Mehrimah

Mehrimah Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mehrimah, Design & Fashion, .

বিশ্বমানচিত্রে হাস‍্যকর রকমের ক্ষুদ্র একটা দেশ। দরিদ্র, অখ‍্যাত, অনুন্নত। অথচ দূর থেকে দেশটার কথা মনে হলে প্রথমেই যে ছবি...
02/11/2025

বিশ্বমানচিত্রে হাস‍্যকর রকমের ক্ষুদ্র একটা দেশ। দরিদ্র, অখ‍্যাত, অনুন্নত। অথচ দূর থেকে দেশটার কথা মনে হলে প্রথমেই যে ছবিটা ভেসে ওঠে সেটা হলো, ওইটুকু জায়গার ভেতর কিলবিল করা মানুষগুলো সারাক্ষণ শুধু নিজেরা নিজেরা মারামারি, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, বাকবিতণ্ডা করছে। ছোটখাটো গড়নের অপুষ্টিতে ভোগা মানুষগুলো রাজনৈতিক যুক্তিতর্কে ২৪/৭ ব‍্যাপক উত্তেজিত। ফেসফুকের পাতা ভেসে যায় জ্ঞানী জ্ঞানী আলোচনায় - কথার আক্রমন, পাল্টা আক্রমনে। প্রচুর রাজনীতি বোঝে লোকগুলো।

অথচ এরা ভাবে না যে, আজকে এদের যে সন্তানেরা বইখাতার ব‍্যাগ কাঁধে নিয়ে গুটি গুটি পায়ে স্কুলে যাচ্ছে, তাদের জন্য কি ভয়ংকর এক ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে সামনে। অথবা এরা বোঝে, কিন্তু কেয়ার করে না। দেশে সম্পদ বলতে তেমন কিছুই নেই। যেটুকু ছিলো, বিদেশে পাচার হয়ে গেছে অনেক আগেই। অর্থনীতি ফাঁপা। শিক্ষার মান লজ্জাজনক রকমের খারাপ। বাতাস-পানি ভয়াবহ রকমের দূষিত। খাবারে বিষাক্ত কেমিক্যাল। সরকারি অফিসের প্রতিটা টেবিলে দুর্নীতি। রাস্তাঘাট মৃত‍্যুফাঁদ। মানুষ অসহিষ্ণু। মনে ক্ষোভের উদ্রেক হলেই রাস্তায় গিয়ে এটা সেটা ভাঙ্গে। এটাই এখানকার ঐতিহ্য। এটাই কালচার। নিজেরা যে বাসে চড়ে অফিসে যায়, সেই বাস ভাঙ্গে। নিজেরা যে ট্রেনে চড়ে, সেই ট্রেনে নিজেরাই আগুন দেয়। এটাই বাস্তব।

পেটে খাবার নেই, যেটুকু খাবার আছে তাও আবার ভেজাল। অথচ মানুষগুলো বছরের পর বছর ধরে ‘রাজনীতি’ করেই যাচ্ছে ক্লান্তিহীন। যে বিধ্বংসী রাজনীতি দেশটাকে নিয়ে গেছে তলানিতে। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলো যখন ৫০ বছর পরের পরিকল্পনা এখনই করছে, তখন এই রূপকথার দেশের রাজা-প্রজারা এখনও পড়ে আছে ৫০ বছর আগের ইতিহাস নিয়ে। কে তাদেরকে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিল, কে সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধা, কে রাজাকার, কে দেশপ্রেমিক, কে ‘র’-এর এজেন্ট, জাতীয় সংগীতে কি দেশের নাম আছে নাকি নাই, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ৩০ লাখ নাকি ৩ লাখ - এই সব ‘মহা গুরুত্বপূর্ণ’ ইস‍্যু নিয়ে রাজা-প্রজারা এখনও তুমুল বাগবিতণ্ডায় ব্যস্ত। মারামারি রক্তারক্তি চলছেই, কিন্তু কোনও সমাধান এরা আজ অব্দি বের করতে পারলো না! সবচেয়ে দুঃখজনক যেটা তা হলো, মানুষ এত দিনেও বুঝলো না যে, এই সব ইস‍্যুর সমাধান কোনওদিনই হবে না বা হতে দেয়া হবে না। রাজনীতিবিদরা এগুলো বেচেই খায়। এগুলোই তাদের রুটি-রুজি।

এই মানুষগুলোর এই উপলব্ধি কি কোনও দিন হবে যে, সবাইকে সবসময়, সবকিছু মানায় না। এত বিভাজন, নিজেদের ভেতর এত তীব্র মতবিরোধ- এইসব অপ্রয়োজনীয় বিলাসিতা। এগুলো এখন না। বিশ্বের অন‍্যান‍্য দেশের মানুষ রাজনীতি নিয়ে এতবেশী মাথা ঘামায় না। ইউরোপের উন্নত দেশগুলোর মানুষেরাও এত রাজনীতি করে না, আমাজনের জংলী মানুষেরাও রাজনীতি করে না। বিশ্বের কোনও সভ্য দেশে ছাত্র রাজনীতি নেই, পেশাভিত্তিক রাজনীতি নেই। রাস্তায় মিছিল, জনসভা, পোস্টার চোখেই পড়ে না বলতে গেলে। দেশের সম্পদ নষ্টের তো প্রশ্নই আসে না। রাজনীতি করে শুধু এই রূপকথার দেশের আধা-সভ‍্য, আধা-জংলীরা।

এরা দলাদলি কোন্দল বাদ দিয়ে কবে জাতি হিসাবে এরা একাট্টা হতে পারবে? অতীত বাদ দিয়ে কি এরা সামনে তাকাতে শিখবে? পেশাদার রাজনীতিবিদরা যে গায়ে মাথায় হাত বুলিয়ে বরং গত অর্ধ শতাব্দী ধরে দেশটার সর্বনাশ করেছে, এবং সুযোগ পেলে সামনেও করবে, এই সত‍্যিটা কি দেশটার হতভাগ্য মানুষগুলো কোনোদিন উপলব্ধি করতে পারবে? নিজেদের সমস্ত কোন্দল ভুলে গিয়ে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য একটা দেশ তৈরি করার তাড়না জন্মাবে বর্তমানের প্রাপ্তবয়স্ক সবার ভেতর - এটা কি আদৌ আর সম্ভব হবে?

