Mohima Fashion House

  • Home
  • Mohima Fashion House

Mohima Fashion House Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mohima Fashion House, Clothing (Brand), .

22/02/2024

⭕ রমাদান রিমাইন্ডার (আইয়ামে বীজের রোজা)

চলতি শা'বান মাসের চাঁদের হিসাব অনুযায়ী আইয়ামে বীজের রোজা রাখার নির্ধারিত দিন হলো - হিজরি ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ মোতাবেক ২৪, ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ইং তারিখ; রোজ শনিবার, রবিবার ও সোমবার। যারা এ মাসের আইয়ামের বীজের রোজা রাখবেন নিয়ত করেছেন, তারা ২৪ তারিখ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সাহরি খেয়ে রোজা শুরু করবেন, ইনশাআল্লাহ্।

হযরত আয়েশা রাযি. বলেন―‘আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রমযান ছাড়া অন্য কোনো মাসে পূর্ণ মাস রোযা রাখতে দেখিনি। আর আমি তাঁকে (রমযান ছাড়া) শাবান মাস অপেক্ষা অধিক রোযা রাখতে আর কোনো মাসে দেখিনি। ―সহীহ বুখারী, হাদীস ১৯৬৯

25/01/2024

আজ রাতে সাহরি করে আগামীকাল থেকে আইয়্যামে বীজের রোজা-

প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন, যাদের ক্বাজা বাকি আছে, তারা ক্বাজা নিয়তে রাখবেন!🖤🖤

22/01/2024

If The Quran says it's haram so it's haram.
Someone's opinion doesn't matter.

💗💗
04/03/2023

💗💗

18/02/2023

যে রাত্রিতে মেরাজ সংগঠিত হয়েছে সে রাত্রিকে সুনির্দিষ্ট করে কোন হাদিস বর্ণিত হয়নি, না রজব মাসের ব্যাপারে আর না অন্য কোন মাসের ব্যাপারে।

সে রাত্রিকে নির্দিষ্ট করে যে সব বর্ণনা উদ্ধৃত হয়েছে সে বর্ণনাগুলোর কোনটি হাদিস বিশারদদের নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে সাব্যস্ত নয়।

সে রাত্রিটিকে সুনির্দিষ্ট করণ থেকে মানুষকে ভুলিয়ে দেয়ার মধ্যে আল্লাহ তাআলার মহান কোন হেকমত নিহিত রয়েছে।

আর এই রাত ঘিরে আলাদা কোনো ইবাদত নাই।।মেরাজ সত্য কিন্তু মেরাজ কবে, কোন তারিখ সংঘটিত হয়েছে তা সহিহ হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত হয় নি।।

©©

আল্লাহু আকবর....তুর্কীর একটি চ্যানেল ৫ বছরের এক বাচ্চার সাথে কথা বলে যাকে ১১২ ঘন্টা পর ধ্বংস স্তুপের নিচ থেকে উদ্ধার করা...
12/02/2023

আল্লাহু আকবর....
তুর্কীর একটি চ্যানেল ৫ বছরের এক বাচ্চার সাথে কথা বলে যাকে ১১২ ঘন্টা পর ধ্বংস স্তুপের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল তুমি কি এত দীর্ঘ সময় অনাহারে থাকনি?

সে উত্তরে বলে একজন সাদা পোশাকের ব্যক্তি তার নিকট এসে তাকে খাবার ও পানি দিত অতপর চলে যেত।

আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ

আর পৃথিবীতে কোন বিচরণশীল নেই, তবে সবার জীবিকার দায়িত্ব আল্লাহ নিয়েছেন তিনি জানেন তারা কোথায় থাকে এবং কোথায় সমাপিত হয়। সবকিছুই এক সুবিন্যস্ত কিতাবে রয়েছে। (সূরা হুদ: ৬)

~আব্দুল করিম আল মাদানী

সুবহানাল্লাহ,সুবহানাল্লাহ!
ঘটনার সত্যতা একমাত্র আল্লাহ তাআলা ভালো জানেন।
তবে আমি এক ক্ষুদ্র গোলাম হিসেবে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি,আমার মহান রবের পক্ষে এটা অসম্ভব কিছুই নয়!তিনি তো আর হামার রহিমীন!"কুন(হও)" বললে হয়ে যায় এমন মহাপরাক্রমশালী রব,রব্বি আল্লহ।

