আচঁল শৈলী Achol Shoili

আচঁল শৈলী Achol Shoili এখানে দেশীয় তাঁতীদের হাতে তৈরি অর্জিনাল টাংগাইলের তাঁতের শাড়ি পাওয়া যায়।

06/07/2026

ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প,,

05/07/2026

টাঙ্গাইলের সিল্ক শাড়ি,,

04/07/2026

টাঙ্গাইল সুতি শাড়ি,,

03/07/2026

বাহারী ডিজাইনের শাড়ি,,

02/07/2026

Tangail jamdani saree

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আসসালামুয়ালাইকুম, প্রিয় ভাই ও বোনেরা, চলুন আজ জেনে নিই কিভাবে আমরা টাঙ্গাইল সিল্ক শাড়ির রক্ষ...
01/07/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আসসালামুয়ালাইকুম,
প্রিয় ভাই ও বোনেরা, চলুন আজ জেনে নিই কিভাবে আমরা টাঙ্গাইল সিল্ক শাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ করবো।

টাঙ্গাইল সিল্ক শাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ: টাঙ্গাইল সিল্ক শাড়ির উজ্জ্বলতা এবং বুনন অক্ষুন্ন রাখতে " ড্রাই ওয়াশ " করা সবচেয়ে নিরাপদ। বাড়িতে পরিষ্কার করতে হলে মৃদু শ্যাম্পু বা লিকুইড ডিটারজেন্ট দিয়ে ঠান্ডা পানিতে হালকাভাবে হাতে ধুয়ে নিন। আদ্রতা ও পোকার হাত থেকে বাঁচতে সবসময় সুতি বা মসলিন কাপড়ে মুড়িয়ে শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন।

শাড়ির দীর্ঘস্থায়ীত্ব নিশ্চিত করতে নিচে বিস্তারিত রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি দেওয়া হলো:
১. শাড়ি ধোয়ার নিয়ম-
ড্রাই ক্লিনিং: শাড়িতে ভারী কাজ বা জরি সুতোর কাজ থাকলে বাড়িতে না কেচে পেশাদারদের দিয়ে ড্রাই ওয়াশ করান।
হাতে ধোয়া: বাড়িতে কাচতে হলে ঠান্ডা পানিতে মাইল্ড শ্যাম্পু বা লিকুইড ডিটারজেন্ট মিশিয়ে পাঁচ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। হালকা হাতে আলতো করে পরিষ্কার করুন।
পানি নিংড়ানো: শাড়ি জোরে মোচরাবেন না। অতিরিক্ত পানি ঝরাতে তোয়ালেতে পেঁচিয়ে আলতো চাপ দিন।

২. শুকানো এবং ইস্ত্রি -
ছায়ায় শুকানো: সবসময় ছায়যুক্ত স্থানে বাতাসে শাড়ি শুকাতে দিন। কখনোই কড়া রোদে শুকাবেন না,এতে রঙ নষ্ট হয়ে যায়।
ইস্ত্রি: কম তাপমাাত্রায় ইস্ত্রি করুন এবং সরাসরি সিল্কে তাপ না দিয়ে উপরে একটি পাতলা সুতি কাপড় বা টিস্যু পেপার দিয়ে ইস্ত্রি করুন।

৩. সংরক্ষণ-
প্যাকেজিং: কখনোই প্লাস্টিকের ব্যাগে সিল্ক শাড়ি রাখবেন না, এতে আদ্রতা জমে ফাঙ্গাস পড়তে পারে। মসলিন বা সুতি কাপড়ে মুড়িয়ে রাখুন।
নিয়মিত বাতাস: শাড়ি দীর্ঘদিন একভাঁজে না রেখে ৩-৪ মাস অন্তর ভাঁজ খুলে ছায়ায় কিছুক্ষণ মেলে দিন।
হ্যাংগিং: ভারী কাজের সিল্ক শাড়ি হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে না রেখে ভাঁজ করে রাখা ভালো।

৪. সুরক্ষার উপায়: শাড়ি পরার আগে বা পরে কখনোই সরাসরি সুগন্ধি(পারফিউম) বা ডিওডোরেন্ট স্প্রে করবেন না।এতে সিল্কের সুতো এবং জরির রঙ কালচে হয়ে যায়।
পোকা থেকে বাঁচাতে শুকনো নিম পাতা বা সিলিকা জেল ব্যবহার করতে পারেন।

কলম- শাহানাজ
❤️

30/06/2026

একজন তাঁতি" পিট লুম" বা "চিত্তরঞ্জন লুমে" বসে পা দিয়ে "প্যাডেল"চাপেন এবং হাত দিয়ে " মাকু" ডানে- বামে ছুড়ে সুতার বুনন তৈরি করেন।

29/06/2026

UNESCO - এর ইনট্যাঞ্জিবল কালচারাল হেরিটেজ - এর অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে টাঙ্গাইল সিল্কের বুনন শিল্প।টাঙ্গাইল সিল্কের সূক্ষ্ম বুনন ও নান্দনিক ডিজাইনের জন্য এটি বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।

28/06/2026

" মা বলেছিলো- শাড়ি সম্পদের সমান"