11/05/2025

ইনকামে বরকত পাচ্ছিনা এই অভিযোগ নিয়ে একদিন আমার এক প্রিয় উস্তাযের (মেন্টর) কাছে গেলাম। আমার এই উস্তাযের কথা আমি আরো একবার লিখেছিলাম। কোনো কিছু নিয়ে দ্বিধান্বিত-কনফিউজড কিংবা অশান্তিতে থাকলে তার সাথে কথা বললে এক ধরনের মানসিক প্রশান্তি আমি পাই।

তো একবার এইরকম একটা ডাউট নিয়ে আমি মেন্টরের সাথে দেখা করলাম।

আমাকে দুধ এবং চিনি ছাড়া স্রেফ গরম পানিতে ডুবানো একটা টি প‍্যাক এগিয়ে দিয়ে বললেন-তানভীর, আছো কেমন?
আমি কিছুটা আড়ষ্টতা নিয়ে তাকে বললাম, কনফিউজড উস্তায!

তিনি আমার চেহারার দিকে গভীর ভাবে তাকালেন, মিনিট খানেক। তারপর চায়ে চুমুক দিয়ে বললেন-কি নিয়া পেরেশানিতে আছো?
আমি তার আরো একটু সামনে এসে নিচু কন্ঠে বললাম-উস্তায, আমার ইনকাম নিয়া আমি দ্বিধায় আছি। আমি সৎ পথে উপার্জন করি। পেশাগত কাজে পারলে ২০০ ভাগ নিবেদন দিয়ে কাজ করি। তারপরও কেন জানি এতো বছর কাজ করার পরও আমার মনে হয়ে যে আমার উপার্জনে কোনো বরকত পাচ্ছিনা।

উস্তায মন দিয়ে আমার কথা শুনলেন, তারপর জিজ্ঞেস করলেন
-কেন তোমার এমন মনে হচ্ছে?
আমি এবার বললাম, যে আমার সেভিংস হচ্ছেনা। প্রতিবছর যেমন আয় বাড়ছে, তেমনি খরচও বাড়ছে।

উস্তায আবার কী মনে করে যেন আমার ডান হাতটা তার হাতে নিলেন। তারপর আবার গভীর ভাবে আমার কপাল আর চোখের দিকে তাকালেন। প্রশ্ন করলেন
-কিসের খরচ বাড়ছে তোমার?
-এই ‍যেমন বাচ্চাদের এডুকেশন-ওদের স্কুলের বেতন, ওদের টিচারদের বেতন, কিছু অস্বচ্ছল আত্নীয় স্বজনদের খরচ।
-কোন স্কুলে পড়ে তোমার বাচ্চারা?
-আমি স্কুলের নাম বললাম।

-তানভীর, তুমি কি মনে করো, শুধু ব‍্যাংকে জমা বাড়া মানেই আয়ের বরকত?
আমি আমতা আমতা করি।
-এই যে তুমি সেরা একটা স্কুলে তোমার বাচ্চাদের পড়াতে পারছ, এটা কি বরকত নয়? কয়জন বাবা-মা এরকম ভালো স্কুলে তার বাচ্চাদের পড়াতে পারছে?
হ‍্যাঁ, তা তো ঠিক। আমি মাথা নাড়ি।
-তোমার বাচ্চারা কেমন? ওরা কি উচ্ছৃংখল? তোমাদের কথা বার্তা শোনেনা?
-না, না উস্তায। খুব লক্ষি বাচ্চা ওরা।
-এটা কি বরকত নয়, তানভীর?
-জি, অবশ‍্যই।
-বিগত ৫/৭ বছরে তোমার পরিবারে কেউ বড় রকম অসুস্থ হইছে? বা তুমি নিজে?
-না উস্তায, আল্লাহর রহমতে কেউ ওরকম সিরিয়াস অসুস্থ হয়নাই। আমার স্ত্রী অসুস্থ হয়েছিল, আল্লাহর রহমতে দ্রুত সুস্থ হয়ে গেছে।
-হাসপাতালে ভর্তি করাতে হইছিল?
-না উস্তায, আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়েছে।
-এই যে তোমরা সুস্থ আছো, এটা কি বরকত না, তানভীর? আমার মাথায় হাত রেখে জিজ্ঞেস করেন তিনি।
-জি অবশ‍্যই।

-তানভীর, তোমার স্ত্রী কেমন মানুষ? সে কি তোমার সাথে সদাচারণ করে? তোমার খেয়াল রাখে? সে কী উন্নত চরিত্রের নয়?
-না না, উস্তায। সে অসাধারণ উন্নত চরিত্রের মানুষ। সে শুধু আমাকেই নয়। আমার সন্তাদের, আমার বাবার, আত্নীয় স্বজনেরও যত্ন নেয।
-আর কী বরকত চাও, তুমি? পরিবারে শান্তির চেয়ে বড় বরকত কী হতে পারে?
-জি উস্তায, আমি আসলে এভাবে গভীরে গিয়া চিন্তা করিনাই।

-তোমার বাবা-মা আছেন?
-মা নেই, বাবা আছেন?
-বাবা কি তোমার সাথে থাকেন, নাকি আলাদা থাকেন?
-আমার সাথে থাকেন, উস্তায। আমার সাথে।
-তোমার বাবা তোমার সাথে থাকেন, এ যুগে বাবা-মা সাথে থাকা, কত বড় বরকত তানভীর, তুমি টের পাওনা?
-টের পাই উস্তায। টেরপাই। আব্বা সাথে আছেন, এইটা
অনেক বড় বারাকা, উস্তায।

