02/08/2026
মিশর থেকে বিমান প্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে কেজি প্রতি পাউন্ড হিসেবে আমরা মালামাল দেশে পাঠাই। এপর্যন্ত এতবার মালামাল পাঠিয়েছি আলহামদুলিল্লাহ কোনো ধরনের বিভ্রান্তি বা হয়রানির শিকার হয়নি। কিন্তু ৩১ তারিখে একজন ছাত্রের মাধ্যমে মালামাল পাঠাই । কিন্তু সে এত হয়রানি করেছে, আল্লাহ মাফ করুক! আজকে ২ তারিখ হয়ে গেছে ৩১ তারিখ থেকে তার সাথে যোগাযোগ করি , বলে- "আমার ফোনে চার্জ নেই ," একটু পর আপডেট দিতেছি। আমাদের মালামাল কি নিয়েছেন? তা না বলে , ভাই ! ভয় পাইয়্যেন না । আমি বাসায় যাচ্ছি, তারপর বিস্তারিত জানাচ্ছি। তারপর ১ তারিখে যোগাযোগের চেষ্টা করলো- তাও সে লাইনের বাহিরে । আজকে ২ তারিখ হয়ে গেছে। এতক্ষণে আমাদের প্রোডাক্ট কাস্টমারের কাছে পৌঁছে যেতো । আজকে এসে মেসেজ দিয়ে বলতেছে: ভাই! মাল গুলো আনি নাই । রেখে আসছি আমার লোকের কাছে।
এবার বলেন কেমন লাগে তখন ? সে এই দুই দিন না ঘুরিয়ে সোজা বলে দিতো মাল নেই নি। মানুষের বিবেক বলতে কিছু নাই। এখন তাকে বলা হয়েছে মাল গুলো ভাই আমার লোকেশনে পৌঁছে দেন , ৪ তারিখে আমাদের লোক আছে পাঠাবো এর আগেই পৌঁছাবেন। প্রায় কয়েকহাজার+ পাউন্ডের মালামাল ছিলো। কতটা হয়রানির মধ্যে দিয়ে ২ টো দিন গেলো। যদিও কোনো কাস্টমার থেকে অগ্রিম পেমেন্ট নেয়া হয়নি । তারপরেও আমরা ছোটখাটো উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী। সামান্য কয়েক পয়সাও আমাদের জন্য অতি মূল্যবান কিছু। সামান্য পয়সাকড়িই আমাদের ছোট পুঁজি। সেখানে এভাবে হয়রানির শিকার হতে হলো ...
এই প্রথম এমন খারাপ অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলাম । দোয়া করি , করবেন, আমাদের পরিশ্রমের, শত কষ্টের উপার্জনের প্রোডাক্ট গুলো যেন পেয়ে যাই। এগুলো তো কাপড় আইটেম,আর চকোলেট ইত্যাদি কে মে'রে দিবে এই ভাবনায় তার টিকেট কপি নেয়া হয়নি । সে বলেছিলো- ছয়টায় ফ্লাইট নামবে, আমাদের লোক এয়ার পোর্টে গিয়ে অপেক্ষমান । অনলাইনে চেক করে দেখে, ৬ টায় কোনো বিমান ই নেই । লাস্ট নির্ধারিত বিমান লেন্ডের সময় ছিলো বিকেল ৪ টা। এটা দেখে আমাদের আরো পেরেশানি হয়েছে, যখন তাকে মেসেজ দিয়েও ঠিক মতো জবাব পাচ্ছিলাম না , সে মাল গুলো নিয়েছে কিন তাই বলছিলো না ,এজন্য আরো হয়রানি হলো । বাহির থেকে প্রোডাক্ট পাঠানোর ক্ষেত্রে এমন হয়রানির শিকার কেউ না হোক।
অর্ডার,প্রি অর্ডার দুটোই নেয়া হচ্ছে। কাপড় ও খাবার আইটেম সব কিছু পেয়ে যাবেন আমাদের কাছে।
゚
゚viralシ