22/12/2022
ফিজিওথেরাপি ছাড়াই প্যারালাইসড রোগীর চিকিৎসাঃ
আপনি অথবা আপনার পরিবারের কোন সদস্য যদি প্যারালাইজড হয় তাকে নিয়ে ভাবনার অন্ত থাকে না। অনেক পরিবারে তাকে অবহেলিত অবস্থায় ফেলে রাখে। উপযুক্ত শুশ্রুষার অভাবে রোগী পঙ্গুত্ব বরণ করে দিনে দিনে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়। একসময় তার জীবন প্রদীপ নিভে যায়।
আবার যারা প্যারালাইজড রোগীকে সেবা দেয় তাদেরকেও অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়। প্রায় সারা বছর জুড়েই রোগীকে ডাক্তারের কাছে নিতে হয়। প্রতিদিন রোগীকে ফিজিওথেরাপি দিতে হয় এবং তাকে উপযুক্ত পুষ্টিকর খাবার দিতে হয়। সব মিলে রোগীর শুশ্রুষার জন্য সারাক্ষণই কয়েক জন নিয়োজিত থাকতে হয়। প্যারালাইজড রোগীকে সুস্থ করার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করতে হয়। উপরন্ত রোগীকে ফিজিওথেরাপি দেওয়ার সময় অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়।
ব্রেইন স্ট্রোক ও হার্টএ্যাটাক কেন হয়?
কোলেস্টেরল দেখতে কেমন বা এটা কি? আমি এখানে এ পদার্থের কোন বর্ণনা দেবনা। কারণ, এটির ব্যাখ্যা চিকিঃসা পাঠ্যপুস্তকে বিস্তারিত লেখা আছে। তবে সহজভাবে একটি উদাহরণের মাধামে বুঝতে পারি যে, একটি প্লেটে অবশিষ্ট ঠান্ডা চর্বি কল্পণা করুন যা রাতের খাবারের পর ধোয়া হয়নি।কোলেস্টেরল দেখতে এরকম। কোলেস্টেরল ছাড়াও অ্যালকোহল, নিকোটিন, সেবনকৃত ওষুধ মিলে শরীরে টক্সিন তৈরি করে। টক্সিন আর কোলেস্টেরল স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। যদি এই পদার্থগুলো শরীরে জমা না হয় তাহলে একজন ব্যক্তি সহজেই ১২০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে। ৯৪% ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, কোলেস্টেরল একজন ব্যক্তিকে ৪০ বছর পর্যন্তও বাঁচতে দেয়না। কোলেস্টেরল তাকে হত্যা করে। এই পদার্থ রক্তনালীর দেয়ালে জমা হয়।২০-২৫ বছরে এটি ছোট পুষ্প, তারপরে স্তরটি ২৫-৪০ বছরে দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং বডির দেয়ালে দ্বিগুণ জমা হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় হার্টের চাপ বেড়ে যায় এবং উচ্চ রক্তচাপ বেড়ে যায়। এরপর কোলেস্টেরল সমস্ত টিস্যুতে প্রবেশ করে ছোট রক্তনালীর দেয়ালগুলিকে সম্পূর্ণরূপে আটকে ফেলে। এর ফলে একজন ব্যক্তি দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থ থাকে। এই অসুস্থতা শরীরের দেয়ালের উপর নির্ভর করে। যদি পায়ে রক্তনালী আটকে যায় তাহলে পায়ে চিরন্তণ ভারীতা দেখা য়ায়। যদি লিভারে রক্তনালী আটকে যায় তাহলে হেপাটাইটিস ও সিরোসিস, হাড়ের জয়েন্টে আটকে থাকলে আর্থ্রাইটিস ও আর্থ্রাইসিস বা মেরুদন্ডে ব্যথা হয়। যদি চোখের রক্তনালী আটকে যায় তাহলে মানুষ ধীরে ধীরে অন্ধ হয়ে যায়। ব্রেইনের রক্তনালীতে আটকে থাকলে ব্রেইন স্ট্রোক হয় এবং হার্টের রক্তনালী আটকে থাকলে হার্ট এ্যাটাক হয়। রক্তনালীর ময়লা মানুষের শরীরকে অকার্যকর করে দেয় এবং শরীরে দ্রুত বার্ধক্য আনে। তাই শরীরকে শক্তিশালী ও দীর্ঘজীবী করতে রক্তনালীর রক্ত থেকে টক্সিন, কোলেস্টেরল বের করে রক্তকে বিশুদ্ধ করা অতীব জরুরী।
ব্রেইন স্ট্রোক ও হার্টের জটিলতায় চিকিৎসাঃ
ব্রেইন বা হার্ট সমস্যার অন্ত ঘটিয়ে এই প্রথম তুরস্ক থেকে বাংলাদেশেে এসেছে Transdermal Therapy System (TTS). এই চিকিৎসা ওরাল বা ভেনাসের মাধ্যমে করা হয় না। স্টিকারের সাথে জেল লাগানো থাকে। এই জেল স্টিকার শরীরের বিভিন্ন পয়েন্টে লাগিয়ে রাখতে হয়। Transdermal Therapy System চিকিৎসা ব্যবস্থার উ্দ্ভাবক One More International. এটি তুরস্কের কোম্পাণী। এই কোম্পাণীর -
Global President - Mustafa Erdil
Global President 2 – Sevcihan Saygili Erdil
Chief Executive Officer – Alper Volkan Karpuz
Eshtablished : 2014
সফলতার হার : ৯৮%
ব্রেইন স্ট্রোক ও হার্টের জটিল সমস্যার প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক হিসেবে TTS পদ্ধতিতে দুটি জেল স্টিকার মিলে একটি প্যাকেজ করা হয়েছে। ওষুধ দুটি হল - Painless Night Glu এবং Omevia.