তিনি আর কথা বাড়ান না। আমাকে বুকে জড়াই ধরেন। মাথায় হাত বুলিয়ে দেন। তারপর বলেন, জীবনে টাকা পয়সা-ধনসম্পদ বৃদ্ধিই শুধু বরকত না। জীবনে তুমি সুস্থ আছো, তোমার একটা সুন্দর পরিবার আছে, তুমি তাদের এবং তারা তোমার দেখভাল করতে পারছে-এটাও বরকত। জীবনে তুমি সঠিক জ্ঞানের আলো পাচ্ছ-এটাও বরকত। আত্নীয় স্বজনের খবর নিতে পারছ-এটাও বরকত। প্রতিদিন বাবার চেহারা দেখতে পাচ্ছ-এটাও বরকত।

-তুমি টাকা পয়সা ব‍্যাংকে জমাইয়া কী এরচেয়ে বেশি বরকত পাবে, তানভীর?
-উস্তায, আপনি ঠিক বলছেন।

তিনি আমাকে নিচ তলা পর্যন্ত এগিয়ে দেন। আমি তার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বের হয়ে পড়ি। গাড়ি সার্ট দিয়ে আমি প‍্যানারমিক সানরুফটা খুলে দিই। তারপর গভীর কৃতজ্ঞতায় আকাশের দিকে তাকাই। সেদিন ছিল জোৎস্না। রুপালী আলোয় ভেসে যাচ্ছে আকাশ। সানরুফের খোলা ছাদ দিয়ে আমি দুইহাত উপরে তুলে দাঁড়িয়ে যাই। তারপর দুচোখ বন্ধ করি। আমি অনুভব করি, পৃথিবীর সব বরকত জড়িয়ে আছে আমায়!

© Tanvir Shahriar Rimon

20/03/2025

আমাদের পূর্বপুরুষরা কৃষক ছিলেন, শ্রমিক ছিলেন। থাকতেন মাটির কাঁচা ঘরে। অর্থাভাবে-অন্নাভাবে কখনও-সখনও উপোসও করতেন। পরতেন মলিন পোশাকপরিচ্ছদ। আমাদের বাবারা চাইলেন আমরাও যেন পূর্বসূরিদের মতো শ্রমিক না হই, আমাদেরকেও যেন মাটির ঘরে থাকতে না হয়, আমরা যেন পাকা ঘরে থাকি, যেন পেট পুরে তিনবেলা খেতে পাই। বাবারা আমাদেরকে নিয়ে বাসে-ট্রেনে-লঞ্চে করে গ্রাম ছাড়লেন, মফস্বলে এনে পড়াশোনা করালেন, টিনশেড ঘরে রাখলেন। আমরা পড়াশোনা করলাম, মফস্বল ছাড়লাম, উচ্চশিক্ষার্থে মহানগরে এলাম, স্নাতক হলাম, স্নাতকোত্তর হলাম; পূর্বপুরুষদের বিশাল বাড়ি ছেড়ে অ্যাপার্টমেন্ট নামক কংক্রিটের বস্তিতে উঠলাম, কায়িক পরিশ্রম থেকে মুক্ত হলাম, বুদ্ধিবৃত্তিক কাজকর্ম (আসলে কেরানিগিরি) করে জীবিকা নির্বাহ করা শুরু করলাম,
আমাদের দাদারা ছিলেন সুন্দর খাঁ, সুরুজ আলি কিংবা ময়েজুদ্দিন। আমরা হলাম ফাহাদ ফারাজ অনন্য, ইফতেখার ইশমাম ইশতি কিংবা আহনাফ মুনতাসির উচ্ছ্বাস। আমাদের দাদিরা ছিলেন সূর্য ভানু, করিমন বেওয়া কিংবা জরিতন নেছা। আমরা হয়েছি আনিকা আজিজ অর্নি, মালিহা তাবাসসুম অবন্তী কিংবা সেগুফতা শেহরিন আনিলা। আমাদের কারো-কারো নামের আগে-পিছে-মাঝে যুক্ত হতে লাগল এসএম, কেএম, এবিএম, আ ক ম, আ ন ম, আ আ ম স। আমাদের নাম ক্রমশ শক্ত হতে লাগল, কাটখোট্টা হতে লাগল, দুর্বোধ্য হতে লাগল। অথচ আমাদের পূর্বপুরুষরা সোজাসাপটা নাম ধারণ করেই একটা জীবন কাটিয়ে দিয়ে গেছেন, তাতে তাদের বেঁচে থাকতে সবিশেষ অসুবিধে হয়নি। আমরা আলুভর্তার নাম দিয়েছি ম্যাশড পটেটো উইথ গ্রিন চিলি, পুদিনা পাতা দে যথাক্রমে সালাত, সাওম, রামাদান, সুহুর, জালেবি; কিন্তু হারিয়ে গেছে আমাদের ভাবগাম্ভীর্য, হারিয়েছে আধ্যাত্মিকতা, হারিয়েছে সহজিয়া জীবনবোধ; বিনিময়ে সাপের মতো এঁকেবেঁকে জেঁকে বসেছে উত্তুঙ্গ উগ্রবাদ আর পৌনঃপুনিক প্রদর্শনবাদ।