সৃষ্টির প্রতি তাঁর অপরিসীম দয়া যেকোনো ভাবেই প্রকাশ হতে পারে।
আল্লাহু আকবার!!
রব্বানা ওয়া লাকাল হামদ।

©©

😊
12/02/2023

😊

Don't Use Tiktok Likee 🚫❌Use this Apps.✔️I Think All Muslims should Have.🌿🖤©
03/11/2022

Don't Use Tiktok Likee 🚫❌
Use this Apps.✔️
I Think All Muslims should Have.🌿🖤
©

23/09/2022

নামাজের মধ্যে ফিজিক্যালি উইক এবং সবচেয়ে নড়বড়ে অবস্থাটা হচ্ছে "রুকু"। রুকুরত অবস্থায় কেউ যদি নামাজীকে হালকা করেও একটা ধাক্কা দেয়, সে ধপাস করে মাটিতে পড়ে যাবে। চমৎকার ব্যাপারটা হচ্ছে, আমরা যখন নামাজে সবচেয়ে দুর্বল অবস্থায় থাকি, তখন বলি "আল্লাহ আপনি সবচেয়ে শক্তিশালী!" আবার, আমরা যখন নামাজের মধ্যে সবচেয়ে নিচু অবস্থানে থাকি, তখন আল্লাহকে বলি যে, "আল্লাহ আপনি সবচেয়ে উঁচু!" সুবহানাল্লাহ!
জাস্ট এই কনসেপ্টটা আমাদের নামাজকে অন্য আরেক ডাইমেনশানে নিয়ে যায়! নামাজ পড়তে পড়তে যেখানেই মন চলে যাক না কেন, রুকু আর সিজদাহ দেওয়ার সময় মনে পড়ে যায় যে, "আল্লাহ সবচেয়ে শক্তিধর এবং আল্লাহ সর্বোচ্চ!" ❤️

©

আমিন 🥰
09/09/2022

আমিন 🥰

সুবহানাল্লাহ ❤️❤️
30/08/2022

সুবহানাল্লাহ ❤️❤️

সূরা মূলকের ফজিলত কি?🎁সূরা মূলক-এর ফজিলত :♥হযরত উসমান (রাঃ) যখন কবরের ধার দিয়াযাইতেন তখন কান্নায় উনার দাড়ি ও বুক ভাসি...
29/08/2022

