজীবন তাদের কেই আপন করে নিতে হয়।

ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পরেছে।
★★
তুমাকে আর কোথায় কোথায় খুজবো বলো তো।
আমি যে আর পারছি পরিজান (বিরবির করে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলছে আরাভ)

চলবে
আসসালামু আলাইকুম এটা আমার প্রথম লেখা গল্প কেউ কপি করবেন না যদিও অন্য কোথায় ছাড়েন আমার নাম চেঞ্জ করবেন না ভালো লাগলে জানাবেন পরের পর্ব দিব ভুল-ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন পারলে ধরিয়ে দিবেন শুধরিয়ে নিব।

 #মনের_অরন্যে_তুমি পর্ব ২লেখিকা আখি ইসলামআহহহ বলে বুকে হাত রেখে চিৎকার দিয়ে শুয়ে পরলো দেলোয়ার খান আব্বাজান বলে দৌড়ে ধরলো...
06/05/2025

#মনের_অরন্যে_তুমি
পর্ব ২
লেখিকা আখি ইসলাম

আহহহ বলে বুকে হাত রেখে চিৎকার দিয়ে শুয়ে পরলো দেলোয়ার খান আব্বাজান বলে দৌড়ে ধরলো আয়শা বেগম মঞ্জমা বেগম দেলোয়ার খান এর বুকে হাত রেখে বললো কি হলো৷ আপনার।
আরাভ নিজের রুম পেরিয়ে যাওয়ার সময় চিৎকার চ্যাচামেচি শুনে দোড়ে আসলো।

★★
ডাক্তার অনেখন যাবত দেখছে দেলোয়ার খান কে কিছু বুঝে উঠতে পারছে না যতটা সিরিয়াস ভাবে উনাকে ডাকা হয়েছে তেমন কিছুই হয়নি।
আপনারা প্লিজ একটু বাহিরে যান।
সবাই কে উদ্দেশ্য করে বললেন ।
রুগি কে আমাকে একটু একা ভাবে দেখতে দিন।
সাথে সাথে সবাই বের হয়ে গেলো আরাভ শুধু ঠায় দারিয়ে রইলো।
আরাভ তুমি একটু দয়া করে বের হলে ভালো হতো।
আরাভ এর দিকে তাকিয়ে কথা টা বললো ডাক্তার।
আচ্ছা ঠিক আছে কিছু লাগলে ডাক দিয়েন ।
দাদুর দিকে তাকিয়ে রুম থেকে বের হলো আরাভ ।
কি হয়েছে আংকেল আপনার তো কোন সমস্যা দেখছি না,। ঠান্ডা নজরে কথা গুলো বললো ডা:ওয়াজিদ আহমেদ।
তেমন কিছু না রে ওয়াজিদ নাতিটা কে বিয়ে করাতে পারছিনা তুমি একটু মিথ্যা বানিয়ে বলো৷
তো ওকে যে আমার সিরিয়াস অবস্থা তাহলে যদি একটু রাজি হয়।
বড় একটা শ্বাস ছেড়ে দিয়ে কথা গুলো বললো দেলোয়ার খান।
ও এইবেপার আচ্ছা বলবো।
তা দুই নাতি কেই কি এক সাথে বিয়ে করাচ্ছেন নাকি
কৌতুহল দৃষ্টি তে প্রশ্ন টা করলেন ডা:ওয়াজিদ আহমেদ।
-আরে না কি বলবো তুমি তো আমাদের পার্সেনাল ডাক্তার আবার কাছের ও একজন,।
ইশান পালিয়েছে বিয়ে করবে না এখন উপায় আরকি ইশান এর জন্য যে মেয়ে কে দেখা ওকেই আনবো আরাভ এর বউ করে।

