IStyle House

IStyle House Unique Designs & Best Quality Modest Collections. Borkha, kaftan, khimar, ready to wear all collections. 100% Authentic and Reliable online clothing store.

Must have a return policy.

শিশুরা কারো কাছে নিরাপদ না😥😥
13/05/2026

শিশুরা কারো কাছে নিরাপদ না😥😥

ইল্লা মা শা আল্লাহ্, কত সুন্দর চিন্তা ভাবনা! এক ব্যাক্তি মোবাইলে তার স্ত্রীর নাম্বারটা "ওসিয়্যাতুল রাসূল" নামে সেভ করে র...
30/04/2026

ইল্লা মা শা আল্লাহ্, কত সুন্দর চিন্তা ভাবনা! এক ব্যাক্তি মোবাইলে তার স্ত্রীর নাম্বারটা "ওসিয়্যাতুল রাসূল" নামে সেভ করে রেখেছে!
ওনার এক ছাত্র বেশ কৌতূহলী হয়ে এর কারণ জিজ্ঞেস করল। উত্তরে তিনি বললেন, ওসিয়্যাতুল রাসূল অর্থাৎ সেই নারী যার বাপ্যারে রাসূল (সা:) তার উম্মতকে হুশিয়ারী ভাষায় ওসিয়্যত করে গেছেন। কয়েক হাদিসে বিভিন্ন শব্দে বিভিন্নভাবে এ নির্দেশ দিয়ে গেছেন।
তো আমি "ওসিয়্যাতুল রাসূল" লিখে রাখলাম, কারণ যাতে কখনো এমন যেন না হয় যে ওনি কল দিলো আর আমি রেগে আছি। হতে পারে রাগবশত আমি ওনার ফোন উঠালাম না অথবা কোনো কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে কল কেটে দিলাম, ভ্রুক্ষেপ করলাম না। তখন এই নামটা আমাকে স্মরণ করিয়ে দিবে যে, স্ত্রীর সাথে সু-আচরণ করতে রাসূল (সা:) নির্দেশ দিয়ে গেছেন।

কথা – সংগৃহীত

💦👉🏿ইসলাম কি নারীদের নিস্তব্ধ নীরব হতে বাধ্য করে??না। ইসলাম কখনো নারীদের নিরব হতে বাধ্য করে না, ইসলাম কখনোই নারীদের চুপ ক...
27/04/2026

💦👉🏿ইসলাম কি নারীদের নিস্তব্ধ নীরব হতে বাধ্য করে??

না। ইসলাম কখনো নারীদের নিরব হতে বাধ্য করে না, ইসলাম কখনোই নারীদের চুপ করে সবকিছু সহ্য করতে বলেনা। তবে এটা পুরুষরা করেছে, তাদের অহংকার করেছে এবং তাদের অজ্ঞতা করেছে।

আজকে আপনাদের একটা গল্প বললবো এমন একজন নারীর গল্প যাকে জবাবের উত্তর দেওয়ার জন্য স্বয়ং মহান আল্লাহ ﷻ গোটা একটা সূরা নাযিল করেন।

তার নাম হলো Khawlah bint Tha'labah (RA) অর্থাৎ খা'ওলাহ বিনতে তা'লাবা (রাঃ)।

যিনি একজন দৃঢ়চেতা নারী, যিনি নিরব থাকতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি domestic abuse এর বিরুদ্ধে তিনি কথা বলেছেন।

খা'ওলাহ'র স্বামী ছিলেন আওস ইবনে সামিত (রাঃ)। বয়সে বড়, বদমেজাজী, প্রায়ই তাকে কথায় কথায় আঘাত করতেন।
একদিন রাগের মাথায় তিনি "যিহার" করে বসলেন:
"তুমি আমার কাছে আমার মায়ের পিঠের মতো।"

জাহেলি যুগে এই কথার মানে ছিল এমন এক তালাক যা শুধু পুরুষের পক্ষেই সুবিধাজনক। নারী আবার বিয়ে করতে পারবে না। ছাড়াও পাবে না। সে শুধু... সেই ঘরেই এক বন্দীর মতো বেঁচে থাকবে। কোনো অধিকার নেই, কিন্তু সন্তানের দায়িত্ব তারই।

পুরুষরা রাগের সময় এ কথা বলে ফেলত আর নারীদের কোনো প্রতিকারই ছিল না।

পরের দিন আওস ফিরে এসে এমন আচরণ করলেন যেন কিছুই হয়নি। স্ত্রীর সাথে ঘনিষ্ঠ হতে চাইলেন। খাওলা তাকে সরিয়ে দিলেন এবং চলে গেলেন।

তিনি সরাসরি নবী ﷺ-এর কাছে গেলেন।
নিজের কথা নিজেই বললেন। পরিবারের উপর ছেড়ে দেননি, চুপ থাকেননি। তিনি আল্লাহর রাসূলের সামনে দাঁড়িয়ে বললেন এটা ঠিক নয়। এই অন্যায় প্রথা, যা নারীদের বন্দী করে রাখে আর পুরুষদের রক্ষা করে।