সূরা মূলকের ফজিলত কি?
🎁সূরা মূলক-এর ফজিলত :
♥হযরত উসমান (রাঃ) যখন কবরের ধার দিয়া
যাইতেন তখন কান্নায় উনার দাড়ি ও বুক ভাসিয়া যাইত। লোকে জিজ্ঞাসা করিত ,।আপনি জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনাও এত বেশী কান্নাকাটি করেন না, এর কারণ কি ?
তিনি বলেন, আমি হুজুর (সাঃ) এর নিকট
শুনিয়াছি কবর আখেরাতের প্রথম মন্জিল।
যে ব্যক্তি এখানে নাজাত পাইল, তাহার জন্য সমস্ত মন্জিল আছান বা সহজ । আরো শুনিয়াছি কবর হইতে ভয়ংকর দৃশ্য আমি আর কোথাও দেখি নাই। যে ব্যক্তি নিয়মিত সুরা মূলকের আমল করবে সে কবরের আজাব থেকে মুক্তি পাবে।
(তিরমিজি-২৮৯০, মুসতাদরাকে হাকেম)।
★হজরত আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত
আছে যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেছেন; " কোরআন শরীফে ৩০ আয়াত বিশিষ্ট একটি সূরা আছে, যা তার তেলাওয়াতকারীকে ক্ষমা করে না দেয়া পর্যন্ত তার জন্য সুপারিশ করতেই থাকবে। সূরাটি হলো-- তাবারাকাল্লাযী বি ইয়াদিহিল মূলক অর্থাৎ সূরা মূলক…।
(আবু দাউদ-১৪০২, তিরমিজি-২৮৯১, ইবনে মাজাহ-৩৭৮৬, মুসনাদে আহমদ-২/২৯৯)।
অন্য এক হাদিসে ;
♦রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন," আমার মন চায় প্রত্যেক মুমিনের হৃদয়ে যেনো
সূরা মূলক মুখস্ত থাকে। "
[বায়হাকীর শুআবুল ইমান-২৫০৭]।
আরেকটি এক হাদিসে বর্ণিত আছে,
★যে এ সূরা তেলাওয়াতকারীর আমলনামায় অন্য সূরার তুলনায় ৭০ টি নেকী বেশি লিখা হবে এবং ৭০টি গোনাহ মুছে ফেলা হবে।
(তিরমিজি-২৮৯২)।
♥আর যে ব্যক্তি নিয়মিত সুরা মূলকের।আমল করবে সে কবরের আজাব থেকে মুক্তি পাবে।
(তিরমিজি-২৮৯০, মুসতাদরাকে হাকেম)।
হাদীসে আছে;
♣রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো রাতে সুরা মূলক না পড়ে ঘুমাতেন না।
(তিরমিজি-২৮৯২, হিসনে হাসিন)।
সুরা মুলকের ফজিলত*
🍃
➖আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত।
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
“নিশ্চয় পবিত্র কুরআনে একটি সূরা, যাতে আছে তিরিশটি আয়াত। উহা পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে, যে পর্যন্ত তাকে ক্ষমা না করা হয়। সূরাটি হচ্ছে “তাবারাকাল্লাযী বি ইয়াদিহিল মুল্কু..”।
(হাদীছটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান এবং হাকেম। হাদীছের বাক্য তিরমিযীর, তিনি হাদীছটিকে হাসান বলেছেন।
আর হাকেম বলেছেন, এর সনদ সহীহ)
➖আবদুল্লাহ্ বিন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
“কবরস্থিত ব্যক্তির নিকট পায়ের দিকে দিয়ে ফেরেশতারা শাস্তির জন্য আসতে চাইবে। তখন তার পদদ্বয় বলবে, আমার দিক দিয়ে আসার রাস্তা নেই। কেননা সে সূরা ‘মুলক’ পাঠ করত। তখন তার সীনা অথবা পেটের দিক দিয়ে আসতে চাইবে। তখন সীনা অথবা পেট বলবে, আমার দিকে দিয়ে আসার কোন রাস্তা তোমাদের জন্য নেই। কেননা সে আমার মধ্যে সূরা ‘মুলক’ ভালভাবে ধারণ করে রেখেছিল। অতঃপর তার মাথার দিক দিয়ে আসার চেষ্টা করবে। মাথা বলবে এ দিক দিয়ে আসার রাস্তা নেই।
কেননা সে আমার দ্বারা সূরা ‘মুলক’ পাঠ করেছিল। সূরা মুলক হচ্ছে বাধাদানকারী। কবরের আযাব থেকে বাধা দিবে। তাওরাতেও সূরা ‘মুলক’ ছিল। যে ব্যক্তি উহা রাত্রে পাঠ করে, সে অধিক ও পবিত্র-উৎকৃষ্ট আমল করবে।”
(হাদীছটি বর্ণনা করেছেন হাকেম,
তিনি বলেন, এর সনদ সহীহ।)
➖নাসাঈতে হাদীছটি সংক্ষিপ্তভাবে এসেছেঃ
“যে ব্যক্তি প্রতি রাতে তাবারাকাল্লাযী বি ইয়াদিহিল মুলকু.. পাঠ করবে, আল্লাহ্ তাকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করবেন।”
ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর যুগে সূরাটিকে মানেআ’ বা বাধাদানকারী সূরা বলে আখ্যা দিতাম। উহা আল্লাহ তা’আলার কিতাব কুরআনের মাঝে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূরা, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে উহা পাঠ করবে সে অধিক ও উৎকৃষ্ট আমল করবে।
শায়খ আলবানী বলেন, হাদীছটি হাসান। দ্র: সহীহ তারগীব ও তারহীব, হা/ ১৪৭৫ ও ১৪৭৬।
*সন্ধ্যার পর ঘুমানোর পূর্বে যে কোন সময় সূরাটি পড়তে পারেন। কোন অসুবিধা নেই।*

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohima Fashion House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Clothing Store?

Share