উনার অতিরিক্ত টেনশনে হার্টে সমস্যা হয়েছে আপনা যদি পারেন উনাকে স্ট্রেজ কম দিন উনি যেটা চায় ওটাই দিন।
চিন্তামুক্ত রাখুন আরেকটু হলে উনার হার্টঅ্যাটাক হয়ে যেতো উনি কিন্তু একবার হার্টঅ্যাটাক করেছে আরেক বার যদি হয় তাহলে উনাকে বাচানো মুশকিল হয়ে যাবে।
কথা গুলো আরাভ এর দিকে তাকিয়ে শেষ করলো ডা:ওয়াজিদ।
মনে হচ্ছে আরাভ কে উদ্দেশ্য করে বলা ।
আমি এখন আসি দরকার পরলে ফোন দিয়েন খালাম্মা
মঞ্জমা বেগম কে উদ্দেশ্য করে বের হলেন ডা:ওয়াজিদ।

দাদু আমি বিয়েতে রাজি দেলোয়ার খান এর দিকে তাকিয়ে কথাটা বললেন আরাভ খান।
আধ শুয়া হয়ে শুয়ে ছিল দেলোয়ার খান আরাভ এর কথা শুনে সোজা হয়ে চিৎকার দিয়ে বলল সত্যি।

মঞ্জমা বেগম চোখ বড় বড় করে অবিশ্বাস্য চোখে দেখছে আরাভ কে আয়শা বেগম মনে মনে শতবার আলহামদুলিল্লাহ পরছে খুশিতে উনার চোখে পানি চলে এসেছে,
হ্যা যা শুনেছো সত্যি
দেলোয়ার খান এইবার লাফ দিয়ে খাটের উপর থেকে নিচে দারিয়ে পরলো
কি করছো তুমি তো অসুস্থ
তুমার বিয়ের কথা শুনে আমি সুস্থ হয়ে গেয়েছি।
খুশিতে গদগদ হয়ে।
আচ্ছা শুনো আমার কিছু শর্ত আছে যদি মানো তবেই আমি বিয়ে করবো।
ঠান্ডা নজরে তাকিয়ে কথা টা বললেন আরাভ।
আয়শা বেগম মঞ্জমা বেগম দুজন চোখ চাওয়াচাওয়ি করছে
:কি শর্ত একটু রাগি রাগি ভাব নিয়ে প্রশ্ন করলেন দেলোয়ার খান
: শর্ত নাম্বার এক আমি বিয়ে করবো ঠিকই কিন্তু সংসার করার জন্য না,
দুই নাম্বার আমার উপর ওই মেয়ে যেন কোন অধিকার চাইতে না আসে।
তিন নাম্বার আমাকে আমার মত থাকতে দিবা কোন নিয়ম রিতি আমাকে যেন মানাতে না আসে কেউ
আর আরাভ খান কখনো কারো নিয়মে চলে না তার নিজের বানানো নিয়মে সবাই চলে।
আরেক টা কথা বিয়ের কোন সাজ আমি সাজতে পারবো না যে ভাবে আছি সে ভাবে যাবো।
কথা গুলো শেষ করে বের হয়ে গেলেন আরাভ কারো কোন কথা শুনার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা তার নেই।
ও কি বলে গেলো আব্বাজান এ আবার কেমন বিয়ে
কৌতুহলী সুরে বললেন আয়শা।
ও যে বিয়ে করতে রাজি হয়েছে তাই অনেক বাকি যা শর্ত দিয়েছে সে বিয়ের পর দেখা যাবে তুমরা সবাই রেডি হও।
★★
কি গো এখনো ছেলের বাড়ির কোন খোজ পাওয়া যাচ্ছে না আসছে না কেন উনারা সে বিকেল পার হয়ে সন্ধ্যা হয়ে যাচ্ছে কথা টা বলে জিগ্যাসা শরুপে তাকিয়ে আছে আমেনা বেগম শ্বামীর দিকে।
বার বার রিং দিয়ে যাচ্ছে খান বাড়িতে তাইজুল রহমাম।
কোন বিপদ হলো না তো আবার রাস্তাঘাটে কথা টা বলে আতকে উঠলেন তাইজুল রহমান
হটাৎ রিং হলো ফোনে অচেন না নাম্বার কে হতে পারে
:হেলো আসসালামুওলাইকুম