নবী ﷺ চাইলে ব্যক্তিগতভাবে একটা সমাধান দিয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু না আল্লাহ ﷻ পুরো একটি সূরা নাযিল করলেন। সম্পূর্ণ একটি অধ্যায়। নাম দিলেন "আল-মুজাদিলাহ" অর্থাৎ "যে নারী তর্ক করেছিল বা আরজি পেশ করেছিল।"

"নিশ্চয়ই আল্লাহ শুনেছেন সেই নারীর কথা, যে তার স্বামীর ব্যাপারে তোমার সাথে বিতর্ক করছিল এবং আল্লাহর কাছে অভিযোগ জানাচ্ছিল।" (৫৮:১)

আল্লাহ ঘোষণা করলেন: তোমাদের স্ত্রীরা তোমাদের মা নয়।
মা তো শুধু সেই নারী, যিনি তোমাদের জন্ম দিয়েছেন।

তিনি "যিহার" কে বলেছেন মুনকার (مُنكَرًا) একটি মিথ্যা, একটি জঘন্য কথা। তারপর শাস্তি নির্ধারণ করলেন:
একজন দাস মুক্ত করতে হবে। না পারলে টানা দুই মাস রোজা রাখতে হবে। তাও না পারলে ষাটজন গরীবকে খাওয়াতে হবে।

এগুলোর কোনোটাই optional কিছু নয়। এই কাফফারা আদায় না করা পর্যন্ত স্ত্রীর কাছে যাওয়া নিষিদ্ধ।

তুমি যদি জিজ্ঞেস করো কোন সূরার প্রতিটি আয়াতে আল্লাহর নাম আছে, তুমি হয়তো ছোট কোনো সূরা ভাববে, যেমন ইখলাস। কিন্তু না এই সূরাটিই। প্রতিটি আয়াতে আল্লাহর নাম।
যেন তিনি বলছেন তিনি প্রতিটি শব্দ শুনেছেন।

ইতিহাসে খুব কমই এমন হয়েছে কোনো মানুষের কথা আল্লাহর পক্ষ থেকে ওহি নাযিলের কারণ হয়েছে।

যদি সত্যিই "কথা বলা" লজ্জাহীনতা হতো,
তাহলে আল্লাহ সেই নারীর জবাব দিতেন না, যিনি কথা বলেছিলেন।

হায়া বা লজ্জাশীলতা কখনো অন্যায়ের মুখে চুপ থাকার জন্য নয়। এটা হলো আল্লাহর সামনে নিজের মর্যাদা বুঝে চলা।

✍🏻Afroza's Islamic shotrs

বাংলাদেশি দুজন স্টুডেন্ট! জামিল লিমন আর নাহিদা সুলতানা৷ আমেরিকায় পড়তে গেছে একরাশ স্বপ্ন নিয়ে৷ কিন্তু কে জানতো সেই স্বপ্ন...
25/04/2026

বাংলাদেশি দুজন স্টুডেন্ট! জামিল লিমন আর নাহিদা সুলতানা৷ আমেরিকায় পড়তে গেছে একরাশ স্বপ্ন নিয়ে৷ কিন্তু কে জানতো সেই স্বপ্ন পূরন হওয়ার আগেই তাদের নসিবে অন্য কিছু হবে৷

জামিল আর নাহিদা গত ৪–৫ দিন ধরেই নিখোঁজ ছিলো৷ কিন্তু আজ যখন দেখলাম তারা দুজন কেউ বেঁচে নেই৷ তাদেরই রুমমেট নাকি তাদের সাথে এমন আচরন করছে৷

এ দুজনকে যারা চিনত, সবাই একটা কথাই বলছে৷
এরা দুজনই ছিল ক্লাসের টপার, চুপচাপ, নিজের মতো থাকা মানুষ। কারো সাথে কোনো ঝামেলা না, কোনো বিতর্ক না৷

এমন দুজন মানুষ, যে নিজের স্বপ্ন নিয়ে বিদেশে গিয়েছিল সেই মানুষটা শেষ পর্যন্ত এমন পরিণতি পেলো! কি বলবো বলার ভাষা নেই৷ আমাদের বাংলাদেশি মানুষের ভাগ্যটাই বোধহয় এমন৷ দেশে কিংবা বিদেশে বিপদ যেন আমাদের পেছন ছাড়ে না 💔

True✅✅
21/04/2026

True✅✅

17/04/2026
কারবালার তপ্ত মরুভূমি। চারদিকে ইয়াজিদ বাহিনীর হাজার হাজার সৈন্য। মাঝখানে অবরুদ্ধ আহলে বায়তের ছোট একটি কাফেলা। ফোরাত নদীর...
16/04/2026

