04/09/2026
মৃ’ত্যু’’র সময় নেহা শুধু ১৯ বছরের এক তরুণী ছিলেন না—তিনি ছিলেন অ’ন্তঃ’স’’ত্ত্বা।
মাত্র পাঁচ মাস আগে বিয়ে হয়েছিল। অথচ এরই মধ্যে থেমে গেল তার জীবন, সঙ্গে থেমে গেল একটি অনাগত প্রাণের সম্ভাবনাও।
নি’হ’ত তরুণীর পুরো নাম সামিহা হাকিম নেহা। তিনি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির সুন্দরপুর ইউনিয়নের কান্দিরপাড় এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
নেহার পরিবারের অভিযোগ, তাকে নি’র্যা’ত’’ন করে হ’’ত্যা করার পর ঘটনাটিকে আ’ত্ম’হ’’ত্যা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এটি অভিযোগ—প্রকৃত ঘটনা কী, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া উচিত।
পরিবারের দাবি, বিয়ের পর থেকেই নেহা শারীরিক ও মা’ন’সি’ক নি’র্যা’ত’নে’র কথা তাদের জানিয়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকেও মারুফকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, নি’র্যা’ত’’ন বন্ধ হয়নি।
আজ নেহা নেই।
আর এখানেই সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা সামনে আসে—একটি মেয়ে যখন জীবিত অবস্থায় তার ক’ষ্টে’’র কথা জানায়, তখন তাকে শুধু ‘সংসারটা টিকিয়ে নাও’ বলাই কি যথেষ্ট?
মৃ’ত্যু’’র পর বিচার চাওয়ার পাশাপাশি, মেয়েটি যখন বেঁ’’চে ছিল তখন তাকে নিরাপদে রাখার দায়িত্বও তো পরিবার ও সমাজের।
তবে একই সঙ্গে এটাও মনে রাখতে হবে—অভিযোগ মানেই অপরাধ প্রমাণ নয়। তাই কারও বিরুদ্ধে আগেভাগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়; আমরা চাই সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত। তদন্তে যদি হত্যার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে জড়িতদের অবশ্যই আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
মেয়ে জীবিত থাকতেই তাকে বাঁচান।
মৃত্যুর পর শাস্তি দাবি করার অপেক্ষায় থাকবেন না।
আল্লাহ নেহাকে ক্ষমা করুন। তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং তার অনাগত সন্তানের জন্যও গভীর শোক।।।
সংগৃহীত।