ফোনের ওপাশ থেকে সালাম এর উত্তর না নিয়ে বললো
: তাইজুল সাহেব বলছেন
:হ্যা আমি তাইজুল রহমান কে বলছেন
:আপনার মেয়ের যার সাথে বিয়ে হওয়ার কথা সে তো পালিয়েছে
:মানে কি বলছেন কে আপনি
:আমি কে সেটা পরে জানলে ও হবে আপনাদের আদরের হবু জামাই পালিয়েছে।
কথা টা বলে কল টা কেটে গেলো
: হেলো কে কে বলছেন
:কে ফোন দিয়েছে
:জানি না বললো যে ইশান নাকি পালিয়েছে তাইজুল রহমান ঘামতে শুরু করলেন
:কি বলো ইশান আবার কোথায় যাবে আর কেই বা ফোন দিয়ে বললো তুমি খান বাড়িতে ফোন দেও।
:ফোন তো দিলাম ধরলো না তো তারা
তার মানে সত্যি সত্যি কি জামাই পালিয়েছে কথা টা বলে চোখ বড় বড় করে তাকালেন আমেনা তাইজুল এর দিকে।
:জানি না তো আমার চিন্তায় হচ্ছে খুব আমাকে একটু একা থাকতে দেও নিধির মা
কথা টা বলেই কপালে হাত দিয়ে খাটের উপর বসলেন তাইজুল
★★
বসে থাকতে থাকতে হাল্কা ঘুমিয়ে পড়েছে নিধি হটাৎ হুরুহুরি করে ঘরে ঢুকলো ছোট বোন ইরা।
আপু আপু সর্বনাস হয়ে গেছে রে
মাত্র চোখ টা লেগে আসছিলো ইরা ডাকে লাফ দিয়ে উঠলো নিধি
:কি হয়েছে
:আপু রে ইশান ভাইয়া নাকি পালিয়েছে, কে জানি ফোন দিয়ে বললো আব্বু কে।
জোরে জোরে শ্বাস নিচ্ছে ইরা,
বুকের ভিতর ধক করে উঠলো কথাটা শুনে
চোখ ভিজে আসছে গাল বেয়ে অনবরত পানি পরছে মুছার কোন চেষ্টাই নেই নিধির
:আব্বু আর আম্মু কথা বলতাছিলো আমি তখন রুমের পাশ দিয়ে আসছিলাম তখন দেখলাম আব্বু মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে আর আম্মা তুর শশুর বাড়ির লোক দের গাল মন্দ করছে বিরবির করে,
শুনেই আমি দৌরাতে দৌরাতে চলে আসছি তুর কাছে
বলে ছলছল চোখে তাকিয়ে আছে নিধির দিকে ইরা।
:কাদিস না আপু আল্লাহ কোন না কোন উপায় ঠিক দিবে
কথাটা শেষ করার আগেই কর্কস গলা ভেসে আসলো
মুখপুরি কালনাগিনি নিজের মা কে ও খেয়েছিস এখন এখন বিয়ের হওয়ার আগে জামাই পালাইছে বাপের মানসম্মান ও ডুবাইছোস তুর তো মরা উচিত
এক দমে কথা গুলো শেষ করলো আমেনা বেগম।
: আম্মা তুমি এমন করে আপু কে বলছো কেন এখানে কি আপুর কোন দোষ আছে না আপুর কোন হাত আছে
মেয়ের মুখে এমন কথা শুনে আমেনা তেতে উঠলেন।
:এমন করে বলবো না তো কি আদর করে বলবো ও তো অলক্ষি কোন লক্ষিছিড়ি ওর ভিতর নাই।
:ও আচ্ছা আপুর যায়গায় যদি আমি থাকতাম তো এমন করে বলতে পারতে ও তুমার সৎ মেয়ে আর আমি তুমার আপন মেয়ে বলে আপু অলক্ষি তাই না,
রেগে কথা গুলো বললো ইরা
মেয়ের এমন কথায় মনে হয় আগুনের মদ্ধে ঘি ঢালা হয়েছে
তেলেবেগুনে জ্বলে উঠলো আমেনা
:মাথা খেয়েছে আমার মেয়েটার ওই হারামজাদি
রাগে গজগজ করতে করতে বের হলেন আমেনা