কায়িক পরিশ্রম না-করতে না-করতে আমাদের দেহে পুরু চর্বি জমল, সার্বক্ষণিক রোগবালাই বাসা বাঁধল, ডায়াবেটিস হানা দিলো। চিকিৎসকরা আমাদের খাবারের পরিমাণ বেঁধে দিলেন— দিনে ছয় কাপ ভাত, চারটা রুটি, এক কাপ শবজি, একটা শশা, দেড়টা গাজর, আড়াইটা আঙুর। চিকিৎসকরা আমাদেরকে প্রতিদিন দৌড়াতে বলে দিলেন। আমরা স্টপওয়াচ চালু করে হাফপ্যান্ট পরে ভুঁড়ি নাচিয়ে রাজপথে দৌড়াতে লাগলাম, জিমনেশিয়ামে গিয়ে বাঁদরের মতো এ-ডাল ও-ডাল ঝুলতে লাগলাম, বুকডনের নামে নাকে খত দিতে লাগলাম; আমরা সেসবের গালভরা নাম দিলাম— 'ওয়ার্ক আউট', 'ক্যালরি বার্ন'। শহরে থাকতে-থাকতে ক্লান্ত হয়ে আমরা দু-তিন মাস পরপর ছুটতে লাগলাম রিসোর্টে। একটু গাছপালা আছে, ডোবার মতো একটা হাজামজা পুকুর বা পচা-গলা সুইমিংপুল আছে, ছাদ বা বেড়া খড়কুটোর, সন্ধ্যার পর গোটা দশেক জোনাকির দেখা পাওয়া যায়, বৃষ্টি হলে চার-পাঁচটা ব্যাঙ ডাকে— বেছে-বেছে আমরা এমন রিসোর্টে যাওয়া শুরু করলাম, ভাড়া গুনতে লাগলাম রাতপ্রতি দশ হাজার। রিসোর্টে লালশাক, পালংশাক, পুঁইশাক দিয়ে ভাত খেয়ে বিল দেওয়া শুরু করলাম বেলাপ্রতি মাথাপিছু একহাজার; বারবিকিউ নামক মাংসপোড়ার পেছনে ঢালতে লাগলাম আরো হাজার-হাজার। কুলিরা চাউলের আড়তে যা যা করেন; জিমনেশিয়ামে আমরা তা-ই করছি, করে গর্বের সঙ্গে সেসবের ভিডিও দিয়ে রিল বানাচ্ছি, বানিয়ে দেখাচ্ছি— আমরা কে কত স্বাস্থ্যসচেতন, কে কত অভিজাত, কে কত আলাদা। যার জিমের মাসিক চাঁদা যত বেশি, সে তত বেশি অভিজাত। শ্রমিকদের মতো দৌড়াব না বলে আমরা সুট-বুট পরে দালানে ঢুকেছিলাম, আমরা এখন ট্রেডমিল কিনে সেই একই দালানের ভেতরই দৌড়াচ্ছি। আমরা দৌড় ছাড়তে চেয়েছিলাম, দৌড় আমাদেরকে ছাড়েনি, দৌড় আমাদেরকে দৌড়ানি দিচ্ছে।

কুঁড়েঘরে থাকব না বিধায় আমরা গ্রাম ছেড়েছিলাম, এখন আমরা কিছুদিন পরপরই পর্যটনকেন্দ্রের গলা-কাটা কৃত্রিম কুঁড়েঘরে যাই স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে। কাচঘেরা বায়ুরোধী ভবন বানিয়ে শ্বাসকষ্ট বাঁধিয়ে বুকভরা বাতাস নিতে লাখ টাকা খরচ করে আমরা সমুদ্রসৈকতে ছুটছি। গায়ে মাটি লাগাব না বলে আমরা গ্রাম ছেড়েছিলাম, একটু মাটির স্পর্শের আশায় এখন আমরা পার্কে-পার্কে ছুটছি কিংবা ছাদবাগান করছি। 'চাষাভুষা' শব্দটাকে আমরা গালি বানিয়েছিলাম, এখন ছাদবাগানে এক ডজন টমেটো ফলাতে পারলে গর্বিত 'নগরচাষি' হিশেবে বুক ফুলিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা প্রচার করছি। মাছধরা মানুষদের জাইল্লা বলে তাচ্ছিল্য করা আমরাই লাখ টাকা চাঁদা দিয়ে বড়শি পেতে বসে থাকছি সরকারি দিঘিতে সেই মাছই ধরার জন্য। শবজি খাব না বলে আমরা বড়লোক হয়েছিলাম; এখন বাজারে শবজির দামই বেশি, রেস্টুরেন্টে শবজিজাত খাবারের দামই বেশি, শবজি এখন বড়লোকদেরই খাবার। পূর্বপুরুষরা যে শবজি খেতেনই না, যে শবজি বেড়ে উঠত বাড়ির পেছনের ঝোপঝাড়ে অনাদরে-অবহেলায়; শহরে আমরা এখন সেই অনাহুত শবজিই কিনে খাচ্ছি কেজিপ্রতি শত-শত টাকা খরচ করে।