টাঙ্গাইল মাসলাইস কটন শাড়ি।
#

27/06/2026

আসসালামুয়ালাইকুম,
শুভ সকাল,
প্রিয় ভাই ও বোনেরা,চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়ির " কাটা ওয়াশ " সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য।

জামদানি শাড়ির কাটা ওয়াশ কিভাবে করতে হয়?
জামদানি শাড়িকে নতুনের মতো ঝকঝকে ও শক্ত রাখতে তাঁতিদের ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি হলো "কাটা ওয়াশ"। এটি মূলত শাড়ির সুতা ঠিক করা,ময়লা পরিষ্কার করা এবং ভাতের মাড় দিয়ে শাড়িকে শক্ত করার একটি বিশেষ প্রক্রিয়া।
কাটা ওয়াশের ধাপগুলো:
১. বাঁধাই: প্রথমে শাড়িটিকে চারটি খুঁটির সাথে টানটান করে বাঁধতে হয়।
২. পরিষ্কার ও শুকানো: টানা অবস্থায় শাড়িটি পানি দিয়ে ধুয়ে কড়া রোদে শুকাতে দেওয়া হয়।
৩. মাড় দেওয়া: শাড়ি ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে দক্ষ হাতের সাহায্যে ভাতের মাড় লাগাতে হয়।
৪. চূড়ান্ত শুকানো: রোদে মাড় শুকিয়ে গেলে শাড়িটি তার আগের স্বাভাবিক কাঠিন্য ও উজ্জ্বলতা ফিরে পায়।

কাটা ওয়াশ বা কাটাই কেনো বলা হয়?
কাটাই বলার কারণ হচ্ছে শাড়ির যে সকল অংশের সুতা একটু কুঁচকে যায় বা টান লেগে যায় সেই অংশগুলোতে খেজুরের কাটা দিয়ে সুতাটাকে ঠিক করে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়।

জামদানি শাড়ি " কাটা ওয়াশ" করতে হয় কেনো?
জামদানি শাড়ি তৈরির সময় তাঁতিরা সুতাতে মাড় ব্যবহার করেন। শাড়ি কয়েকবার পড়ার পর সেই মাড়গুলো নষ্ট হয়ে যায় যার কারণে শাড়িটাকে কাটা ওয়াশ করাতে হয়।

কখন বুঝবেন শাড়ি "কাটা ওয়াশ" করতে হবে?
যখন একটি শাড়ি কয়েকবার পড়া হয়ে যাবে, কিছু জায়গাতে হয়তো জড়ি সুতোর কাজ কুঁচকে গিয়েছে এবং শাড়িটি নরম হয়ে গিয়েছে ঠিক তখনই শাড়িটি কাটা ওয়াশ করাতে হবে।

সব ধরনের জামদানিই কি "কাটা ওয়াশ" করাতে হয়?
জামদানি শাড়ি বিভিন্ন কাউন্টের হয়, বিভিন্ন রকমের সুতার উপর তৈরি হয়। মোট কথা জামদানির জগতে যত শাড়ি আছে, সেটা যত কাউন্টেরই হোক না কেনো সব শাড়িকেই কাটা ওয়াশ করাতে হবে , সব ধরনের জামদানিতেই কাটা ওয়াশের প্রসেস একই থাকবে।
কাটা ওয়াশ করানোর ফলে একটি পুরোনো শাড়ি হয়ে উঠে একেবারে নতুনের মতো।

" কাটা ওয়াশ " এর সুবিধা কি?
একটি জামদানি শাড়ি যখন কাটা ওয়াশ করানো হয় তখন তাঁতিদের ভাষায় শাড়িটির কন্ডিশন খুব ভালো হয়ে যায়। যার ফলে আপনি একটি শাড়ি বারবার কাটাই করে অনেকবার পড়তে পারবেন।

জামদানি শাড়ি কখনোই নরমাল পানিতে, সাবান জাতীয় কিছু ব্যবহার করে ধোয়া যাবে না কারণ নরমাল জামা- কাপড়ের মতো ওয়াশ করতে চাইলে শাড়িটি একেবারে জমে যাবে এবং শাড়ির সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাবে। ফলে শাড়িটি আর পরিধানযোগ্য থাকবে না।

"কাটা ওয়াশ" করানোর ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম-
১. একটি শাড়ি কাটা ওয়াশ করানোর সময় অবশ্যই কড়া রোদ থাকতে হবে।
২. টেম্পার যাওয়া শাড়ি কাটা ওয়াশ করানো যাবে না।
৩. অধিক ছেড়া শাড়ি কাটা ওয়াশ করানো যাবে না।

ঘরে বসে সাধারণ নিয়মে জামদানি শাড়ি ধোয়া হলে এর সুতা ফেঁসে যেতে পারে।তাই ভালো ফলাফল পেতে অভিজ্ঞ তাঁতি বা জামদানি প্রস্তুতকারকদের কাছে গিয়ে "কাটা ওয়াশ" করানোই সবচেয়ে নিরাপদ ও সেরা উপায়।

কলমে- শাহানাজ

Address

Tangail
Tangail
1900

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আচঁল শৈলী Achol Shoili posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category