★★★ পরিচয় পত্র★★
নিশিতা রহমান নিধি তাইজুল রহমান এর একমাত্র মেয়ে ঢাকা মুহাম্মাদপুর মগবুল হোসেন কলেজ অনার্স প্রথম বর্ষে৷ পরছে
নিধির যখন ১১ বছর বয়স তখন নিধির মা সাথী মির্জা হটাৎ ঘুমের মদ্ধে ব্রেনইস্ট্রোক করে মারা যান নিধি তখন ও বুঝতে পারেনি তার মা আর ফিরবে না তারপরে কেটে যায় ২ বছর তাইজুল রহমানের অনেক যায়গায় ব্যবসার কাজের জন্য যাওয়া লাগতো নিধি কে নিয়ে সব সময় দোরাদোরি করতে তাইজুল এর পক্ষে কষ্টকর হয়ে যেত নিধির ফুফুদের জোরাজুরিতে তাইজুল রহমান দ্বিতীয় বিয়ে করেন তার দুসম্পর্কে খালাতো বোন ছিলেন আমেনা বেগম তার আগের বিয়ে হয়েছিলো ওই ঘরের ইরা হয়েছে। ইরা আব্বু ইরার মা কে তালাক দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। তার পরে তাইজুল এর বড় বোন ছোট বোন মিলে তাইজুল কে বুঝিয়ে আমেনা কে ঘরে তুলেন। আমেনা আর তাইজুল এর একটা ছেলে হয়েছে ৭ বছর বয়স এর তামিম রহমান নিবির তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ে
তবে তাইজুল নিধি কে যেমন আদর করে ইরা কে তেমন আদর করেন দুজন কেই এক চোখে দেখেন
জামা কাপর হইতে সব দুজন এর জন্য সেম জিনিস টা আনে।
ইরা নিধির থেকে ৩ বছর এর ছোট,ইরা এইবার Ssc দিলো
নিধি ইরা কে ছোট বোনের মত করে আদর স্নেহ করে ইরা ও নিধি কে খুব ভালোবাসে বুঝাই যায় না যে তারা সৎ বোন।
আমেনা বেগম এর আবার নিধি কে মাঝে মদ্ধে সহ্য হয় না।
তার ধারণা নিধি কে নিবির ইরার থেকে বেশি আদর করে তাইজুল।
সে পারে না গলা টিপে ওকে মারে তাইজুল এর ভয়ে সব সময় চুপ করে থাকে।
তবে সুযোগ পেলে তাইজুল এর পিছনে আগাচোরে কথা শুনাতে ছাড়ে না।।

অন্য দিকে আরিয়ান খান আরাভ।
সে হলো খান বংশের একমাত্র সন্তান।
দেলোয়ার খান এর এক মাত্র পুত্র ছিলো আজিজ খান এবং মেয়ে আয়শা আজিজ এবং উনার স্ত্রী মিসেস সোহানা মির্জা গত হয়েছেন ১২ বছর চলে।
আরাভ এর বয়স তখন ১৪ বছর সবে কিশোর বয়সে পা দিয়েছিলো।
আরাভ এর বাবা ছিলেন একজন বড় বিজনেসম্যান।
ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন আরাভ এর মা কে।
কিন্তু দুই পরিবারের এক পরিবারও মেনে নেয়নি।
আরাভ এর বাবা এবং মা তাদের নিজেদের পরিবারের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করেন।
এরপর আরাভ এর বয়স যখন ১৪ হঠাৎ কিভাবে জানি পুরো বাড়িতে আগুন লেগে যায়।
দেলোয়ার খানের কাছে খবর আসে।
উনি সাথে সাথে ঘটনাস্থলে যায়
ভাগ্যক্রমে আরাভ বেঁচে যায় ।
তবে তার পুরো মুখ শরীর ঝলসে যায় ।
সাথে সাথে আরাভ কে নিয়ে যাওয়া হয় দেশের বাহিরে ।
আরাভ ৬ মাস কোমায় ছিল এক বছর লাগছে পুরোপুরি সুস্থ হতে ।
এরপর দেলোয়ার খান এবং মঞ্জমা বেগম তারা ওখানেই থেকে যায় আরাভ কে নিয়ে আরাভ এর পড়াশুনা সব বিদেশে শেষ করে।
দেশে ফিরলো ২ বছর হলো আরাভ নিজে একটা কোম্পানি খুলেছে । তার বাবা যথেষ্ট পরিমাণ সঞ্চয় রেখে গেছে আরাভের জন্য।
আরাভের ইচ্ছা নিজে কিছু একটা করবে যার জন্য নিজের কোম্পানি খোলা ।
দেলোয়ার খান এর সাভারে ৫ টা বেশ নাম করা গার্মেন্টস আছে ।
ছোটখাটো কয়েকটা ট্যানারিও আছে ।
মোহাম্মদপুরে চারটা বাড়ি আছে ।
সবই আরাভ এর জন্য করা। ★)