আমাদের পূর্বপুরুষরা ছেঁড়া কাপড় পরতেন অর্থাভাবে, এখন আমরা চড়া দামে ছেঁড়া-খোঁড়া জিন্স কিনে পরি। তারা পান্তাভাত খেতেন তিনবেলা রান্নার মতো জ্বালানি ছিল না বলে; আমরা পহেলা বৈশাখে ঐ পান্তাভাতই খাই গরম ভাতে জোরপূর্বক পানি দিয়ে, হাজার-হাজার টাকার শ্রাদ্ধ করে; খেয়ে ডায়রিয়া বাধাই, বাধিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হই। মহানগরের সেসব রেস্টুরেন্টের খাবারের দামই এখন সবচেয়ে বেশি; যেসব রেস্টুরেন্টের সাজগোজ গ্রামের মতো, যেসব রেস্টুরেন্টে মেঝেতে বিছানো জাজিমে বসে খেতে হয়, যেসব রেস্টুরেন্টের আবহসংগীত হিশেবে বাজে গাঁও-গেরামের গান। আমরা বাসায় রাঁধি না সময় বাঁচানোর জন্য, অনলাইনে অর্ডার করে রেস্টুরেন্টের খাবার বাসায় আনিয়ে খেয়ে দিনাতিপাত করি, সেই বেঁচে যাওয়া সময়ে আমরা পয়সা উপার্জন করি; এর পর আমরা লিভার সিরোরিস বাঁধাই, শেষে সেই পয়সা খরচ করি লিভার সিরোসিসের চিকিৎসায়। আমরা পরিবারের সবাই মিলে চাকরি নিয়েছিলাম স্বাবলম্বী হব বলে; স্বাবলম্বী আমরা হয়েছি, স্বাবলম্বী হতে-হতে কেউ বা ধনকুবেরও হয়েছি, কিন্তু আমাদের সন্তানরা বড় হচ্ছে গৃহকর্মীদের হাতে। আমরা এতটাই স্বাবলম্বী হয়েছি যে, আমাদের সন্তানরা জাগ্রত অবস্থায় দেখছে আমরা ল্যাপটপে অফিসের কাজ করছি, ঘুম থেকে জেগে দেখছে আমরা অফিসে চলে গেছি। স্বাবলম্বনের দাপটে আমাদের মা-বাবারা বার্ধক্য কাটাচ্ছেন বৃদ্ধাশ্রমে, সন্তানরা শৈশব কাটাচ্ছে চাইল্ড কেয়ারে, আমরা যৌবন কাটাচ্ছি ডেস্কটপে। প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত বিয়ে করব না ভেবে আমরা কেউ-কেউ ত্রিশেও বিয়ে করছি না, পঁয়ত্রিশেও বিয়ে করছি না; করছি চল্লিশের পরে অথবা করছিই না। অথচ পূর্বপুরুষরা চল্লিশে দিব্বি নাতি-নাতনির মুখ দেখতেন। কিসের জন্য যেন অপেক্ষা করতে-করতে আমরা যৌবনেই বুড়িয়ে যাচ্ছি, বুড়ো বয়সে যুবকের ভূমিকায় অভিনয় করছি, শুগার ড্যাডি বা শুগার মম হচ্ছি; কোনোকিছুই শুরু বা শেষ করছি না যথাসময়ে।

সূর্যের আলো গায়ে লাগিয়ে ক্ষেতখামারে কাজ করব না বলে আমরা শীতাতপনিয়ন্ত্রিত রাজপ্রাসাদে ঢুকেছিলাম। ঢুকে দেখলাম— শরীরে সূর্যের আলোর অভাবে আমাদের ঘুম আসে না। রাতের ঘুম ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা ওষুধ খাওয়া শুরু করলাম, তাতেও কাজ না হওয়ায় সূর্যের আলো গায়ে লাগানোর জন্য আমরা 'মর্নিং ওয়াক' শুরু করলাম। শীতাতপনিয়ন্ত্রক যন্ত্র ওদিকে আমাদের শরীরে ডেকে আনল নিউমোনিয়া-অ্যাজমা-হুপিংকাশি। প্রযুক্তি আমাদের চোখ খেল, কান খেল, নাক খেল; আমাদের চোখে ধরিয়ে দিল চশমা, কানে বসিয়ে দিল হিয়ারিং এইড, নাকে নেবুলাইজার। পূর্বপুরুষদের যা যা আমরা করতে চাইনি, আমরা— উত্তরপুরুষরা এর সবকিছু করতে বাধ্য হচ্ছি। বড়লোক হতে-হতে আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। টাকা খেয়ে আমরা কুলাতে পারছি না। টাকা রাখারও জায়গা হচ্ছে না আমাদের। টাকা ব্যাংকে রাখলে ক'দিন পরে ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে যায়, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করলে শেয়ারবাজার লুট হয়ে যায়। এখন আমাদের গরিব হতে ইচ্ছে করে। কিন্তু পারি না। গরিবরা বড়লোক হতে পারে, কিন্তু বড়লোকরা একবার বড়লোক হয়ে যাওয়ার পর আর গরিব হতে পারে না।

আমরা পাঠ্যবহির্ভূত বই পড়তাম। খবরের কাগজ পড়তাম। প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে চলচ্চিত্র দেখতাম। শুক্রবার বিকেল তিনটা কুড়ি মিনিটে দেখতাম পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা ছায়াছবি। এর মধ্যে খবরের কাগজ বাদে বাকি সবগুলোকেই আমাদের পূর্বসূরিরা অন্যায় বলে মনে করতেন। পাঠ্যবইয়ের ভাঁজে কমিকের বই পেলে প্রহার করতেন, প্রেক্ষাগৃহে যাওয়ার খবর পেলে প্রহার করতেন, প্রহার করতেন এমনকি প্রতিবেশীদের বাড়িতে শুক্রবারের ছায়াছবিটিও দেখতে গেলে। আমরা ভাবতাম বড় হয়ে বড়লোক হলে আমাদেরকে কেউ ঠেকাতে পারবে না— আমরা ইচ্ছেমতো বই পড়ব, চলচ্চিত্র দেখব, গান শুনব। আমরা বড় হলাম, বড়লোকও হলাম। ততদিনে দেশ থেকে প্রেক্ষাগৃহ উধাও হয়ে গেছে, চলচ্চিত্রজগৎই ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে, চলে গেছে আমাদের পাঠাভ্যাস। আমাদের ফোনে এখন হাজার-হাজার বইয়ের পিডিএফ, ওটিটি-ইউটিউবে অগণিত চলচ্চিত্র। বই পড়ার জন্য এখন গ্রন্থাগারে যেতে হয় না, চলচ্চিত্র দেখার জন্য প্রেক্ষাগৃহে যেতে হয় না, গান শোনার জন্য কিনতে বা ভাড়া করতে হয় না ক্যাসেট-সিডি-ডিভিডি। কিন্তু আমাদের এখন কিছুই দেখা হয় না, কিছুই শোনা হয় না, কিছুই পড়া হয় না। আমাদের সবকিছু জমা হয়ে আছে, আমাদের সবকিছু জমে গেছে— উত্তর মেরুর বরফের মতো। আমাদের পূর্বসূরিরা ভ্রমণকাহিনী পড়তেন, পড়ে কল্পনায় ওসব জায়গা দেখে নিতেন, পরে পয়সা জমলে সেসব জায়গায় ভ্রমণে যেতেন। এখন আমরা ভিডিওতেই সব দেখে ফেলছি, আমাদের আর কল্পনা করতে হচ্ছে না, ফলে আমাদের কল্পনাশক্তিও নেই হয়ে গেছে। আমরা এখন আর কল্পনা করি না। কোথাও বেড়াতে গেলে সেই জায়গাটা দেখি না, শুধু ভিডিও করি, জায়গাটাকে ব্যাকগ্রাউন্ড বানিয়ে সহস্র ছবি তুলি; পরবর্তীকালে সেসব ছবি আমরা আর একবারও খুলে দেখি না। ফলে মরে গেছে আমাদের দর্শনেন্দ্রিয়ও। আমাদের সর্বাঙ্গে মরিচা ধরেছে, ।