Painless Night Glu এবং Omevia তে কি কি উপাদান রয়েছে এবং কি কাজ করে?
Painless Night Glu তে রয়েছে -
I) Korean Red Zinsang : এটি বডিতে Natural super food হিসেবে কাজ করে। এর ভেতরে ৩২টি Saporin এর উপাদান রয়েছে। এটি শরীরের জন্য একটি Powerful anti-oxidant. Korean Red Zinsang শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শরীরের শক্তি বর্ধক হিসেবে কাজ করে। ব্রেইন এর নিউরন সিস্টেমকে উন্নত করে।
II) Saporin : মূলত একটি ক্লিন্জিং এজেন্ট। Cell থেকে বর্জ্য বা টক্সিন অপসারণ করে ফলে Cell পুষ্টি পায়। কৈশিক নালী সচল করে। রক্ত সঞ্চালন স্বাভবিক রাখে।
III) Glucosomine : মানবদেহের হাড়ের জয়েন্ট হেলথ্কে সুস্থ রাখে।
IV) Silverion : ব্রেইন এর নিউরন সিস্টেমকে উন্নত করে।
Omevia : প্যারালাইজড রোগীর শরীরের পর্যাপ্ত পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করে রোগীকে শারীরিক সক্ষম করে তুলতে Omevia গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হিসেবে কাজ করে। Omevia ছাড়া রোগী সম্পূর্ণরূপে সুস্থ ও শক্তি অর্জন করতে পারবে না। তাই বলা হয় Omevia -কে “Not without me” অর্থাৎ Omevia ছাড়া চলবে না।
Omevia তে রয়েছে -
I) Omega3 : Omega3 থেকে আমাদের শরীর ৬২ রকমের উপকার পায়। Omega3 কে Brain Development এর Tonic বলে। Omega3 রক্তনালীতে জমে থাকা কোলেস্টেরল বের করে রক্তনালী পরিস্কার করে।
II) DHEA (Dehydro epiando sterone): DHEA হল Adrenal Gland হতে নিঃসৃত Multi dimentional Hormone. DHEA আমাদের শরীরের সুস্থতার জন্য অপরিহার্য। কিন্তু কোন খাদ্যের মধ্যে DHEA পাওয়া যায় না।
শরীরে পর্যাপ্ত DHEA থাকলে -
মেদ/চর্বি হতে বাধা দিবে।
হাঁড়ের শক্তি বাড়বে।
শরীরে বিষক্রিয়া বা ব্যথা চলে যায়।
মানসিক চাপ থাকে না।
ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে।
পুরুষ ও মহিলাদের লিবিডো বাড়াবে
দৃষ্টিশক্তির ফোকাস ও মানসিক তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি পায়।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।
ব্লাড প্রেসার ও কোলেস্টেরলের মাত্রাকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
ইনস্যুলিনের পরিমান নিয়ন্ত্রণে রাখে তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।
থাইরয়েড হরমোন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
ক্যান্সার হতে বাধা দেয়।
III) CoQ10 : চিন্তার ফোকাস ঠিক রাখতে সহায়তা করে। মানসিক তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি করে।
IV) Pregni-nolone : ব্রেইন ফাংশনকে উন্নত করে।
এই জেল স্টিকার শরীরে কিভাবে কাজ করে?
স্টিকার জেল শরীরের নির্দিষ্ট পয়েন্টে লাগিয়ে রাখতে হয়। এই জেল লোমকূপের ভেতর দিয়ে ঢুকে সরাসরি Cell এ কাজ করে Cell কে সজীব ও প্রাণবন্ত করে।রক্তের মধ্যে টক্সিন,কোলেস্টেরল ইত্যাদি ছেকে বের করে দিয়ে রক্তকে বিশুদ্ধ করে। রক্তনালীর রক্তের জমাটবদ্ধতা দুর করে রক্ত সঞ্চালনকে সক্রিয় করে। সারা শরীরে রক্তের প্রবাহ ঠিক করে। প্যারালাইজড বা দুর্বল অঙ্গ সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরপর রোগী নিজে নিজে চলাফেরা শুরু করে।
এই চিকিৎসা কাদের জন্য প্রযোজ্য?
যারা হার্টের জটিলতা, ব্রেইন স্ট্রোক, হাড়ের ব্যথায় ও অন্যান্য রোগে ভুগছেন তারা TTS চিকিঃসা পদ্ধতিতে এই ওষুধ ব্যবহার করতে পারবেন। আর যারা সুস্থ তারা ভবিষ্যতে কবে অসুস্থ হবেন সেই অপেক্ষায় বসে না থেকেে এখনই এই চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন। ফলে শরীরে রোঘ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। শরীরের কর্ম ক্ষমতা বাড়বে। বার্ধক্য আপনার কাছে থেকে অনেক দুরে চলে যাবে। সুস্থ অসুস্থ যেকোন বয়সের মানুষ এই চিকিঃসা গ্রহণ করতে পারেন।