চলবে
আসসালামু আলাইকুম এটা আমার প্রথম লেখা গল্প কেউ কপি করবেন না যদিও অন্য কোথায় ছাড়েন আমার নাম চেঞ্জ করবেন না ভালো লাগলে জানাবেন পরের পর্ব দিব ভুল-ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন পারলে ধরিয়ে দিবেন শুধরিয়ে নিব।

বিয়ের শাড়িতে বসে আছে নিধি, তুকে খুব সুন্দর লাগছে আপু  দুলাইভাই তুকে দেখেই অজ্ঞান হয়ে যাবে কথা টা বলে ঠোট টিপে হাসলেন ইরা...
05/05/2025

বিয়ের শাড়িতে বসে আছে নিধি,
তুকে খুব সুন্দর লাগছে আপু দুলাইভাই তুকে দেখেই অজ্ঞান হয়ে যাবে কথা টা বলে ঠোট টিপে হাসলেন ইরা,
দেখ দেখ কি লজ্জা পাচ্ছে এখনই এত লজ্জা পেলে বিয়ের পর বর কে দেখে লজ্জায় মাটি ফাক করে ঢুকে যাবে,,
কথা টা বলেই হো হো করে হেসে উঠলো রুপা বাকিরা সব হাসছে,
এই হলো তুদের ওকে সাজানো সেইকখন থেকে সাজাচ্ছিস,
এক দমে কথা গুলো বলে থামলেন আমেনা বেগম,।
-এই তো আম্মা হয়ে গেছে শুধু খোপা টা করা বাকি মুচকি হাসি দিয়ে বললো ইরা।
সেই ভালো জামাই আসার সময় হয়ে গেছে,
কথা টা বলে রুম থেকে বের হলেন আমেনা বেগম।

★★_______পেইজে Akhi islam-আখি ইসলাম_______★★

অনবরত রিং দিয়ে যাচ্ছেন আয়শা বেগম ছেলের ফোনে মঞ্জমা বেগমের টেনশনে মাথা ব্যাথা শুরু হয়ে গেছে
কি করবে বুঝতে পারছে না।
মা এখন কি করবো বলেন তো ইশান কে তো খুজে পাওয়া যাচ্ছে না।
কি জবাব দিবো মেয়ের বাড়ির লোকদের চোখের কার্নিসে পানি জমে গেছে কাজল দিয়েছিলো চোখের পানিতে লেপ্টে গেছে,
একমাত্র ছেলের বিয়ে বলে কথা তাও পছন্দের মেয়ের সাথে সখ করে সেজেছে আয়শা বেগম কে জানতো
ছেলে এমন কান্ড ঘটাবে।
আমি ও তো বুঝতে পারছি না আয়শা কি করবো এখন,
তুর আব্বাজান যদি জানে হার্টঅ্যাটাক করবে আর ইশান কে মেরেই ফেলবে সামনে পেলে ঠুকরে কেদে উঠলেন মঞ্জমা বেগম।
কি করবো এখন আম্মা আপনি বলেন,
খান বাড়ির মানসম্মান সব ধুলোয়মিশে ফেলবে আমার সন্তান আমি আগে জানলে মেরে টুকরো টুকরো করে নদী তে ভাসাতাম। বলেই হাউমাউ করে কেদে দিলেন আয়শা বেগম
আচ্ছা আয়শা একটা কাজ করা যায় না কথা বলে চুপ হয়ে গেলেন মঞ্জমা বেগম।
- কি কাজ আম্মা
আমাদের আরাভ এর সাথে নিধির বিয়েটা দিলে কেমন হয় কথা বলেই আয়শার দিকে তাকালেন মঞ্জমা বেগম।
আতকে উঠলেন আয়শা।
কি বলেন আম্মা আরাভ কি রাজি হবে আর ও তো বলেই দিয়েছে তার যেইদিন মেয়ে পছন্দ হবে সে জানাবে এর আগে যেন কেউ তার বিয়ের বেপারে কিছু না বলে এক নিশ্বাসে বললেন আয়শা বেগম।
সেটাই তো ভাবছি।
তুর আব্বাজান জানার আগেই আরাভ এর সাথে কথা বলে দেখি।