সময় বাঁচানোর জন্য আমরা ফোন কিনেছিলাম। পরে, দেখলাম— ফোনই আমাদের জীবনের সিংহভাগ সময় খেয়ে ফেলেছে। যখন দু-টাকার খামে করে চিঠি লিখে উত্তরের জন্য অপেক্ষা করতে হতো এক মাস, তখনও আমরা নিঃসঙ্গ ছিলাম না। কিন্তু এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাদের অযুত-নিযুত অনুসারী, মেসেঞ্জারে কড়া নাড়লে এখন উত্তর পাওয়া যায় সেকেন্ডের মধ্যে, কথা বলার জন্য এখন সবুজ বাতি জ্বালিয়ে রাখে শত-সহস্র অনুরাগী; কিন্তু মন খুলে কথা বলার মতো এখন আমরা কাউকেই খুঁজে পাই না, মানুষ খুঁজে পেলেও কথা খুঁজে পাই না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমরা আমাদের প্রাত্যহিক গল্প এত বেশি বলে ফেলি এবং দৈনন্দিন জীবনের ছবি-ভিডিও এত বেশি দেখিয়ে ফেলি যে, এখন আমরা সবার সবকিছু জানি, মুখোমুখি সাক্ষাতে বলার মতো কোনো গল্পই এখন আর আমাদের অবশিষ্ট থাকে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলতে-বলতে আমরা আমাদের সব গল্প শেষ করে ফেলেছি, দেখিয়ে শেষ করে ফেলেছি সমস্ত ছবি। দু-টাকার হলুদ খামের যুগেও আমরা নিঃসঙ্গ ছিলাম না, কিন্তু দু-সেকেন্ডের সবুজ মেসেঞ্জারের যুগে আমরা নিঃসঙ্গ। এখন আমরা নিঃস্ব, নিঃসঙ্গ এবং গল্পশূন্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাদের ব্যক্তিগত গল্পগুলো আমরা এমন ব্যক্তিদেরকে বলে ফেলেছি, ব্যক্তিগত ছবিগুলো এমন ব্যক্তিদেরকে দেখিয়ে ফেলেছি; যারা আমাদের ব্যক্তিজীবনের অংশই না, যাদের সাথে কখনোই দেখা বা কথা হবে না। ভূগর্ভস্থ পানি বেশি তুলে ফেললে নলকূপ আর পানি দেয় না, জীবনের গল্প বেশি বলে ফেললে জীবনও নলকূপের মতো আচরণ করে। আমরা এখন একেকজন পরিত্যক্ত নলকূপ।

আমাদের পূর্বপুরুষদের বাড়িতে ছিল বিশাল পুকুর, সারি-সারি ফলগাছ, শবজির ক্ষেত, গোয়ালঘর। বড়লোক হয়ে আমরা পুকুরের পরিবর্তে দেড় হাত চওড়া বাথটাব বানিয়েছি, ছাদে গাছ নাম নামক কিছু প্রহসন লাগিয়েছি, খাঁচায় পালছি কুকুর-বেড়াল-খরগোশ। গাঁয়ের বিঘা-বিঘা জমি বেচে শহরে এসে আমরা ফ্ল্যাট নামক সাড়ে সাতশো বর্গফুটের খোপ কিনছি। খোপের ড্রয়িংরুমে সাজিয়ে রাখছি বনসাই। একেকটা বনসাইয়ের দাম মূল গাছের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। আমরা স্বপ্ন দেখি— শহরে কামানো টাকা দিয়ে শেষ বয়সে গ্রামে গিয়ে বাগানবাড়ি করব। অথচ আমাদের পূর্বপুরুষরা বাগানবাড়িতেই জন্মেছেন, বাগানবাড়িতেই দিনাতিপাত করেছেন, বাগানবাড়িতেই মরেছেন। অর্থাৎ শেষ বয়সে যে জীবন যাপন করব বলে শহরে বসে আমরা খেটে মরছি বা স্বপ্ন দেখছি, প্রাচীন আমলের অশিক্ষিত লোকজন বিনা পড়াশোনায়ই সেই জীবন আজীবন যাপন করে গিয়েছেন।

তা হলে? আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের চেয়ে কতটুকু এগোলাম? তাদের চেয়ে আমরা কতটা ভালো আছি? প্রকৃতির বিরুদ্ধে গিয়ে শেষ পর্যন্ত আমরা কি বিজয়ী হয়েছি? নাকি গো-হারা হেরে বসে আছি? আমরা কি আমাদের পরাজয় টের পাচ্ছি?

17/02/2025

WISDOM FROM RICH DAD.