কারবালার তপ্ত মরুভূমি। চারদিকে ইয়াজিদ বাহিনীর হাজার হাজার সৈন্য। মাঝখানে অবরুদ্ধ আহলে বায়তের ছোট একটি কাফেলা। ফোরাত নদীর তীরে পানির ঢেউ আছড়ে পড়ছে, কিন্তু নবী পরিবারের জন্য এক ফোঁটা পানিও তখন নিষিদ্ধ।

​সেই কাফেলায় ছিলেন ইমাম হুসাইন (রা.)-এর কলিজার টুকরো, মাত্র ৬ মাস বয়সী শিশু হজরত আলী আসগর (রা.)।

​তৃষ্ণায় নীল হয়ে যাওয়া সেই মুখখানি:
​টানা তিনদিন পানি নেই। পানির অভাবে মা বিবি রুবাব (রা.)-এর বুকের দুধও শুকিয়ে গেছে। তৃষ্ণায় কচি বাচ্চাটির ঠোঁট দুটো ফেটে চৌচির, মুখটি নীল হয়ে গেছে। ইমাম হুসাইন (রা.) আর সহ্য করতে পারলেন না। তিনি ভাবলেন, "এই নিষ্পাপ শিশুটির তো কোনো অপরাধ নেই, শত্রুরা নিশ্চয়ই একে এক ফোঁটা পানি দেবে।"

​ইমাম হুসাইন (রা.) ছোট্ট আলী আসগরকে দুই হাতের ওপর তুলে ধরে শত্রু বাহিনীর সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন। তিনি চিৎকার করে বললেন, "হে কুফাবাসী! তোমাদের লড়াই আমার সাথে। কিন্তু এই শিশুটি তো তৃষ্ণায় মারা যাচ্ছে। একে অন্তত এক ফোঁটা পানি দাও!"

​পানির বদলে এলো বিষাক্ত তীর!
​ইমামের কথা শুনে অনেক সৈন্যের চোখে পানি চলে এলো। কিন্তু পাষাণ সেনাপতি উমর ইবনে সা'দ তার তীরন্দাজ হারমালাকে নির্দেশ দিল শিশুটির কান্না থামিয়ে দিতে।

​হারমালা লক্ষ্য স্থির করে একটি বিষাক্ত তিন-মাথাওয়ালা তীর ছুড়ল। ইমাম হুসাইন (রা.) মনে করেছিলেন পানি আসছে, কিন্তু মুহূর্তেই সেই ভারী তীরটি আলী আসগরের কচি গলায় বিঁধে গেল। বাবার হাতের ওপরই শিশুটির মাথা ঝুলে পড়ল। ছোট্ট শরীরটি একবার থরথর করে কেঁপে উঠে চিরতরে শান্ত হয়ে গেল।

​ইমামের সেই নিঃশব্দ আর্তনাদ:
​হজরত আলী আসগর (রা.) শাহাদাত বরণ করলেন। ইমাম হুসাইন (রা.) সন্তানের রক্ত নিজের হাতে নিয়ে আকাশের দিকে ছুড়ে দিলেন, কিন্তু সেই রক্তের এক ফোঁটাও মাটিতে পড়ল না (বর্ণনা অনুযায়ী, আসমান সেই পবিত্র রক্ত গ্রহণ করে নিয়েছিল)।

​তিনি বললেন, "হে আল্লাহ! এই ত্যাগ আপনি কবুল করুন।" ইতিহাসের পাতায় এটিই সবচেয়ে নিষ্ঠুর এবং কলিজা ছিঁড়ে যাওয়া দৃশ্য, যা আজও প্রতিটি মোমিনের চোখকে অশ্রুসিক্ত করে।

​আমাদের জন্য শিক্ষা:
​কারবালা আমাদের শেখায় যে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে সবচেয়ে প্রিয় বস্তু এমনকি নিজের দুগ্ধপোষ্য সন্তানকেও উৎসর্গ করতে হতে পারে। আলী আসগর (রা.)-এর আত্মত্যাগ কিয়ামত পর্যন্ত জালিমের বিরুদ্ধে মজলুমের প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে থাকবে।

​আপনার চোখে কি পানি আসেনি? এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি শেয়ার করে সবাইকে কারবালার আসল ইতিহাস জানার সুযোগ করে দিন।

শুভ সকাল 🌼🌼আলহামদুলিল্লাহ ✨
15/04/2026

শুভ সকাল 🌼🌼আলহামদুলিল্লাহ ✨

14/04/2026

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩

Indonesian Khimar🌺🌺Product Details:Fabrics: Imported Pop Corn FabricsBack Length from Head : 53"Front Length : 28.5"Roun...
13/04/2026

Indonesian Khimar🌺🌺

Product Details:

Fabrics: Imported Pop Corn Fabrics
Back Length from Head : 53"
Front Length : 28.5"
Round : 62"+
Wash instruction : Normal Wash .

Address


1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IStyle House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Clothing Store?

Share