★______পেইজে Akhi Islam-আখি ইসলাম __________★

পুরো খান বাড়ি ফুল দিয়ে সাজানো কাচা ফুলের সুভাস চারদিকে মৌ মৌ করছে আলোয় আলোয় সজ্জিত তার একমাত্র ফুফাতো ভাই এর বিয়ে সে তার একমাত্র বড় মামাতো ভাই।
এই নিয়ে তার কোন মাথা ব্যাথা নেই সে নিরালে ল্যাপটপে কাজ করছে আরিয়ান খান আরাভ।
দরজায় হটাৎ নক হলো
-দরজা খোলা আছে বলেই কাজে কাজে মনযোগ দিলো আরাভ
ধিরে পায়ে ভয়ে কাচুমাচু হয়ে প্রবেশ করবো মঞ্জমা বেগম আর আয়শা বেগম,
কিছু বলবা দাদি
ল্যাপটপের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে কথা টা বললো আরাভ।
তুর সাথে আমার কিছু সিরিয়াস কথা আছে দাদুভাই
আরাভ এর দিকে তাকি কথা টা বললো মঞ্জমা
-কি কথা
ইশান পালিয়েছে ওকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না সম্ভবত সে বিয়ে করবে না তাই এমন কান্ড ঘটিয়েছে এক নিশ্বাসে কথা টা বলে থামলেন মঞ্জমা।
কি বলছো কি তুমি দাদির দিকে তাকিয়ে বললেন আরাভ
-হ্যা সত্যি বলছি।
:তুমি শিওর কিভাবে যে ঈশান পালিয়েছে
:ঈশানের একটা বন্ধু আমার ফোনে ফোন দিয়েছিল।
ফোন দিয়ে বলল যে আপনার নাতি বিয়ে করবে না।
আপনার নাম্বার দিলো আমাকে।
দিয়ে বলে দিতে বলছে।
বলেই কল কেটে দিছে।
অনেক বার ইশান কে ফোন দিয়েছিলাম ধরেনি আবার যেই নাম্বার দিয়ে কল দিয়ে বলছে ওই নাম্বার টা ও বন্ধ।
এক দমে কথা গুলো বলে জোরে শ্বাস নিলো মঞ্জমা।

আর আমি আমার আরেকটা সিদ্ধান্ত জানাতে এসেছি তোকে (নিচের দিকে তাকিয়ে)
-কি সিদ্ধান্ত
চোখ বন্ধ করে জোরে একটা শ্বাস নিলেন মঞ্জমা একটা হাল্কা ঢোক গিলে শুরু করলেন
আমি ভেবেছি তুর সাথে নিধির বিয়ে দিবো নিচের দিকে তাকিয়ে বললেন।
এইবার আরাভ এর দিকে তাকিয়ে বললেন মানে ইশান এর সাথে যেই মেয়ের বিয়ের কথা ছিলো মানে ওকেই তুই বিয়ে করবি আর..
কথা টা বলার আগেই আরাভ এর গলা ভেসে আসলো।