From the book Rich DAD Poor DAD,
by Robert Kiyosaki

1. Don’t work for money:

Rich don’t work for money. If you work for money, your mind will start thinking like an employee. If you start thinking differently like a rich man, you will see things differently. Rich works on their asset column, every dollar in their asset column is their hard-working employee.

2. Don’t be controlled by emotions:

Some people’s lives are always controlled by the two emotions of fear and greed. Fear keeps people in this trap of working hard, earning money, working hard, earning money, and hoping that it will reduce their fear. Secondly, most of us have the greed to get rich quickly. Yes, many people become rich overnight, but they have no financial education. So educate yourself and don’t be greedy or fearful.

3. Acquire assets:

Don’t buy liabilities on your way to financial freedom. People buy liabilities and think these are assets, but they are not. Many people buy luxuries first, like big cars, heavy bikes, or big houses to live in. But the rich buy assets and their assets buy luxuries. The rich buy houses and rent them, and they pay them for their Lamborghinis. The poor or middle class buy luxuries first, and the rich buy luxuries last.

4. Remember the KISS principle:

KISS stands for keeping it simple, and stupid. Don’t be too overloaded your mind when you are going to start your way to financial freedom. Things are simple and keep them simple. The simple thing to remember is assets put money in pocket and liabilities take money out of pocket. Always buy assets so they put money into your pocket.

5. Know the difference between assets and liabilities:

Assets are anything that puts money in your pocket, like stocks, bonds, real estate, mutual funds, rental properties, etc. Liabilities are anything that pulls money out of your pocket, like your house, your car, debt, etc. People think their home is their biggest asset, but it is not. A house is an asset when it generates money like when you rent a house, it generates money, and when your life in that house becomes a liability.

6. Don’t be a financial illiterate:

A person can be highly educated and become successful in their profession, but financially illiterate. Financial education is very important for any individual. Our schools and colleges did not teach us financial education. Many financial problems arise as a result of a lack of financial education. Start learning financial education and I suggest you read the book "Rich Dad, Poor Dad".

7. Increase your Wealth:

Wealth is defined as a person's ability to survive for a certain number of days in the future, or how long they could survive if they stopped working today. Consider your wealth and whether you would survive if you stopped working today for a year.

8. Mind your own business:

If you have a job, keep your job and start a part-time business and work it. Use the time that you spend on your iPhone, parties, or any other activity, to build your business. Never leave your job until you build your own business. Don’t struggle all of your life for someone else. Start your own business and grow your business.

9. Train your mind:

Your biggest asset is your mind. Many individuals watch opportunities with their eyes, but if you train your mind, you can see opportunities with your mind. If you train your mind well, it can create enormous wealth.

10. Learn technical skills:

Your financial IQ will be raised by learning these four technical skills:

Accounting is defined as the ability to read numbers. If you want to build an empire, then this is an essential skill. By learning this skill, you will be able to understand the strength and weaknesses of a business.

Investing: It is the science of making money.
Understanding markets: It is the science of supply and demand.

The Law: A person who has knowledge of the law of tax advantages and corporations can get rich faster than others.

11. Find opportunities that everyone else missed:

"Great opportunities are not seen with your eyes. They are seen with your mind. "

You can see many more opportunities with your mind than many people miss with their eyes. It is not rocket science, you just need to train your mind.

12. Learn to manage risk:

Investment is not risky, not knowing the investment is risky. If you want to reduce the risk, then increase your knowledge. This knowledge will not come by going to college, it will come by reading books or sitting with people who know the investment.

13. Learn management:

The main management skills are:

Management of cash flow
Management of system
Management of people
Sales and marketing are the most essential skills. The ability to sell and the ability to communicate with another human being, be it a customer, employee, fiancé, friend, or child, is a basic skill of personal success.

14. Manage fear:

“Failure inspires winners. Failure defeats losers.”

Everyone has a fear of losing money.

May God bless you financially 🥰🔥

17/02/2025

আপনি যদি আগামী ১০ বছরে কোটিপতি হতে চান, তাহলে এই কাজগুলো করুন...

১. নিজ শহর ছেড়ে অন্য জায়গায় যান (Move out of your hometown)

আপনার পরিচিত কমফোর্ট জোন থেকে বের হয়ে নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন। আপনার ব্যক্তিত্ব তৈরি হয় তিনটি বিষয়ের মাধ্যমে:
✅ আপনি কী অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন (What you've experienced)
✅ কার সাথে বেশি সময় কাটান (Who you hang out with)
✅ কী শিখেছেন (What you've been taught)

নতুন জায়গায় গেলে আপনি:
✔️ নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হবেন (Meet new people)
✔️ নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবেন (Seek new challenges)
✔️ নতুন অভিজ্ঞতা পাবেন (Experience new realities)

ফলাফল: আপনার ব্যক্তিগত উন্নতি ১০ গুণ দ্রুত হবে।

---

২. উচ্চমানের মানুষের সাথে সংযোগ তৈরি করুন (Connect with high-value people)

তবে তার আগে নিজেকে প্রস্তুত করুন:
✔️ মানানসই ও পরিচ্ছন্ন পোশাক পরুন (Dress clothes that fit)
✔️ ভালো জুতা ব্যবহার করুন (Invest in your shoes)
✔️ নিয়মিত চুলের যত্ন নিন (Have a good haircut)
✔️ নিজের শরীর এবং পোশাকে সুগন্ধ রাখুন (Smell nice)

কোথায় উচ্চমানের মানুষের সাথে পরিচিত হতে পারেন? (Places to meet high-value people):
✅ কনফারেন্স ও সেমিনারে (Attend conferences and seminars)
✅ প্রিমিয়াম ক্লাব ও হাই-এন্ড ক্যাফেতে (High-end bars)
✅ জিমে (At the gym)
✅ অনলাইনে (Online communities, LinkedIn, Twitter)

আপনি আর কোথায় ভাবছেন? (Where else?)

---

৩. স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন হোন – সপ্তাহে ৫ দিন ব্যায়াম করুন (Work out 5x a week)

যদি নিজের শরীরের যত্ন না নেন, তাহলে সফলতা পাওয়া কঠিন।

দিনে মাত্র ৪০ মিনিট সময় দিন (Set aside 40 mins a day):
✔️ ৩০০ পুশ আপ (30×10 push-ups)
✔️ ২০০ স্কোয়াট (20×10 squats)
✔️ ২ মিনিট প্ল্যাঙ্ক (1 min × 2 planks)
✔️ মাউন্টেন ক্লাইম্বার (Mountain climbers)

ফলাফল: ৬ মাসের মধ্যে শক্তিশালী হাত, পেশিবহুল বুক এবং মজবুত পা পাবেন।

---

৪. একটি উচ্চ আয়ের স্কিল শিখুন (Learn a high-income skill)

আপনার ক্যারিয়ার গড়তে একটি শক্তিশালী স্কিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জটিলভাবে ভাববেন না, সহজভাবে শুরু করুন:
✅ একটি স্কিল বেছে নিন (Choose a skill)
✅ ১০-২০টি ইউটিউব চ্যানেল খুঁজে নিন (Select 10-20 YouTube channels teaching the skill)
✅ প্রতিদিন ভিডিও দেখে ১০০ দিন সময় দিন (Binge-watch for 100 days)
✅ শিখতে শিখতে অনুশীলন করুন (Practice as you get better)

---

কোন স্কিল শিখবেন? (Which skills should you learn?)

✅ ভিডিও এডিটিং (Video Editing): ইউটিউব, সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিজ্ঞাপনের জন্য ভিডিওর চাহিদা প্রতিদিন বাড়ছে।
✅ গ্রাফিক্স ডিজাইন (Graphics Design): পোস্টার, ব্যানার, এবং ব্র্যান্ডিং ডিজাইনের জন্য বিশাল বাজার রয়েছে।
✅ ইউআই/ইউএক্স ডিজাইন (UI/UX Design): ওয়েবসাইট ও অ্যাপ ডিজাইন একটি হট স্কিল।
✅ ইউটিউব গ্রোথ (YouTube Growth): নিজের বা অন্যের ইউটিউব চ্যানেল বাড়ানোর কৌশল শিখুন।
✅ ডিজিটাল মার্কেটিং (Digital Marketing): ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, এবং গুগল অ্যাডস দিয়ে ব্যবসা প্রসার করুন।
✅ প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফি এবং ভিডিওগ্রাফি (Product Photography & Videography): ই-কমার্সের বিশাল বাজার রয়েছে।
✅ থ্রিডি মডেলিং এবং অ্যানিমেশন (3D Modeling & Animation): গেমিং ও সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে বিশাল চাহিদা।
✅ কোডিং (Coding): ওয়েবসাইট, সফটওয়্যার এবং অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের মূল ভিত্তি।
✅ কপিরাইটিং (Copywriting): বিজ্ঞাপন এবং কনটেন্ট লেখার মাধ্যমে ভালো উপার্জন সম্ভব।
✅ সেলস এবং মার্কেটিং (Salesmanship): ব্যবসা এবং পণ্যের বিক্রি বাড়ানোর দক্ষতা শিখুন।

সত্য কথা: একটি শক্তিশালী স্কিল একটি ডিগ্রির চেয়ে ১০ গুণ মূল্যবান।

---

৫. বিনিয়োগ করতে শিখুন (Learn how to invest)

প্রথমে নিজের মধ্যে বিনিয়োগ করুন, কারণ আপনি নিজেই আপনার প্রথম সম্পদ।

নিজের মধ্যে বিনিয়োগ করুন (Invest in yourself):
✅ স্বাস্থ্যকর খাবার খান (Eat healthy)
✅ ভালো মানের বিছানা কিনুন (Invest in your bedding)
✅ নিজেকে একা নিয়ে সময় কাটান (Take yourself on a solo date)

শিক্ষা এবং জ্ঞান অর্জনে বিনিয়োগ করুন (Invest in knowledge):
✅ নতুন কোর্স করুন (Take courses)
✅ একজন মেন্টরের কাছে শিখুন (Seek mentorship)
✅ এমন সম্পদ কিনুন যেগুলোর দাম সময়ের সাথে বাড়ে (Buy appreciating assets)
✅ একাধিক ইনকাম সোর্স তৈরি করুন (Open 15+ businesses)

---

🚀 শেষ কথা (Final Words):

কোথা থেকে শুরু করবেন? একটি স্কিল বেছে নিয়ে আজই শুরু করুন।
ধীরে ধীরে ছোট অভ্যাসগুলো বড় ফলাফল নিয়ে আসবে।
আপনার পরিশ্রমই একদিন আপনাকে সফল এবং কোটিপতি বানাবে!

আপনি কি আজ থেকে শুরু করতে প্রস্তুত? চলুন স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেই!

15/01/2025
Believe in God
14/01/2025

Believe in God

What dad says to his daughter's husband: The first person to hold her was me and not you, The first person to kiss her w...
08/01/2025

What dad says to his daughter's husband:

The first person to hold her was me and not you,
The first person to kiss her was me and not you,
The first person to love her was me, not you.
However, the person who can take care of her throughout her life, I hope it is you instead of me.

But if one day, you don't love her anymore, don't tell her, tell me, I'll bring her back ♥️𓃚 𓅝 𓄃

He is rich or poor according to what he is, not according what he has.
07/01/2025

He is rich or poor according to what he is, not according what he has.

🎉 Just completed level 3 and so excited to continue growing as a creator on Facebook!
06/01/2025

🎉 Just completed level 3 and so excited to continue growing as a creator on Facebook!

Address


Telephone

+8801533236492

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mehrimah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mehrimah:

  • Want your business to be the top-listed Clothing Store?

Share