- What does all this mean কি বলছো কি দাদি তুমার মাথা ঠিক আছে। রাগে চোয়াল শক্ত করে)
আর আমি তো বলেই দিয়েছি আমার বিয়ে নিয়ে মাথা ঘামাতে না।
এতখন নিরব দর্শক হিসেবে শুনছিলেন আয়শা বেগম
-দেখ বাবা এটা আমাদের মানসম্মান এর বেপার তুই দয়া করি রাজি হয়ে যা আব্বাজান এখনো কিছু জানে না।
উফ কি বলছো ফুপি কেন প্যারা দিচ্ছো খামোখা
দেশে কি আর ছেলে নেই আমাকেই কেন বিয়ে করতে হবে
চেনা নাই জানা নাই হুট করে বললেন বিয়ে হয়ে যায় রাগে রি রি করতে করতে বললো আরাভ।
-দেখ দাদুভাই বিয়ের আগেই কেউ কাউ কে চিনে না
সবই উপরওয়ালা ঠিক করে দেয় কখন কার সাথে কার বিয়ে হবে তুই আর অমত করিস না ভাই তুকে আমার কসম
বললেই হো হো করে কেদে উঠলেন মঞ্জমা বেগম।

ওকে কসম দেওয়ার দরকার নেই ও ই বিয়ে করবে পিছন থেকে ঝাঝালো কন্ঠে ভেসে আসলো কথা গুলো।
সবাই দরজা দিকে তাকিয়ে আছে।

রুমে প্রবেশ করলেন দেলোয়ার খান যিনি এই খান বাড়ির মেইন কর্তা।
আয়শা বেগম তার আব্বাজান দিকে তাকাতে পারছে না লজ্জায় ভয়ে।
মঞ্জমা বেগম ও বেশ ভয়ে ঢুকগিলছেন
দাদু তুমি কি বলছো এইসব,
আরাভ তার দাদুর দিকে তাকিয়ে কথা টা বললেন,
-হ্যা ঠিকই বলছি তুমিই বিয়ে করবে নিধি কে এটাই আমার শেষ এবং ফাইনাল কথা, ( ভিতরে ভিতরে একটু ভয় ও কাজ করছিলো কথা গুলো বলতে দেলোয়ার খান এর কারন সে জানে তার নাতির কতটা রাগ)
:impossible এটা কি ছেলে খেলা নাকি যারতার সাথে বিয়ে করিয়ে দিবে।
দাত কিরবির করতে করতে বললো আরাভ।
- যারতার সাথে মানে কি ওর সাথে তো আমাদের বাড়ির ছেলেরই বিয়ের হওয়ার কথা ও যার তার হয় কিভাবে,
খানিক টা রেগে কথা গুলো বলনেন দেলোয়ার খান।
শুকনো ঢোক গিলে আবার বলবেন দেলোয়ার খান,
দেখো আরাভ এখানে আমাদের খানবাড়ির মানসম্মান লেগে আছে আর বাড়িভর্তি মানুষ সবাই কে কি এখন আমার ঢাকঢোক পিটিয়ে বলবো ইশান পালিয়েছে।
আর আমাদের কথাই বা বাদ দিলাম ওই মেয়ে টার কথা চিন্তা করেছো সারাজীবন এর জন্য কলংক লেগে যাবে এমন হতে পারে তাকে কেউ বিয়ে ও করতে চাইবে না।
একটু থেমে।
,
আর শুনো নিধি খারাপ মেয়েও নয় বেশ মায়াবি মেয়েটা আহ কি সুন্দর লক্ষি একটা মেয়ে।
- আমি সুন্দর অসুন্দর এর কথা বলছি না দাদু আমি বলছি বিয়ে করবো না এতটুকুই শেষ কথা আমার।
বলেই রুম থেকে বের হলো আরাভ।

আহহহ বলে বুকে হাত রেখে চিৎকার দিয়ে শুয়ে পরলো দেলোয়ার।
খান আব্বাজান বলে দৌড়ে ধরলো আয়শা।
মঞ্জমা দেলোয়ার খান এর বুকে হাত রেখে বললো কি হলো আপনার।
আরাভ নিজের রুম পেরিয়ে যাওয়ার সময় চিৎকার চ্যাচামেচি শুনে দোড়ে আসলো।

সুচনা পর্ব
#মনের_অরন্যে_তুমি
চলবে
(বিদ্র: কেউ কপি করবেন না অন্য কোথাও যদি ও ছারেন আমার নাম চেঞ্জ করবেন না এটা আমার প্রথম লেখা ভুল লিখলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন ভালো লাগলে জানাবেন বাকি পর্ব লিখবো)

Address

Dhaka Mohammad Pur Bosila
Sadaki Mohammadpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Akhi Islam-আখি ইসলাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share